স্পেনে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের ওপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী

0
164

অবিলম্বে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের ওপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী করেছে সাবেক ছাত্রদল অর্গানাইজেশন স্পেন। দলটির নেতারা মাদ্রিদে এক অনশন ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ দাবি জানিয়েছেন।

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে রবিবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সাবেক ছাত্রদল অর্গানাইজেশন স্পেন এ অনশন কর্মসূচি পালিত হয়।

৮ ঘণ্টার এ কর্মসূচি শেষে স্পেন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম পংকি সাবেক ছাত্রদল অর্গানাইজেশনের নেতাদের পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক ছাত্রদল অর্গানাইজেশনের আহ্বায়ক ও স্পেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর রাসেল বলেন, যে কোনো মূল্যে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। সে জন্য আমাদের আন্দোলন শুরু করতে হবে।

দলের এই দুর্দিনে আমার নেত্রীকে জেলে রেখে যারা গ্রুপিং করে তারা বিএনপির নেতাকর্মী হতে পারে নাI তিনি বলেন, সাবেক ছাত্রদল অর্গানাইজেশন একই দাবিতে ইউরোপের প্রত্যেক দেশে অনশন এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে l

স্পেন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম পংকি বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে গায়ের জোরে আটকে রেখেছে। কারণ তাঁকে সরকার ভয় পায়, বিএনপিকে ভয় পায়।

সাবেক ছাত্রদল অর্গানাইজেশনের এ কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান।

জাকির চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও আবিদুর রহমান জসিমের পরিচালনায় স্পেন বিএনপির সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান জন্টু, সুহেল আহমদ শামসু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকিরুল ইসলাম জাকি, সায়েদ মিয়া, স্পেন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সানুর মিয়া ছাদ ও আব্দুল মোতালেব বাবুল, মাহবুবুল হাসান চৌধুরী, শিপলু আহমেদ, প্রিন্স তুহিন, লুৎফুর রহমান প্রমুখ মানববন্ধন ও অনশনে অংশ নেন।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌কথিত মানহানির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট


কথিত মানহানির দুই মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মওদুদ আহমদ ও এজে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান।

প্রসঙ্গত ২০১৪ সালে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত মামলা দুটি বিচারাধীন।

এ মামলায় গত ২০ মার্চ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ অবস্থায় ওই দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন উপস্থাপন করা হয়।

পরে গত ২২ মে শুনানির জন্য ১৭ জুন দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌এ সংসদ অবৈধ তা জাতিকে জানাতেই আমি শপথ নিইনি: মির্জা ফখরুল


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ সংসদ অবৈধ তা জাতিকে জানাতেই আমি শপথ নিইনি। এটা দলীয় সিদ্ধান্ত ছিল দাবি করে বিএনপির বাকি সংসদ সদস্যদের সংসদে যোগদান করার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেন তিনি।

সোমবার বিকালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এক কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জনগণকে ভোট বিপ্লব থেকে সরিয়ে দিতে বেগম খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে এই অবৈধ সরকার। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষে ভোট দেয়ার অধীর অপেক্ষায় ছিলেন এ দেশের মানুষ। কিন্তু পিস্তল ঠেকিয়ে জনগণের ভোটউৎসব ডাকাতি করেছে আওয়ামী লীগ ও তাদের পেটুয়া বাহিনী।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকা থেকে বিশেষ বাহিনী আনা হয়েছিলো শুধুমাত্র আমাকে ভোটে হারিয়ে দেয়ার জন্য।

তিনি বলেন, নির্বাচন হয়ে গেলেও এ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। তবে ঠাকুরগাঁর রাণীশংকৈল উপজেলার কিছু মানুষ ভোট দিতে পেরেছেন শুধুমাত্র সাংগঠনিক শক্তির কারণে।

দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, অনলাইন ও স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্ত ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের দলীয় নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমানের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্য উপক্ষো করে তিনি জাতীয় সংসদে গিয়ে শপথ নিয়েছেন। বিএনপির এই সংসদ সদস্যকে শপথ না নেয়ার জন্য বলা হয়েছিলো। কিছুদিনের জন্যও অপেক্ষা করেননি তিনি।

তার বহিষ্কারের আদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাহিদুর রহমানের প্রতি বিএনপির যথেষ্ট সহানুভূতি ছিল। কিন্তু তিনি ধৈর্য না ধরে তড়িঘড়ি করে সংসদে গিয়ে শপথ নিয়েছেন। তবে দলের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের পর তার বহিষ্কারাদেশ বিষয়ে বিবেচনা করা হবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকারের দমন-নিপীড়ণে বিএনপি রাজপথে দাঁড়াতে পারছে না। সভা-সমাবেশ আয়োজন করলেও তা ভণ্ডুল করে দিচ্ছে স্বৈরাচার এই সরকার। তিনি আবারও নিরপেক্ষ, তত্ত্বাবধারক সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করেন।

রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক শাহজাহান আলীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ হক মাসুদ, জেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, হোসেনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আইনুল হক প্রমুখ।

পরে তিনি পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এক কর্মী সভায় যোগ দেন। এছাড়া বেলা ১১টায় হরিপুর উপজেলায় বিএনপি আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌হিজাব সৌদি আরবের সংস্কৃতি; এটা আমদের নারীরা পড়বে কেন?: মেনন


বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘দেশের কিছু হুজুররা বলেন শাড়ি পড়ে নামাজ জায়েজ না কিন্তু আমাদের মা জননীরা শাড়ি পড়ে নামাজ পড়েছে আব্রু রক্ষা করেছে। তাহলে আপনারা কেন সব উল্টাপাল্টা কথা বলবেন? হিজাব তো আর আমাদের দেশের সংস্কৃতি না এটা সৌদি আরবের, তাহলে এটা আমরা কেন পড়বো?’

রবিবার (১৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়ন আয়োজিত কর্মস্থলে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে আইএলও কনভেনশন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গৃহ শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আইন চাই শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

মেনন বলেন, ‘রাসূল (স.) বলেছেন, মায়ের পায়ের তলায় সন্তানের বেহেস্ত। তাই যদি হয় তাহলে মেয়েদের সম্পর্কে হুজুররা এসব উল্টোপাল্টা কথা কেন বলবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন এমন অবস্থা হয়েছে এসব কাঠমোল্লাদের ব্যাপারে যা আর বলার না। এখন নাকি শাড়ি পড়ে নামাজ পড়া জায়েজ না এটা হচ্ছে আমাদের দেশের পরিস্থিতি! আমাদের মা জননীরা শাড়ি পড়ে নামাজ পড়েছে আব্রু রক্ষা করেছে। তাহলে আপনারা কেন সব উল্টাপাল্টা কথা বলবেন? হিজব তো আর আমাদের দেশের সংস্কৃতি না এটা সৌদি আরবের তাহলে এটা আমরা কেন পড়বো। এমন হলে তো আমাদের মা, দাদী কেউ বেহেশতে যাবে না।’

এসময় তিনি নারীদের আরও বেশি জোর দিয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

সভায় উপস্থিত হয়ে লুৎফুন্নেসা খান বিউটি (এমপি) বলেন, আজ ১৬ জুন আন্তর্জাতিক গৃহশ্রমিক দিবস। আমাদের সমাজে ঘরে এখনো এমন অবস্থা রয়েছে যে সারাদিন কাজ করার পরও একজন গৃহিণীকে শুনতে হয় সারাদিন বাড়ি বাড়ি বসে কি করেছো?’

সভায় সকলের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, ‘কাজের মেয়েদের গায়ে হাত দিবেন না। তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন।’ এসময় তিনি গৃহশ্রমিকদের যৌণ হয়রানি বন্ধে একাট্টা হওয়ার আহবান জানান।

উৎসঃ ‌‌‌ব্রেকিংনিউজ

আরও পড়ুনঃ ‌এবার নারীদের মোজা ও নেকাব পরা নিয়ে কটাক্ষ করলেন শেখ হাসিনা! (ভিডিও সহ)


পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তর মুসলিম দেশ হল আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের মুসলমানরা শত শত বছর ধরে কুরআন-সুন্নাহ ও ইসলামিক কালচার অনুযায়ী জীবন যাপন করে আসছে। পোশাকের ক্ষেত্রেও এদেশের মুসলমানরা ইসলামি পোশাক পরতেই বেশি পছন্দ করেন। তারপরও পাশ্চাত্যের গোলাম হিসেবে পরিচিত কিছু নামধারী মুসলমান এদেশের মুসলমানদের মধ্যে পাশ্চাত্যের নোংরা সংস্কৃতি ঢোকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। নেকাব ও হিজাবধারী স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ও নারীদেরকে তারা ধর্মান্ধ বলে গালি দিয়ে থাকে। নেকাব ও হিজাব পরার কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রীদেরকে বের করে দেয়ার ঘটনাও ঘটছে।

ভিডিওঃ  ‘এবার নারীদের মোজা ও নেকাব পরা নিয়ে কটাক্ষ করলেন শেখ হাসিনা! ’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

আধুনিকতার নামে উলঙ্গ সংস্কৃতির অনুসারীরা প্রায় সময়ই নেকাব ও হিজাব নিয়ে কটাক্ষ করে থাকে। টেলিভিশনের টকশোতে তারা হিজারধারী নারীদেরকে নিয়ে নানা রকম বাজে মন্তব্য করে থাকে।

লক্ষণীয় বিষয় হলো- এখন রাষ্ট্রের অভিভাবক শেখ হাসিনা নিজেও নেকাবধারী নারীদেরকে নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছেন। রোববার গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা খুব তাচ্ছিল্যের সঙ্গে হাতে পায়ে মোজা পরা ও নেকাব দিয়ে চোখ-মুখ ঢেকে রাখা নারীদেরকে কটাক্ষ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে এসএ টিভির সিইও ও সারাবাংলা ডটনেটের সম্পাদক ইসতিয়াক রেজা প্রশ্ন করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আমাদের নারীদের বিরুদ্ধে কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠী ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আস্তিক-নাস্তিক বিতর্ক সৃষ্টি করছে, ধর্মীয় সংঘাত ও সহিংসতা সৃষ্টি করছে। এদের ব্যাপারে আপনি কি ব্যবস্থা নেবেন এবং রাষ্ট্র কি ব্যবস্থা নিতে পারে?

জবাবে শেখ হাসিনা অনেক বয়ান করেছেন। হযরত খাদিজা ও আয়েশার জীবন কাহিনী বর্ণনা করেছেন। তারা নারী হয়েও যুদ্ধ করেছেন। ওই সময় নারীরা অনেক ক্ষমতাধর ছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশে নারীদের ক্ষমতায়নের বয়ান করলেন। বললেন- আমরা নারীদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এখন পাইলট আছে আমার নারী, আর্মি অফিসার আছে আমার নারী, মেজর আছে আমার নারী। আমি নারীদেরকে সবখানে তুলে নিয়ে আসছি। এটাই তাদের জবাব।

এরপর কয়েক সেকেন্ড বিরতির পর ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দাঁড়ালেন প্রশ্ন করতে। ওই সময় শেখ হাসিনা নারীদের প্রসঙ্গে আবার বললেন, হাত মোজা, পা মোজা, নাক-চোখ ঢাইক্কা এটা কি? জীবন্ত tent (তাবু) হয়ে ঘুরে বেড়ানো এটারতো কোনো মানে হয় না।

সচেতন মানুষও মনে করছেন, শেখ হাসিনা এখানে সরাসরি নেকাব ও হিজাবধারী নারীদেরকে অপমান করেছেন। ইসলামি বিধান অনুযায়ী পোশাক পরার অধিকার একজন মুসলিম নারীর আছে। কিন্তু শেখ হাসিনা একটি মুসলিম দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে হাত মোজা, পা মোজা ও নেকাব পরিধান করে নাক-চোখ ঢেকে রাখাকে তাচ্ছিল্য করতে পারেন না। এর মাধ্যমে শেখ হাসিনা এদেশের মুসলিম নারীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।

ভিডিওঃ  ‘এবার নারীদের মোজা ও নেকাব পরা নিয়ে কটাক্ষ করলেন শেখ হাসিনা! ’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

উৎসঃ ‌‌‌অ্যানালাইসিস বিডি

আরও পড়ুনঃ ‌ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যে আবারও উত্তপ্ত সংসদ (ভিডিও সহ)


বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক এবং সংসদের বৈধতা নিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা প্রশ্ন করায় আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠে সংসদ অধিবেশন।

রোববার জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার সময় এমন উত্তপ্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

নির্ধারিত ১০ মিনিটের বক্তৃতায় তিন দফায় বাধার সম্মুখিন হন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, এই সংসদের কেউ বলতে পারবেন জনগণের প্রত্যেক্ষ ভোটে নির্বাচিত? কেউ বলতে পারবেন না। এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি দলের সদস্যরা হই হই করতে থাকেন।

এক পর্যায়ে ডেপুটি স্পিকার তার বক্তব্য থামিয়ে বলেন, আপনি বাজেটের বাইরে এমন কোনো কথা বলবেন না যাতে সংসদ উত্তপ্ত হয়।

ভিডিওঃ  ‘ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যে আবারও উত্তপ্ত জাতীয় সংসদ! ’


[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, এই সংসদে আসার আগে সংসদ নেতা বলেছিলেন আমাদের কথা বলতে দেবেন। কিন্তু আমার প্রথম বক্তৃতার দুই মিনিটের এক মিনিটও শান্তিমতো কথা বলতে পারিনি। একই ঘটনা আজকেও।

কথা শুরু করার ৩৬ সেকেন্ডের মাথায় তার বক্তৃতা থামিয়ে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, এমন কথা বলবেন না যাতে বিরোধী পক্ষ উত্তেজিত হয়।

পুনরায় বক্তব্য শুরু করে বলেন, আমরা কথা বলতে পারছি না। কোনো গণতন্ত্রের কথা বলছি। আমি আমার দলের কথা বলব, তারা তাদের দলের কথা বলবে।

প্রশ্ন রেখে বলেন, আমি দাঁড়াবার সঙ্গে সঙ্গে পুরো সংসদ যদি উত্তেজিত হয়ে যায়, তাহলে কীভাবে কথা বলব? পুরো ১০ মিনিটের বক্তৃতায় কয়েক সেকেন্ড শুধু সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা করেন।

তার সেই আলোচনায় বলেন, ২০১০-১১ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত বাজেট বাস্তবায়ন হয়েছে ৭৬ শতাংশ। সরকারের সক্ষমতা দিন দিন কমছে।

নির্বাচন কমিশনে ব্যয় বাড়ানোয় সমালোচনা করে ব্যারিস্টার ফারহানা বলেন, নির্বাচন কমিশনের ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। কি নির্বাচন তারা করেছে?

‘আমার একটা কথায় পুরো সংসদ উত্তপ্ত। কলামের পর কলাম লেখা হয়। এই সংসদে যারা আছেন, তারা আল্লাহকে হাজির নাজির করে বলুক তারা জনগণের প্রত্যেক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন? তারা নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুক সবাই উত্তর পেয়ে যাবেন।’

বক্তৃতার ৪ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডে আবারও বাঁধা প্রদান করা হয়। এভাবেই তার ১০ মিনিটের বক্তৃতা শেষ করেন।

পরে ডেপুটি স্পিকার তাকে উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি বাজেটের বাইরে ও সংসদীয় ভাষার বাইরে যে কথাগুলো বলেছেন তার সবকথা সংসদীয় প্রসিডিউর থেকে এক্সপাঞ্জ করা হল।

এই কথা বলার পর বিএনপির সবাই অধিবেশন থেকে বেরিয়ে যান। পরে অবশ্য আবার অধিবেশনে ফেরেন।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে খেলতে গিয়ে এবার বোল্ড আউট সামীম আফজাল!


জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে খেলতে গিয়ে এবার বোল্ড আউট হলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, মাজারপূজারী ও চরম ইসলাম বিদ্বেষী সামীম মো. আফজাল। এর আগে জামায়াতকে নিয়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড আউট হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, কথিত গণজাগরণের নায়ক খ্যাত ডা. ইমরান এইচ সরকার ওরফে শাহবাগী ইমরান ও ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ। জামায়াতকে নির্মূল করার জন্য যত প্রকার চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র আছে সবই তারা করেছিল। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত তারা আর মাঠে থাকতে পারলেন না। যারা তাদেরকে মাঠে নামিয়েছিল সেই শেখ হাসিনাই মাঠ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন।

জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রোগাগান্ডা চালানো ও জামায়াত নেতাকর্মীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষা ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দখলে নেয়ার জন্য শেখ হাসিনা বেছে নিয়েছিলেন সামীম মো. আফজালকে। আর সরকারি প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন জামায়াত ঘাটি হয়ে গেছে এমন অভিযোগ এনে সামীম আফজাল এটাকেও তার দখলে নিয়েছিলেন।

দেখা গেছে, ইসলামী ব্যাংককে সরকার দখলে নেয়ার পরই ব্যাংকটির গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব দেয়া হয় সামীম আফজালকে। তিনি এসেই জামায়াত কানেকশান অজুহাত তুলে ব্যাংকটির অনেক মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তাকে ছাটাই করে। সহজভাবে বলায় সামীম আফজাল এসেই ইসলামী ব্যাংককে অস্থির করে তুলে। একটি পর্যায়ে মালিক পক্ষের সঙ্গেও তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। পরে ব্যাংকের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এরপর শুরু করেন ইসলামী ব্যাংক পরিচালিত হাসপাতালগুলোতে। এখানে এসে প্রথমেই সেন্ট্রাল হাসপাতালের পরিচালক ডা. হাফিজুর রহমানসহ গুরুত্বপূর্ণ ডাক্তার ও কর্মকর্তাদেরকে অপমান করে সরিয়ে দেয়। পুরো হাসপাতালই তিনি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। ঠিক ব্যাংকের মতো হাসপাতালটিকেও অস্থির করে তুলেন। এক পর্যায়ে ব্যাংক ফাউন্ডেশনের সবাই তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। নালিশ যায় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও। এরপর অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে এখান থেকেও তিনি বিদায় নেন।

এরমধ্যে তিনি ব্যাংক ফাউন্ডেশন থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হওয়ার পর এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তিনি করেন নি। এখানে তার বড় অপকর্ম ছিল নিয়োগ দুর্নীতি। বিগত কয়েক বছরে যত লোক নিয়োগ দিয়েছেন সবই ছিল টাকার বিনিময়ে। আর প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করেছেন।

এছাড়া, সামীম আফজালের সবচেয়ে বড় মিশন ছিল জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালানো। বিভিন্ন সভা-সেমিনারে গিয়ে তিনি বলতেন, জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে জামায়াত জড়িত। এসব কাজে জামায়াতকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করে ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা হাসপাতাল ও ব্যাংক হাসপাতাল। তিনি সব সময় সরকারকে বলতেন এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার জন্য।

সর্বশেষ দেখা গেল, যেই শেখ হাসিনার জন্য সামীম আফজাল এতদিন ধরে এসব অপকর্ম করে যাচ্ছেন, সর্বশেষ সেই হাসিনাই এখন তাকে ছোড়ে ফেলে দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সামীম আফজালের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তারাই তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রতিদিন অভিযোগ পাঠাচ্ছেন। এসব অভিযোগের পর প্রধানমন্ত্রী তাকে ইফার ডিজি পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তাকে সরিয়ে দেয়ার খবর পাওয়ার পরই শনিবার ছুটির দিনে ফউন্ডেশনের অফিসে গিয়েছিলেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি সরানোর জন্য। কিন্তু, সেটা করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ইজ্জত রক্ষায় তিনি এখন নিজ থেকেই পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন।

উৎসঃ ‌‌‌অ্যানালাইসিস বিডি

আরও পড়ুনঃ ‌বিএনপির এমপিদের সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখার নির্দেশ তারেক রহমানের


জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে দলীয় সংসদ সদস্যদের জোরালো ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বিএনপি। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এ নির্দেশ দেন। দলীয় এমপিদের নির্দেশনা দিতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রধান করে একটি ‘ছায়া সংসদীয় কমিটি’ও গঠন করেছে বিএনপি।

বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে সোমবার সন্ধ্যা ৭টার পর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির ছয় সংসদ সদস্যকে নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে স্কাইপের মাধ্যমে যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৈঠকে সংসদ সদস্যদের পরামর্শ দিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রধান করে একটি ‘ছায়া সংসদীয় কমিটি’ গঠন করেছে বিএনপি। মির্জা ফখরুল ছাড়াও কমিটিতে আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, বিএনপি সংসদে থাকবে। সংসদীয় রীতিনীতি মেনে বক্তব্য রাখবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে প্রতিবাদও জানাবে। কিন্তু এমন কিছু করবে না যাতে সংসদের পরিবেশ নষ্ট হয়।

নির্দেশনা মতে, জাতীয় সংসদের চলতি বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন মঙ্গলবারই সংসদে যোগ দেয় বিএনপি। এদিন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যে অনেক দিন পর সংসদে কিছুটা উত্তাপ ছড়িয়েছিল।

জানতে চাইলে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ যুগান্তরকে বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় (বাজেট) অধিবেশনে আমাদের করণীয় সম্পর্কে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ বৈঠক হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। আমাদের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নতুন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আমরা সরব থাকব।

তিনি বলেন, দেশে দুর্নীতির মহাতাণ্ডব চলছে। বালিশ নিয়ে মানুষ আন্দোলন করছে। বিভিন্ন এলাকায় সরকারি বরাদ্দের টাকা লুটপাট হচ্ছে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা চলছে। জনগণের পক্ষে এসব বিষয় সংসদে তুলে ধরব। তবে কতটা পারব জানি না। এ ক্ষেত্রে স্পিকার আমাদের কতটা সহযোগিতা করে সেটি দেখতে হবে।

হারুন বলেন, ‘চলতি অধিবেশন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা বাজেট অধিবেশন। বাজেটে জনস্বার্থবিরোধী কিছু থাকলে তা জোরালোভাবে প্রতিবাদ জানানো হবে। বাজেট যাতে জনস্বার্থে হয় সেদিকে গুরুত্ব দেয়া হবে।’

সোমবারের বৈঠকের বিষয়ে বাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা উকিল আবদুস সাত্তার গণমাধ্যমকে বলেন, সংসদ অধিবেশন নিয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। যেন আমরা সবাই ঠিক থাকি, সবকিছুর ঠিকঠাক জবাব দিতে পারি, নিয়মিত অধিবেশনে যোগ দিই—এসব ব্যাপারে পরামর্শ দেয়া হয়েছে দল থেকে। পাশাপাশি সংসদে যোগদানের সুযোগের কীভাবে সদ্ব্যবহার করা যায়, সে বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদে দলের সদস্যদের বক্তব্যে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি প্রাধান্য দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান।সেই মোতাবেক বাজেট অধিবেশনে যোগ দিয়ে বিএনপির নারী সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে বক্তব্য রাখেন। তিনি ফ্লোর নিয়ে বলে ওঠেন, একাদশ জাতীয় সংসদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। এ সময় সংসদ কক্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারি দলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান। বিএনপির এ এমপি প্রায় আড়াই মিনিট বক্তব্য রাখলেও সরকারদলীয় মন্ত্রী-এমপিদের চিৎকার, চেঁচামেচি ও প্রতিবাদের কারণে সংসদ কক্ষে কেউ রুমিনের বক্তব্য ভালোভাবে শুনতে পাননি।

ফ্লোর নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, বর্তমান সংসদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। টিআইবিসহ সবাই বলেছে- এ সংসদ জনগণের ভোটে হয়নি। তাই খুশি হব এই সংসদের মেয়াদ যেন একদিনও না বাড়ে।

রুমিনের পুরো বক্তব্য

ভিডিওঃ  ‘ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার এক বক্তব্যে প্রথম দিনেই উত্তপ্ত জাতীয় সংসদ! ’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার আমি এমন একটি সংসদে দাঁড়িয়ে আছি, যেই সংসদে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপসহীন নেত্রী, গণতন্ত্রের জন্য যিনি বারবার কারাবরণ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষের, গণমানুষের নেত্রী, যিনি জীবনে কোনো দিন, কোনো আসন থেকে কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি- সেই বেগম খালেদা জিয়া এই সংসদে নেই। তাকে পরিকল্পিতভাবে, একটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলায় আজকে কারাগারে ১৬ মাসের অধিক সময় আটকে রাখা হয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই- বেগম খালেদা জিয়ার মামলার যে ম্যারিট, তার শারীরিক অবস্থা, তার সামাজিক অবস্থান এবং তার যে বয়স, সবকিছু বিবেচনায় তিনি তাৎক্ষণিক জামিন লাভের যোগ্য।’

তারেক রহমানের প্রতি সরকার অন্যায় করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সরকারের হুমকিতে আমাদের অ্যাক্টিং চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন না। আমাদের শীর্ষ থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত একেকজনের নামে শত শত মামলা। মাননীয় স্পিকার তিনি দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে একজন সজ্জন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত।’

জানা গেছে, সোমবারের ওই বৈঠকে বাজেট অধিবেশনের বিষয় অনুযায়ী, বিভিন্ন খাতে সরকারের অনিয়মের বিষয়টিও তুলে ধরার নির্দেশ দেন তিনি। সরকারের অনিয়মের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সংসদ সদস্যদের সাহায্য করবেন কেন্দ্রীয় কমিটির স্ব স্ব বিষয়ক সম্পাদকমণ্ডলীর নেতারা।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান আগেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিষয়কভিত্তিক সম্পাদকদের সরকারের বিভিন্ন সেক্টরের অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে পৃথক পৃথক প্রতিবেদন তৈরি করতে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। যেমন, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সরকারের শিক্ষা ক্ষেত্রের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করবেন। সেই প্রতিবেদন সংসদ সদস্যরা সংসদে তুলে ধরবেন। এ রকম সব সম্পাদককে ছায়ামন্ত্রীর মতো প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা দেয়া আছে।

সোমবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন—বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। দলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে ছিলেন—উকিল আব্দুস সাত্তার, মো. হারুনুর রশীদ, মো. জাহিদুর রহমান, মো. আমিনুল ইমলাম, মোশারফ হোসেন ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here