খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চূড়ান্ত আন্দোলন : ভিপি সাইফুল

0
197

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম বলেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে বগুড়া বিএনপি চূড়ান্ত আন্দোলনে রাজপথে নামবে। এ জন্য গুচ্ছ গুচ্ছ কর্মসূচী গ্রহণ করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচী সফল করতে সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে জেলে যেতেও প্রস্তুত আছি।

তিনি বুধবার বগুড়া জেলা বিএনপির বিশেষ সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আগামী ১৩ এপ্রিল গণঅনশন কর্মসূচী ঘোষণা করেন তিনি।

সভায় আরো বক্তভ্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, কেন্দ্রীয় সদস্য লাভলী রহমান, সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, আহসানুল তৈয়ব জাকির, ডাক্তার মামুনুর রশিদ মিঠু, যুগ্ম-সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস ও অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা পপন, যুবদলের জেলা সভাপতি সিপার আল বখতিয়ার, শ্রমিকদল সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ, বিএনপি নেতা প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আব্দুল বাছেদ, দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরু, শাহাবুল আলম পিপলু, সাইফুল ইসলাম সাইফ, এসএম রফিকুল ইসলাম, ফজলুল হক উজ্জল, মাসুদ রানা, ফারুকুল ইসলাম ফারুক, মাহবুব হাসান লেমন, লিটন শেখ বাঘা, ছাত্রদলের আবু জাফর জেমস, আব্দুল আউয়াল, আব্দুল মোমিন প্রমুখ।

সভায় গণঅনশন কর্মসূচী সফল করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং বগুড়াবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়।

উৎসঃ ‌নয়া দিগন্ত

আরও পড়ুনঃ ‘গণতন্ত্র ছাড়া অর্থনৈতিক অগ্রগতি হুমকিতে পড়তে পারে’


ব্রিটিশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মার্ক ফিল্ড হুঁশিয়ারি উচ্চারন করে বলেছেন, গণতান্ত্রিক শাসন ও জবাবদিহিতার জন্য পদক্ষেপ নেয়া না হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি হুমকীর মুখে পড়তে পারে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কার্যকর বিরোধী দল ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ সফর শেষে বুধবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতর থেকে এক বিবৃতিতে মার্ক ফিল্ড এ মন্তব্য করেন। তিনি গত শনিবার ও রোববার ঢাকা সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এছাড়া তিনি রাজধানীর এক হোটেলে ‘সুশাসন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে মার্ক ফিল্ড প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের বিগত জাতীয় নির্বাচনে অনিয়মের কঠোর সমালোচনা করেন।

লন্ডন থেকে দেয়া বিবৃতিতে ব্রিটিশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতে আমি দুই দেশের গভীর সম্পর্ককে কিভাবে আরো শক্তিশালী করা যায় তার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। কমনওয়েলথের আওতায় আমরা জলবায়ু পরিবর্তন থেকে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সহযাগিতার ইস্যুসমূহ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আওতায় জনগনের মধ্যে সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং মানবপাচাররোধে একসাথে কাজ করছি।

মার্ক ফিল্ড বলেন, বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু হিসাবে আমরা গণতান্ত্রিক শাসন ও জবাবদিহিতা ইস্যুতে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছি। বাংলাদেশের মানুষের বিকাশ ও সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহারে এ সব ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের অবশ্যই আরো অনেক কিছু করতে হবে।

রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মার্ক ফিল্ড। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য মিয়ানমারের সাথে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি আলাপ করেন।

সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময়ে ব্রিটিশ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকরা তাদের উদ্বেগের কথা জানান। মার্ক ফিল্ড মধ্য আয়ের দেশে উত্তরণে বাংলাদেশের যাত্রা এবং অব্যাহত অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও সহায়তা কর্মসূচিগুলোর মাধ্যমে ব্রিটেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করছে।

ঢাকা সফরকালে মার্ক ফিল্ড ব্রিটিশ কাউন্সিলে একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শাখা ক্যাম্পাস স্থাপন নিয়ে আলোচনা করেন।

উৎসঃ ‌নয়া দিগন্ত

আরও পড়ুনঃ ‘সরকার পক্ষের গণমাধ্যম খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমাকে নিয়ে নোংরামি করছে’


দুর্নীতি মামলায় দণ্ড হওয়ার পর গত বছর ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। তবে অসুস্থ খালেদা জিয়াকে দেখভালের জন্য দীর্ঘদিনের গৃহকর্মী ফাতেমাও তার সঙ্গে ওই কারাগারে আছেন। সর্বশেষ চিকিৎসার জন্য গত ১ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে আনা হলে তার সঙ্গে ফাতেমাকেও দেখা যায়।

সম্প্রতি ফাতেমাকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে বেসরকারি টিভি, যেখানে ফাতেমার বাবা রফিকুল ইসলামের সাক্ষাৎকার রয়েছে। ফাতেমা কারাগারে ঢোকার পর খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তার পরিবার কোনো টাকা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। টাকার অভাবে ফাতেমার দুই সন্তান এখন স্কুল ছেড়ে মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে থাকা তার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগমকে নিয়ে খবর প্রকাশে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘আজকে বিপুল জনপ্রিয় নেত্রী অসুস্থ। হাসপাতালে আনার পরে সরকারি ডাক্তাররা বলছেন, তার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসছে না। তার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার, তার চোখে অস্ত্রোপচার, তার সামনে লোক থাকা দরকার। ফাতেমা নামে একটি মেয়ে তার সাথে থাকেন, তিনি বাইরের সেলে থাকেন। তাকে (ফাতেমা) নিয়ে সরকারের পক্ষের গণমাধ্যম এত নোংরামি করতে পারে! আজকে সুবর্ণচরে মা ধর্ষিত হয়েছে, তার বাবার সাক্ষাৎকার সেই গণমাধ্যমে নেওয়া হয় না কেন, আজকে কবিরহাটে যে মেয়েটি ধর্ষিতা হয়েছে তার বাবার সাক্ষাৎকার তো আমরা দেখি না এই সমস্ত গণমাধ্যমে। আজকে ম্যাডামকে সাহায্য-সহযোগিতা করে, কত পরিকল্পনার করে, ফাতেমার বাবাকে নিয়ে এসে সাক্ষাৎকার নিচ্ছে!’

১০ এপ্রিল, মঙ্গলবার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘ফাতেমাকে নিয়ে “নোংরামি করছে” সরকার পক্ষের গণমাধ্যম।

রুহুল কবির এ কথা বললেও ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোলায় ফাতেমার বাবার সংসারে থাকা তার দুই শিশু সন্তান এই এক বছরের বেশি সময় তাদের মায়ের দেখা পায়নি। আর ফাতেমার বেতনের টাকা না যাওয়ায় এই সময়ে সংসার চালাতে তাদের দেনা হয়েছে এক লাখ টাকার বেশি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানান, ফাতেমার সব পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে বলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাকে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘রিজভী আমার ছোট ভাই, তিনি গুছিয়ে বলেছেন আপনাদের। একটা টিভি চ্যানেলে ম্যাডামের সঙ্গে যে মেয়েটি থাকে স্বেচ্ছায় কারাবরণ করে, তার বাবাকে দিয়ে একটা সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে। ওই চ্যানেলটিকে আমরা চিনি। তাদের প্রতিদিনের খবর দেখেন, অনুষ্ঠান দেখেন, তাহলেই বুঝবেন যে তারা কার জন্য কাজ করে। এই কাজটা তাদের জন্যই করেছে।’

‘আমি সাথে সাথে আমাদের দলের মহাসচিবকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, ব্যাপার শুনা গেল এটা কী? উনি (মহাসচিব) বললেন যে, শতকরা ১০০ ভাগ মিথ্যা একটা রিপোর্ট প্রচার করা হয়েছে। সম্ভবত গরিব মানুষটাকে কোনোভাবে তারা ম্যানেজ করে নিয়েছে। মাত্র কয়েক দিন আগে তাকে টাকা দিয়েছিলাম। যা প্রাপ্য ছিল তার চেয়ে অগ্রিম দেওয়া হয়েছে। নিজে দিয়েছেন উনি বললেন।’

দেশে এত সমস্যা থাকতে এই বিষয়ে খবর প্রকাশের কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘বিশাল একটা চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের অংশ এটি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটা চেষ্টা তো আছেই।’

উৎসঃ ‌প্রিয়

আরও পড়ুনঃ কল্যাণ পার্টির নতুন কমিটি


বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে চেয়ারম্যান ও এম এম আমিনুর রহমানকে মহাসচিব করে ৪৫ সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করে দলটি।

বুধবার দলের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। ১০১ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাকি তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। গত ৬ এপ্রিল কল্যাণ পার্টির চতুর্থ জাতীয় কাউন্সিল হয়।

আংশিক কমিটিতে সহসভাপতিরা হলেন- এএফএম নুরুদ্দিন, মতিয়ার রহমান, সাহিদুর রহমান তামান্না, সৈয়দ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, আলী হোসেন ফরায়েজী,মাহমুদ খান, আনম যাকিউল হক, শামসুদ্দিন পারভেজ, আহসান হাবিব ইমরুজ।

যুগ্ম মহাসচিবরা হলেন- নুরুল কবির ভুঁইয়া পিন্টু, রাশেদ ফেরদৌস সোহেল মোল্লা, নুরুল আফসার ও আল-আমিন ভুঁইয়া রিপন (দফতর)।

সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন- ঢাকা বিভাগে আব্দুর রহমান খোকন, চট্টগ্রাম বিভাগে দিদারুল আলম সুমন, বরিশাল বিভাগে মো. আবু হানিফ, রংপুর বিভাগে আদম শফিউল্লাহ।

এ ছাড়া অর্থবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মনিরুল ইসলাম সরকার, পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক এরশাদুর রহমান মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক জাহিদুর রহমান, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক এম হাসান জেড খান, মহিলা ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক শাহানা সুলতানা শিলা, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আলমগীর কবির, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আর এ এম ইসমাইল ফারুক, বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল হক সিরাজী, আইনবিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক ফয়েজ বিন আকরাম, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা রোকেয়া বেগম, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এনামুল করিম রেজা, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন।

এছাড়াও সহগণমাধ্যমবিষয়ক সম্পাদক মঈন বকুল এবং উপপ্রচার ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে মো. ইলিয়াস শিকদারকে।

কমিটির সদস্যরা হলেন- খোরশেদ আলম, মো. কামারুজ্জামান, মো. জসিম উদ্দিন, মুসা মিয়া মজুমদার, মো. মহিউদ্দিন, মো. কামারুজ্জামান খান, সালাউদ্দিন আয়ুবী, হাবিবুল্লা ভুইয়া ও মোয়াজ্জেম হোসেন।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ মুহাম্মদ (সা.)কে কটূক্তিকারী বিতর্কিত সেই বক্তার ফাঁসির দাবিতে কটিয়াদীতে বিক্ষোভ


কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)কে কটূক্তিকারী কথিত বক্তা হাবিবুর রহমান রেজভীর ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

বুধবার বাদ জোহর উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ থেকে শত শত মুসল্লি জমায়েত হয়ে এ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কের কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ থেকে বক্তারা সরকারের কাছে কথিত বক্তা হাবিবুর রহমান রেজবীর ফাঁসির দাবি জানান।

মুফতি মো. ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক উপপরিচালক ডা. মো. মুক্তাদির ভুইয়া, কটিয়াদী দরগা জামে মসজিদের খতিব মুফতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, ঠিকাদার ও মেয়রপুত্র তসলিম উদ্দিন লিটন, কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. জহিরুল ইসলাম, আচমিতা বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. ইউসুফ আলী প্রমুখ।


সম্প্রতি ‘মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মুসলমান ছিলেন না এবং কেউ নবীকে মুসলমান বললে তার ঈমান থাকবে না’ তার এমন একটি ওয়াজের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে জনরোষ সৃষ্টি হয়। রোববার দুপুরে কটিয়াদী বাজারের গেঞ্জিমহাল থেকে কথিত বক্তা হাবিবুর রহমান রেজভীকে (৫৪) জনতার গণধোলাইয়ের সময় কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ আটক করে।

হাবিবুর রহমান রেজভী কটিয়াদী পৌরসভার গোয়াতলা গ্রামের মৃত রবিউল্লাহার ছেলে। সোমবার দুপুরে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককে নেয়া হচ্ছে


সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহকে বুধবার রাত ১১টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককে নেয়া হবে। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য পারিবারিক সিদ্ধান্তে তাকে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের মেডিকেল পরিচালক ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন। এর আগে হাসপাতালটির পরিচালক মানবজমিনকে বলেন, স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসাধীন সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতির দিকে। এক সপ্তাহ আগে তিনি স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালে ডা. রায়হান রাব্বীর অধীনে আইসিইউ’র ৩ নং বেডে চিকিৎসা নেন এই সাংবাদিক। মাহফুজ উল্লাহ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন গত ২রা এপ্রিল রাতে। পরে স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করেন। প্রখ্যাত এই সাংবাদিক হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ দেশের একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক। ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করা মাহফুজ উল্লাহ ষাটের দশকে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। তিনি সাংবাদিকতা ছাড়াও খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষকতায় নিয়োজিত আছেন।

উৎসঃ ‌মানবজমিন

আরও পড়ুনঃ আইসিটি মামলা থেকে খালাস আলোচিত জনপ্রিয় ব্লগার শফিউর রহমান ফারাবী


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা মামলায় বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি শফিউর রহমান ফারাবীকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ বুধবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামশ জগলুল হোসেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার আগে ফারাবীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফারাবী বিভিন্ন ভিআইপি ব্যক্তিদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় মুক্তমনা লেখিকা তসলিমা নাসরিনের কলাম ছাপানোর কারণে পত্রিকার সম্পাদক নঈম নিজামকে হুমকি দিয়েছিলেন ফারাবী। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৪ মার্চ রাজধানীর রমনা থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (রমনা জোন) ফজলুর রহমান।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসির সামনে অভিজিৎ রায় ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা।

পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন রাত ১০টা ২০ মিনিটে অভিজিৎ রায় মারা যান। গুরুতর আহত বন্যাকে পরে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।

২ মার্চ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি বাসা থেকে ফারাবীকে আটক করে র‌্যাব।

২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় বিভিন্ন সময় সাতজন সাক্ষ্য দেন।

উৎসঃ ‌jagonews24

আরও পড়ুনঃ খালেদা জিয়ার প্যারোলের কথা বলা ক্ষমতাসীনদের দুরভিসন্ধি: রিজভী


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীন দলের নেতারা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার প্যারোল নিয়ে অস্থির। তিনি তো স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াতেই জামিনে মুক্তি পাবেন, তা হলে ক্ষমতাসীনদের এই প্যারোলের কথা বলাটা তো দুরভিসন্ধিমূলক।

তিনি বলেন, সরকারের আচরণে স্পষ্ট হয়েছে, জনগণের নেত্রীকে জনগণ ও রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্য তার জীবন পণবন্দি করেছে। এখন তার জীবন হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে প্যারোলের কথা বলছেন।

বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সরকারের গভীর ষড়যন্ত্র এবং কুমতলব এখন পরিষ্কার। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, দেশের মানুষ খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি চায়। প্যারোলের প্রশ্ন কেন আসছে? তিনি তো নির্দোষ।

‘দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকার সম্পূর্ণ সাজানো মিথ্যা মামলায় তাকে জোর করে বিনাচিকিৎসায় তিলে তিলে হত্যার জন্য জেলেবন্দি করে রাখা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে রিজভী বলেন, যে টাকার কথা বলা হচ্ছে, সেই টাকার বিষয়ে কোথাও তার কোনো স্বাক্ষর নেই, সেই টাকা এখনও ব্যাংকে জমা আছে। অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়ত অবিরাম মিথ্যায় ভাঙা ঢোল বাজিয়েই যাচ্ছেন- খালেদা জিয়া নাকি এতিমের টাকা মেরে খেয়েছেন। এতিমের টাকা মেরে খেলে ব্যাংকে সেই টাকা, যা এখন সুদে-আসলে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, তা হলে খালেদা জিয়া সেই টাকা কোথায় সরালেন? এটার উত্তর কী দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা কথা বাদ দিয়ে গুরুতর অসুস্থ দেশনেত্রীকে মুক্তি দিন। প্যারোলের কথা বলে কোনো ধোঁয়াশা সৃষ্টি করবেন না। কারণ কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না। নির্দোষ খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে জনগণই রাজপথে নেমে এসে তার মুক্তি আদায় করে নেবে।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যুতে মাঠে বিএনপি ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দল


খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যুতে মাকারাবন্দী চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি এই মুহূর্তে বিএনপির এক নম্বর এজেন্ডা। এই দাবিতে বিএনপির সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর ঐক্যফ্রন্টের সাথে বিএনপির কিছুটা দূরত্ব সৃষ্টি হলেও, খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সোচ্চার হওয়ায় উভয়ের সম্পর্কে সুবাতাস বইছে। এর ফলে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামতে চাওয়া বিএনপির তৃণমূলেও একধরনের সন্তোষজনক অবস্থান লক্ষ করা গেছে।

বেগম জিয়ার মুক্তি দাবিতে গত রোববার রাজধানীতে অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি। এই কর্মসূচিতে ২০ দলীয় জোটের নেতাদের পাশাপাশি ঐক্যফ্রন্টের নেতারাও সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। তাদের বক্তব্য ছিল অনেক বেশি জোরালো। বিশেষ করে ঐক্যফ্রন্টের বন্ধন অটুট রাখার পাশাপাশি বেগম জিয়ার মুক্তি দাবি নিয়ে মাঠে নামার আহ্বান জানিয়ে তাদের দেয়া বক্তব্য নেতাকর্মীদের উদ্দীপ্ত করেছে।

ওই অনুষ্ঠানে ঐক্যফ্রন্টের গুরুত্বপূর্ণ তিন নেতার মধ্যে জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, স্লেøাগান দিলে খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন না। তাকে মুক্ত করতে হলে সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়তে হবে। এখন এক লাখ কর্মী জেলে আছে, ৫০ লাখ কর্মীর নামে মামলা আছে। দরকার হলে আরো ৫০ লাখ আমরা কারাগারে যেতে রাজি আছি, এমন প্রত্যয় থাকলে খালেদা জিয়া মুক্ত হতে পারবেন। আমি এখনই আপনাদের সাথে রাস্তায় নামতে রাজি আছি, আপনারা রাস্তায় নামবেন কি না বলেন।

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, গণতন্ত্র, বেগম খালেদা জিয়া এবং ন্যায়বিচার এক হয়ে গেছে। আজকেই যদি নির্বাচন হয়, আমি তো বলতে পারিÑ বেগম খালেদা জিয়ার সাথে যদি শেখ হাসিনা একটা গণভোটে আসেন, তাহলে শেখ হাসিনা পাঁচ পার্সেন্ট ভোটও পাবেন না। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া অতি শিগগিরই মুক্তি পাবেন, তাকে জনতার আদালত মুক্তি দেবে।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, যে দিন বেগম জিয়া বেরুবেন, সে দিন ঢাকা মহানগরে মানুষের ঢল নামবে।

জানা গেছে, ঐক্যফ্রন্ট থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি উঠছে না, বিএনপির বিভিন্ন স্তরে এমন আলোচনাকে আমলে নিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। যার ফলে ফ্রন্টের গত ২৯ মার্চের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনার বিষয় ঠিক করতে গিয়ে প্রথমে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিকে প্রাধান্য দেয়া হয়। ওই বৈঠকে নেতারা এ-ও বলেন, ঐক্যফ্রন্টকে আগামী দিনে আরো সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে। আর সেটি করতে হবে ফ্রন্টের মূল দল বিএনপির দেশব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তাকে ধারণ করেই। এ কারণে কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিকেও তারা এখন থেকে আরো বলিষ্ঠভাবে তুলে ধরবেন।

জানা গেছে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের চাওয়াকে ধারণ করে খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যুর পাশাপাশি পুনর্নির্বাচনের দাবিতে নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবে বিএনপি, ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট। রমজানের আগে বিভাগপর্যায়ে মতবিনিময় কিংবা গণশুনানির মতো একাধিক কর্মসূচি নেয়া হতে পারে। এ ছাড়া ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের অনিয়ম নিয়ে গত ২২ ফেব্রুয়ারি যে গণশুনানি করেছে ঐক্যফ্রন্ট, তা শিগগিরই বই আকারে বের করা হবে। ওই শুনানিতে বিচারকের দায়িত্বে থাকা বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও মূল্যায়ন ছাপা হবে বইয়ে। ভোট ডাকাতির সচিত্র বর্ণনাসংবলিত ওই বই বিভিন্ন দূতাবাসে দেয়া হবে। একই সাথে পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার কাছেও।

আলাপকালে দলের এক সিনিয়র নেতা বলেছেন, বিএনপির ঐক্য অটুট রয়েছে। তবে এক যুগ ক্ষমতার বাইরে থাকার পাশাপাশি শীর্ষনেত্রী কারাগারে থাকায় নেতকর্মীদের মধ্যে অভিযোগ-অনুযোগ থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রেখেই খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। একদফা দাবি নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এই আন্দোলন মূলত রমজানের পরেই শুরু হবে।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নয়া দিগন্তকে বলেন, বেগম জিয়াকে মুক্ত করাই আমাদের এক নম্বর এজেন্ডা। আইনি লড়াই চলছে। রাজপথেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নামতে হবে।

উৎসঃ ‌নয়া দিগন্ত

আরও পড়ুনঃ জনগণ ৩০ ডিসেম্বরের ভোট বিশ্বাস করে না: নজরুল ইসলাম খান


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশের জনগণ ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটকে বিশ্বাস করে না। প্রহসনের ওই নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটারদের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। যার প্রভাব আগামীতে আরও স্পষ্ট হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

শ্রমিক দলের উদ্যোগে সংগঠনের প্রয়াত কাযর্করী সভাপতি আবদুল কাশেম চৌধুরী, মহানগরের সাবেক সভাপতি শহীদুল ইসলাম চৌধুরী দুলাল ও রেল শ্রমিক দলের মোহাম্মদ উল্লাহ ভুঁইয়ার স্মরণে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বন্দি খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেও যদি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতো তাহলেও এই সরকারের বিজয়ের কোনো সম্ভাবনা ছিল না। এটা বুঝতে পেরে তারা ২৯ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে ভোটের বাক্স ভরে ফেলেছে। নির্বাচনের দিনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে অনিয়মের ভোট করেছে এই সরকার। ভোটারদেরকে ভোট দেয়া থেকে বিরত রেখে পুরো নির্বাচন পদ্ধতির উপর তাদের অনীহা সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে চক্রান্ত। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেয়ার চক্রান্ত।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আজকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র বন্দি। গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া কারারুদ্ধ। আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তি চাই। আমরা চাই-সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। এটা তার প্রাপ্য।

স্মরণসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বাদল প্রমুখ।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ তারেক রহমানকে ফেরত দিতে যুক্তরাজ্যকে চিঠি


সরকারের কথিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ তিন মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এই বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তবে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বিষয়টি তাদের এখতিয়ারে নেই। এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয়।

আর বিএনপির অভিযোগ, তারেক রহমানকে ফেরত চেয়ে আবেদন সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বেশ কিছুদিন ধরেই যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে তাঁর সাজা কার্যকরের কথা বলে আসছেন। এরই মধ্যে তারেক রহমানকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে যুক্তরাজ্যের কাছে আবেদন করা হলো।

এই বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘আমরা তাঁকে (তারেক রহমান) ফেরত চেয়েছি। আমরা ব্রিটিশ সরকারকে জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে রায় হয়েছে। তাঁর অপরাধের ব্যাপ্তি, অপরাধের প্রভাব, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি যে কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন সেই তথ্য, আদালতের রায় ও পর্যবেক্ষণের বিষয়টি আমরা যুক্তরাজ্য সরকারকে জানিয়েছি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এবং আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য যুক্তরাজ্যকে অনুরোধ করা হয়েছে।’

সরকারের ওই আবেদনের প্রাথমিক জবাবও যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তারা। ওই আবেদনের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, তারেক রহমানকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারে। দুই দেশের মধ্যে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

তবে শাহরিয়ার আলম বলেছেন, চুক্তি না থাকার বিষয়টি এই ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না। এটা বলে দায়িত্ব এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তি না থাকলেও বিভিন্ন দেশের বন্দীকে আমরা ফেরত দিয়েছি। চুক্তি নেই এমন বেশ কিছু কাজে যুক্তরাজ্যকে আমরা সহযোগিতাও করি। তবে তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে এই রকম চুক্তি যদি বাধা হয়, আমরা চুক্তি করব।’

এই বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাদের (সরকার) যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা তা বিএনপির ওপর, বিএনপির নেতৃত্বের ওপর, বিশেষ করে জিয়া পরিবারের ওপর চরিতার্থ করতেই এই পদক্ষেপ। তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। এখন যদি তাঁকে ফেরত পাঠানোর জন্য আবেদন করা হয়, তাহলে সেটি অমানবিক বিষয়।

তারেক রহমানকে ফেরত আনার প্রক্রিয়ার বিষয়ে লন্ডনে অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী সৈয়দ ইকবাল বলেছেন, এটি রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়। এটি আইনগত বিষয়। তিনি বলেন, কাউকে ফেরত নিতে হলে যুক্তরাজ্যের ২০০৩ সালের প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট দপ্তরে আবেদন করতে হবে তথ্যপ্রমাণসহ। ওই দপ্তর আবেদনটি আদালতে পাঠাবে। আদালত আবেদনের তথ্যপ্রমাণ পরীক্ষা করে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। এটা হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যেতে পারে।

এই বিষয়ে জানতে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত তারেক রহমানের আইনজীবী এ কে এম কামারুজ্জামান বলেন, তারেক রহমানকে ফেরত চাওয়া রাজনৈতিক ব্যাপার। রাজনৈতিকভাবে সরকার ফেরত চাইতে পারে। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে সাজা দেওয়া হয়েছে। তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়ে ব্রিটিশ আদালতে শুনানি হলে সেখানে সবোর্চ্চভাবে মোকাবিলা করা হবে। তবে সেটা অনেক দূরের কথা। আদৌ এটা হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

উৎসঃ ‌প্রথমআলো

আরও পড়ুনঃ বাকশাল কায়েম করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে আওয়ামী সরকার : মির্জা ফখরুল


বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী এবং অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম সোমবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে গেলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণ দেশকে ক্রমান্বয়ে ভয়াবহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মানুষ আজ অধিকারহারা, তাদের মৌলিক মানবাধিকারগুলো ধুলায় লুটিয়ে দেয়া হয়েছে। দেশে ভয়ের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। চোখের সামনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে কেউ যাতে সাহসী না হয় সেজন্য ক্ষমতাসীন সরকার হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের তৎপরতা সীমাহীন মাত্রায় বৃদ্ধি করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান আওয়ামী সরকার মানুষের ভোটের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকারকে উপেক্ষা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করতে বিরোধী দল ও মত দমনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বিরামহীন গতিতে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক কাহিনী তৈরির মাধ্যমে মামলা দিয়ে কারান্তরীণ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ভুয়া, বানোয়াট ও সাজানো মামলায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী এবং অধ্যাপক আমিনুল ইসলামের জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ বর্তমান গণধিকৃত সরকারের ধারাবাহিক দমন নীতির অংশ। এটি গণবিরোধী সরকারের চলমান দমন পীড়ন, মধ্যরাতের নির্বাচনের পরও শেষ হয়নি, বরং আরো তীব্র গতিতে চলছে।

তিনি বলেন, সকল অপকর্ম ও দুঃশাসনের জন্য বর্তমান সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করার সময় অত্যন্ত সন্নিকটে। জনগণ আর হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বিএনপি মহাসচিব অবিলম্বে রফিকুল ইসলাম হিলালী এবং আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অসত্য মামলা প্রত্যাহার করে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

উৎসঃ ‌বিডি টুডে

আরও পড়ুনঃ ‘প্যারোল’ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাব দিলেন শামসুজ্জামান দুদু


বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার থেকে যদি প্যারোলে মুক্তির কাগজপত্র দেয়া হয় তাহলে আমরা বিবেচনা করবো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘আপনার সরকার যদি পদত্যাগপত্র দেয়, আমরা ভেবে দেখব আপনাদের শাস্তি জেলে হবে না জেলের বাহিরে হবে।’

সোমবার (৮ এ‌প্রিল) জাতীয় প্রেসক্লা‌বে ‘গণতন্ত্র: আজ‌কের বাংলা‌দেশ’ শীর্ষক আ‌লোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন। জাতীয়তাব‌াদী চালক দ‌লের উ‌দ্যো‌গে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘এক সময় বাংলাদেশের গণতন্ত্র ছিল কিন্তু এখন বাংলাদেশে গণতন্ত্র আছে এটা দাবি করা যাবে না। দেশে এখন গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্রকে কবর দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘যারা ছাত্র রাজনীতি করেন তারা জানেন গণতন্ত্রের কিছু শর্ত থাকে। তার মধ্যে একটি শর্ত হলো জনগণের ভোটের অধিকার সে অধিকারটা কেড়ে নেয়া হয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনকে গোপাল ভাঁড় এর সাথে তুলনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে কিন্তু সেই কমিশনে বসে আছে গোপাল ভাড়।’

সরকারের কড়া সমালোচনা করে ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘প্রশাসনের এতো খারাপ ন্যাক্কারজনক ঘটনা গত ৪৭ বছরে আমরা লক্ষ্য করিনি। প্রশাসন ডিসি-এসপি-ইউএনও মিলে রাতে ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণকে নির্বাচনে সেন্টারে যেতে নিষেধ করে এবং রাত্রেই ভোট শেষ করে দেয় আর নির্বাচন কমিশন বলে ইভিএম থাকলে রাতে নির্বাচন হতো না, দিনে হতো। এটা মানুষ নাকি জানোয়ার ঠিক বুঝতে পারি না।’

দুদু বলেন, ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ স্বৈরতন্ত্র একসাথে চালাতে চাচ্ছে। অনেক আগে শেখ হাসিনা বলেছিলেন- ১ কেজি বেগুনে ১ কেজি লবণ দিব নাকি ২ কেজি দেব সেটা আমার ব্যাপার। আমি শেখ হাসিনাকে বলি- ঘরে রান্না করা রাষ্ট্র পরিচালনা করা এক জিনিস না, এটা বুঝতে হবে।’

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আপনি ইডেন কলেজে পড়েছেন, দাবি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়েছেন। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়েছি। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে-কলেজে পড়াশোনা করে তার ন্যূনতম জ্ঞান থাকা উচিত, গণতন্ত্র কি আর স্বৈরতন্ত্র কি?’

তিনি বলেন, ‘এদেশের রাজনীতি ৪০ বছর ধরে আমরা দেখছি তো। শেখ মুজিবুর রহমান কোনো ছোট নেতা ছিলেন না, যতো বিতর্কই থাক তিনি খুব বড় মাপের নেতা ছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমানের মতো নেতা বাংলাদেশে শতাব্দীতে আর একটা জন্মাবে কিনা সন্দেহ আছে।’

আ‌য়োজক সংগঠ‌নের সভাপ‌তি মো. জ‌সিম উ‌দ্দিন কবী‌রের সভাপ‌তি‌ত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বি এম শাজাহা‌নের সঞ্চালনায় আ‌লোচনা সভায় আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন বিএন‌পির চেয়ারপারস‌নের উপ‌দেষ্টা আব্দুস সালাম, সহ-সাংগঠ‌নিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ,‌ যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন মামুন, কৃষক দ‌লের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লায়ন মিয়া মো. আ‌নোয়ার,‌ কে এম র‌কিবুল ইসলাম রিপন, আয়োজক সংগঠ‌নের সাংগঠ‌নিক সম্পাদক জু‌য়েল খন্দকার প্রমুখ।

উৎসঃ ‌ব্রেকিংনিউজ

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here