এইচএসসি পাস করে ওকালতি, ধারা খেয়ে কারাগারে

0
248

পাঁচ বছর শিক্ষানবীশ আইনজীবী এবং দুই বছর আইনজীবী হিসেবে কাজ করা উচ্চ মাধ্যমিক পাস এক নারীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেব দাস চন্দ্র অধিকারী কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে ঢাকা সিএমএম আদালতে হাজির করেন কোতয়ালী থানার এসআই মোহাম্মাদ মোবারক হুসেন ভূঞা।

জানা যায়, সাত বছর আগে এলএলবি পাস করে বার কাউন্সিলে সদস্যভুক্তির জন্য আবেদন করেছেন জানিয়ে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১৮ সালে বার কাউন্সিল থেকে আইনজীবী হিসেবে সনদ পেয়েছেন মর্মে প্রচার করে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। পাসের সংবাদ পেয়ে খুশিতে মহিলা আইনজীবী কমনরুমে পাঁচ কেজি মিষ্টিও খাওয়ান। এইচএসসি ওই নারী এভাবেই নারী-পুরুষ সকল আইনজীবীকে ফাঁকি দিয়ে আইন পেশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

গত রবিবার তিনি ঢাকা আইনজীবী সমিতির টাউট উচ্ছেদ কমিটির হাতে ধারা পড়েন। আইনজীবী হিসেবে মিথ্যা পরিচন দান এবং জাল জালিয়াতির অভিযোগে সমিতির পক্ষ থেকে সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান জুয়েল কোতয়ালী থানায় মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডি থানাধীন ১২/এ, ধানমণ্ডি-৩২ এর বাসিন্দা জহিরুল হকের মেয়ে রিমি জাহান (২৯)। তিনি সুফিয়া খানম রিমি (মৌ) নাম ধারণ করে অন্য আইনজীবীর সদস্য নম্বর ব্যবহার করে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে আইনজীবীর পরিচয়পত্র তৈরি করেন। ওই পরিচয়ে তিনি দীর্ঘদিন বিচারপ্রার্থী নিরীহ জনগণের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলেন।

জানা গেছে, রিমি গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি কয়েক বছর ধরে প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণাও করে আসছিলেন। তিনি আইনজীবী হিসেবে কোট-গাউন পরে মামলার শুনানিও করতেন।

এ সম্পর্কে মামলার বাদী মেহেদী হাসান জুয়েল জানান, এইচএসসি পাস করেই তিনি নিজেকে এলএলবি পাস বলে বেশ কয়েক বছর আগে আইন অঙ্গনে আছেন। ২০১৮ সালে বার কাউন্সিল থেকে পাস করেছেন মর্মে প্রচার করে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে পরিচয়পত্র তৈরি করেন। তিনি পরিচয়পত্রে ঢাকা বারের আইনজীবী সদস্য সোফিয়া খামনের সদস্য নম্বর ২২৭৯০ ব্যবহার করে পরিচয়পত্র তৈরি করেন।

উৎসঃ ‌‌ঢাকাটাইমস

আরও পড়ুনঃ ‌শরণখোলায় বৃদ্ধকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন আওয়ামী লীগ নেতা কামাল বয়াতীর নেতৃত্বে

বাগেরহাটের শরণখোলায় পাওনা টাকা আদায় করতে এক বৃদ্ধকে পায়ে শিকলে বেঁধে নির্যাতন চালিয়েছেন স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা।

নির্যাতনের শিকার ওই বৃদ্ধের নাম ইসমাইল হোসেন খান। ওই বৃদ্ধকে গত দুদিন ধরে নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ওই বৃদ্ধার দাঁড়ির কিছু অংশ টেনে উপড়ে ফেলা হয়েছে।

রোববার দুপুর থেকে বাগেরহাটের শরণখোলার পশ্চিম খাদা গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা কামাল বয়াতীর নেতৃত্বে এ অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে।

সরেজমিনে উপজেলার পশ্চিম খাদা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল বয়াতীর বাড়িতে পায়ে শিকল বেঁধে আটকে রাখা হয়েছে দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত গনি খাঁনের ছেলে ইসমাইল খানকে (৬০)।

কামাল বয়াতী বলেন, ইসমাইল হোসেনের কাছে তার ব্যবসা সংক্রান্ত ২০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। টাকা না দেয়ায় ইসমাইল হোসেনকে পায়ে শিকল বেঁধে আটক করা হয়েছে। টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত তার পায়ে শিকল থাকবে।

ইসমাইল হোসেন জানান, টাকা আদায়ের জন্য বৈঠকের কথা বলে কৌশলে তাকে বাড়ি থেকে বাংলাবাজার এলাকায় ডেকে আনা হয়। সাত হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও এক পর্যায়ে ওই বাজারে জনসমক্ষে কামালের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা বেধড়ক মারপিট করেন এবং তার দাঁড়ির কিছু অংশ তুলে দেন।

এ সময় ঘটনাস্থলের অদূরে অনেকেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এ দৃশ্য দেখলেও ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি। পরে ইসমাইল হোসেনের পায়ে শিকল দিয়ে দোকান ঘরের খুঁটির সঙ্গে শনিবার দুপুর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সাত ঘণ্টা বেঁধে রাখেন।

রোববার বিকাল ৫টার সময়ও কামাল বয়াতীর বসতবাড়ির একটি কক্ষে তাকে আটকে রাখা হয়েছিল।

বন্দি ইসমাইল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সাদা কাগজে তার জোরপূর্বক একাধিক স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। তাকে উদ্ধারের জন্য তিনি সাংবাদিকদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।

শরণখোলা থানার আফিসার ইনচার্জ দিলীপ কুমার সরকারকে বিষয়টি অবহিত করার পর ইসমাইল হোসেনকে উদ্ধারের জন্য দ্রুত পুলিশের একটি টিম তিনি পাঠিয়েছেন।

তিনি জানান, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হবে।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌বিএনপি জোট ছাড়ল আন্দালিভ রহমান পার্থের বিজেপি


বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ২০ বছর পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০–দলীয় জোট ছেড়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় দলটির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ প্রথম আলোকে ফোন করে জোট ছাড়ার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘এইমাত্র আমার দল ২০–দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে গেল।’ জোট ছাড়া নিয়ে বিজেপি একটি বিবৃতিও পাঠিয়েছে।

চার দলীয় জোটের সঙ্গে ১৯৯৯ সাল থেকে এবং পরে ২০–দলীয় জোটভুক্ত হয়ে রাজনীতি করে আসছিল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)। জোট ছাড়ার কারণ হিসেবে বিবৃতিতে বিজেপি বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে পার্থ বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হওয়ার পর ২০–দলীয় জোট স্থবির হয়ে যায় এবং রাজনীতি ঐক্যফ্রন্টমুখী হয়ে পড়ে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারের সঙ্গে সংলাপে বিএনপি বাদে ২০ দলের অন্য কারও সম্পৃক্ততা ছিল না। বিজেপির অভিযোগ, সংহতি ও সহমত পোষণের জন্যই ২০ দলের সভা ডাকা হতো।

ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে সংসদে যাবে না বলেছিল। কিন্তু তারা শেষ মুহূর্তে গিয়ে শপথ নিয়ে সংসদে যোগ দেয়। এ বিষয় উল্লেখ করে আন্দালিভ রহমান পার্থের দল বিজেপি জানায়, এতে তারা অবাক হয়েছে এবং এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে ২০ দলের অন্য কোনো দলের সম্পৃক্ততা নেই।

এ ছাড়া বিজেপি মনে করে, শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি ৩০ ডিসেম্বরের ‘প্রহসনের’ নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে। এ কারণগুলো দেখিয়েই তারা ২০ দলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে।

উৎসঃ ‌‌প্রথম আলো

আরও পড়ুনঃ ‌‘আইন-আদালতের কারণে নয়, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাতেই বেগম জিয়া কারাগারে’


আইন, আদালতের কারণে নয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাতেই বেগম জিয়া কারাগারে আছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

সোমবার(৬ মে) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের সকল রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে নাগরিক প্রতিবাদ সভাটির আয়োজন করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যুক্তরাজ্য সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোনালাপের কথিত অডিওতে শোনা যায়, ‘তারেককে বলো বেশি বাড়াবাড়ি না করতে। তাহলে কিন্তু তার মা জেল থেকে বের হতে পারবে না। লন্ডনে আমাদের এখন কোনো হোটেল ভাড়া দেয় না। প্লিজ, হোটেলের আশপাশে ঝামেলা করো না।’ এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই কথার মানে আইনের কারণে নয়, আদালতের কারণে নয়, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাতেই বেগম জিয়া কারাগারে আছেন এবং সারা জীবন কারাগারে থাকতে হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হুমকি দিয়ে বলেছেন, সব কথাই বলা দরকার কোনো কথায় বলা যাবে না। এ অবস্থার মধ্যে আমরা এ দেশে বসবাস করছি। এখন আমি যদি বলি আদালতের হাত-পা বাঁধা, তাহলে বলা হবে আপনি আদালত অবমাননা করেছেন। আমি বিচার বিভাগের উপর, বিচারপতিদের সবিনয় নিবেদন করবো, একজন কারাবন্দিকে আজীবন কারাগারে থাকতে হবে এ হুমকি যদি প্রধানমন্ত্রী দেয়

তবে আপনারা কি জিজ্ঞেস করতে পারেন, তিনি কে? আপনি কে এ সিদ্ধান্ত দেয়ার? পারবেন না?

গয়েশ্বর বলেন, ‘একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে হোটেল বুকিং দিতে পারে না, এক হোটেল থেকে অন্য হোটেলে গাড়ি নিয়ে ছোটাছুটি করতে হয় এটা স্বাভাবিক বিষয় না। লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর বোনের বাসা আছে। উনি হোটেল বুকিং না পেলে সেখানে উঠতে পারতেন।’

দলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সমালোচনা দলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস কমায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে ব্লেইম গেম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমি কি পারলাম সেটা ভেবে দেখতে হবে। আরেকজনকে কেন দোষারোপ করব? আমরা সবাইতো একই দোষে দুষি। একজন আরেকজনকে দোষারোপ করলে প্রতিপক্ষ সুযোগ পায়। আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমাদের সংগ্রাম ঐক্যের জন্য, ঐক্য হল লক্ষ্যার্জনের।’

এসময় গয়েশ্বর বলেন, ‘আসুন আমরা অন্যের সমালোচনা করা বাদ দিয়ে আত্মসমালোচনা করি এবং নিজেকে সংশোধনের মাধ্যমে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলবো। এতে দল শক্তিশালী হবে, দলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।’

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘যেখানে ব্যর্থতা সেখানেই সফলতার যাত্রা শুরু, এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। অর্থাৎ যেখানে আমাদের পারা দরকার। সেখানে আমাদের পারার জন্য চেষ্টা করা দরকার। চেষ্টা করলে কখনো সফল কখনো বিফল হতে পারে। আর বিফল হওয়ার মানে এই না আমি সেখানে ইশতফা দেব ‘

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সিদ্ধান্ত হয়েছে সংসদে যাওয়ার। এখন দেখার ব্যাপার যে তারা কতটা ভূমিকা রাখতে পারে। এখন এসব নিয়ে কথা বলার নয়। দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন ভিন্ন থাকে। আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এরপর সময়ই বলে দিব সিদ্ধান্তটা সঠিক, নাকি বেঠিক ছিল।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমে আশা করেছিলাম সংসদে যাওয়াটা, পরে খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে। কিন্তু শেখ হাসিনার কথার পর তা আর মনে হচ্ছে না। তবু আমরা আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করবো।’

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাহ, ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, তাঁতী দলের যুগ্ম আহবায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জান মনির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

উৎসঃ ‌‌ব্রেকিংনিউজ

আরও পড়ুনঃ ‌ব্যারিস্টার মওদুদকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল


বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে দেখতে গেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার রাতে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে যান তিনি।

মির্জা ফখরুল এ সময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। মওদুদের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মওদুদ আহমদের ব্যক্তিগত এপিএস সুজন। তিনি জানান, আদালতে মামলার হাজিরা দিতে গেলে সেখানে সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। সেখান থেকে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন।

তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী হাসনা মওদুদ। তার পরিবার মওদুদ আহমদের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন।

ব্যারিস্টার মওদুদের অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা খোঁজখবর নিচ্ছেন।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌শপথ নিয়ে তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই সঠিক: মির্জা ফখরুল


বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ ও সংসদে যাওয়া নিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্মিলিত ছাত্র ফোরাম আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় শপথ নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যখন আমরা বলেছিলাম- সংসদে যাব না, ওই মুহূর্তে আমাদের সিদ্ধান্তটা ছিল ভুল। কারণ আমাদের পার্লামেন্টেও লড়াই করতে হবে। বাইরেও লড়াই করতে হবে। আপনাকে সব জায়গা থেকে লড়াই করতে হবে। সংগ্রাম করতে হবে। এ জন্য পথ তৈরি করে দিতে হবে।

স্লোগাননির্ভর রাজনীতি থেকে দলের নেতাকর্মীদের বের হয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সস্তা স্লোগান দিলে চলবে না। আমাদের পথ খুঁজে বের করতে হবে। ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। আমরা বসে থাকব না। পথ খুঁজব।

দেশের নয়, আওয়ামী লীগের উন্নতি হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন হচ্ছে না। অর্থনীতির অবস্থা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর।

বিএনপি ঐক্যবদ্ধ আছে জানিয়ে মহাসচিব বলেন, দলে এতটুকুও সমস্যা নেই। দল ঐক্যবদ্ধ আছে।এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কিছুই নেই।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার তার জামিন দিতে ভয় পায়। কারণ দেশনেত্রীকে মুক্তি দিলে হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালার মতো তার ডাকে মানুষ ছুটে আসবে।

আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক শক্তি নয় দাবি করে ফখরুল বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক শক্তি নয়। আওয়ামী লীগ মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু তার উল্টোটা বিশ্বাস করে। আওয়ামী লীগ একমাত্র দল, যারা ৭৫ সালে সব দল নিষিদ্ধ করে দিয়ে এবং পত্রিকাগুলো বন্ধ করে দিয়ে একদলীয় শাসন বাকশাল প্রতিষ্ঠিত করেছিল। আজ আবারও সেই দলটিই দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের অধিকারগুলো হরণ করে নিয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

নাসির উদ্দিন পিন্টুর স্মৃতিচারণ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, পিন্টু এমনি মারা যাননি, তাকে হত্যা করা হয়েছে।রাজনৈতিক কারণে তাকে জেলের ভেতরে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতাবে বিনা চিকিৎসায় হত্যা করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, মির্জা ফখরুল যদি নেতাকর্মীদের সঠিক নেতৃত্ব দেন, তাহলে পিন্টুর মতো অনেক নেতা তৈরি হবে।’

তার এই বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, নেতাদের বলবো— এসব কথা দলীয় ফোরামে বলবেন। বাইরে দলের বিষয়ে যত কম কথা বলবেন, তত মঙ্গলজনক হবে। তবে আমাদের দল ঐক্যবদ্ধ আছে। কোনও সমস্যা নেই।

সংগঠনের আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইয়াসিন আলী, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌বাংলাদেশের সম্পাদকরা অনেক রিপোর্ট সরকারের ভয়ে প্রকাশ করেন না


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ক্যাম্পেইনার সাদ হাম্মাদি বলেছেন, সংবাদ ও সম্পাদকীয় প্রকাশের ক্ষেত্রে চরম মাত্রায় সতর্ক হয়েছেন বাংলাদেশে সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকরা। এমনকি প্রতেশোধ নেয়ার আতঙ্কে তারা অনেক কলাম ও সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিরত থাকেন। প্রথমবারের মতো ঢাকায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ক্যাম্পেইন ইভেন্টে তিনি এ কথা বলেন।

ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেন কমেডিয়ান, কার্টুনিস্ট, সাংবাদিক, বøগার, সঙ্গীতজ্ঞ, কবি, অধিকারকর্মী ও সরাসরি পারফরম্যান্স করা শিল্পীরা। তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে অগ্রসরমান করার বিষয়কে ফুটিয়ে তোলেন। একই সঙ্গে এসব অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে সরকার ও জনগণ কী ভূমিকা পালন করতে পারে তার প্রতিফলন ঘটানো হয়।

গত শনিবার ঢাকায় ইএমকে সেন্টারে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এডওয়ার্ড এম কেনেডি সেন্টার। ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিড ডে উপলক্ষে এই ইভেন্ট আয়োজন করা হয়। এতে সাদ হাম্মাদি বলেন, যখন মানুষ জানতে পারেন না যে, তারা যা বলেন বা লেখেন তা অপরাধ (অফেন্স) হিসেবে গণ্য হবে; তখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে গিয়ে তারা ভীতশঙ্কিত হয়ে পড়েন। তার মতে, এমন অনুভূতি থেকে অসন্তোষের জন্ম হয়। একটি সামাজিক উন্নয়নশীল দেশের জন্য তা স্বাস্থ্যকর বা উপযোগীও নয়।

অ্যামনেস্টির ক্যামেইন ইভেন্টে স্বাক্ষর করেন কারামুক্ত ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলম, কমেডিয়ান ইয়ামিন খান ও আহমদ আশিক, কার্টুনিস্ট সৈয়দ রাশাদ ইমাম তন্ময়, সাংবাদিক শুপ্রভা তাসনিম, আইরিন খান, সৈয়দ তাশফিন চৌধুরী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ইরেশ যাকের, বøগার ও অধিকারকর্মী ফাহমিদুল হক, আর্টিস্ট লিজা হাসান, ঋতু সাত্তার, সাইফ মাহমুদ ও আবীর খালিদ।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিশ্বজুড়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান সম্পর্কে সমর্থন করেন বিভিন্ন স্তরের বিশ্ববরেণ্য আর্টিস্টরা। এর মধ্যে রয়েছে কোল্ডপ্লে, রাসেল ব্রান্ড, জিমি কার, জন স্টিওয়ার্ট, জন অলিভার, স্টিফেন কোলবার্ট।

অনুষ্ঠানে সাদ হাম্মাদি বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এই ইভেন্ট হলো স্বাধীনতা বা ফ্রিডমের প্রতি অব্যাহত প্রচারণার অংশ। এর অংশ হলো ওইসব দেশের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, যেখানে শান্তিপূর্ণভাবে মতামত শেয়ার করার কারণে মানুষকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সুরক্ষা ছাড়া মানুষ অবাধে নিজেকে প্রকাশ ঘটাতে পারে না। তথ্যের ওপর সেন্সরশিপ ও প্রতিশোধের আশঙ্কা জীবনধারণের গুণগত মান হ্রাস পায়। হ্রাস পায় সততা ও জনগণের কাছে জবাবদিহিতার বিষয়।

উৎসঃ ‌‌ইনকিলাব

আরও পড়ুনঃ ‌বরিশালে প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে জিলাপি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে


জিলাপি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কটকস্থল গ্রামে প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে ওই ছাত্রীর মা গৌরনদী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় একই গ্রামের মৃত আকফাত বেপারীর ছেলে গাছ ব্যবসায়ী আলী বেপারীকে (৪৫) আসমি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ওই স্কুলছাত্রীর বাবা কিছুদিন আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে তিনি প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তানকে ছেড়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে অন্যখানে বসবাস করছেন। তখনই থেকেই গৃহকর্মীর কাজ করে তিন সন্তানকে নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন প্রথম স্ত্রী। কাজের জন্য দিনের বেশিরভাগ সময় তাকে বাইরে থাকতে হয়। এ সুযোগে প্রতিবেশী দুই সন্তানের জনক আলী বেপারীর নজর পড়ে তার ৯ বছর বয়সী মেয়ের ওপর। এরপর থেকে আলী বেপারী সুযোগ খুঁজতে থাকেন।

ঘটনার দিন গত ২৫ এপ্রিল মেয়েটিকে একা পেয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে জিলাপি খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। ঘটনাটি কাউকে না বলতে মেয়েটিকে হুমকি দিয়ে চলে যান তিনি। ভয়ে মেয়েটি এ ঘটনা কাউকে না জানিয়ে গোপন করে। পরদিন জামা-কাপড়ে রক্তের দাগ দেখে তার চাচি এর কারণ জানতে চান। এক পর্যায়ে সব কিছু বলে মেয়েটি। পরে তিনি বিষয়টি তার মাকে জানান। তবে লোকলজ্জার ভয়ে তার মা বেশ কিছুদিন ঘটনাটি গোপন করে রাখেন। এরই মধ্যে বিষয়টি প্রতিবেশীরা জেনে যান।

স্থানীয়রা আরও জানান, মঙ্গলবার ওই স্কুলছাত্রীর মা কয়েকজন স্বজনকে সঙ্গে নিয়ে বিচার চাইতে আলী বেপারীর বাড়িতে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন আলী বেপারী। ধর্ষণের ঘটনা সাজানো বলে উল্টো স্কুলছাত্রীর মাকে হুমকি দেন। বিষয়টি নিয়ে বুধবার সকালে এলাকার গণমান্য লোক নিয়ে বসবেন বলে আলী বেপারী স্কুলছাত্রীর মাকে জানান। তবে তিনি মঙ্গলবার রাতেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় গৌরনদী থানা পুলিশের ওসি গোলাম ছরোয়ার জানান, বুধবার বিকেলে ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। আসামি আলী বেপারীকে গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে।

উৎসঃ ‌‌জাগোনিউজ

আরও পড়ুনঃ ‌‘শেখ হাসিনার শাসনামল খুন-ধর্ষণ, ব্যাংক ডাকাতি-ভোট ডাকাতির স্বর্ণযুগ’


বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার এই শাসন আমল হলো ধর্ষণ, খুন, ভোট ডাকাতি, ব্যাংক ডাকাতির স্বর্ণযুগ। ইতিহাসবিদরা যদি কখনো এই শাসন আমলের পর্যালোচনা করেন তাহলে এই শাসনামলকে খুন-ধর্ষণের স্বর্ণযুগ বলে অভিহিত করবেন।’

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী হলে প্রয়াত সুনীল গুপ্ত স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে সুনীল গুপ্তের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘রাজপথে শক্তি প্রদর্শন করতে না পারলে স্বৈরশাসকের পতন হবে না, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না, দেশের মানুষের অধিকার ফিরে পাবে না।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান ক্ষমতা দখলকারী সরকারের নেতারা বলেন- বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। তাদের এ কথা শুনলে হাসি পায়। যে দেশের রাজধানীতে জনগণ বিশুদ্ধ পানি পায় না। একটু বৃষ্টি হলে নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা হয়। যে দেশের প্রতিটি ব্যাংক ডাকাতি হয়েছে। যে দেশের প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই শিশু, নারী ধর্ষণ, খুন এর খবর পাওয়া যায় সেই দেশ নাকি উন্নয়নের রোল মডেল?’

এ সময় তিনি যুবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘১৯৭১ সালে কোনও রাজনীতি দল বাংলাদেশ স্বাধীন করে নাই। দেশ স্বাধীন করেছিল ছাত্র, যুবকরা। আজ বাংলাদেশের স্বৈরাশাসকের হাত থেকে মুক্ত করতে হলে যুবকদের কে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদেরকে এগিয়ে আসতে হবে, তাহলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. সুকোমল বড়ুয়া, কবি আব্দুল হাই শিকদার, মাওলানা ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌ব্রেকিংনিউজ

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here