‘হ্যাশট্যাগ মিটু’তে ইটিভি’র রিপোর্টার মিনালা দিবাঃ যৌন হয়রানীর ঘটনায় ইটিভি’র চিফ রিপোর্টার এম এম সেকান্দার রিমান্ডে!

0
659

একুশে টেলিভেশনের নারী সহকর্মী মিনালা দিবাকে যৌন হয়রানির অভিযোগের মামলায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভি’র (ইটিভি) চিফ রিপোর্টার (প্রধান প্রতিবেদক) এম এম সেকান্দারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইদিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত সিকদারের আদালতে এ মামলার শুনানি হয়। তার বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ওই নারী।

সোমবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে ফেসবুকে হ্যাশট্যাগ মিটু-তে একুশে টেলিভেশনের (ইটিভি) প্রতিবেদক মিনালা দিবা লিখেছেন, ‘#Metoo অনেক স্বপ্ন নিয়ে আমি মিডিয়ায় এসেছিলাম বড় একজন সাংবাদিক হব বলে। ভেবেছিলাম আকাশের তারা হবো। যুক্ত হয়েছিলাম দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান একুশে টেলিভিশনের সাথে। শুরুতে বেশ ভালই কাটছিল। সহকর্মী বড় ভাই ও আপুরা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এই স্বপ্নের প্লাটফর্মে পা দিয়ে কিছুদিনের মধ্যে পরিচিত হলাম মুখোশের অন্তরালে থাকা সমাজের এক নরপশুর সাথে। দুঃখজনক হলেও সত্য যাকে আমি বড় ভাই হিসেবে শ্রদ্ধা করতাম সে আমার কাছে উন্মুক্ত করলেন তার নোংরা রুচির নানা আবদারের ঝুলি। সেই নরপশুর নাম এম এম সেকান্দার। একুশে টেলিভিশনের বর্তমান চীফ রিপোর্টার ও প্ল্যানিং এডিটর।’

এর আগে দুপুরে তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানা পুলিশ ফাঁড়ির (উপ-পরিদর্শক) মবিন আহমেদ মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত এম এম সেকান্দারকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত কর্মকার ও তুহিন হাওলাদার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।

শুনানিতে অভিযুক্তের আইনজীবীরা বলেন, ‘মামলার এজহারের বক্তব্যের সঙ্গে ঘটনার কোনও মিল নেই। এ আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ নেই। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার কোনও যুক্তি নেই। অভিযুক্ত জামিন পেলে পলাতক হবেন না।’ অপরদিকে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) জাহিদুর রহমান জামিন নামঞ্জুর করে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দুইদিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

ভিডিওঃ  ‘একুশে টিভির মনজুরুল আহসান বুলবুল ও এম এম সেকান্দার কর্তৃক নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানির ভিডিও ফাঁস’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

প্রসঙ্গত, রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত আড়াইটার দিকে র‍্যাব-২ এর একটি দল এম এম সেকান্দারকে তার বনশ্রীর বাসা থেকে গ্রেফতার করে। এরপর সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাকে হাতিরঝিল থানায় সোপর্দ করা হয়। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ ফজলুল করীম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় ভুক্তভোগী নারী মামলাটি করেছেন। মামলায় এম এম সেকান্দারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তের অভিযোগ এনেছেন ওই তরুণী।’

মামলা করার আগে এই নারী সাংবাদিক ইটিভি কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। ২৮ জানুয়ারি চ্যানেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর এম এম সেকান্দারের বিরুদ্ধে তিন পৃষ্ঠার লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন তিনি। তাতে হয়রানির পুরো ঘটনা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ওই নারীর অভিযোগ, তাকে দীর্ঘদিন ধরে সেকান্দার যৌন হয়রানি করে আসছেন। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে কথা বলতে গেলেও তিনি তাদের কাছে পাত্তা পাননি।

ভুক্তভোগী নারীর আরও অভিযোগ, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রিপোর্টিং কোর্স করার সময় এম এম সেকান্দারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেখানে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তার মাধ্যমেই ইটিভিতে চাকরি পান ওই নারী। চাকরি পাওয়ার পর থেকেই সেকান্দার তাকে বিভিন্ন সময় যৌন হয়রানি করেছেন। কোনও কারণ ছাড়াই তাকে অনেক রাত পর্যন্ত অফিসে বসিয়ে রাখতেন। এরপর সেকান্দার তার নিজের গাড়িতে করে তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গাড়িতেও যৌন হয়রানি করতেন। এই কাজে চ্যানেলটির আরও কয়েকজন সেকান্দারকে সহায়তা করতেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

উৎসঃ ‌বাংলা ট্রিবিউন, সময় টিভি, বাংলা নিউজ২৪

আরও পড়ুনঃ হ্যাশট্যাগ মিটু’তে ইটিভি’র রিপোর্টার মিনালা দিবাঃ একুশে টিভি’র (ইটিভি) চিফ রিপোর্টারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ!

একুশে টেলিভেশনের (ইটিভি) প্রতিবেদক মিনালা দিবা

ফেসবুকে হ্যাশট্যাগ মিটু-তে সামিল হলেন একুশে টেলিভেশনের (ইটিভি) প্রতিবেদক মিনালা দিবা। ইটিভির চিফ রিপোর্টার (প্রধান প্রতিবেদক) এম এম সিকান্দারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

সোমবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘#Metoo অনেক স্বপ্ন নিয়ে আমি মিডিয়ায় এসেছিলাম বড় একজন সাংবাদিক হব বলে। ভেবেছিলাম আকাশের তারা হবো। যুক্ত হয়েছিলাম দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান একুশে টেলিভিশনের সাথে। শুরুতে বেশ ভালই কাটছিল। সহকর্মী বড় ভাই ও আপুরা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এই স্বপ্নের প্লাটফর্মে পা দিয়ে কিছুদিনের মধ্যে পরিচিত হলাম মুখোশের অন্তরালে থাকা সমাজের এক নরপশুর সাথে।

দুঃখজনক হলেও সত্য যাকে আমি বড় ভাই হিসেবে শ্রদ্ধা করতাম সে আমার কাছে উন্মুক্ত করলেন তার নোংরা রুচির নানা আবদারের ঝুলি। সেই নরপশুর নাম এম এম সেকান্দার। একুশে টেলিভিশনের বর্তমান চীফ রিপোর্টার ও প্ল্যানিং এডিটর।’

দিনের পর দিন তার অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের শিকার হতে হয়েছে এবং এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলেও দাবি কনে মিনালা দিবা। তিনি বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম সাংবাদিক হতে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে। কিন্তু আজ আমাকে এ ধরনের প্রতিকূলতার মধ্যে পড়তে হবে তা ভাবতেও পারিনি। আমি চাই আমার মতো কোন মেয়েকে যেন এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে না হয়। আমি বিচার চাই।’

এর আগে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ওই নারী। রোববার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাত আড়াইটার দিকে র‍্যাব-২ এর একটি দল সেকান্দারকে তার বনশ্রীর বাসা থেকে গ্রেফতার করে। এরপর সোমবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাকে হাতিরঝিল থানায় সোপর্দ করা হয়। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ ফজলুল করীম সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় ভুক্তভোগী নারী মামলাটি করেছেন। মামলা নম্বর ৩। মামলায় সেকান্দার আলীকেই আসামি করা হয়েছে। মামলায় ওই তরুণী যৌন হয়রানি ও উত্যক্তের অভিযোগ এনেছেন। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলা করার আগে ওই নারী ইটিভি কর্তৃপক্ষের কাছে ‘এম এম সেকেন্দার কর্তৃক নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানি’ শিরোনামে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ২৮ জানুয়ারি চ্যানেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর তিন পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে হয়রানির পুরো ঘটনা তিনি ব্যাখ্যা করেছেন।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রিপোর্টিং কোর্স করার সময় সেকান্দারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেখানে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তার মাধ্যমেই ইটিভিতে চাকরি পান। চাকরি পাওয়ার পর থেকেই সেকান্দার তাকে বিভিন্ন সময় যৌন হয়রানি করেছেন।

অভিযোগপত্রে তিনি লিখেছেন, নবীন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে কাজ শেখার শুরুটা বেশ ভালোই ছিল। কিছুদিন যেতেই বুঝতে পরলাম চিফ রিপোর্টার এম এম সেকেন্দার আমার প্রতি লালসাপূর্ণ, অস্বাভাবিক। মাঝেমধ্যেই তিনি আকার ইঙ্গিতে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দিতে থাকেন। আপত্তিকর ভিডিও ক্লিপ ও বিভিন্ন ধরনের লিংক তিনি আমাকে মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পাঠাতে থাকেন। এক সময় সরাসরি তিনি বলেই ফেলেন তার মনের কথা- ‘তোমাকে এখানে চাকরি দিয়েছি। স্ক্রিন টেস্ট করেছি কিন্তু স্ক্রিনের পরীক্ষা তো দাওনি।’

এ কথার প্রতিবাদ করলে দু’য়েকজন সহকর্মীকে দিয়ে ফাঁদে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ করেন মিনালা। তিনি লিখেছেন, উনি আমাকে সাবধান করে এও বলেন যে, ‘কোথাও বিচার দিয়ে লাভ হবে না। কারণ, আমি ইটিভির চেয়ারম্যানের পালিতপূত্র। এখানে সিইও, হেড অব নিউজ, চিফ নিউজ এডিটর সবই আমার পোষা। অতএব বি কেয়ারফুল। তোমার বিচার দিতে যতো না দেরি তার চেয়ে আমাকে লাথি দিতে আমার কম সময় লাগবে।’

অভিযোগপত্রে মিনালা আরো দাবি করেছেন, এম এম সেকেন্দার তাকে বলেছেন, ‘এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসায় নাম লিখিয়েছ, ক্যারিয়ার গড়তে কারো না কারো কাছে তোমাকে উদার হতেই হবে। তাহলে আমার কাছে আসতে বা আমার একান্ত চাওয়াটা পূরণ করতে সমস্যা কোথায়?’

তার দাবি, কোনও কারণ ছাড়াই তাকে অনেক রাত পর্যন্ত অফিসে বসিয়ে রাখতেন। এরপর সেকান্দার তার নিজের গাড়িতে করে তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গাড়িতেও যৌন হয়রানি করতেন।

সেকেন্দারের এই কাজে নিউজের অনেক সিনিয়র ব্যক্তি সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করেছেন মিনালা দিবা। তার অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে কথা বলতে গেলেও তিনি তাদের কাছে পাত্তা পাননি।

এ বিষয়ে চ্যানেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আলী শিকদার একটি অনলাইন পোর্টালকে বলেন, ‘আমি অভিযোগটা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই বিষয়টি তদন্ত করতে অফিসে একটি কমিটি করে দিয়েছি। নারী সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। কারণ ঘটনাটি ভয়াবহ। আমরা সেটি আঁচ করতে পেরেছি। এটা ফৌজদারি অপরাধ। এরপর তিনি মামলা করেছেন। পাশাপাশি সেকান্দারকে শোকজ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ওই নারী সহকর্মীকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছি। তার জন্য যা যা করার দরকার আমরা করবো।’

সেকান্দার আটক থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উৎসঃ ‌সময় টিভি

আরও পড়ুনঃ সাংবাদিক নেতা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের যৌন নির্যাতনের ঘটনা ফাঁস! (ভিডিও সহ)


অবশেষে ধরা খেলেন আওয়ামীপন্থী সাংবাদিকদের নেতা ও দখল করে নেয়া একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। আব্দুস সালামকে জেলে ভরে একুশে টিভি দখলে নেয়ার পরই পুরনো সাংবাদিকদেরকে বের করে দিয়ে বুলবুল তার পছন্দের লোকদের নিয়োগ দেয় এখানে। কয়েকজন নারীকর্মীকে প্রথম থেকেই যৌন নির্যাতন করে আসছেন বুলবুল। চাকরি এবং মান সম্মানের কারণে বুলবুলের এসব যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেননি কেউ। কিন্তু একটি পর্যায়ে এসে বুলবুলের এসব অপকর্ম আর চাপা পড়ে থাকেনি। একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছেন টেলিভিশনটির নারীকর্মীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুলবুলের ডাকা সাড়া না দিলেই নারীকর্মীদের ওপর শুরু হয় মানসিক নির্যাতন। তার নির্যাতন সইতে না পেরে অনেকেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

ইতিমধ্যে বুলবুলের এসব অপকর্ম নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন চ্যানেলটির ‘একুশের চোখ’ অনুষ্ঠানের সাবেক সাংবাদিক ইলিয়াছ হোসাইন।

You-tube ভিডিওঃ  ‘সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুলের যৌন হয়রানির ভিডিও ফাঁস’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

ভিডিওটিতে দেখা গেছে, নাম প্রকাশ না করে একজন উপস্থাপিকা বলছেন, আমরা কি এখানে দেহ বিক্রি করতে এসেছি? আমরা যারা এখানে কাজ করি প্রত্যেকে আওয়ামীলীগ সরকারকে সাপোর্ট করি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলবো- আপনি নারী সমাজের জন্য অনেক কিছু করেছেন। এই বুলবুলের হাত থেকে একুশে টিভির নারীকর্মীদেরকে রক্ষা করুন।

মিনালা দিবা নামে আরেকজন নারীকর্মী বলছেন-এখানে নিউজ এডিটর মঞ্জু এবং জাহিদও এসব করে। আর এগুলো শুধু একহাতে হ্যান্ডেল হয় না। বুলবুলসহ সবাই জড়িত।

গত ৫ জানুয়ারি চ্যানেলটির বর্তমান পরিচালক ও আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সুবহান গোলাপ এখানে আসলে সাংবাদিকরা অভিযোগ জানাতে তার সঙ্গে দেখা করতে চায়। কিন্তু তাদেরকে বাধা দেয় বুলবুলের সমর্থকরা। বুলবুলের ধারণা দেখা করতে পারলে তারা বুলবুলের সব অপকর্ম বলে দেবে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। বেকায়দা দেখে বুলবুল এসময় এখান থেকে সটকে পড়ে।

উৎসঃ ‌অ্যানালাইসিস বিডি

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here