সংলাপের অনানুষ্ঠানিক আলোচনা ঘিরে কৌতূহল! হঠাৎ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত!

0
94

বহুল আলোচিত সংলাপ শেষ হলেও এ নিয়ে আলোচনা-বিতর্ক থেমে নেই। বিশেষ করে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অনানুষ্ঠানিক বা বিশেষ আলোচনা ঘিরেই মানুষের আগ্রহ ও কৌতূহল। সংলাপের ফল জানাতে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ছিল। গতকাল তা করার ঘোষণাও ছিল। পরবর্তীতে এটি স্থগিত করা হয়।

হয়ত দু’একদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন। কিন্তু সেখানে কী বলবেন সরকার প্রধান? আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধান বিরোধী জোট ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের তিনি যে বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছেন তা স্পষ্টই ছিল। অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার সার-সংক্ষেপও জানা গেছে।

সেখানে সরকারের সুরেই কথা বলেছেন অন্যরা।

সংলাপে যেকোনো সমঝোতা বা সমাধান আসেনি সেই মেসেজ ক্লিয়ারই নয়, এটি বেশ লাউড। কিন্তু তারপরও মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। সূত্র মতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন সংবাদ সম্মেলনে কেবল সংলাপের ফল জানাবেন না, সেখানে তিনি ভোট প্রশ্নে তার দল এবং সরকারের অবস্থানের বিষয়টিও আরো পোক্তভাবে তুলে ধরবেন।

সূত্র মতে, বুধবার আনুষ্ঠানিক সংলাপ শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বিএনপির নেতাদের সঙ্গে খানিকক্ষণ কথা বলেছেন। সেখানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি তুলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এতে সরকারের তরফে বাধা না দেয়ার প্রস্তাবে সায় দিলেও সেটি আইন-আদালতের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন মর্মে খবর বেরিয়েছে। কিন্তু সেখানে সুনির্দিষ্টভাবে খালেদা জিয়ার বিষয়ে সরকার প্রধান কি বলেছেন, নির্বাচনের আগে তার মুক্তি হবে কিনা? এটি হলেও তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি-না? এ বিষয়ে সরকারের তরফে কোনো অঙ্গীকার কী মির্জা ফখরুল পেয়েছেন তা এখনো খোলাসা হয়নি। বিদায় বেলায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক ওই আলোচনায় ব্যারিস্টার মওদুদও ছিলেন। তিনি তার বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হওয়ার প্রসঙ্গ তুলেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী এটাকে জালিয়াতি উল্লেখ করে বলেন, ফরিদপুরের মেয়েটার নামে (হাসনা মওদুদ) বাড়িটি লিখলেও একটা কথা ছিল। কিন্তু আপনি তো তা আপনার ভাইয়ের নামে লিখে নিয়েছেন। এ সময় বাড়ি ‘লিখে দেয়া’ নিয়ে খানিক হাসাহাসিও হয় বলে দাবি সূত্রের। তবে খানিক দূরে উপস্থিত ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা এমন আলোচনাকে ‘মিনিং লেস’ বলে মন্তব্য করেন। তার দাবি বিদায় বেলা প্রধানমন্ত্রী প্রায় সবার সঙ্গেই তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে কথা বলেছেন। বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তার আলাদাভাবে কোনো কথা হয়নি। সরকারি দলের এক নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সাবেক অনেক নেতা যারা এখন ঐক্যফ্রন্টে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন তাদের নিয়ে কম-বেশি মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের ওই নেতা বলেন, সংলাপে সরকার বা আওয়ামী লীগের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

সংসদ ভেঙে দেয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। এমনকি নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভায় বিরোধীরা যাতে টেকনোক্র্যাট কোটায় কাউকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির দাবি করতে না পারে এ জন্য বর্তমান মন্ত্রিসভার টেকনোক্র্যাটদের আগেই পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। বিরোধী নেতাদের ধরপাকড়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অহেতুক কাউকে হয়রানি না করার কথা বলেছেন। এই অঙ্গীকার রক্ষা করা হবে জানিয়ে ওই নেতা বলেন, কারও যদিও টেপ থাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তাকে গ্রেপ্তারে বাধা কোথায়?

তাছাড়া কেউ যদি প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানমালের ক্ষতির চেষ্টা চালায়, পুলিশ কি প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে ধরতে পারবে না? ওই নেতার কাছে প্রশ্ন ছিল সরকার চাইলে তো ছাড় দিতে পারে। এটা তো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন- কেন ছাড় দেবো? এটা রাজনীতি। এখানে আমরা আমাদের সুবিধা দেখবো। বিএনপি কি আমাদের ছাড় দিতো?

উৎসঃ মানবজমিন

আরও পড়ুনঃ ‘ওরা নমিনেশন পেপার সাবমিট না করেই আবারও ক্ষমতায় যেতে চায়’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চতুর্দিকে যে সাঙ্গপাঙ্গ আছেন, ওরা চায় না ওরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিতে আসুক। ওরা ২০১৪ xসালের মতো নমিনেশন পেপার সাবমিট না করে ক্ষমতায় আসতে চায়।’

আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আ স ম আবদুর রব। আগামীকাল শুক্রবার রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন আ স ম রব।

আ স ম রব বলেন, ‘নির্বাচন কি আমরা করব নাকি হুদা সাহেব করবেন? নির্বাচন কি শেখ হাসিনা একা করবেন নাকি দেশের জনগণ ভোট দেবে? তাহলে আমরা যাতে নির্বাচনে আসতে পারি সে রাস্তাটা করে দেওয়া দরকার উনার।’

রব আরো বলেন, ‘যদি সাংঘর্ষিক দিকে নিয়ে যেতে চান দেশকে, একটা কঠিন সময়ে বাস করছেন তিনি। সেটা তিনি বুঝতে পারছেন না। উনার চতুর্দিকে যে সাঙ্গপাঙ্গ আছেন, ওরা চায় না ওরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিতে আসুক। ওরা ২০১৪ সালের মতো নমিনেশন পেপার সাবমিট না করে ক্ষমতায় আসতে চায়।’

জেএসডির প্রধান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে ড. কামালের নেতৃত্বে গিয়ে আমরা বলেছি যে আমরা কোনো ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত, জ্বালাও-পোড়াওতে নেই। আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাই। আমাদের কর্মীদের মামলা প্রত্যাহার করে নেন।’

রব বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি তো কেবল বিএনপির না, দেশের জনগণের দাবি।’ তিনি আরো বলেন, ‘তফসিল বদলাতে হবে। নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে তিনি তফসিল ঘোষণা করেন।

উৎসঃ এনটিভি

আরও পড়ুনঃ ২০ দলের জোটে যোগ দিল আরও তিন সংগঠন!

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে নতুন করে তিনটি সংগঠন যোগ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে গুলশানের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান ও জোট নেতা অলি আহমদের হাতে ফুল দিয়ে জোটে যোগ দেয় পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় দল ও মাইনরিটি জনতা পার্টি।

তিনটি সংগঠনের মধ্যে পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশের জন্ম গত ৪ নভেম্বর রবিবার। ওইদিন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে দলটি। এর নেতৃত্বে আছেন মশিউর রহমান যাদু মিয়ার মেয়ে রিটা রহমান। গত ১৬ অক্টোবর যাদু মিয়ার নাতি বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি বিএনপিজোট ত্যাগ করেন। ওইদিন গুলশানের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ন্যাপের সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন রিটা রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছিলেন, তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দল হিসেবে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। নতুন দল করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তার উত্তর ছিল, ‘না’। তবে শেষ পর্যন্ত দল গঠন করেই বিএনপির নেতৃত্বাধনি জোটে যোগ দিলেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারপারসনেন উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মশিউর রহমান যাদু মিয়ার রাজনৈতিক যে উত্তরাধিকার, তা অনেকটাই এখন রিটা রহমানের ওপর নির্ভরশীল।

জোটে যোগ দেওয়া দ্বিতীয় সংগঠনটি হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। সংগঠনের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমার দলের প্রতিষ্ঠাতা আমার পিতা প্রয়াত সৈয়দ সিরাজুল হুদা। ১৯৭৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

তৃতীয় সংগঠনটি হচ্ছে, মাইনরিটি জনতা পাটি। সংগঠনের নেতৃত্বে আছেন সুকৃতি কুমার মন্ডল। তার ও তার দলের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

বিএনপির কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সদ্য যোগ দেওয়া সংগঠন তিনটির জনবল বা সাংগঠনিক কোনও কাঠামো নেই। যোগদানের সময় বিএনপি জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান জানান, তারা আগামী দিনে জোটের সঙ্গে কাজ করবে।

পরিচয়পর্বে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তিনটি সংগঠনের নেতাদের পরিচয় করিয়ে দেন। এর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংগঠন তিনটির নেতা রিটা রহমান ও এহসানুল হুদা এবং সুকৃতি কুমার মন্ডলকে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে পরিচয় করিয়ে দেন।

উৎসঃ বাংলা ট্রিবিউন

আরও পড়ুনঃ আওয়ামীলীগের পূর্ব ঘোষিত ২৩ ডিসেম্বরেরই ভোট গ্রহনের তারিখ হিসেবে ঘোষণা করল সিইসি!

আগামী ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের দিন রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। যদিও এই ২৩ ডিসেম্বর ভোট গ্রহনের তারিখ গত একমাস ধরে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন নেতা উল্লেখ করে আসছে। সিইসি নুরুল হুদাকে এটা সাংবাদিকরা এর আগে জিজ্ঞেস করলে সে সঠিক তারিখ জানাতে অপারগতাপ্রকাশ করেছিল।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এ তফসিল ঘোষণা করেন।

সিইসির ভাষণ রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার করা হয়।

তফসিল অনুসারে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থিরা মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত। ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে। আর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৩০ নভেম্বর।

নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচন জনগণের কাছে হাজির হয়েছে। জনগণের হয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অংশ নিয়ে গণতন্ত্রের ধারা ও উন্নয়নের গতিকে সচল রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি নির্বাচন পরিচালনায় সকলের সহযোগিতাও কামনা করেন।

নূরুল হুদা আশ্বস্ত করেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় সকল প্রার্থী ও দল সমান সুযোগ পাবে। সকলের জন্য অভিন্ন আচরণ ও সমান সুযোগ সৃষ্টির অনুকূলে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে।’

এ সময় তিনি নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি ছাড়াও ইভিএম ব্যবহারের কথা জানান।

উৎসঃ পরিবর্তন

আরও পড়ুনঃ ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ছাড়পত্র দিতে চাপ, খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে ভয়ঙ্কর চক্রান্ত’

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে এমন অভিযোগ করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘তাঁর চিকিৎসার জন্য আদালতের নির্দেশনা ও মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশকে লঙ্ঘন করে সরকার দেশনেত্রীকে আজ হাসপাতাল থেকে কারাগারে প্রেরণ করেছে। তাঁর চিকিৎসা শুরুই হয়নি, কেবল পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, আর সেই মূহূর্তে দেশনেত্রীকে কারাগারে প্রেরণ করার উদ্যোগ শুধু মনুষ্যত্বহীন কাজই নয়, এটি সরকারের ভয়ঙ্কর চক্রান্ত।’

বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী অভিযোগ করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার ডাক্তার ও তাঁর জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য সৈয়দ আতিকুল হকের অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন, ডাক্তার আতিক বেগম জিয়াকে হাসপাতাল থেকে ছুটির ছাড়পত্র দেননি এবং মেডিকেল বোর্ডের চেয়ারম্যান ডাক্তার জলিলুর রহমান বর্তমানে দেশের বাইরে, এমতাবস্থায় সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেগম জিয়ার ছাড়পত্র দিতে বাধ্য করতে চাপ সৃষ্টি করেছে। চিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে প্রেরণ বেগম জিয়ার জীবনকে বিপন্ন করার অথবা শারীরিকভাবে চিরতরে পঙ্গু করার চক্রান্ত সরকারের কুৎসা সঞ্চারিত মনের বিকার।’

তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়া সুস্থ হোক, এটি বিদ্বেষপ্রবণ সরকার কখনো চায় না। বেগম জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে লাগামছাড়া ক্রোধে এই অবৈধ শাসকগোষ্ঠী এখন তাঁর জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এটি শেখ হাসিনার হিংস্র আচরণেরই চরম বহিঃপ্রকাশ। অহংকার, উন্মত্ততা, হিংসা ও দখলকৃত ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার নির্লজ্জ লড়াই চালাতেই বিচার বুদ্ধি হারিয়ে সরকার বেগম জিয়ার জীবনকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সরকারের সৌজন্যবোধ ও হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়েছে বলেই দেশের বিপুল জনপ্রিয় নেত্রী বেগম জিয়ার ওপর চালানো হচ্ছে অমানবিক নিপীড়ন।’

রিজভী বলেন, ‘সরকারের পাতানো পথে বিরোধী দলকে নির্বাচন করতে বাধ্য করানোর জন্যই সরকার দেশনেত্রী বেগম জিয়াকে নিয়ে নিষ্ঠুর প্রতিশোধের খেলায় মেতে উঠেছে। তাঁর চিকিৎসা পাওয়ার অধিকারকেও কেড়ে নিয়েছে সরকার। চিকিৎসা শেষ না করেই পিজি হাসপাতাল থেকে দেশনেত্রীকে কারাগারে প্রেরণের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

এসয় তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘দেশনেত্রীর চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিএসএমএমইউ-তে ভর্তি রাখতে হবে, অন্যত্থায় জনগণ আর বসে থাকবে না, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিপর্যস্ত করার যেকোনো ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করতে এবারে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে হলেও প্রতিরোধ করবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সাথে সংলাপকালে কথা দিয়েছিলেন-নতুন মামলা দেয়া হবে না, গ্রেফতার করা হবে না এবং প্রকৃত রাজবন্দিদের মুক্তির ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের কোনো প্রমাণ মেলেনি।’

‘গতকালের সংলাপে প্রধানমন্ত্রী ঐক্যফ্রন্টের বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আমিও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, সমাবেশকে কেন্দ্র করে গত তিন দিন ধরে বিএনপি নেতাকর্মীদের চিরুনী অভিযান চালিয়ে ছেঁকে ধরা হয়েছে, তার জন্য।’

এসময় বিএনপির এই মুখপাত্র প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘সংলাপ কি তাহলে চূড়ান্ত আক্রমণের পূর্বে কিছুটা সময়ক্ষেপণ? তা না হলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার না করার অঙ্গীকার করার পরও এতো তাণ্ডব, এতো পাইকারী গ্রেফতার! সরকার কি তাহলে প্রতারণা ফাঁদ তৈরি করেছে? প্রধানমন্ত্রী অতিতের মতো বলেন একটা, কিন্তু কাজ করেন অন্যটা।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ মো. আবু জাফর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সুত্রঃ ব্রেকিংনিউজ

আরও পড়ুনঃ আ.লীগের ২ টার্গেট: হয়তো ক্ষমতা দখল নয়তো নিরাপদ প্রস্থান!

 

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে বিরোধীদল গুলোর সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংলাপ বুধবার শেষ হয়েছে। চলমান সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দুই দফা সংলাপ করেও কোনো সমাধান আসেনি। সরকার তাদের গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলোই মানেনি। দাবি আদায়ে এখন তারা আন্দোলনের পথেই হাটার ঘোষণা দিয়েছে। এসব নিয়ে এখন দেশের রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এদিকে, আগামী নির্বাচন নিয়ে সংলাপে কোনো সমঝোতা না হওয়ায় ২০০৬ ও ২০১৪ সালের মতো রাজনীতিতে আবারো বড় ধরণের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশিষ্টজনেরা। অপরদিকে, বিরোধীদলগুলোর মতামত উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা জাতির দেয়া ভাষণের পর তফসিল ঘোষণা করবেন। এই তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দেশে সংঘাতের সূচনা হতে পারে বলেও মনে করছেন সচেতন মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঐক্যফ্রন্টের দাবি না মানা ও তড়িগড়ি করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পেছনে আওয়ামী লীগের দুইটি উদ্দেশ্য রয়েছে।

প্রথমত: আগামী নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপিকে এমন সুযোগ করে দেবে না যাতে তারা ক্ষমতায় আসতে পারে। শেখ হাসিনা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি কোনোভাবেই ড. কামাল, আ স ম রব, মাহমুদুর রহমান মান্না ও বিএনপিকে ক্ষমতায় বসতে দেবেন না। শেখ হাসিনার কাছে তথ্য আছে, বর্তমানে বিএনপি, খালেদা জিয়া ও তার পরিবার যে চরম সংকটে পড়েছে, ক্ষমতার পালাবদল হলে শেখ হাসিনা, তার পরিবার এবং দলকেও এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

এমনকি শেখ হাসিনার উপদেষ্টারা তাকে বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারলে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, ২০০৬ সালের পল্টন হত্যাকাণ্ড, জামায়াত নেতাদের ফাঁসি, ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাবেক সেনা কর্মকর্তা আমান আযমী ও ব্যারিস্টার আরমানসহ শত শত নেতাকর্মীকে গুম-অপহরণের দায়ে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। এরপর দুর্নীতি, লুটপাটতো আছেই। তাই শেখ হাসিনার প্রথম টার্গেট হলো ক্ষমতা ধরে রাখা। সংসদ ভেঙ্গে তিনি নির্বাচন দেবেন না।

দ্বিতীয়ত: ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলনের মুখে এবং আন্তর্জাতিক চাপে যদি ক্ষমতা ধরে রাখতে না পারে তাহলে নিরাপদ প্রস্থানের জন্য সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। জানা গেছে, সেনা প্রধান আজিজকে শেখ হাসিনা বলেও দিয়েছেন যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আপনাদেরকে হাল ধরতে হবে। আর আমাদের সকল নেতাকর্মীকে নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

এখন এই দুই টার্গেট নিয়েই সামনে এগুচ্ছে আওয়ামী লীগ। নিরাপদ প্রস্তানের জন্য যেটাকে সহজ মনে করছে সেই পথেই হাটবে আওয়ামী লীগ।

উৎসঃ অ্যানালাইসিস বিডি

আরও পড়ুনঃ ‘খুবই সহজ-খুবই কঠিন’ খালেদা জিয়ার মুক্তি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অনুষ্ঠিত সংলাপকে কেন্দ্র করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তির বিষয়টি সামনে এসেছে। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেছে। তবে আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

আইনজীবীদের একপক্ষ বলছে, কারামুক্তির বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে এবং এটা খুবই সহজ কাজ। অন্যপক্ষ বলছে, এটা পুরোপুরি আদালতের ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা সরকারের করণীয় কিছুই নেই। সে ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়ায় তার মুক্তির বিষয়টি ‘খুবই সহজ’ আবার ‘খুবই কঠিন’ এমন একটি অবস্থায় দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজা হওয়ার পর থেকেই কারাবন্দি রয়েছেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। ওই দিন মামলার বিচার শেষে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে হাইকোর্ট গত ৩০ অক্টোবর তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২৯ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও প্রায় ৩৬-৩৭টি মামলা বিচারাধীন। বিএনপি নেতা ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তার এসব মামলা রাজনৈতিক দাবি করে, নির্বাচনের আগেই আইনি প্রক্রিয়ায় তার কারামুক্তি চেয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার মধ্যেও এক দফা হচ্ছে খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।

এ অবস্থায় তার কারামুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে বিশিষ্ট আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, খালেদা জিয়ার আইনিভাবে মুক্তির বিষয়টি খুবই সোজা। ফৌজদারি মামলায় পক্ষ দুটির একটি রাষ্ট্র; অন্যটি আসামিপক্ষ। রাষ্ট্র প্রমাণ করার চেষ্টা করে আসামি দায়ী। সেই রাষ্ট্রপক্ষ থেকে যদি জামিনের বিরোধিতা না করে সে ক্ষেত্রে জামিনের মাধ্যমে কারামুক্তি সম্ভব। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতে জামিনের প্রার্থনা করলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা অর্থাৎ মামলা সুপ্রিমকোর্টে হলে অ্যাটর্নি জেনারেল ও তার সহকর্মী এবং মামলা নিম্ন আদালতে হলে পাবলিক প্রসিকিউটর ও তার সহকর্মীরা জামিনের বিরোধিতা না করলে সাধারণত আদালত জামিনের প্রার্থনা মঞ্জুর করেন। বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে তার কারামুক্তি দেওয়া একেবারেই সম্ভব নয়। সম্ভব হলো আইনের মাধ্যমে, আদালতের মাধ্যমে। কারণ, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে তার সাজা হয়েছে। দীর্ঘদিন আদালতে শুনানি হয়েছে। তথ্য-প্রমাণ বিবেচনায় আদালত সাজা দিয়েছে। হাইকোর্ট আপিলে তার সাজা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করেছে। এগুলো সবই আদালতের ব্যাপার। আদালতের মাধ্যম ছাড়া তার মুক্তি সম্ভব নয়।

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের বিরোধিতা করা-না করাটা কোনো ব্যাপার না। হাইকোর্ট পাঁচ বছরের সাজাকে ১০ বছর করে রায় দিয়েছেন। সেখানে রাষ্ট্র কীভাবে বলবে, তার মুক্তি দিতে। এটা করলে অন্যসব মামলায়ও এর প্রভাব পড়বে। রাষ্ট্র বা দুদক সব ফৌজদারি মামলার বাদী। সে ক্ষেত্রে যারা অপরাধ করে তাদের আইনের আওতায় আনাই দুদক ও রাষ্ট্রের কাজ। এখানে ব্যক্তিগত কিছু না। তাই সাংবিধানিক ও আইনগতভাবে তার মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বা সরকারের করণীয় কিছু নেই।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন বলেন, খালেদা জিয়া এখন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তার কারামুক্তি আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া সম্ভব নয়। আর এটা নির্ভর করছে আদালতের ওপর। প্যারোলে কারামুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, প্যারোলের বিষয়টি পুরোপুরি ভিন্ন। প্যারোলে মুক্তি পেতে হলে, তার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে আবেদন করতে হবে। এ ধরনের মুক্তির ক্ষেত্রে শর্তযুক্ত থাকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কারও নিকটাত্মীয় মারা গেলে মানবিক কারণে প্যারোলে মুক্তি পেতে পারে। এ ছাড়া দেশে চিকিৎসা সম্ভব না হলে মেডিক্যাল বোর্ড যদি বিদেশে পাঠানোর সুপারিশ করে সে ক্ষেত্রে প্যারোল হতে পারে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সরকার বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ করছে। এর প্রমাণ হলো মানি লন্ডারিং মামলায় আদালত তারেক রহমানকে খালাস দিয়েছিল। সেই বিচারককে ধরার জন্য দুদক ও পুলিশ উঠে-পড়ে লাগে। বাধ্য হয়ে সেই বিচারক দেশত্যাগ করে। সরকারের কারণে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হন সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাও। এসব ঘটনা কারও অজানা নয়। তাই বলব, সরকার প্রভাব বিস্তার না করলে খালেদা জিয়া অনেক আগেই কারামুক্তি পেয়ে যেতেন। সরকার ইচ্ছে করলেই যে কোনো সময় খালেদা জিয়ার কারামুক্তি সম্ভব। তার কারামুক্তি সরকারের ওপর নির্ভর করছে।

উৎসঃ আমাদের সময়

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here