চেয়ারম্যান নেই, বন্ধ বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত!

0
75

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। টানা দুই মাস চেয়ারম্যানের পদ শূন্য থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সারাদেশে বেসরকরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩৮ হাজার ৮০০ জন শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলেও এ কারণে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জানা গেছে, এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করার পরও নিয়োগ না পেয়ে ৩৫টি মামলা করেছেন বিভিন্ন সময়ে নিবন্ধিত প্রার্থীরা। তার ভিত্তিতে আদালত থেকে নিবন্ধিত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশনা দেয়া হয়। সে মোতাবেক গত তিন মাস আগে প্রথম থেকে ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এ তালিকায় নানা ধরনের ভুল-ভ্রান্তি উল্লেখ করে সারাদেশ থেকে সহস্রাধিক আবেদন করেন প্রার্থীরা। পরে তা সংশোধন করে মোট ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৮৫ জনের নাম প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।

এনটিআরসিএ’র কর্মকর্তারা জানান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে সারাদেশের সব স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শূন্য আসনের তালিকা পাঠাতে তিন দফায় নির্দেশনা দেয় এনটিআরসিএ। এতে ৩৮ হাজার ৮০০ জনের শূন্য আসনের তালিকা আসে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান না থাকায় এখনো এই বিশাল শূন্যপদ পূরণে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

তারা জানান, সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এনটিআরসিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আজহার হোসেন অবসর গ্রহণ করেন। এরপর গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলালকে জনপ্রশাসন থেকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দিলেও তিনি সেখানে যোগদান করেননি। এ কারণে বাধ্য হয়ে গত এক সপ্তাহ আগে অতিরিক্ত সচিব এস এম আশফাক হোসেনকে এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি বিদেশ সফরে রয়েছেন। আগামী ১২ নভেম্বর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের কুক্ষিগত করে রাখতেন সাবেক চেয়ারম্যান মো. আজহার হোসেন। এ কারণে এনটিআরসিএ’র সব কার্যক্রম ধীরগতি হয়ে পড়ে। সব কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে এনটিআরসিএ’তে নতুন করে কেউ যোগদান করতে চায় না। এ প্রতিষ্ঠানে বদলিকে শাস্তিমূলক বদলি বলে মনে করা হয়। তাই পরপর দুজন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিলেও একজনও যোগদান করেননি। তবে সর্বশেষ নিয়োগ পাওয়া অতিরিক্ত সচিব এসএম আশফাক হোসেনের যোগদান করার কথা রয়েছে আগামী ১৩ নভেম্বর। বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহামুদ উল হককে রুটিন দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনিও গত ৩ নভেম্বর থেকে জ্যামাইকায় আছেন। ফিরবেন ১৩ নভেম্বর। এই সময়ের মধ্যে এনটিআরসিএ’র সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) নাসির উদ্দিন আহমেদকে আর্থিক ক্ষমতাসহ চেয়ারম্যানের রুটিন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

সাবেক চেয়ারম্যান আজহার হোসেনের অনিয়মের তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী কর্মকর্তারা।

জানতে চাইলে এনটিআরসিএ’র সচিব নুসরাত জাবীন বানু জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কার্যক্রম স্থবির, কথাটি ঠিক নয়। শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের জন্য চাহিদা পাওয়া গেছে। কিছু ভুল-ভ্রান্তি ছিল, তা সংশোধন করা হয়েছে। দ্রুত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রার্থীদের কাছে আবেদন চাওয়া হবে। তবে, চেয়ারম্যান না থাকায় বড় সিদ্ধান্ত নিতে কিছুটা ব্যাঘাত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন বিষয়ে মোট ৩৮ হাজার ৮০০ জন শিক্ষকের তালিকা পাঠানো হয়েছে। টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। শূন্য আসনের তালিকা সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কমকর্তাদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান যোগদান করলে চলতি মাসের শেষের দিকে নিবন্ধিত প্রার্থীদের আবেদন চেয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারে এনটিআরসিএ। এরপর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোধাক্রমে নিয়োগ দিতে সুপারিশ করবে এ প্রতিষ্ঠানটি।

উৎসঃ জাগোনিউজ

আরও পড়ুনঃ গ্রেফতার এড়াতে রোডমার্চ বাতিল করেছে ঐক্যফ্রন্ট; তবে সমাবেশ হবে!

রাজশাহী অভিমুখে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পূর্বঘোষিত রোডমার্চ স্থগিত করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বুধবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তবে তিনি বলেন, ‘পরের দিন শুক্রবার পূর্বনির্ধারিত জনসভা হবে। ইতোমধ্যে নগরীর গণকপাড়া মোড়ের এই জনসভার জন্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ অনুমতি দিয়েছে।’

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐক্যফ্রন্টের জনসভা থেকে নেতারা ঘোষণা দেন দ্বিতীয় দফা সংলাপ ব্যর্থ হলে রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন তারা।

পরে জনসভা থেকে মির্জা ফখরুল কর্মসূচির ঘোষণা দেন, ৮ নভেম্বর রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ এবং পরের দিন ৯ নভেম্বর রাজশাহীতে জনসভা করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

উৎসঃ জাগোনিউজ

আরও পড়ুনঃ হঠাৎ কেন কাদের সিদ্দিকী খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে?

একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে ভোটের পরিবেশ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিতের দাবিসহ সংকট উত্তোরণে বিভিন্ন ইস্যুতে চলমান সংলাপের মধ্যে হঠাৎ বিএনপির গুলশাল কার্যালয়ে গেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

বুধবার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি শেষে হওয়ার পরপরই হঠাৎ সেখানে উপস্থিত হতে দেখা যায় কাদের সিদ্দিকীকে।

বিএনপির গুলশান সূত্র সন্ধ্যায় ব্রেকিংনিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, কাদের সিদ্দিকীর এই আগমন অনানুষ্ঠানিক। তার সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা ও জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে বিএনপি নেতারা কথা বলবেন।

এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত গুলশান কার্যালয়ে কাদের সিদ্দিকী সহ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল উপস্থিত রয়েছেন।

সুত্রঃ ব্রেকিংনিউজ

আরও পড়ুনঃ দেশে এরপর যা ঘটবে তার দায়-দায়িত্ব সরকারেরঃ ড. কামাল হোসেন

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আমরা সংলাপের মাধ্যমে দাবি-দাওয়া উত্থাপন করেছি। আমরা চেয়েছি শান্তিপূর্ণ উপায়ে দাবি আদায় করতে। এখন বল প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে। দেশে এরপর যা হবে তার দায়-দায়িত্ব সরকারের।

বুধবার আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সংলাপের পর রাজধানীর বেইলি রোডে নিজের বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় জোটের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গায়েবি মামলা ছাড়া কোন দাবি পূরণ হয়নি। দাবি না মানলে কঠোর আন্দলনে যে পরিণতি হবে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে। আলোচনার সুযোগ এখনও আছে। স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ অবস্থায় সমাধানে পৌছাতেই শেষ অব্দি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সংলাপ আন্দোলনেরই একটা অংশ। দাবি না মানলে আরও আন্দোলন হবে। সংলাপ কেমন হয়েছে-এই প্রশ্নর জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, সেটা এখন বলতে চাচ্ছি না। আলোচনা ভালো না হলে জনগণকে সাথে নিয়ে ভালোর পথে আনা হবে।

এসময়, দাবি না মেনে বৃহস্পতিবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে ইসি অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর প্রমুখ।

সুত্রঃ আরটিএনএন

আরও পড়ুনঃ ১০ উপদেষ্টার নির্দলীয় সরকারের প্রস্তাব দিল ঐক্যফ্রন্ট!

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে ১০ উপদেষ্টা নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বুধবার (৭ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সংলাপে বসে লিখিত আকারে এ প্রস্তাব দেয় ঐক্যফ্রন্ট।

সংলাপের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। ওই সূত্র মতে, ঐক্যফ্রন্ট এই নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দিলেও আওয়ামী লীগ তা নাকচ করে দিয়েছে। দলটি জবাবে বলেছে, এটা সংবিধান সম্মত নয়, এতে সাংবিধানিকশূন্যতা সৃষ্টি হবে। আর এ সুযোগে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়া, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ আরও বিভিন্ন দাবি পুনরুত্থাপন করেছে ঐক্যফ্রন্ট।

বেলা ১১টা ১০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফা সংলাপ বেলা ২টার দিকে শেষ হয়। সর্বশেষ খবর অনু্যায়ী, নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবি দাওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষ ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি।

সুত্রঃ বাংলানিউজ২৪

আরও পড়ুনঃ সংলাপে নির্বাচন পেছানো ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব নাকচ করল আওয়ামীলীগ

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বসা সংলাপ শেষ হয়েছে। সংলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে নেতারা বেরিয়ে আসেন।

সংলাপ শেষে সরকারি দলের মুখপাত্র সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবির বেশ কিছু দাবি মানা হয়েছে। তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের করা সরকারের নির্ধারিত মেয়াদ শেষে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন এবং ১০ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

তিনি বলেছেন, নির্বাচন পিছিয়ে দিতে এটা তাদের বাহানা। কিন্তু আমরা সংবিধানের বাইরে যাবো না। নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। গত ৭ দিনে যত সংলাপ হয়েছে সেসব বিষয় নিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, সংসদ যেদিন বসেছে সেদিন থেকে হিসেব করে সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তারা সংলাপে প্রস্তাব দিয়েছেন নির্বাচন সংসদের মেয়াদ শেষে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে করার। কিন্তু এটা সংবিধানের বাইরে। তাই আমরা এতে সম্মত হইনি। আর একজন প্রধান উপদেষ্টাসহ ১০ জন উপদেষ্টা রেখে নির্বাচন করার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের অনুরোধ করেছেন, আপনারা নির্বাচনে আসুন, আমরা দেখিয়ে দেবো এই সরকারের অধীনেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। এরপর যদি আপনারা জিতেন আপনারা ক্ষমতায় আসবেন, আর আমরা জিতলে আমরা আসবো।

তবে তাদের ৭ দফায় থাকা বেশ কিছু দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের নিশ্চয়তা দিয়েছেন তফসিল ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করা হবে না, দলীয় পতাকা থাকবে। কোনো ধরনের সরকারি ফ্যাসিলিটি (সুবিধা) আমরা এনজয় করবো না। তখন সব কিছু থাকবে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে।

নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার আহ্বান মেনে নেওয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেছেন, এটা এখন কোথাও থাকে না। তবে নির্বাচনে সেনা মোতায়েন থাকবে। তারা নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজন অনুযায়ী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

সুত্রঃ জাস্ট নিউজ

আরও পড়ুনঃ আজকে শুধু সংলাপ হয়েছে, আর কিছু নয়ঃ আব্দুল মালেক রতন

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সংলাপের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মা‌লেক রতন বলেছেন, শুধু সংলাপ হয়েছে, আর কিছু নয়।

বুধবার (৭ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে সংলাপ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। তবে ঐক্যফ্রন্টের অন্য নেতারা সংলাপের আলোচনার বিষয়ে কিছু বলতে চাননি।

এ সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে আরও অংশ নেন শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত ‌চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহ‌সিন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এস এম আকরাম প্রমুখ।

সুত্রঃ বাংলানিউজ২৪

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here