কাশ্মীর সমস্যা সমাধান নিয়ে অনুপম খেরের আগাম ইঙ্গিত

0
312

ভারতশাসিত কাশ্মীরে চলছে উত্তেজনা। কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর আর জম্মু অঞ্চলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

এতে রোববার রাত থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

একই সঙ্গে সব স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে গৃহবন্দি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিবিসি জানিয়েছে, গোটা কাশ্মীরে মোবাইল টেলিফোন আর ইন্টারনেট সেবা আংশিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিপুল সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

কাশ্মীরকে নিয়ে ভারত সরকার কী করতে চাচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ রকম যখন পরিস্থিতি তখন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন বলিউড অভিনেতা অনুপম খের।

রোববার রাতে বলিউডের এ অভিনেতা বলেন, ‘কাশ্মীর সমস্যার সমাধান শুরু হয়েছে।’

তবে কী সেই সমাধান তা স্পষ্ট করেননি তিনি। এর আগে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে ৩৭০ ধারা তুলে দেয়া একমাত্র পথ বলে মত দিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন ইস্যুতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে সমর্থন করতে অনুপম খেরকে। এবারের লোকসভায় পদ্ম খোচিত দলটির বিপুল ভোটে জয়লাভের পর তার এই সমর্থন আরও প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি।

দ্বিতীয় মেয়াদে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর অনুপম খের মন্তব্য করেন, গোটা দেশ এখন মোদির পাশে। এটা কোনো ছোটখাটো জনসমর্থন নয়। বিরোধীদের উচিত এই সরকারকে ঠিকঠাক কাজ করতে দেয়া।

কাশ্মীরের অধিকাংশ এলাকায় যখন ১৪৪ ধারা চলছে তখন সোমবার সকালে বৈঠক করল দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শেষ হয়েছে নিরাপত্তাবিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকও। বৈঠকে কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা তুলে দেয়ার প্রস্তাব আনলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এর বিরোধিতায় রাজ্যসভায় তুমুল হট্টগোল চলছে বলে খবর।

উৎসঃ যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে ১৪৪ ধারা জারি: নেতারা গৃহবন্দি, স্কুল-কলেজ বন্ধ

ভারতশাসিত কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর আর জম্মু অঞ্চলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এতে রোববার রাত থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

একই সঙ্গে সব স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে গৃহবন্দি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গোটা কাশ্মীরে মোবাইল টেলিফোন আর ইন্টারনেট সেবা আংশিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। খবর বিবিসির।

এদিকে সোমবার সকালে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বৈঠকে বসেছে। এতে কাশ্মীর নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রোববার দিবাগত রাত ১২টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য শ্রীনগরে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। সাধারণ মানুষ চলাচল করতে পারবেন না।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। জম্মু জেলাতেও সোমবার সকাল ৬টা থেকে ১৪৪ ধারায় জারি হয়েছে।

রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ টুইট করে জানিয়েছেন, তাকে সম্ভবত গৃহবন্দি করা হতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, অন্য মূলধারার রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষেত্রেও সম্ভবত একই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, শুধু ওমর আবদুল্লাহই নন, আরেক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং সাজ্জাদ লোনকেও গৃহবন্দি করা হচ্ছে।

মেহবুবা মুফতি টুইট করে জানিয়েছেন, এ কঠিন পরিস্থিতিতে আমি আশ্বাস দিতে চাই। যাই হোক, আমরা সবাই একসঙ্গে আছি। আমাদের যেটি অধিকার, সেটি পাওয়ার লড়াই থেকে কোনো কিছুই আমাদের সরিয়ে আনতে পারবে না!

মূলধারার সব রাজনৈতিক দলই সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, কোনো পরিস্থিতিতেই যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন জনগণ।

রোববার রাত দেড়টা নাগাদ ওমর আবদুল্লাহ, মেহবুবা মুফতি আর সাজ্জাদ লোনকে গৃহবন্দি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিবিসি।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, এক অভূতপূর্ব নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শ্রীনগর শহরকে। শহর ছাড়া গ্রামীণ এলাকাতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জায়গায় জায়গায় পুলিশ চৌকি বসানো হয়েছে।

ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের সাংবিধানিক রক্ষাকবচ দেয় যেই ৩৫এ আর ৩৭০ ধারা, সে দুটি সরিয়ে নেয়া হতে পারে।

এ নিয়ে আ*ঙ্কা আর গুজব ছড়ানোর পরেই রাজ্যের মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো প্রথমে রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের সঙ্গে দেখা করে। তার পর ওই দলগুলো রোববার একটি সর্বদলীয় বৈঠকেও মিলিত হয়েছিল।

গত কয়েক দিন ধরেই ভারতশাসিত কাশ্মীরে বাড়তি ২৮ হাজার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী পাঠানোর সিদ্ধান্ত, হিন্দুদের পবিত্র অমরনাথ যাত্রা বন্ধ করে ওই রাজ্য থেকে সব তীর্থযাত্রী আর পর্যটকদের রাজ্য ছেড়ে দ্রুত চলে যাওয়ার পরামর্শ- এসব ঘটনার পর থেকে সেখানে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে।

উৎসঃ যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‘কাশ্মীরে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে ভারত’


কাশ্মীরিদের রক্ষায় বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সর্বদলীয় হুররিয়াত কনফারেন্সের(এপিএইচসি) প্রধান সাইয়েদ আলী গিলানি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কাশ্মীরে বড় ধরনের গণ*ত্যা চালাতে যাচ্ছে ভারত।

শনিবার টুইটারে দেয়া এক পোস্টে গিলানি বলেন, এই গ্রহে বসবাস করা সব মুসলমানের কাছে কাশ্মীরেদের রক্ষার বার্তা হিসেবে নিতে হবে এই টুইটকে।-খবর পাকিস্তান টুডের

তিনি বলেন, যদি সবাই আমরা হ*কাণ্ডের শিকার হই, আর আপনারা নীরব থাকেন, তাতে মহান আল্লাহর কাছে আপনাদের জবাব দিতে হবে। কাশ্মীরে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়া*হ গণ*ত্যা ঘটাতে যাচ্ছে ভারত। আল্লাহ আমাদের সুরক্ষা করুক।

কাশ্মীরে অতিরিক্ত ভারতীয় সেনা মোতায়েনের পর সেখানের বাসিন্দাদের মধ্যে আ*ঙ্ক বেড়েছে।

রাজ্যটির লোকজন নিজেদের অনিরাপদ মনে করছেন। কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে বলে তাদের কাছে মনে হচ্ছে।

গত শুক্রবার রাজ্য সরকার সব পর্যটকদের অতিসত্বর চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কারণ হিন্দুদের একটি বড় তীর্থযাত্রায় স*সী হা*লার গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে বলে সরকার দাবি করছে।

এদিকে কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

উৎসঃ যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ, মেহবুবা মুফতি গৃহবন্দি


ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই রাজ্যটির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহকে গৃহবন্দি করা হয়েছে। নিজের টুইটারে এক পোস্টে এই গৃহবন্দি হওয়ার খবর দিয়েছে তিনি।

এছাড়া এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরে ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা মেহবুবা মুফতি ও রাজনীতিবিদ সাজ্জাদ লোনকেও গৃহবন্দি রাখা হয়েছে।

এক টুইটে মেহবুবা মুফতি লিখেছেন, আমাদের মতো নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যারা শান্তির জন্য লড়াই করছি, তারা আজ গৃহবন্দি।

তিনি বলেন, বিশ্ব দেখছে, জম্মু ও কাশ্মীরে কীভাবে মানুষের কণ্ঠ রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। যে কাশ্মীর এক ধর্মনিরপেক্ষ ভারতকে পছন্দ করেছে, সেখানে অকল্পনীয় মাত্রা নিপী*ন চলছে। জেগে ওঠো ভারত।

এদিকে নিয়ন্ত্রণ রেখায় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে গুচ্ছ বো* মারছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। গত মঙ্গলবার ও বুধবার রাতে নিলাম উপত্যকায় নারী-শিশুসহ নিষ্পাপ লোকজনকে নিশানা করে কামানের মাধ্যমে গুচ্ছ গোলা নিক্ষে* করেছে তারা।

এতে চার বছর বয়সী একটি শিশুসহ দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে রুশ গণমাধ্যম স্পুটনিক ও পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডেইলি টাইমস। দুই দেশের মধ্যে উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লাহ জেলায় ভারী গোলা বিনিময়ের একদিন পর পাকিস্তানের তরফ থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে গুচ্ছ বো* নিক্ষে* জেনেভা কনভেনশন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা জানায়, বেসামরিক লোকদের ওপর মা*ত্মক প্রভাবের দরুন গুচ্ছ গোলার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সব আন্তর্জাতিক নীতিমালার বাইরে গিয়ে এই ভয়া*ক ভারতীয় আগ্রাসনে দেশটির সেনাবাহিনীর আসল চরিত্র ও নৈতিক মানদণ্ড প্রকাশ পেয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২৮ হাজার সদস্যকে শুক্রবার জম্মু ও কাশ্মীরে পাঠানো হয়েছে। আর গত সপ্তাহে সেখানে ১০ হাজার ভারতীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।

নিয়ন্ত্রণ রেখায় অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিবাদ জানাতে গত বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল পাকিস্তান। পরবর্তী সময়ে কাশ্মীর সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান তার আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তে*না ক্রমে বাড়ছে।

১৪ ফেব্রুয়ারিতে কাশ্মীরের স্থানীয় এক যুবকের আত্ম*তী বোমা হাম*য় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ৪০ জওয়ান নিহত হন। পাকিস্তানভিত্তিক স*সী গোষ্ঠী জইশ-ই-মোহাম্মদ ওই হামলার দায় স্বীকার করে।

এদিকে আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের সরকার লোকজনকে হুশি*রি দিয়ে বলেছে, যারা নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বসবাস করেন, তারা যেনো কোনো অপরিচিত ডিভাইস কিংবা গ্যাজেট কুড়িয়ে না নেয় কিংবা স্পর্শ না করে।

অক্ষত গোলা ও ছোট ছোট বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে এর আগে বহু শিশু হতাহতের শি*র হয়েছে।

এক বিবৃতিতে পাকিস্তানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শত্রু বাহিনী অবিরত খেলনা-আকৃতির গুচ্ছ বোমা ও মাঝারি কামানের গোলা নিক্ষেপ করছে। যদি কেউ মোবাইল ফোনসহ এরকম কোনো ডিভাইস পড়ে থাকতে দেখে, তবে সেটি যেন স্পর্শ না করে কিংবা তুলে বাড়িতে নিয়ে না যায়।

উৎসঃ যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ চীনে আরবি ও মুসলিম নির্দশন সরাতে নির্দেশ


চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের মুসলিম হালাল রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকানগুলো থেকে আরবি ভাষা এবং মুসলিম নির্দশন সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

এর মাধ্যমে দেশটি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ‘চিনিসাইজ’ বা চীনা ধারার সমাজতন্ত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে চাইছে বলে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও আলজাজিরা।

বেইজিংয়ে হালাল পণ্য বিক্রি করে এমন ১১টি রেস্টুরেন্ট ও দোকানের কর্মীরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ ইসলামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেমন অর্ধচন্দ্র, আরবি হরফে হালাল লেখাগুলো সরিয়ে নিতে বলেছে।

চীন আগেই ঘোষণা করেছে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তারা ইসলামের ‘চীনা ভার্সন’ কার্যকর করবে।

বেইজিংয়ের একটি নুডলস শপের ব্যবস্থাপক জানান, তার দোকানের লোগো থেকে আরবিতে হরফে লেখা ‘হালাল’ শব্দটি ঢেকে ফেলতে বলেছে।

তিনি বলেন, ‘কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ যুক্তি দেখিয়েছে, এগুলো বিদেশি সংস্কৃতি। চীনের নাগরিক হিসেবে নাকি আমাদের চীনা সংস্কৃতিই বেশি বেশি ব্যবহার করা উচিত।’

নুডলস শপের এই ব্যবস্থাপকের মতো একাধিক দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে একই নির্দেশনা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

২০১৬ সাল থেকেই চীনে আরবি ভাষা এবং ইসলামী রীতির ছবির প্রতি খড়গহস্ত হয় সরকার। ইতোমধ্যে অনেক মসজিদের গম্বুজকে বদলে চীনা স্টাইলে প্যাগোডার আকার দেয়া হয়েছে।

চীনে প্রায় ২ কোটি মুসলিম বসবাস করেন। দেশটি দাফতরিকভাবে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বললেও উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের জন্য বেশ সমালোচিত। ইতোমধ্যে উইঘুরদের রাজ্যে নামায-রোযা ছাড়াও দাড়ি রাখা হিযাব পরা এবং আরবি শিক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আর এটি বাস্তবায়নে দেশটির সরকার আইনও করেছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, শি জিং পিংয়ের মতাদর্শে শাসিত চীনে ১০ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলিমকে আটক রেখে তাদের ধর্ম পালনে বাধা দেয়া হচ্ছে। বলপূর্বক তাদের কমিউনিস্ট পার্টির মতাদর্শে বিশ্বাস স্থাপন করানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

যদিও চীনের দাবি, ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে তারা উইঘুরে ‘প্রশিক্ষণ শিবির’ স্থাপন করেছে।

উৎসঃ পরিবর্তন

আরও পড়ুনঃ আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণে বাংলাদেশের জমি চায় ভারত


ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা বিমানবন্দরকে (বর্তমান মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দর) সম্প্রসারণ করতে চায় ভারত। এজন্য জমির প্রয়োজন হওয়ায় বাংলাদেশের কাছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমি চেয়ে প্রস্তাব করেছে দেশটি। তবে, ভারত কী পরিমান জমি চেয়েছে তা প্রকাশ করেননি কোনো কর্মকর্তা।

ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

অবশ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এ বিষয়ে নিউএজকে বলেছেন, সরকার এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি আরো বলেন, ভারতকে ইতোমধ্যে ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দেয়া হয়েছে। গত এক বছর ধরে বেশ কয়েকটি সভায় নতুন করে এই প্রস্তাব দিয়ে আসছে দেশটি।

ভারত কী পরিমাণ জমি চেয়েছে তা প্রকাশ করেননি কোনো কর্মকর্তা। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আগরতলা বিমানবন্দর এবং এর রানওয়ে আখাউড়ার চানপুরে সীমান্তের এক কিলোমিটারেরও কম দূরে অবস্থিত।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্বরত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কলকাতা ও গুয়াহাটি থেকে বিমান উড্ডয়নের পর আগরতলা বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে।

২০১৮ সালের জুলাই মাসে ভারতের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী) বাংলাদেশ সফরকালে প্রথম এ প্রস্তাব দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ত্রিপুরার আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশ ভারতের সাথে কীভাবে তার জমি ভাগ করে নিতে পারে তা পরীক্ষা করার জন্য গতবছরের অক্টোবর মাসে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থার সাথে একটি বৈঠক করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মহিবুল হক বলেন, ‘বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর আমরা তাদেরকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিতে বলেছিলাম। ২০১৮ সালের অক্টোবরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই বৈঠকে অংশ নেওয়া দুজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, একজন সামরিক কর্মকর্তা ভারতের সাথে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ভাগ করে নেওয়ার বিষয়ে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়াদি বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন।’

একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘বিমানবন্দর কীভাবে পরিচালিত হবে, সীমান্তবর্তী জমি ইজারা দেওয়া হবে কিনা এবং সরকার ভারতের সাথে জমিটি ভাগ করে নিতে চাইলে প্রক্রিয়া কী হতে পারে তাও আমরা আলোচনা করেছি।’ সভায় অংশ নেওয়া অন্য একজন কর্মকর্তা একটি মানচিত্র এনে দেখিয়েছেন যে, যদি আগরতলা বিমানবন্দরটি বাড়ানো হয়, তাহলে ভারত বাংলাদেশ ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে লাইট স্থাপন করবে এবং বিমানবন্দর সুরক্ষার জন্য এলাকাটি ঘিরে নেবে।

পররাষ্ট্রসচিব শহিদুল হক বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত। মন্ত্রণালয়গুলো বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করছে।’

তবে, তিনি বলেন, ২০১৮ সালের অক্টোবরের ওই সভায় যারা অংশ নিয়েছিলেন তারা ভারতীয় প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছিলেন। তারা প্রত্যেকেই মনে করেন, আমাদের জমির অংশ সেখানে যথাযথভাবে সংযুক্ত হবে। তিনি আরো বলেন, ওই বৈঠকে তিনি জেনেভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছিলেন। যেটি আংশিকভাবে সুইজারল্যান্ডে এবং আংশিকভাবে ফ্রান্সে পড়েছে। ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত জেনেভা বিমানবন্দরটি যখন এর উত্তর সীমান্তে চলে তখন এর অবস্থান থাকে সুইস ভূখণ্ডে। তবে, সুইজারল্যান্ড এবং ফ্রান্স উভয় স্থান থেকে সেখানে অধিগমন করা যায়।

বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য ভারতকে ভূমি দেয়া হলে তা জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করবে কিনা জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবিষয়ে বলতে পারবেন। আমি এটিকে দূরদর্শী দৃষ্টিকোণে ব্যবসা এবং গতিশীলতার দিক থেকে দেখেছি। তিনি যুক্তি দেন যে, বিভিন্ন দেশে আন্তঃসীমান্ত বিমানবন্দর রয়েছে। অনেক দেশ একই বিমানবন্দর ব্যবহার করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘ইউরোপ ও দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত পরিচালনা, অভিবাসন ব্যবস্থা বা মুদ্রানীতিতে একরকম নয়।’ তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরটি দুটি দেশ যৌথভাবে পরিচালনা করবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এটি যদি যৌথ উদ্যোগ হয়, তবে আমরা বিবেচনা করতে পারি। অন্যথায়, এটি যৌক্তিক নয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছিলেন, ‘আমরা কাউকে এভাবে জমি দেই না। আর, এবিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

সাবেক বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এই প্রস্তাবে অবাক হয়েছেন। কীভাবে অন্য একটি দেশের বিমানবন্দর আমার দেশে সম্প্রসারণ করা যায় এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সরকার কঠোর প্রতিরোধের মুখোমুখি হবে।’ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বিমানবিষয়ক পরিপ্রেক্ষিতে বিবেচনায় এই প্রস্তাব যৌক্তিক নয় বলে জানান রাশেদ খান মেনন।

২০১৯ সালের শেষে এবং ২০২০ সালের শুরুতে গুয়াহাটি এবং ইম্ফলের পরে আগরতলা বিমানবন্দরটি ভারতের উত্তর-পূর্বের তৃতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে উঠবে, গত ২৪ জুন এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস।

ত্রিপুরার তৎকালীন পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী প্রানজিৎ সিংহ রায়কে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আগরতলা বিমানবন্দরকে ২০২০ সালের প্রথম দিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এজন্য ৪৩৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রকল্পের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে টার্মিনাল ভবন, রানওয়ে এবং অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষকে ৭২ একর জমি সরবরাহ করেছে সরকার।

তৎকালীন পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী প্রাণজিৎ রায় সংবাদ মাধ্যমগুলোকে বলেছিলেন, বিমানবন্দরটির সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে আগরতলা থেকে বিমানযোগে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ বাংলাদেশের অন্যান্য শহরগুলোতে যাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, ১৯৪২ সালে ত্রিপুরার তৎকালীন রাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর বিমানবন্দরটি নির্মাণ করেছিলেন।

উৎসঃ বাংলা ডেস্ক

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের অর্জিত আকাশসীমায় ফ্লাইট, রাজস্ব নিচ্ছে ভারত


বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অর্জিত জলসীমার ওপর দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করলেও অবকাঠামো সমস্যার কারণে সেই রাজস্ব আদায় করা যাচ্ছে না। ওই আকাশপথ এখনো ভারতের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে রয়েছে এবং এসব ফ্লাইটের কাছ থেকে রাজস্বও আদায় করছে ভারত।

জানা গেছে, মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে বিশাল সমুদ্রসীমা জয়লাভের পর বাংলাদেশের অর্জিত জলসীমার ওপর দিয়ে বিমান চলাচলের জন্য পাঁচটি আন্তর্জাতিক রুটের খোঁজ পাওয়া গেছে। এয়ার ট্রাফিক সার্ভিস প্রদানের জন্য এ রুটগুলোর ট্রাফিক কন্ট্রোল বাংলাদেশ বুঝে নিতে পারলে রাজস্বপ্রাপ্তির খাতায় বছরে যোগ হবে প্রায় ২৫৫ কোটি টাকা।

সূত্রগুলো জানায়, বর্ধিত জলসীমায় পাঁচটি রুটের মধ্যে তিনটি আন্তর্জাতিক রুট চিহ্নিত করা গেলেও সেগুলো বাংলাদেশের রাডার ব্যবস্থার কাভারেজের বাইরে অবস্থিত। এ তিনটির মধ্যে ‘পি ৬৪৬’ নামে একটি রুটের সন্ধান পাওয়া গেছে যে রুট দিয়ে দৈনিক গড়ে প্রায় ৫৫টি এয়ারক্রাফট যাতায়াত করে। সম্প্রতি কারওয়ান বাজারের পেট্রোসেন্টারে ‘ব্লু ইকোনমি’-সংক্রান্ত এক সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকের প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশের অ্যারোনটিক্যাল চার্জ অনুযায়ী ‘পি৬৪৬’ রুটে চলাচলকারী মাঝারি টাইপের এয়ারক্রাফটের চার্জ হিসাব করলে দৈনিক গড় রাজস্ব দাঁড়ায় (৫৫ গুণক ৩০০ মার্কিন ডলার) ১৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। দেখা যাচ্ছে এই একটি রুট থেকে বার্ষিক সম্ভাব্য রাজস্বের পরিমাণ ৬০ লাখ ২২ হাজার ৫০০ ডলার।

সূত্র জানান, বাংলাদেশের অর্জিত আকাশসীমায় আরও দুটি আন্তর্জাতিক রুট চিহ্নিত করা গেছে ‘এন ৮৯৫’ ও ‘এম ৭৭০’ নামে। তবে রাডার এরিয়ার বাইরে থাকায় ওই দুটি রুটে চলাচলরত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের হিসাব সংগ্রহ করতে পারেনি বেবিচক। বেবিচকের তথ্যানুযায়ী অর্জিত জলসীমায় একটি আন্তর্জাতিক রুট থেকে যদি বছরে ৬০ লাখ ২২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার আয় হয়, তবে পাঁচটি রুটে সম্ভাব্য রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৩ কোটি ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২৫৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ অর্জিত জলসীমার ওপর বাংলাদেশের যে আকাশসীমা রয়েছে, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় সেখান থেকে বছরে ওই পরিমাণ রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে জানতে বেবিচকের ডিরেক্টর (এটিএস অ্যান্ড অ্যারোড্রোমস) আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০০ ফ্লাইট ওভারফ্লাইং করে। প্রতিটি বড় আকারের এয়ারবাস থেকে আমরা ৪০০ মার্কিন ডলার রাজস্ব পাই। এ রাজস্ব কোনোভাবেই মিসিং হওয়ার সুযোগ নেই।’ তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কলকাতা থেকে “লিমা ৫০৭” একটি রুট বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে কিছুটা আকাশসীমা ব্যবহার করে আবার ভারতের আকাশসীমায় পড়েছে। ওই রুটে চলাচলকারী ফ্লাইটের যে কথোপকথন (বিএইচ) তা আমরা ঠিকভাবে শুনতে পাই না। আমাদের অনুরোধে কলকাতা পোর্ট কর্তৃপক্ষ সেই কথোপকথন পরিচালনা করছে, কিন্তু চার্জ আমরা আদায় করছি।’ তবে তিনি বঙ্গোপসাগরে অর্জিত জলসীমার ওপর দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অর্জিত জলসীমার ওপর দিয়ে যে আকাশসীমা রয়েছে তা পাশের দেশ ভারতের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। বঙ্গোপসাগরে অর্জিত ওই বিশাল এলাকার ওপর যেহেতু বাংলাদেশের আগে একচ্ছত্র অধিকার ছিল না, সেহেতু ওই আকাশসীমায় ফ্লাইট ইনফরমেশন রিজিওন গড়ে তোলার কোনো সুযোগ ছিল না। তবে এখন সেই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে এফআইআর বর্ধিত করতে হলে চট্টগ্রামে অবস্থিত রাডারের কার্যক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য অবকাঠামো সুবিধাও গড়ে তুলতে হবে।

উৎসঃ বিডি প্রতিদিন

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here