লাইলাতুল কদর নিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর কয়েকটি হাদিস বর্ণনা করা হল!

0
98

আজকের রাত বা রমজানের ২৭তম রাত সাধারণভাবে লাইলাতুল কদর বা কদরের রাত হিসেবে পরিচিত। লাইলাতুল কদর অর্থ সম্মানের রাত। লাইলাতুল কদর নিয়ে মহানবীর কয়েকটি হাদিস দেয়া গেল:

* হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, শবে কদরে হজরত জিবরাইল (আ.) ফেরেশতাদের বিরাট এক দল নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং যত নারী-পুরুষ নামাজরত অথবা জিকিরে মশগুল থাকে, তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন। (তাফসিরে মাজহারি)।

* মিশকাত শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘যদি তোমরা কবরকে আলোকময় পেতে চাও তাহলে লাইলাতুল কদরে জাগ্রত থেকে ইবাদত কর। রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, যদি কেউ ঈমানের সঙ্গে সাওয়াব লাভের খাঁটি নিয়তে লাইলাতুল কদর কিয়ামুল্লাইল বা তাহাজ্জুদে অতিবাহিত করে তবে তার পূর্ববর্তী সকল গোনাহ ক্ষমা করা হবে। (বুখারি, হাদিস নং : ৬৭২)।

* রাসূল (সা.) আরও বলেন, ‘রমজানের শেষ দশদিনে তোমরা কদরের রাত তালাশ কর। (মুসলিম, হাদিস নং: ১১৬৯)।

* একদা হযরত উবায়দা (রা.) নবী করীম (সা.) কে লাইলাতুল কদরের রাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তখন নবীজী সেই সাহাবিকে বললেন রমজানের বেজোড় শেষের দশ দিনের রাতগুলোকে তালাশ করো। (বুখারি, হাদিস নং: ২০১৭)।

* হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যদি কেউ লাইলাতুল কদর খুঁজতে চায় তবে সে যেন তা রমজনের শেষ দশ রাত্রিতে খোঁজ করে। (মুসলিম, হাদিস নং : ৮২৩)। তাই ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজানের রাতগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

* ইবনে মাজাহ শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হযরত রাসূল (সা.) বলেন, যে লোক শবে কদর থেকে বঞ্চিত হয় সে যেন সমগ্র কল্যাণ থেকে পরিপূর্ণ বঞ্চিত হল। আবু দাউদ শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর পেলো কিন্তু ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে কাটাতে পারলো না, তার মতো হতভাগা দুনিয়াতে আর কেউ নেই। কদরের রাতের ইবাদতের সুযোগ যাতে হাতছাড়া হয়ে না যায় সেজন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ দশদিনের পুরো সময়টাতে ইতেকাফরত থাকতেন। (মুসলিম, হাদিস নং : ১১৬৭)।

* রাসূল (সা.) বলেন, শবে কদরকে নির্দিষ্ট না করার কারণ হচ্ছে যাতে বান্দা কেবল একটি রাত জাগরণ ও কিয়াম করেই যেন ক্ষ্যান্ত না হয়ে যায় এবং সেই রাতের ফজিলতের উপর নির্ভর করে অন্য রাতের ইবাদত ত্যাগ করে না বসে। তাই বান্দার উচিত শেষ দশকের কোন রাতকেই কম গুরুত্ব না দেয়া এবং পুরোটাই ইবাদাতের মাধ্যমে শবে কদর অন্বেষণ করা।

* হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা আমি রাসূল (সা.) কে জিজ্ঞাসা করলাম হে আল্লাহর রাসূল আমি যদি কদরের রাত সম্পর্কে অবহিত হতে পারি তবে আমি কি করব? তখন রাসূল (সা.) আমাকে এই দুয়া পাঠ করার জন্য বললেন। ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি’। (তিরমিজি, হাদিস নং : ৩৫১)।

উৎসঃ ‌‌jagonews24

আরও পড়ুনঃ ‌ঈদের আগেই আল্লামা সাঈদীসহ জামায়াত ও শিবিরের সকলের মুক্তি চেয়েছে জামায়াতে ইসলামী


নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের কারাবন্দি সকল শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আজ শনিবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই তাদের মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আমির মকবুল আহমাদ।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এম আলম স্বাক্ষরিত বার্তায় তিনি বলেন, ‘সরকার তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মিথ্যা অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, নায়েবে আমির মাওলানা আবদুস সুবহান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের অন্যায়ভাবে দীর্ঘ নয় বছর যাবৎ কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের পুত্র সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আল আযমীকে ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নির্বাহী পরিষদ সদস্য শহীদ মীর কাসেম আলীর পুত্র সুপ্রিম কোর্টের তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে রাতের অন্ধকারে নিজ নিজ বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে আটক করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাদের পরিবার-পরিজন জানতে পারেনি তারা কোথায়, কী অবস্থায় আছে। সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো হলেও সরকার তাদের কোনো সন্ধান না দিয়ে রহস্যজনকভাবে নিরবতা পালন করছে। অথচ তাদের পরিবার-পরিজন গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাদের প্রতীক্ষায় তাদের পরিবার-পরিজন এখনো অপেক্ষা করছেন। তাদের ব্যাপারে সরকারের এ ধরনের রহস্যজনক আচরণ সম্পূর্ণ অমানবিক। ঈদুল ফিতরের পূর্বেই তাদের ফিরিয়ে দিয়ে পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ঈদুল ফিতর পালন করার সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ ২০ দলীয় জোটের বহু নেতাকর্মীকে সরকার অন্যায়ভাবে বন্দী করে রেখে কষ্ট দিচ্ছে উল্লেখ করে জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদ বলেন, ‘পবিত্র এ রমজান মাসেও জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। গুম ও গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের পরিবারে ঈদের আনন্দের পরিবর্তে বিরাজ করছে বুকভরা দুঃখ ও বেদনা।

তিনি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা আব্দুস সুবহান, এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ জামায়াতের শীর্ষ নেতা, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির এবং ২০ দলীয় জোটের গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মী যাতে তাদের পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে পারেন সেজন্য পবিত্র ঈদুল ফিতরের পূর্বেই তাদের মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

উৎসঃ ‌‌jagonews24

আরও পড়ুনঃ ‌এবারের ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ হবে না কাদেরের এই বক্তব্য জনগণের সঙ্গে চরম রসিকতা: রিজভী


এবারের ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ হবে না এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সড়কের অবস্থা সবচেয়ে ভালো- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, সড়ক ব্যবস্থা এতোটাই ভালো যে, শুধু ঢাকার অদূরে গাজীপুর যেতে সময় লাগে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা। উত্তরাঞ্চলের অবস্থা আরও নাজুক।

শনিবার (১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে রিজভী এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য জনগণের সঙ্গে চরম রসিকতা দাবি করে রিজভী বলেন, ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল হয়ে উত্তরের জেলাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা এতোই খারাপ যে, উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক, ঢাকা-কুষ্টিয়াসহ দেশের সব সড়ক মহাসড়কের বেহাল অবস্থা।

তিনি বলেন, সড়কের বেহাল দশার কারণে ঈদে ঘরমুখী মানুষ ঝুঁকছে ট্রেনের দিকে। শুক্রবার ঈদযাত্রার শুরুর দিনে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সকালের ট্রেন বিকেলেও পাওয়া যায়নি। রেলমন্ত্রী এজন্য জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশও করেছেন। লঞ্চ টার্মিনালগুলো থেকেও লঞ্চ ছাড়ছে দেরি করে। লঞ্চযাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া, বাসযাত্রীদের কাছ থেকেও আদায় করা হয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া। ঈদ যাত্রার শুরুতেই চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ‘মিথ্যা মামলায়’ কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এই পবিত্র রমজানে চরম অসুস্থ অবস্থায় প্রিজন সেলে দিনাতিপাত করছেন তিনি। সম্পূর্ণরূপে জুলুম করে ‘দেশনেত্রী’ খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করা হলেও দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল ‘মিডনাইট ভোটের’ সরকার ‘দেশনেত্রীকে’ ঈদের আগেই মুক্তি দেবে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে যা বলেছেন, সেই প্রতিহিংসাই তিনি বাস্তবায়িত করছেন। এছাড়া তাকে দেওয়া ৩০ টাকার ইফতারি নিয়েও সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা উপহাস ও অহমিকা প্রকাশ করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাহিদা রফিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, আব্দুল আওয়াল খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ ‌‌banglanews24

আরও পড়ুনঃ ‌ফটোসেশন করে কৃষকদের সাথে প্রহসন করছে আওয়ামী ক্ষমতাসীনরা : মেনন


কৃষক-খেতমজুর সাংগঠনের শক্তিহীনতার কারণে প্রতিটি সরকারই কৃষক- খেতমজুদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে পারে। তাদের নিয়ে প্রহসন করতেও তারা কম যায়না। কামলা দেয়ার নামে ক্ষমতাসীনদের ফটোসেশন তার প্রমান। কৃষক ধান কাটার লোক চায়না, ধানের লাভজনক মূল্য চায়। তার বদলে মন্ত্রী কর্তা ব্যক্তিরা কামলার দাম বেশী হয়ার আজগুবী দোষ খুঁজে পেয়েছেন। কৃষক-খেতমজুরকে পরস্পরের মুখোমুখি দাড় করাচ্ছেন এই ধান কাটা খেতমজুর বছরে ছয়মাস কাজ না পেয়ে দিন কাটায়। শহরে এসে রিক্সা চালায়, ইটের ভাটায় কাজ করে কিছু উপার্জন করে জীবন বাচায়। কৃষককে নিয়ে এ ধরনের প্রহসনের খেলা বন্ধ করতে হবে। তার জন্য তাই আন্দোলন ও সংঠন গড়ে তুলতে হবে। কৃষক- খেতমজুর কনভেনশন সেই লক্ষ্যে কার্য্যকর ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শনিবার জাতীয় কৃষক সমিতি ও খেতমজুর ইউনিয়নের উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য ১৫ জুনের কৃষক- খেতমজুর কনভেনশনের সংগঠকদের উদ্দেশ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন একথা বলেন।

দেশের জনসংখ্যার বৃহদাংশ কৃষকের স্বার্থ রক্ষার্থে সরকার যদি কার্যকর ব্যবস্থা না নেয় তা হলে কৃষক কেবল ক্ষেতেই আগুন দেবেনা, ভারতের কৃষকের মত মৃত্যুর পথ বেছে নেবে বলে সর্তক করে দিয়েছেন সরকারের অন্যতম শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।

মেনন আরো বলেন, বিদ্যুৎ, মেট্রোরেল, বন্দর নির্মানের মেগা-প্রকল্পের মত কৃষি পন্য গুদামজাতকরনের জন্য কৃষি ক্ষেত্রেও প্রতি ইউনিয়নে সাইলো নির্মানের মেগা-প্রকল্প এই বাজেটেই নিতে হবে। রপ্তানির নামে চালকল মালিক ও রপ্তানিকারদের প্রনোদনার নামে অর্থ দেয়ার পরিবর্তে কৃষকের পন্য সংরক্ষন ও বিপণনে ভতুর্কি দানই হবে যুক্তিযুক্ত।

উৎসঃ ‌‌নয়াদিগন্ত

আরও পড়ুনঃ ‌জাতীয় নির্বাচন হয়েছে নির্যাতন কমিশনের অধীনেঃ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল


দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই-দিতে হবে এ শ্লোগানে সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৩৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের জে এম সেন গুপ্ত রোডের মুনিরা ভবনে জেলা বিএনপির আয়োজনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, তাকওয়ার উপর ভিত্তি করে আমরা রমজান মাসে রোজা রাখি। জন্ম হলো দূর্ঘটনা, আর মৃত্যু হলো ঘটনা। জীবন মৃত্যুর মধ্যবর্তী সময়ে আমরা সদকা জারিয়া হিসেবে বিভিন্ন কাজ করি। আল্লাহ তা’লা জনগনের আশিবার্দ হিসেবে জিয়াউর রহমানকে পাঠিয়েছিলেন। যারা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে তারা আজ ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আজকে তারা সত্যকে চাপা দিতে চায়। তিনি বলেন, আজকে কৃষক তার ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। ৩ বছরের শিশু থেকে ৭০ বছরের মহিলাও ধর্ষিত হচ্ছে।

আওয়ামীলীগ এ দেশে কৃত্রিম দূর্বিক্ষের সৃষ্টি করছে। ভোট জিনিসটা আওয়ামীলীগ নষ্ট করে দিয়েছে। যে কমিশনের আদলে জাতীয় নির্বাচন হয়েছে তা নির্বাচন কমিশন ছিল না, ছিল নির্যাতন কমিশন। টেলিভিশনে এখন আর বিনোদনের অনুষ্ঠান দেখা লাগে না, আওয়ামীলীগ নেতাদের বিনোদন দেখলেই হয়। বাংলাদেশে এখন আর প্রতিবাদ হয় না। দেশটাকে বাকশালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আওয়ামীলীগ ছিনতাইকারী রাজনীতি দল। অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী আন্দোলন সংগ্রাম ঘোষনা হলে আমরা একত্রিত হয়ে কাজ করব।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকি ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদ, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহাম্মেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ আউয়াল খান, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী রফিক, বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা এম এ হান্নান, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সফিউদ্দিন আহাম্মেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল হামিদ মাষ্টার।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. সলিম উল্ল্যাহ সেলিম এর পরিচালনায় জেলা বিএনপির য্গ্মু আহ্বায়ক মাহবুব আনোয়ার বাবলু, দেওয়ান শফিকুজ্জামান, মুনির চৌধুরী, আক্তার মাঝি, অ্যাড. হারুনুর রশিদ, জেলা গন ফোরাম সভাপতি অ্যাড. সেলিম আকবর, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অ্যাড. শামসুল ইসলাম মন্টুসহ ২০ দলীয় জোট ও বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পর দেশ ও জাতীর শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বেগম জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাহবুবুর রহমান। ইফতার মাহফিল পূর্বে কোরআন তেলওয়াত করেন জেলা ওলামা দলের সাধারন সম্পাদক হাফেজ জাকির হোসেন মৃধা। সভায় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের শত শত নেতা কর্মী ও সমর্থক অংশ নেয়।

উৎসঃ ‌‌নয়াদিগন্ত

আরও পড়ুনঃ ‌আন্দোলন করেই বেগম জিয়াকে মুক্ত করা হবে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়


বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রকে ভালোবাসতেন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করতেন। তাই তিনি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের ৩৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী তাতী দল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তাতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, জিয়াউর রহমান ভোগ বিলাসের রাজনীতি করেননি। তিনি এদেশের মাটি ও মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরন করে রাজনীতি করলে ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন সম্ভব না। তিনি ভোগের রাজনীতি করেননি, ত্যাগের রাজনীতি করেছেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত আদর্শের উপর যদি আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারতাম তবে আজ আমাদের এই বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না। তিনি বলেন, সুষ্ঠ গনতন্ত্রের জন্য মুক্ত সংবাদ মাধ্যম থাকা প্রয়োজন। বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারতো তবে গণতন্ত্রের আজ এই পরিনতি ভোগ করতে হতো না।

বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, জিয়াউর রহমান নিজের হাতে কোন ক্ষমতা না রেখে জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে স্বাধীন করেছেন। তিনি কাজ করতে ভালোবাসতেন, দেশকে নিয়ে সবসময় ভাবতেন। তিনি ছিলেন কর্ম প্রেমিক মানুষ।

বিএনপি থেকে নির্বাচিত পাঁচ জন সংসদ সদস্যের শপথ নেয়ার বিষয়ে উল্লেখ করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা পাঁচজন লোককে কন্ট্রোল করতে পারিনি আমাদের বুঝতে হবে আমাদের মাঝে কমিটমেন্টের অভাব ছিলো।

তিনি বলেন, এই সরকার গায়েবি মামলা দিয়ে আমাদের অনেক ফাঁকিবাজকে নেতা বানিয়ে দিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে ৫০ টি মামলা। যে কখনো রাজপথে নামেননি তার বিরুদ্ধেও ২০-২৫ টা মামলা রয়েছে।

তিনি বলেন, পাঁচজন নির্বাচিত কোন একজন সংসদ সদস্য বললেন না ‘বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া আমরা সংসদে যাবো না’। তার মানে তাদের কাছে বেগম জিয়ার মুক্তির চাইতে সংসদে যাওয়াটা জরুরী ছিলো।’

গয়েশ্বর বলেন, আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া কখনো কোন দাবি আদায় হয়না। তবে যারা রাজপথে তাজা রক্ত ঢেলে দেয়ার কথা বলে বক্তব্য দিচ্ছেন তারা ব্লাড ব্যাংকে রক্ত দিয়ে অভ্যাস করুন।

তিনি বলেন, রাজপথে কেউ ইচ্ছে করে রক্ত দেয় না, রক্ত যায়। এসময় তিনি আরো বলেন, সময়টা হয়তো একটু বেশি লাগছে কিন্তু আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই এদেশের জনগণ গনতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার ও বেগম জিয়াকে মুক্ত করে আনবেই।

উৎসঃ ‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌লন্ডনে তারেক রহমানের উপস্থিতিতে জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন


যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

৩০মে বৃহস্পতিবার বাদ আছর পূর্ব লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল রোডে যুক্তরাজ্য বিএনপির কার্যালয়ে এ উপলক্ষ্যে কোরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

শাহাদাত বার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দোয়াপূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও শহীদ আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া চান। এছাড়া তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী ‘মাদার অফ ডেমোক্রেসি’ বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক সুস্থ্যতা ও নিঃশর্ত মুক্তি এবং তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে দেশ বাসীর নিকট দোয়া চান।

যে বহুদলীয় গনতন্ত্রকে শহীদ জিয়া প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সেই গণতন্ত্রকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কবল থেকে পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে বিগত প্রায় একযুগ ধরে যে সকল নেতা-কর্মী শহীদ হয়েছে তিনি তাদের সকলের রূহের মাগফেরাত কামনাসহ লক্ষ লক্ষ নির্যাতিত-নিপীড়িত, কারাবন্দী, পঙ্গুত্ব বরণ ও গুমের শিকার হওয়া নেতা-কর্মীর জন্যও দেশবাসীর নিকট দোয়া চান।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে যুক্তরাজ্য বিএনপি, জোনাল কমিটি ও বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ ও হাফিজ মাওলানা আবুল খয়ের। দোয়া মাহফিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও শহীদ আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা ও নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের সুস্থ্যতা কামনা করেন নেতা-কর্মীরা।

বাদ আছর অনুষ্ঠিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে যুক্তরাজ্য বিএনপির পক্ষ থেকে ব্রিকলেইন মসজিদে মুসল্লিদের মধ্যে ইফতারি পরিবেশন করা হয়। ইফতারে যুক্তরাজ্য বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী শরিক হন।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি শফি আহমেদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক প্রধান উপদেষ্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুছ, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তৈমুছ আলী, সাবেক সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক খান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম রাব্বানী সোহেল, তাজুল ইসলাম, সাবেক উপদেষ্টা সলিসিটর একরামুল হক মজুমদার, জাবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি পারভেজ মলি­ক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান, কামাল উদ্দিন, নাসিম আহমেদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, বিএনপি নেতা আতিকুর রহমান চৌধুরী পাপ্পু, যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র সদস্য এডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল, মিসবাহুজ্জামান সোহেল, লন্ডন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক আজমল চৌধুরী জাবেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম আহমেদ, খসরুজ্জামান খসরু, যুবদলের সভাপতি রহিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহিন, জাসাসের সভাপতি এমাদুর রহমান এমাদ, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দি, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক কোষাদক্ষ আব্দুস ছাত্তার, বিএনপিনেতা গুলজার আহমেদ, আসাদুজ্জামান আহমেদ, বিএনপিনেতা আমিনুর রহমান আকরাম, যুক্তরাজ্য জাসাসের সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত বাদশা, জাসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, কেন্দ্রীয় ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা শামিম আহমেদ, কেন্দ্রীয় ছাত্র দলের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম রিবলু, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সাবেক সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক খিজির আহমেদ, সাবেক সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সরফরাজ আহমেদ সরফু, এম তওকির শাহ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিসবাহ বি এস চৌধুরী, আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আবুল হাসনাত, ইস্ট লন্ডন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলাম বাদল, লন্ডন নর্থ ওয়েস্ট বিএনপির সভাপতি এম সেলিম, সাসেক্স বিএনপির সভাপতি মোঃ তুফাজ্জুল হোসাইন, লন্ডন মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রব, সহ-সাধারণ সস্পাদক তুহিন মোল­া, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ চৌধুরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাওছার আহমেদ, আরিফুল হক, কোষাধ্যক্ষ মোঃ জিয়াউর রহমান, দফতর সম্পাদক নজরুল ইসলাম মাসুক, প্রচার সম্পাদক মো: মঈনুল ইসলাম, সহ আইন বিষয়ক সস্পাদক মোঃ শাহনেওয়াজ, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রবিউল আলম, সহ-তথ্য বিষয়ক সম্পাদক শাকিল আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ আতাউর রহমান, সহ-প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক জামাল হোসেন, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দোলেয়ার হোসেন, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শামসুল ইসলাম, আফতাব আলী, রাজ মাসুদ ফরহাদ, নুরুল ইসলাম মধু মিয়া, পিনাক রহমান, কাজী মুনীর হাসান, ইস্ট লন্ডন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জামাল উদ্দিন রুবেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক একলিমুর রাজা চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নূর এ আলম সোহেল, যুবদলের সহ-সভাপতি দেওয়ান আব্দুল বাছিত, আক্তার হোসেন শাহিন, মুহিবুর রহমান মাখন, যুগ্ম সম্পাদক বাবর চৌধুরী, সিনিয়র সদস্য মোঃ লায়েক মোস্তাফা, যুগ্ম সম্পাদক সুয়েদুল হাসান, দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক কাজী তাজ উদ্দিন আহমেদ, জাসাসের সহসাধারন সম্পাদক মোঃ আরিফ আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম, মোঃ মহিন উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শিমু, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান, শেখ সাদেক আহমেদ, সাংবাদিক আহসানুল আম্বিয়া শোভন, আব্দুস সামাদ, মো: ফয়েজ উল­াহ, ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম মিরাজ, হুমায়ূন কবির, মাহবুবুর রহমান, এ কে এম নাসের উদ্দিন, মনির আহমেদ প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌হতাশ হবেন না, আওয়ামীলীগও ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিল : খন্দকার মাহবুব হোসেন


সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দি রেখেছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, যেসব মিথ্যা মামলায় বেগম জিয়াকে কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে তার একটিতে জামিন পেলে আরেকটি মামলা দিয়ে তাকে আটকে রাখা হচ্ছে। আশা করি এই বাংলাদেশের মানুষ এই জালিম সরকারের বিরুদ্ধে একদিন জেগে উঠবেই। বাংলাদেশের মানুষ যেদিন বিস্ফোরিত হবে সেইদিন এদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গনে জাতীয়তাবাদি আইনজীবী ফোরাম নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দোয়া ও দরিদ্রদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এসব কথা বলেন।

নেতা কর্মীদের হতাশ না হওয়া আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগও ২১ বছর ক্ষমতার ছিল। বাইরে তাদের উপর অনেকেই অত্যাচার অনাচার করেছিলো। তারপরেও তারা ক্ষমতায় এসেছে। বর্তমান সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের উপরে নির্যাতিত করে যে অবস্থায় রেখেছেন একদিন ইনশাল্লাহ একদিন তারা মুক্ত হবে, দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে, খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে, গরীব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।

মাহবুব হোসেন আরো বলেন, জিয়াউর রহমান সব সময় দুঃখী মানুষের কল্যাণে কাজ করে গিয়েছিলেন। বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেছে। যেসব মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে আমরা বারবার চেষ্টা করেও এক মামলায় জামিন করালে তারা আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখায়। বাংলাদেশের মানুষ বিস্ফোরণ ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল বারি ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা, অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, অ্যাডভোকেট আজিজ আল মামুন, অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে তিনশ দরিদ্রকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

উৎসঃ ‌‌নয়াদিগন্ত

আরও পড়ুনঃ ‌দেশে গণতন্ত্রের গভীর সংকট চলছে: ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন


বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সময়ে দেশে গণতন্ত্রের গভীর সংকট চলছে। দেশে নেই আইনের শাসন। নারী নির্যাতন প্রতিদিনই বাড়ছে। এভাবে কোনো সভ্য সমাজ রাষ্ট্র চলতে পারে না।

শুক্রবার বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর টাইন হল অডিটরিয়ামে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর ছাত্রদলের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, জাতিকে এ দুরবস্থা থেকে উত্তরণ দিতে হলে জিয়াউর রহমানের আদর্শে জনগণকে উজ্জীবিত করে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। তবেই মিলবে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি। এর কোনো বিকল্প নেই।

মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাইমুল করিম লুইনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর মাহমুদ আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী রানা প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌বিডি-প্রতিদিন

আরও পড়ুনঃ ‌ঐক্য অটুট রেখে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে লড়তে হবে: সাদেক হোসেন খোকা


বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা বলেছেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী শাসন জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে। এই অপশাসন থেকে মুক্ত হতে প্রয়োজন ইস্পাত কঠিন ঐক্য। এখন বিভেদ বিভাজনের সময় নয়। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যদিয়ে এই ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস্থ পালকি সেন্টারে অনুষ্ঠিত স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাদেক হোসেন খোকা বলেন, স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়া যে রাজনীতি ও আর্দশ আমাদের দিয়ে গেছেন, তা বিলীন হবার নয় । সংকট, ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবিলা করেই আমাদের সামনে অগ্রসর হতে হবে।

তিনি বলেন, যারা ভাবছেন বিএনপি নিঃশেষ হয়ে গেছে, তারা বোকার র্স্বগে বাস করছে। দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে যে রাজনীতি একাকার হয়ে মিশে আছে তা নিঃশেষ হতে পারে না।

বীর এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে যৌবনে রাজনীতির হাতেখড়ি, শহীদ জিয়ার ঘোষণায় উদ্বীপ্ত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গনতান্ত্রিক আন্দোলন ও দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে পথচলা আমার জীবনে পূর্নতা এনে দিয়েছে। আমি হতাশাবাদীদের অন্তভূক্ত নই। শারীরিক এই অসুস্থতার মধ্যেও আমি বিশ্বাস করি গনতন্ত্র পুন:উদ্ধারের এই সংগ্রামে আমরা বিজয়ী হবো।

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে এই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন, সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবেদিন ফারুক ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমউদ্দিন আলম। বিপুল সংখক প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে আবুল কাসেমের উপস্থাপনায় এতে মোনাজাত পরিচালানা করেন মাওলানা আনসারুল করিম।

উৎসঃ ‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌সাত বছরে ৫ বার ফেল ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন!


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) এজিএস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সাত বছরেও তৃতীয় বর্ষ উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষ পর্যন্ত তিনি পাঁচবার ফেল করলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের আদেশ অনুযায়ী স্নাতক পর্যায় ছয় বছরের মধ্যে শেষ করতে হবে। সে হিসেবে তিনি ছাত্রত্ব হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।

জানা গেছে, আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল সোমবার প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় সাদ্দাম হোসেন অকৃতকার্য হয়েছেন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ১২৪ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ১২১ জন পরীক্ষায় পাস করেন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

প্রকাশিত ফলাফলে অকৃতকার্য হন সাদ্দাম হোসেন।

সূত্র জানিয়েছে, তৃতীয় বর্ষের মোট ছয়টি কোর্সের পরীক্ষায় সাদ্দাম হোসেন অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, ঢাবি ছাত্রলীগরে সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ২০১১-১২ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। প্রথম বর্ষ উত্তীর্ণ হতে তিনি তিন বছর সময় নেন। অর্থাৎ ২০১২, ‘১৩, ‘১৪ সালে প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি অকৃতকার্য হন।

চতুর্থবারের চেষ্টায় ২০১৫ সালে প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় সাদ্দাম হোসেন উত্তীর্ণ হন।

‘১৬ সালে দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি পাস করতে পারেননি। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে পাস করেন।

‘১৮ সালে তৃতীয় বর্ষে ভর্তি হন। তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখ শুরু হয়। সেই পরীক্ষায় তিনি অকৃতকার্য হন।

সব মিলিয়ে এই ছাত্রনেতা সাত বছরে তৃতীয় বর্ষ পার হতে পারেননি।

ঢাবি সিন্ডিকেটের একটি আদেশ আছে, আট বছরের বেশি কোনো শিক্ষার্থী ঢাবির নিয়মিত ছাত্র হয়েছে অধ্যয়ন করতে পারবে না।

এই আট বছরের মধ্যে ছয় বছরে স্নাতক ও দুই বছরে স্নাতকোত্তর করতে হবে।

কিন্তু সাদ্দাম হোসেন সাত বছরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকের ছাত্র রয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাবির আইন বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. নাইমা হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এসব বিষয় আমরা বিভাগ থেকে দেখি না। এগুলো ডিন অফিস, রেজিস্ট্রার অফিস দেখে’।

উৎসঃ ‌‌দেশ রূপান্তর

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here