পদ্মার মা ইলিশ সরিয়ে নিতে ভারতের নতুন ষড়যন্ত্র!

0
883

বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ যেন সাঁতার কেটে ভারতের এলাহবাদ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে সেজন্য ফারাক্কা বাঁধের স্লুইট গেটগুলো খোলা রাখার ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফারাক্কা বাঁধের স্লুইস গেটগুলো প্রত্যেকদিন চার ঘণ্টা আরো ওপরে তুলে রাখা হবে।

ইলিশ যাতে অবাধে ভারতের এলাহাবাদে ঢুকতে পারে সে লক্ষ্যে নেয়া এ সিদ্ধান্ত চলতি বছরের জুন থেকে কার্যকর হবে। প্রত্যেক বছর ডিম ছাড়ার মৌসুমে (জুন মাসে) সমুদ্রের লোনা পানি থেকে বাংলাদেশের নদীগুলোতে উঠে আসে মা ইলিশ।

ফারাক্কা বাঁধের নেভিগেশন লকের কারণে বাঁধ পার হয়ে ভারতের দিকে যেতে পারতো না ইলিশ। ফলে বাংলাদেশের ভেতরেই ইলিশ অবাধ চলাচল করে।

গঙ্গার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পানি সম্পদ মন্ত্রী নিতীন গাদকরী। ইলিশ যেন সহজেই ফারাক্কা পার হয়ে উজানের দিকে এলাহাবাদে ঢুকতে পারে সেজন্য নেভিগেশন লকের ডিজাইন পরিবর্তন করা হয়েছে।

ভারতীয় নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীর পাণ্ডে বলেছেন, প্রত্যেকদিন রাত ১টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত গেটগুলো খুলে রাখা হবে। কারণ এই সময়েই ইলিশ চলাচল করে।

দেশটির নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে ভারতে ইলিশ বেশি পরিমাণে পাওয়া যাবে।

উৎসঃ ‌‌‌sangbad247

আরও পড়ুনঃ ‌গণতন্ত্রের স্বার্থে নতুন করে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম


দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের স্বার্থে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অবিলম্বে এই নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচন দিতে হবে।

শনিবার বিকালে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশন চত্বরে গাজীপুর মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮তম মৃত্যু বার্ষিকী ও ইফতার পূর্ব আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, নতুন নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সময়ে সহায়ক সরকার অর্থাৎ একটা নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। আর সেই নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা পাবে।

মির্জা আলমগীর বলেন, আমাদের দেশের ষোলো কোটি মানুষের নেত্রী, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন কারারুদ্ধ। কারাগারে বসেই তিনি প্রতি মুহূর্তে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি সপ্তাহে শুধু একটি ম্যাসেজই পাঠান- দলকে যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ রাখুন। আমরা এ পর্যন্ত যতগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা-পরামর্শ করেই নিয়েছি। এমপিদের শপথ নেয়া এবং আমার শপথ না নেয়া সবই দলীয় সিদ্ধান্ত। আমাদের এমপিগণ সংসদে গিয়ে দেশনেত্রীর মুক্তির কথা বলবে। সারাদেশের মানুষ ও বিশ্বে মানুষ তাদের কথা শুনবে।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা দূর করেন। যারা অভিমান করে দূরে সরে আছেন, তাদের কাছে টেনে নেন। তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে এক হউন। এটা আমাদের জনগণের দাবি। কোটি কোটি নেতাকর্মীদের দাবি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দাবি। খালেদা জিয়াকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে আটক করে রাখা হচ্ছে। তাকে মুক্ত করতে হবে, গণতন্তকে মুক্ত করতে হবে। আর দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হলে আমাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্যে আসুন আমরা সবার আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলি।

তিনি আরো বলেন, মনের মধ্যে যে ব্যাথা বেদনা আছে তা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। আমাদের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে। দেশকে মুক্ত করতে হবে। বিএনপির কোনো সংকট নেই, এই সংকট হচ্ছে জাতির, বাংলাদেশের। আজকে যদি এ সংকট থেকে উত্তরণ করতে না পারি বাংলাদেশ থাকবে না, দেশের গণতন্ত্র থাকবে না। সুতরাং দেশ ও জাতির স্বার্থে গণতন্ত্রের স্বার্থে আজকে নতুন নির্বাচন দেয়া, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়া এখন একমাত্র কর্তব্য। আর এটাই আমাদের দাবি।

গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি হাসান উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন, দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, কেন্দ্রীয় সদস্য মো. মজিবুর রহমান, ডা. মাজহারুল ইসলাম, বিএনপি নেতা শাহ মো. রিয়াজুল হান্নান, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আফজাল হোসেন কায়সার, মো. শহীদ উজ্জামান, আহম্মদ আলী রুশদী, আজিজুর রহমান পেরা, বশির আহমেদ বাচ্চু, কাউন্সিলর হাসান আজমল ভূইয়া প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌‘কৃষকদের প্রতি সরকারের দয়া-মায়া নেই, কারণ তারা ভোটে নির্বাচিত হয়নিঃ ড. খন্দকার মোশাররফ


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘কৃষকদের প্রতি সরকারের কোনো দয়া-মায়া নেই। কারণ তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। আওয়ামী লীগের ভুল পলিসির কারণে কৃষক তাদের মাঠের পাকা ধান পুড়িয়ে দিয়েছে।’

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মোশাররফ বলেন, ‘গণতন্ত্র বন্দী থাকায় আজকে সব জায়গায় এত অনিয়ম। এই বন্দী গণতন্ত্রকে আগে মুক্ত করতে হবে। তার আগে গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। এজন্য জনগণের মধ্যে ইস্পাত কঠিন গণঐক্য তৈরি করতে হবে।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘মানবিক কারণে খালেদা জিয়াকে এখন মুক্তি দিন। আর তো জেলে রাখার দরকার নেই। আপনাদের কাজ তো আপনারা করেই ফেলেছেন। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীকে বন্দী রেখে একতরফাভাবে ভোট ছাড়াই তো ক্ষমতা দখল করেছেন। এখন ঈদের আগেই তাকে মুক্তি দিন। তা না হলে জনগণ যখন বিক্ষোভ করবে তখন কিন্তু এক মুহূর্তও টিকতে পারবেন না।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সংকটকালীন সময়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরো ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাহলেই আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা সম্ভব হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘গণতন্ত্রের জননী খালেদা জিয়া জেলে কষ্ট করছেন। মাত্র দুই কোটি টাকা কেন্দ্র করে এমনটি করা হয়েছে। অথচ প্রধানমন্ত্রীর কাছের লোকজন দুই হাজার কোটি টাকা বা তার চেয়েও বেশি নিয়ে যাচ্ছে তার কোনো শাস্তি হচ্ছে না।’ বর্তমানে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা চলে যাচ্ছে এসব টাকার কী হবে তা জানতে চান তিনি।

বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, ‘কোনো ষড়যন্ত্র করে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেননি। ক্ষমতার শূন্যতায় ও জনগণের প্রয়োজনে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশে যখন সব দল নিষিদ্ধের মাধ্যমে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল সেখান থেকে আওয়ামী লীগসহ সব দলকে পুনর্জীবিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান। বাকশাল গঠন করে মোট ৪৩টি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান এই সকল রাজনৈতিক দলকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন জন্যই তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বলা হয়।’

সংগঠনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের শুভদিন ফিরবে: রুহুল কবির রিজভী


বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের শুভদিন ফিরবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আজ শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, বিএনপি বিভেদ-বিভাজন ও হতাশায় বিশ্বাস করে না। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্রের শুভদিন বিএনপিই ফিরিয়ে আনবেই। মানুষ ফিরে পাবে তার নাগরিক স্বাধীনতা। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হবে আরও শক্তিশালী।

রিজভী আরও বলেন, আমাদের চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার নয়। কোনো বাধা-বিপত্তি-প্রতিবন্ধকতা-উস্কানিমূলক কথাবার্তা, কোনো ষড়যন্ত্র আমাদের রুখতে পারবে না। বর্তমান শ্বাসরোধী দুঃশাসনের অবসান হবেই।

‘অবশ্যই বিএনপির নেতৃত্বে রাষ্ট্রের প্রকৃত বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবেই। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধারের আন্দোলন সফল হবে ইনশাল্লাহ।’

তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বিএনপি তার সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। নেতাকর্মীরা নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করেও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছে।

কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে সুপরিকল্পিত ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তে দল পরিচালনা করছেন বলে রিজভী জানান।

তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যকর করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রিজভী বলেন, তারেক রহমান বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনসমূহের সর্বস্তরের নেতাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত কথা বলছেন। জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। তাদের যৌক্তিক পরামর্শ গ্রহণ করে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় কমিটিগুলো গঠনতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পুনর্গঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করছেন।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে কাউন্সিল হচ্ছে। তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে এসেছে নতুন গতি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন সর্বস্তরের নেতাকর্মী-সমর্থকরা।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, লক্ষ্যে পৌঁছাতে বাধা-বিপত্তি আসবেই। এসব অতিক্রম করে আমাদেরকে শিড়দাঁড়া সোজা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

সড়ক-মহাসড়ক নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এর দেয়া বক্তব্যকে জনগণের সাথে তামাশা মাত্র উল্লেখ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, সড়কের অবস্থা এতটাই ভালো যে ঢাকার অদূরে গাজীপুর পৌঁছাতেই সময় লাগে ৪-৫ ঘন্টা। উত্তরাঞ্চলের অবস্থা আরো নাজুক।

তিনি বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক, ঢাকা-কুষ্টিয়াসহ দেশের সকল দেশের সকল সড়ক-মহাসড়কগুলোতে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে।

রিজভী বলেন, শুক্রবার শুরুর দিনে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। লঞ্চ টার্মিনালগুলো থেকে লঞ্চ ছাড়ছে দেরি করে। লঞ্চ ও বাস যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। ঈদ যাত্রার শুরুতেই মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

তিনি বলেন, কথায় আছে কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না, আওয়ামী লীগ নেতাদের অবস্থাও তাই। মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে তার প্রতিনিয়ত তামাশা করে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিনা রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা প্রোফেসর শাহেদা রফিক, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌চোর বাটপার জামিনে মুক্তি পেলেও খালেদা জিয়া পাচ্ছেন না: শামসুজ্জামান দুদু


অনেক চোর বাটপার হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেলেও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জামিনযোগ্য মামলায় মুক্তি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষকদলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু।

শনিবার বিকালে রাজধানীর শিশুকল্যান মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া নাগরিক ফোরাম (জিনাফ) আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলনের নেত্রী। তার মতো রাস্তা থেকে উঠে আসা নেত্রী বাংলাদেশ কেন দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াতে একটিও পাবে না। সেই জন্য তাকে তিলে তিলে মারার পরিকল্পনা করেছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী। দেশের কত চোর, বাটপার ও খুনি হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট থেকে মুক্তি পাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মতো নেত্রী যিনি তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী তাকে তথাকথিত মামলায় আটকে রাখা হয়েছে। ন্যায্য ও আইনগতভাবে তিনি মুক্তি পান।

কিন্তু তা দেবে না বর্তমান অবৈধ সরকার। দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমরা বলি সংগঠন করে আন্দোলন করবো। কিন্তু রাজনীতিতে সংগঠন করে আন্দোলন হয় না। আন্দোলন করেই সংগঠন করতে হয়। তাই বলি আসুন আমরা রাস্তায় নামি। তাহলে দেখবেন কত লোক উপস্থিত হয়েছে আমাদের পাশে। গণতন্ত্র স্বপ্নে পাওয়ার মতো কোনো বিষয় না। এটা যুদ্ধ করে আন্দোলন করে পাওয়ার মতো বিষয়। ১৯৭১ ও ১৯৮৯ সালের দিকে তাকান তাহলে বুঝতে পারবেন।

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন বর্ণনা করে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশের একজন বীর। গণতন্ত্রের সাধক ও অগ্র সৈনিক। শহীদ জিয়াকে আড়াল করা হয়েছে গণতন্ত্রকে আয়াল করার জন্য।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকার মিথ্যাচার করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, গত ১৪ বছর থেকে আওয়ামী লীগ তারেক রহমানকে খুব খারাপ বলে আসছে। তাকে এত খারাপ বলে আসছে তার পরেও তাকে দেশে আসতে দেয়া হচ্ছে না। অর্থাৎ জিয়া পরিবার মানেই গণতন্ত্র। জিয়া পরিবার মানেই স্বাধীনতা। জিয়া পরিবার মানে ন্যায়-নিষ্ঠার প্রতীক। সেই জন্য এই পরিবারকে ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী।

আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কে এ জামানের সভাপতিত্বে এবং কর্মজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন সরদারের সঞ্চালনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ডেমোক্রেটিক লীগের সভাপতি সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌ঈদের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি চায় বিএনপি


মানবিক কারণে ঈদের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি করেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের মানুষ আস্তে আস্তে উত্তেজিত হচ্ছে, বিক্ষুব্ধ হচ্ছে। জনগণের সামনে কোনো শক্তি দাঁড়াতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না। তাই সরকারের কাছে দাবি করছি ঈদের আগেই মানবিক কারণে হলেও খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন।

তিনি আরও বলেন, সরকার বিএনপিকে দুর্বল করার জন্য নানাভাবে অপপ্রচার করছে। বিএনপিতে কোনো বিভক্তি নেই; আগের মতোই শক্তিশালী আছে।

তবে ক্ষমতার কাছে নীতি-নৈতিকতা পরাস্ত। তাই এখান থেকে পরিত্রাণের জন্য জিয়াউর রহমানের আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

সংকটকালীন জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাহলেই আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

মোশাররফ বলেন, কৃষকদের প্রতি সরকারের কোনো দয়ামায়া নেই। কারণ তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ভুল পলিসির কারণে কৃষক তাদের মাঠের পাকা ধান পুড়িয়ে দিয়েছে। গণতন্ত্র বন্দি থাকায় আজকে সব জায়গায় এতো অনিয়ম।

এই বন্দি গণতন্ত্রকে আগে মুক্ত করতে হবে। তার আগে গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। বেগম জিয়াকে মুক্ত করে তার নেতৃত্বে এদেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌‘১৯’ আতঙ্ক ছাত্রলীগকে পিছু ছাড়ছে না !


ছাত্রলীগে এখন বড় আতঙ্কের নাম গাণিতিক সংখ্যা ‘১৯’। সংগঠনটির ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে তুমুল বিতর্কের ফলে কেন্দ্রীয় নেতাদের জন্য সংখ্যাটি এখন ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কেন্দ্রীয় কমিটির অর্ধশত বিতর্কিত নেতাকে বাদ দিতে পদবঞ্চিতদের আন্দোলনের মুখে ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা থেকেই এ আতঙ্কের উৎপত্তি। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ শূন্যের এ সংখ্যা ঘোষণা করলেও পদ বা ব্যক্তির নাম ঘোষণা করেনি। ফলে এই ১৯ জন কারা- সেটাই এখন সংগঠনটির আলোচনার কেন্দ্রে। এ অবস্থায় পদ পেয়েও প্রত্যাশিত উচ্ছ্বাস নেই কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে।

অন্যদিকে বিতর্কিতদের বাদ দিতে রোজার মধ্যে টানা ছয় দিন রাজু ভাস্কর্যে পদবঞ্চিতদের অবস্থান, এ আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যদিও ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে তার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে শূন্যপদ বাড়তে পারে, কমতেও পারে।

গত ২৮ মে দিবাগত রাত ১টায় এই ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এর আগে গত ১৩ মে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হয়। ৩০১ সদস্যের এ কমিটির শতাধিক নেতার বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে পদ পাওয়া এবং বিভিন্ন অন্যায়, অপকর্ম ও অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে। নতুন কমিটির সদস্যদের মধ্যে হত্যা মামলার আসামি থেকে শুরু করে বিবাহিত, বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্টতা, মাদক গ্রহণ ও ব্যবসা, চাকরিজীবীর নাম রয়েছে। অন্যদিকে এই কমিটিতে জায়গা হয়নি সর্বশেষ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদ ও অবস্থানে থাকা প্রায় অর্ধশত নেতার। এতে ক্ষোভ জানিয়ে কমিটি প্রত্যাখ্যান করলে তাদের ওপর দু’দফায় হামলা করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা।

১৫ মে চাপের মুখে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৭ জন বিতর্কিত নেতার একটি তালিকা প্রকাশ করেন। তাদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য-প্রমাণসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পদগুলো শূন্য হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর ১৬ মে বিভিন্ন অপরাধ অপকর্মে জড়িত এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও রেওয়াজ পরিপন্থী উপায়ে পদপ্রাপ্ত বিতর্কিত ৯৯ নেতার নাম প্রকাশ করেন পদবঞ্চিতরা। সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব ও পদবঞ্চিতদের এমন মুখোমুখি অবস্থানের ফলে আওয়ামী লীগের ৪ সিনিয়র নেতার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। যদিও পরবর্তী সময়ে ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৭টি পদ শূন্য ঘোষণা করেনি।

এদিকে কমিটি গঠনের পর ১৫ মে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে সংগঠনটির নতুন কমিটির শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। তখন অপরাধী ও বিতর্কিতদের কমিটি থেকে বাদ দিতেও নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ সেই নির্দেশনা পালন না করে ২৭ মে মধ্যরাতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রলীগ। ফলে ২৬ মে দিবাগত রাত ১টা থেকে ফের আন্দোলনে নামেন পদবঞ্চিতরা। শুক্রবার টানা ষষ্ঠ দিনের মধ্যে অবস্থান অব্যাহত রেখেছেন তারা। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে যোগ্যদের পদায়ন না করা পর্যন্ত তারা এ অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। ১৯টি শূন্য পদের নাম প্রকাশের দাবিও রয়েছে তাদের। দাবি না মানলে তারা বাড়ি যাবেন না, ঢাকায়ই ঈদ করবেন।

ছাত্রলীগের সদ্যবিদায়ী কমিটির প্রচার সম্পাদক (বর্তমান কমিটিতে পদবঞ্চিত) সাইফ উদ্দিন বাবু যুগান্তরকে বলেন, আন্দোলনের মুখে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রথমে ১৭ জনের কথা স্বীকার করলেও ১৪ দিন পর ১৯ জনের পদ শূন্য করার কথা উল্লেখ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। তাদের এই পদক্ষেপ আজ প্রমাণ করল আমাদের দাবি ও আন্দোলন গুরুত্বহীন ছিল না। ১৯টি পদ শূন্য হলেও এখন পর্যন্ত যে যার মতো স্বপদে বহাল আছে। এটা শুধু সুপরিকল্পিত নয়, অপরাজনীতি ও চাতুরীও বটে। অবিলম্বে শূন্য হওয়া ১৯ জনের নাম ও পদের বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের সব দাবি মেনে কমিটি পুনর্গঠন না করা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সদ্যবিদায়ী কমিটির কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন যুগান্তরকে বলেন, অভিযুক্ত শতাধিক নেতার নাম আমরা বলেছি। তাদের মধ্যে অকাট্য দলিলসহ ৫০ জনের তালিকা দিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে অসংখ্যবার যোগাযোগ করেও পাইনি। পরে নানক ভাইকে (জাহাঙ্গীর কবির নানক) দিয়েছি। অথচ নতুন নাটক সাজিয়ে ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করে একটি প্রেস রিলিজ দেয়া হয়েছে। যা একেবারেই অস্পষ্ট। সেখানে কারও নাম নেই, কোনো কিছু সুস্পষ্টভাবে বলা হয়নি। আমরা এই ছল-চাতুরীর প্রতিবাদ জানাই। ১৯টি শূন্যপদের নাম ঘোষণা করতে আমরা ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলাম। তা-ও মানা হয়নি। এভাবে সংগঠন চলতে পারে না। আমাদের দাবি, সব বিতর্কিতকে সংগঠন থেকে বাদ দিতে হবে। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তা না করা পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলন চলবে।

এ ছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির অন্তত ১০ জন নেতা যুগান্তরকে বলেছেন, এই ১৯টি শূন্যপদের নাম ঘোষণা করা উচিত। কারণ তারা পদ পেয়েও এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তৃণমূলে সেভাবে কাজ করতে পারছেন না। অনেকেই জিজ্ঞেস করছেন, ‘ভাই, উনিশ জনের মধ্যে আছেন নাকি?।’ তারা বলছেন, সামনে ঈদ। পদপ্রাপ্তদের প্রায় সবাই গ্রামের বাড়িতে যাবেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অথচ পদ নিয়ে ধোঁয়াশা অবস্থার কারণে তারা কর্মসূচি সাজাতে পারছেন না। তাই ঈদের আগেই শূন্যপদের বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শূন্যপদের নাম ঘোষণা না করার বিষয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী যুগান্তরকে বলেন, যেসব পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তাদেরকে কিন্তু সংগঠন থেকে অব্যাহতিও দেয়া হয়নি বহিষ্কারও করা হয়নি। যেহেতু অভিযোগ এসেছে তাই ১৯টি পদ শুধু শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এই ১৯ জনের বিষয়ে আমরা কিছু জায়গায় সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। যেমন, এদের একজন বিয়ে করেছে কিন্তু বউ মারা গেছে। আরেকটা মেয়ের ডিভোর্স হয়েছে তিন বছর আগে। আরেকজন তিন বছর আগে চাকরি করত। আমরা এদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না বলে আমাদের একমাত্র অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য অপেক্ষা করছি। তিনি দেশে ফিরলে তার সঙ্গে কথা বলে শূন্যপদের নাম ঘোষণা করা হবে।

ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, আমাদের যে বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে অনীহা নেই, সেটা বোঝানোর জন্যই পদগুলো শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। আপা (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) দেশে এলে তার কাছে অভিযুক্তদের নাম, পদ ও অভিযোগ উত্থাপন করা হবে। পরে তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করব। এ ক্ষেত্রে শূন্যপদ বাড়তেও পারে, কমতেও পারে। গঠনতন্ত্রের বয়সের নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের প্রথম গঠনতন্ত্র শেখ হাসিনা। আমরা যদি তাকে বোঝাতে পারি যে দলের বৃহত্তর স্বার্থে একটা ছেলে তার বয়স যদি দুই মাস বেশি হয়, আপা যদি তাকে রাখতে বলেন, তাহলে সে থাকবে। তবে সিদ্ধান্ত অবশ্যই আপার।

আন্দোলনকারীদের কাছে বিতর্কিত অর্ধশত নেতার অকাট্য দলিল আছে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গোলাম রাব্বানী বলেন, অকাট্য দলিল একজনেরও নেই। এটা যদি তারা বলে থাকে ভুল বলেছে। অকাট্য দলিল থাকলে তো আমদেরই দিত। ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বা দফতর সেলে অভিযোগ না দিয়ে মিডিয়াকে বা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের দেয়ার সুযোগ নেই।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌ঈদের আগেই আল্লামা সাঈদীসহ জামায়াত ও শিবিরের সকলের মুক্তি চেয়েছে জামায়াতে ইসলামী


নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের কারাবন্দি সকল শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আজ শনিবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই তাদের মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আমির মকবুল আহমাদ।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এম আলম স্বাক্ষরিত বার্তায় তিনি বলেন, ‘সরকার তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মিথ্যা অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, নায়েবে আমির মাওলানা আবদুস সুবহান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের অন্যায়ভাবে দীর্ঘ নয় বছর যাবৎ কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের পুত্র সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আল আযমীকে ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নির্বাহী পরিষদ সদস্য শহীদ মীর কাসেম আলীর পুত্র সুপ্রিম কোর্টের তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে রাতের অন্ধকারে নিজ নিজ বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে আটক করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাদের পরিবার-পরিজন জানতে পারেনি তারা কোথায়, কী অবস্থায় আছে। সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো হলেও সরকার তাদের কোনো সন্ধান না দিয়ে রহস্যজনকভাবে নিরবতা পালন করছে। অথচ তাদের পরিবার-পরিজন গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাদের প্রতীক্ষায় তাদের পরিবার-পরিজন এখনো অপেক্ষা করছেন। তাদের ব্যাপারে সরকারের এ ধরনের রহস্যজনক আচরণ সম্পূর্ণ অমানবিক। ঈদুল ফিতরের পূর্বেই তাদের ফিরিয়ে দিয়ে পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ঈদুল ফিতর পালন করার সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ ২০ দলীয় জোটের বহু নেতাকর্মীকে সরকার অন্যায়ভাবে বন্দী করে রেখে কষ্ট দিচ্ছে উল্লেখ করে জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদ বলেন, ‘পবিত্র এ রমজান মাসেও জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। গুম ও গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের পরিবারে ঈদের আনন্দের পরিবর্তে বিরাজ করছে বুকভরা দুঃখ ও বেদনা।

তিনি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা আব্দুস সুবহান, এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ জামায়াতের শীর্ষ নেতা, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির এবং ২০ দলীয় জোটের গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মী যাতে তাদের পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে পারেন সেজন্য পবিত্র ঈদুল ফিতরের পূর্বেই তাদের মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

উৎসঃ ‌‌jagonews24

আরও পড়ুনঃ ‌এবারের ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ হবে না কাদেরের এই বক্তব্য জনগণের সঙ্গে চরম রসিকতা: রিজভী


এবারের ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ হবে না এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সড়কের অবস্থা সবচেয়ে ভালো- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, সড়ক ব্যবস্থা এতোটাই ভালো যে, শুধু ঢাকার অদূরে গাজীপুর যেতে সময় লাগে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা। উত্তরাঞ্চলের অবস্থা আরও নাজুক।

শনিবার (১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে রিজভী এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য জনগণের সঙ্গে চরম রসিকতা দাবি করে রিজভী বলেন, ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল হয়ে উত্তরের জেলাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা এতোই খারাপ যে, উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক, ঢাকা-কুষ্টিয়াসহ দেশের সব সড়ক মহাসড়কের বেহাল অবস্থা।

তিনি বলেন, সড়কের বেহাল দশার কারণে ঈদে ঘরমুখী মানুষ ঝুঁকছে ট্রেনের দিকে। শুক্রবার ঈদযাত্রার শুরুর দিনে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সকালের ট্রেন বিকেলেও পাওয়া যায়নি। রেলমন্ত্রী এজন্য জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশও করেছেন। লঞ্চ টার্মিনালগুলো থেকেও লঞ্চ ছাড়ছে দেরি করে। লঞ্চযাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া, বাসযাত্রীদের কাছ থেকেও আদায় করা হয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া। ঈদ যাত্রার শুরুতেই চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ‘মিথ্যা মামলায়’ কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এই পবিত্র রমজানে চরম অসুস্থ অবস্থায় প্রিজন সেলে দিনাতিপাত করছেন তিনি। সম্পূর্ণরূপে জুলুম করে ‘দেশনেত্রী’ খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করা হলেও দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল ‘মিডনাইট ভোটের’ সরকার ‘দেশনেত্রীকে’ ঈদের আগেই মুক্তি দেবে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে যা বলেছেন, সেই প্রতিহিংসাই তিনি বাস্তবায়িত করছেন। এছাড়া তাকে দেওয়া ৩০ টাকার ইফতারি নিয়েও সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা উপহাস ও অহমিকা প্রকাশ করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাহিদা রফিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, আব্দুল আওয়াল খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ ‌‌banglanews24

আরও পড়ুনঃ ‌জাতীয় নির্বাচন হয়েছে নির্যাতন কমিশনের অধীনেঃ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল


দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই-দিতে হবে এ শ্লোগানে সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৩৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের জে এম সেন গুপ্ত রোডের মুনিরা ভবনে জেলা বিএনপির আয়োজনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, তাকওয়ার উপর ভিত্তি করে আমরা রমজান মাসে রোজা রাখি। জন্ম হলো দূর্ঘটনা, আর মৃত্যু হলো ঘটনা। জীবন মৃত্যুর মধ্যবর্তী সময়ে আমরা সদকা জারিয়া হিসেবে বিভিন্ন কাজ করি। আল্লাহ তা’লা জনগনের আশিবার্দ হিসেবে জিয়াউর রহমানকে পাঠিয়েছিলেন। যারা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে তারা আজ ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আজকে তারা সত্যকে চাপা দিতে চায়। তিনি বলেন, আজকে কৃষক তার ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। ৩ বছরের শিশু থেকে ৭০ বছরের মহিলাও ধর্ষিত হচ্ছে।

আওয়ামীলীগ এ দেশে কৃত্রিম দূর্বিক্ষের সৃষ্টি করছে। ভোট জিনিসটা আওয়ামীলীগ নষ্ট করে দিয়েছে। যে কমিশনের আদলে জাতীয় নির্বাচন হয়েছে তা নির্বাচন কমিশন ছিল না, ছিল নির্যাতন কমিশন। টেলিভিশনে এখন আর বিনোদনের অনুষ্ঠান দেখা লাগে না, আওয়ামীলীগ নেতাদের বিনোদন দেখলেই হয়। বাংলাদেশে এখন আর প্রতিবাদ হয় না। দেশটাকে বাকশালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আওয়ামীলীগ ছিনতাইকারী রাজনীতি দল। অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী আন্দোলন সংগ্রাম ঘোষনা হলে আমরা একত্রিত হয়ে কাজ করব।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকি ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদ, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহাম্মেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ আউয়াল খান, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী রফিক, বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা এম এ হান্নান, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সফিউদ্দিন আহাম্মেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল হামিদ মাষ্টার।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. সলিম উল্ল্যাহ সেলিম এর পরিচালনায় জেলা বিএনপির য্গ্মু আহ্বায়ক মাহবুব আনোয়ার বাবলু, দেওয়ান শফিকুজ্জামান, মুনির চৌধুরী, আক্তার মাঝি, অ্যাড. হারুনুর রশিদ, জেলা গন ফোরাম সভাপতি অ্যাড. সেলিম আকবর, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অ্যাড. শামসুল ইসলাম মন্টুসহ ২০ দলীয় জোট ও বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পর দেশ ও জাতীর শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বেগম জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাহবুবুর রহমান। ইফতার মাহফিল পূর্বে কোরআন তেলওয়াত করেন জেলা ওলামা দলের সাধারন সম্পাদক হাফেজ জাকির হোসেন মৃধা। সভায় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের শত শত নেতা কর্মী ও সমর্থক অংশ নেয়।

উৎসঃ ‌‌নয়াদিগন্ত

আরও পড়ুনঃ ‌আন্দোলন করেই বেগম জিয়াকে মুক্ত করা হবে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়


বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রকে ভালোবাসতেন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করতেন। তাই তিনি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের ৩৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী তাতী দল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তাতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, জিয়াউর রহমান ভোগ বিলাসের রাজনীতি করেননি। তিনি এদেশের মাটি ও মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরন করে রাজনীতি করলে ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন সম্ভব না। তিনি ভোগের রাজনীতি করেননি, ত্যাগের রাজনীতি করেছেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত আদর্শের উপর যদি আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারতাম তবে আজ আমাদের এই বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না। তিনি বলেন, সুষ্ঠ গনতন্ত্রের জন্য মুক্ত সংবাদ মাধ্যম থাকা প্রয়োজন। বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারতো তবে গণতন্ত্রের আজ এই পরিনতি ভোগ করতে হতো না।

বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, জিয়াউর রহমান নিজের হাতে কোন ক্ষমতা না রেখে জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে স্বাধীন করেছেন। তিনি কাজ করতে ভালোবাসতেন, দেশকে নিয়ে সবসময় ভাবতেন। তিনি ছিলেন কর্ম প্রেমিক মানুষ।

বিএনপি থেকে নির্বাচিত পাঁচ জন সংসদ সদস্যের শপথ নেয়ার বিষয়ে উল্লেখ করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা পাঁচজন লোককে কন্ট্রোল করতে পারিনি আমাদের বুঝতে হবে আমাদের মাঝে কমিটমেন্টের অভাব ছিলো।

তিনি বলেন, এই সরকার গায়েবি মামলা দিয়ে আমাদের অনেক ফাঁকিবাজকে নেতা বানিয়ে দিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে ৫০ টি মামলা। যে কখনো রাজপথে নামেননি তার বিরুদ্ধেও ২০-২৫ টা মামলা রয়েছে।

তিনি বলেন, পাঁচজন নির্বাচিত কোন একজন সংসদ সদস্য বললেন না ‘বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া আমরা সংসদে যাবো না’। তার মানে তাদের কাছে বেগম জিয়ার মুক্তির চাইতে সংসদে যাওয়াটা জরুরী ছিলো।’

গয়েশ্বর বলেন, আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া কখনো কোন দাবি আদায় হয়না। তবে যারা রাজপথে তাজা রক্ত ঢেলে দেয়ার কথা বলে বক্তব্য দিচ্ছেন তারা ব্লাড ব্যাংকে রক্ত দিয়ে অভ্যাস করুন।

তিনি বলেন, রাজপথে কেউ ইচ্ছে করে রক্ত দেয় না, রক্ত যায়। এসময় তিনি আরো বলেন, সময়টা হয়তো একটু বেশি লাগছে কিন্তু আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই এদেশের জনগণ গনতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার ও বেগম জিয়াকে মুক্ত করে আনবেই।

উৎসঃ ‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌লন্ডনে তারেক রহমানের উপস্থিতিতে জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন


যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

৩০মে বৃহস্পতিবার বাদ আছর পূর্ব লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল রোডে যুক্তরাজ্য বিএনপির কার্যালয়ে এ উপলক্ষ্যে কোরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

শাহাদাত বার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দোয়াপূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও শহীদ আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া চান। এছাড়া তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী ‘মাদার অফ ডেমোক্রেসি’ বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক সুস্থ্যতা ও নিঃশর্ত মুক্তি এবং তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে দেশ বাসীর নিকট দোয়া চান।

যে বহুদলীয় গনতন্ত্রকে শহীদ জিয়া প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সেই গণতন্ত্রকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কবল থেকে পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে বিগত প্রায় একযুগ ধরে যে সকল নেতা-কর্মী শহীদ হয়েছে তিনি তাদের সকলের রূহের মাগফেরাত কামনাসহ লক্ষ লক্ষ নির্যাতিত-নিপীড়িত, কারাবন্দী, পঙ্গুত্ব বরণ ও গুমের শিকার হওয়া নেতা-কর্মীর জন্যও দেশবাসীর নিকট দোয়া চান।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে যুক্তরাজ্য বিএনপি, জোনাল কমিটি ও বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ ও হাফিজ মাওলানা আবুল খয়ের। দোয়া মাহফিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও শহীদ আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা ও নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের সুস্থ্যতা কামনা করেন নেতা-কর্মীরা।

বাদ আছর অনুষ্ঠিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে যুক্তরাজ্য বিএনপির পক্ষ থেকে ব্রিকলেইন মসজিদে মুসল্লিদের মধ্যে ইফতারি পরিবেশন করা হয়। ইফতারে যুক্তরাজ্য বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী শরিক হন।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি শফি আহমেদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক প্রধান উপদেষ্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুছ, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তৈমুছ আলী, সাবেক সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক খান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম রাব্বানী সোহেল, তাজুল ইসলাম, সাবেক উপদেষ্টা সলিসিটর একরামুল হক মজুমদার, জাবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি পারভেজ মলি­ক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান, কামাল উদ্দিন, নাসিম আহমেদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, বিএনপি নেতা আতিকুর রহমান চৌধুরী পাপ্পু, যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র সদস্য এডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল, মিসবাহুজ্জামান সোহেল, লন্ডন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক আজমল চৌধুরী জাবেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম আহমেদ, খসরুজ্জামান খসরু, যুবদলের সভাপতি রহিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহিন, জাসাসের সভাপতি এমাদুর রহমান এমাদ, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দি, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক কোষাদক্ষ আব্দুস ছাত্তার, বিএনপিনেতা গুলজার আহমেদ, আসাদুজ্জামান আহমেদ, বিএনপিনেতা আমিনুর রহমান আকরাম, যুক্তরাজ্য জাসাসের সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত বাদশা, জাসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, কেন্দ্রীয় ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা শামিম আহমেদ, কেন্দ্রীয় ছাত্র দলের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম রিবলু, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সাবেক সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক খিজির আহমেদ, সাবেক সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সরফরাজ আহমেদ সরফু, এম তওকির শাহ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিসবাহ বি এস চৌধুরী, আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আবুল হাসনাত, ইস্ট লন্ডন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলাম বাদল, লন্ডন নর্থ ওয়েস্ট বিএনপির সভাপতি এম সেলিম, সাসেক্স বিএনপির সভাপতি মোঃ তুফাজ্জুল হোসাইন, লন্ডন মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রব, সহ-সাধারণ সস্পাদক তুহিন মোল­া, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ চৌধুরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাওছার আহমেদ, আরিফুল হক, কোষাধ্যক্ষ মোঃ জিয়াউর রহমান, দফতর সম্পাদক নজরুল ইসলাম মাসুক, প্রচার সম্পাদক মো: মঈনুল ইসলাম, সহ আইন বিষয়ক সস্পাদক মোঃ শাহনেওয়াজ, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রবিউল আলম, সহ-তথ্য বিষয়ক সম্পাদক শাকিল আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ আতাউর রহমান, সহ-প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক জামাল হোসেন, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দোলেয়ার হোসেন, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শামসুল ইসলাম, আফতাব আলী, রাজ মাসুদ ফরহাদ, নুরুল ইসলাম মধু মিয়া, পিনাক রহমান, কাজী মুনীর হাসান, ইস্ট লন্ডন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জামাল উদ্দিন রুবেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক একলিমুর রাজা চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নূর এ আলম সোহেল, যুবদলের সহ-সভাপতি দেওয়ান আব্দুল বাছিত, আক্তার হোসেন শাহিন, মুহিবুর রহমান মাখন, যুগ্ম সম্পাদক বাবর চৌধুরী, সিনিয়র সদস্য মোঃ লায়েক মোস্তাফা, যুগ্ম সম্পাদক সুয়েদুল হাসান, দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক কাজী তাজ উদ্দিন আহমেদ, জাসাসের সহসাধারন সম্পাদক মোঃ আরিফ আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম, মোঃ মহিন উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শিমু, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান, শেখ সাদেক আহমেদ, সাংবাদিক আহসানুল আম্বিয়া শোভন, আব্দুস সামাদ, মো: ফয়েজ উল­াহ, ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম মিরাজ, হুমায়ূন কবির, মাহবুবুর রহমান, এ কে এম নাসের উদ্দিন, মনির আহমেদ প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌হতাশ হবেন না, আওয়ামীলীগও ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিল : খন্দকার মাহবুব হোসেন


সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দি রেখেছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, যেসব মিথ্যা মামলায় বেগম জিয়াকে কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে তার একটিতে জামিন পেলে আরেকটি মামলা দিয়ে তাকে আটকে রাখা হচ্ছে। আশা করি এই বাংলাদেশের মানুষ এই জালিম সরকারের বিরুদ্ধে একদিন জেগে উঠবেই। বাংলাদেশের মানুষ যেদিন বিস্ফোরিত হবে সেইদিন এদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গনে জাতীয়তাবাদি আইনজীবী ফোরাম নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দোয়া ও দরিদ্রদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এসব কথা বলেন।

নেতা কর্মীদের হতাশ না হওয়া আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগও ২১ বছর ক্ষমতার ছিল। বাইরে তাদের উপর অনেকেই অত্যাচার অনাচার করেছিলো। তারপরেও তারা ক্ষমতায় এসেছে। বর্তমান সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের উপরে নির্যাতিত করে যে অবস্থায় রেখেছেন একদিন ইনশাল্লাহ একদিন তারা মুক্ত হবে, দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে, খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে, গরীব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।

মাহবুব হোসেন আরো বলেন, জিয়াউর রহমান সব সময় দুঃখী মানুষের কল্যাণে কাজ করে গিয়েছিলেন। বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেছে। যেসব মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে আমরা বারবার চেষ্টা করেও এক মামলায় জামিন করালে তারা আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখায়। বাংলাদেশের মানুষ বিস্ফোরণ ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল বারি ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা, অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, অ্যাডভোকেট আজিজ আল মামুন, অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে তিনশ দরিদ্রকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

উৎসঃ ‌‌নয়াদিগন্ত

আরও পড়ুনঃ ‌সাত বছরে ৫ বার ফেল ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন!


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) এজিএস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সাত বছরেও তৃতীয় বর্ষ উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষ পর্যন্ত তিনি পাঁচবার ফেল করলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের আদেশ অনুযায়ী স্নাতক পর্যায় ছয় বছরের মধ্যে শেষ করতে হবে। সে হিসেবে তিনি ছাত্রত্ব হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।

জানা গেছে, আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল সোমবার প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় সাদ্দাম হোসেন অকৃতকার্য হয়েছেন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ১২৪ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ১২১ জন পরীক্ষায় পাস করেন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

প্রকাশিত ফলাফলে অকৃতকার্য হন সাদ্দাম হোসেন।

সূত্র জানিয়েছে, তৃতীয় বর্ষের মোট ছয়টি কোর্সের পরীক্ষায় সাদ্দাম হোসেন অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, ঢাবি ছাত্রলীগরে সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ২০১১-১২ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। প্রথম বর্ষ উত্তীর্ণ হতে তিনি তিন বছর সময় নেন। অর্থাৎ ২০১২, ‘১৩, ‘১৪ সালে প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি অকৃতকার্য হন।

চতুর্থবারের চেষ্টায় ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় সাদ্দাম হোসেন উত্তীর্ণ হন।

‘১৬ সালে দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি পাস করতে পারেননি। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে পাস করেন।

‘১৮ সালে তৃতীয় বর্ষে ভর্তি হন। তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখ শুরু হয়। সেই পরীক্ষায় তিনি অকৃতকার্য হন।

সব মিলিয়ে এই ছাত্রনেতা সাত বছরে তৃতীয় বর্ষ পার হতে পারেননি।

ঢাবি সিন্ডিকেটের একটি আদেশ আছে, আট বছরের বেশি কোনো শিক্ষার্থী ঢাবির নিয়মিত ছাত্র হয়েছে অধ্যয়ন করতে পারবে না।

এই আট বছরের মধ্যে ছয় বছরে স্নাতক ও দুই বছরে স্নাতকোত্তর করতে হবে।

কিন্তু সাদ্দাম হোসেন সাত বছরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকের ছাত্র রয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাবির আইন বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. নাইমা হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এসব বিষয় আমরা বিভাগ থেকে দেখি না। এগুলো ডিন অফিস, রেজিস্ট্রার অফিস দেখে’।

উৎসঃ ‌‌দেশ রূপান্তর

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here