ফোনালাপ ফাঁস হওয়া প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

0
156

তার প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রতিক ঘটনা ও ফোনালাপ ফাঁস প্রসঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ৭ নভেম্বর (বুধবার) দুপুরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেন।

গতকাল গণবিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোর্তুজা আলী বাবুর সঙ্গে তার ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, পিএইচএ ভবনে ভাঙচুর, লুটপাট সর্বোপরি ১০৭ দেশের অংশগ্রহণে স্বাস্থ্য সমাবেশে নিরাপত্তার জন্য ও বিদেশি মেহমানদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ৫০ জনের শিক্ষার্থীদের একটি গ্রুপ করে সহযোগিতায় নিয়োজিত রাখার কথা আমি বলেছি। প্রতিষ্ঠানের ও নিজেদের নিরাপত্তার জন্যেই এটি করতে বলা হয়েছে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, ১৫-১৯ নভেম্বর পিএইচএ ভবনে অনুষ্ঠিতব্য চতুর্থ বিশ্ব জনগণের স্বাস্থ্য সমাবেশে ১০৭টি দেশের প্রায় ৮০০ প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের ৭০০ চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, বিজ্ঞানীরা যোগ দেবেন। ইতোমধ্যেই ৯৬জন বিদেশি পিএইচএ ভবনে এসেছেন। এই সমাবেশের সফলতায় সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

এ সময় গণস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, সরকারের দেয়া অধিগ্রহণকৃত জমি, প্রতিষ্ঠানের ক্রয়কৃত জমি, ভোগদখল করা জমির ওপর বিভিন্ন স্থাপনা, সমসাময়িক রাজনীতি, ঐক্যফ্রন্টে যোগদান, র্যাবের অভিযান, আদালত কর্তৃক মীমাংসিত সম্পত্তির বিরোধ, সরকারের ইন্ধন, প্রশাসনের সহযোগিতায় দখলবাজি, তার প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলার বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশি শরণার্থীদের চিকিৎসার জন্য নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর দেহরক্ষী হাবুল ব্যানার্জীর ত্রিপুরার মেলাঘলে আনারস বাগানে স্থাপিত হয় ৪৮০ শয্যার বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল ও অপারেশন থিয়েটার। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতালের নতুন নামকরণ করেন গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র। গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র শুধু স্বাস্থ্যকেন্দ্র নয়, এখানে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, কৃষি, নারী উন্নয়ন ও দেশের পুনর্বাসন কেন্দ্রও থাকবে। তাই একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৭২ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার এটিকে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র নামে নিবন্ধিত করে। ১৯৭২ সালের ২২ নভেম্বর গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রকে দেয়া সব জমি আয়করমুক্ত করে দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৯৭৪ সালে ৩১ দশমিক ৮৩ একর জমি হুকুম দখল করে দেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগদান ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয়ার কারণেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান, পুলিশের সহযোগিতায় মামলা গ্রহণ, আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয়ে পুনরায় জমির দাবি, দখল ও হামলা হয়েছে।

উৎসঃ জাগোনিউজ

আরও পড়ুনঃ গ্রেফতার এড়াতে রোডমার্চ বাতিল করেছে ঐক্যফ্রন্ট; তবে সমাবেশ হবে!

রাজশাহী অভিমুখে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পূর্বঘোষিত রোডমার্চ স্থগিত করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বুধবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তবে তিনি বলেন, ‘পরের দিন শুক্রবার পূর্বনির্ধারিত জনসভা হবে। ইতোমধ্যে নগরীর গণকপাড়া মোড়ের এই জনসভার জন্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ অনুমতি দিয়েছে।’

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্যফ্রন্টের জনসভা থেকে নেতারা ঘোষণা দেন দ্বিতীয় দফা সংলাপ ব্যর্থ হলে রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন তারা।

পরে জনসভা থেকে মির্জা ফখরুল কর্মসূচির ঘোষণা দেন, ৮ নভেম্বর রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ এবং পরের দিন ৯ নভেম্বর রাজশাহীতে জনসভা করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আরও পড়ুনঃ দেশে এরপর যা ঘটবে তার দায়-দায়িত্ব সরকারেরঃ ড. কামাল হোসেন

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আমরা সংলাপের মাধ্যমে দাবি-দাওয়া উত্থাপন করেছি। আমরা চেয়েছি শান্তিপূর্ণ উপায়ে দাবি আদায় করতে। এখন বল প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে। দেশে এরপর যা হবে তার দায়-দায়িত্ব সরকারের।

বুধবার আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সংলাপের পর রাজধানীর বেইলি রোডে নিজের বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় জোটের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গায়েবি মামলা ছাড়া কোন দাবি পূরণ হয়নি। দাবি না মানলে কঠোর আন্দলনে যে পরিণতি হবে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে। আলোচনার সুযোগ এখনও আছে। স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ অবস্থায় সমাধানে পৌছাতেই শেষ অব্দি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সংলাপ আন্দোলনেরই একটা অংশ। দাবি না মানলে আরও আন্দোলন হবে। সংলাপ কেমন হয়েছে-এই প্রশ্নর জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, সেটা এখন বলতে চাচ্ছি না। আলোচনা ভালো না হলে জনগণকে সাথে নিয়ে ভালোর পথে আনা হবে।

এসময়, দাবি না মেনে বৃহস্পতিবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে ইসি অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর প্রমুখ।

সুত্রঃ আরটিএনএন

আরও পড়ুনঃ ১০ উপদেষ্টার নির্দলীয় সরকারের প্রস্তাব দিল ঐক্যফ্রন্ট!

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে ১০ উপদেষ্টা নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বুধবার (৭ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সংলাপে বসে লিখিত আকারে এ প্রস্তাব দেয় ঐক্যফ্রন্ট।

সংলাপের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। ওই সূত্র মতে, ঐক্যফ্রন্ট এই নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দিলেও আওয়ামী লীগ তা নাকচ করে দিয়েছে। দলটি জবাবে বলেছে, এটা সংবিধান সম্মত নয়, এতে সাংবিধানিকশূন্যতা সৃষ্টি হবে। আর এ সুযোগে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়া, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ আরও বিভিন্ন দাবি পুনরুত্থাপন করেছে ঐক্যফ্রন্ট।

বেলা ১১টা ১০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফা সংলাপ বেলা ২টার দিকে শেষ হয়। সর্বশেষ খবর অনু্যায়ী, নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবি দাওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষ ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি।

সুত্রঃ বাংলানিউজ২৪

আরও পড়ুনঃ সংলাপে নির্বাচন পেছানো ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব নাকচ করল আওয়ামীলীগ

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বসা সংলাপ শেষ হয়েছে। সংলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে নেতারা বেরিয়ে আসেন।

সংলাপ শেষে সরকারি দলের মুখপাত্র সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবির বেশ কিছু দাবি মানা হয়েছে। তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের করা সরকারের নির্ধারিত মেয়াদ শেষে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন এবং ১০ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

তিনি বলেছেন, নির্বাচন পিছিয়ে দিতে এটা তাদের বাহানা। কিন্তু আমরা সংবিধানের বাইরে যাবো না। নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। গত ৭ দিনে যত সংলাপ হয়েছে সেসব বিষয় নিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, সংসদ যেদিন বসেছে সেদিন থেকে হিসেব করে সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তারা সংলাপে প্রস্তাব দিয়েছেন নির্বাচন সংসদের মেয়াদ শেষে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে করার। কিন্তু এটা সংবিধানের বাইরে। তাই আমরা এতে সম্মত হইনি। আর একজন প্রধান উপদেষ্টাসহ ১০ জন উপদেষ্টা রেখে নির্বাচন করার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের অনুরোধ করেছেন, আপনারা নির্বাচনে আসুন, আমরা দেখিয়ে দেবো এই সরকারের অধীনেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। এরপর যদি আপনারা জিতেন আপনারা ক্ষমতায় আসবেন, আর আমরা জিতলে আমরা আসবো।

তবে তাদের ৭ দফায় থাকা বেশ কিছু দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের নিশ্চয়তা দিয়েছেন তফসিল ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করা হবে না, দলীয় পতাকা থাকবে। কোনো ধরনের সরকারি ফ্যাসিলিটি (সুবিধা) আমরা এনজয় করবো না। তখন সব কিছু থাকবে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে।

নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার আহ্বান মেনে নেওয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেছেন, এটা এখন কোথাও থাকে না। তবে নির্বাচনে সেনা মোতায়েন থাকবে। তারা নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজন অনুযায়ী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

সুত্রঃ জাস্ট নিউজ

আরও পড়ুনঃ আজকে শুধু সংলাপ হয়েছে, আর কিছু নয়ঃ আব্দুল মালেক রতন

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সংলাপের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মা‌লেক রতন বলেছেন, শুধু সংলাপ হয়েছে, আর কিছু নয়।

বুধবার (৭ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে সংলাপ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। তবে ঐক্যফ্রন্টের অন্য নেতারা সংলাপের আলোচনার বিষয়ে কিছু বলতে চাননি।

এ সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে আরও অংশ নেন শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত ‌চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহ‌সিন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এস এম আকরাম প্রমুখ।

সুত্রঃ বাংলানিউজ২৪

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here