কাদিয়ানীদের কথিত ইজতেমা বন্ধের দাবীতে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ

0
296

বিশ্ব শান্তির দূত হযরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষ নবী ও রাসুল হিসেবে অস্বীকারকারী কাদিয়ানী সম্প্রদায় কর্তৃক পঞ্চগড়ের আহমদনগরে আয়োজিত জাতীয় ইজতেমার নামে ঈমানবিধ্বংসী কার্যক্রম বন্ধ ও কাদিয়ানীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবীতে হাটহাজারী ডাক বাংলো চত্বরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারী) বাদ আসর হাটহাজারী মাদরাসার মুহাদ্দীস মাওলানা আহমদ দীদার কাসেমীর সভাপতিত্বে
আন্তর্জাতিক তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ হাটহাজারী শাখার উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযেগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

সমাবেশ বক্তারা বলেন, বিশ্বশান্তির দূত হযরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষ নবী ও রাসুল হিসেবে অস্বীকারকারী কাদিয়ানীরা কাফের। বাংলাদেশ সংখ্যাঘরিষ্ট মুসলমানের দেশ। ৯০ভাগ মুসলমানের দেশে খতমে নবুওয়াত অস্বীকারকারীদের ঈমানবিধ্বংসী কোন কার্যক্রম চলতে দেয়া হবে না। অনতিবিলম্বে কাদিয়ানীদের ঈমান বিধ্বংসী ইজতেমা বন্ধ সহ রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদেরকে অমুসলিম ঘোষণার দাবী জানান বক্তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন,মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানি ইংরেজদের দালাল ৷ ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে তার অনুসারী কাদিয়ানীদের কোন ইজতেমা হতে দেয়া হবে না।

আকিদায়ে খতমে নবুওয়াত ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আকিদার ব্যপারে কাদিয়ানিদের সাথে কোন আপোষ হতে পারে না। কাদিয়ানীরা কাফের, তাদের সাথে মুসলমানদের বিবাহবন্ধন সহ সর্বপ্রকারের আত্মীয়তা সম্পর্ক করা হারাম। কাদিয়ানীরা অমুসলিম; তাদের কোন মসজিদ হতে পারে না। নামায, রোজা হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইসলামী পরিভাষা কাদিয়ানীরা ব্যবহার করতে পারবে না। কোন কাদিয়ানী মারা গেলে তার জানাযা পড়া যাবে না এবং মুসলমানদের কবরস্থানে দাফন করা যাবে না।

আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, যদি অনতিবিলম্বে পঞ্চগড়ে কাদিয়ানীদের ঈমান বিধ্বংসী ইজতেমা বন্ধ করা না হয় তাহলে প্রয়োজনে লক্ষ কোটি তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে হলেও কাদিয়ানীদের ঈমান বিধ্বংসী সকল কার্মক্রম বন্ধ করা হবে।

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে মিছিলটি বাসস্টেশন হয়ে রাঙ্গামাটি রোড ও কাচারী রোড প্রদক্ষিণ করে পূণরায় ডাক বাংলোতে এসে দুআর মাধ্যমে সমাপ্ত হয় ৷

সমাবেশে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, হাটহাজারি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, আহসান উল্লাহ মাস্টার,মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ নোমানী, মাওলানা এমরান সিকদার, মাওলানা কামরুল কাছেমী, মাওলানা আব্দুল মাবুদ, মাওলানা হাফেজ নজরুল ইসলাম প্রমূখ ৷

উৎসঃ ‌insaf24

আরও পড়ুনঃ কাদিয়ানীদের পক্ষাবলম্বনকারী রেলমন্ত্রী সুজনের পদত্যাগ দাবি আলেমদের


মানবতার মুক্তির দূত মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষনবী হিসেবে অস্বীকারকারী কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের পক্ষাবলম্বন করায় রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের পদত্যাগ দাবী করেছেন দেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম।

রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আর্ন্তজাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি করা হয়।

কাদিয়ানী সম্প্রদায় (আহমদিয়া জামাত)-এর পক্ষ থেকে আগামী ২২, ২৩ ও ২৪, ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড় জেলায় ’’জাতীয় ইজতেমা’’ নামক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ঈমান আকীদা বিধ্বংসী অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রতিবাদ ও অনতিবিলম্বে তা বন্ধের দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী, সেক্রেটারি মাওলানা নূরুল ইসলাম, মুধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামীদ, মাওলানা মহিউদ্দীন রাব্বানী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, ফরিদাবাদ মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা নুরুল আমীন, ছারছীনার পীর সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী, মাওলানা জহুরুল ইসলাম, মাওলানা মাসউদুল করীম, মাওলানা হাসান জামীল, মাওলানা শরীফ উল্লাহ, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মুফতী শিব্বির আহমদ কাসেমী, মুফতী ইমরানুল বারী সিরাজী, মাওলানা মাসউদ আহমদ, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মাওলানা আশিকউল্লাহ প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলন থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমসহ সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষাণা করা হয়। এবং পঞ্চগড়ে মুসলমানদের ২১-২৫ ফেব্রুয়ারীর ইসলামী মহাসম্মেলন যে কোনো মূল্যে বাস্তবায়নের ঘোষাণা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, শেষনবীকে অস্বীকারকারী কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের পক্ষ অবলম্বন করে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ওলামায়ে কেরামের মজলিসে বলেছেন, আমি নিজে তাদের (কাদিয়ানি) ওখানে গিয়েছি এবং খেয়েছি। কোনো খারাপ কিছু তো দেখলাম না। তারা তো ভালো।

উৎসঃ ‌ইসলাম টাইমস

আরও পড়ুনঃ কাদিয়ানি ও তাদের দোসরদের শেষ রক্ষা হবে না: মাওলানা মামুনুল হক


যুব মজলিস সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেছেন, আমাদের পূর্বপুরুষদের আন্দোলনের কারণে কাদিয়ানীরা এদেশে কোণঠাসা হয়ে গিয়েছিল। তারা ইঁদুরের গর্তে ঢুকতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু আজকে রাজপথে আমাদের দুর্বলতার সুযোগে তারা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এমনকি তারা পঞ্চগড়ে ইজতেমার ঘোষণা দিয়ে ঐ অঞ্চলকে অভিশপ্ত অঞ্চলে পরিণত করার পাঁয়তারা করছে। তাদের এই অপতৎপরতা রুখে দিতে হবে।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন কাদিয়ানীদের পক্ষাবলম্বন করায় তার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ইসলাম বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করে মুরতাদ লতিফ সিদ্দিকীর শেষ রক্ষা হয় নাই। নুরুল ইসলাম সুজনেরও শেষ রক্ষা হবে না।

বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ঢাকা মহানগরীর কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস কেরানীগঞ্জ শাখার জোন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

গত ৮ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার আঁটিবাজার সুচনা কমিউনিটি সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে নয়টায় শুরু হয়ে বেলা সোয়া বারোটায় শেষ হয়। সম্মেলনে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বশীলগণ বক্তব্য রাখেন।

সভাপতির বক্তব্যে কেরানীগঞ্জ শাখার সভাপতি আমিনুদ্দীন বলেন, আমাদের সবাইকে ইসলামী আন্দোলনের যোগ্য কর্মী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। নিয়মিত কর্মসূচিগুলোতে অংশগ্রহণ করতে হবে। এছাড়া আগামীতে যেকোনো ইসলাম বিরোধী তৎপরতা রুখে দাঁড়ানোর জন্য রাজপথে যুব মজলিসের সাথে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

কেরানীগঞ্জ শাখার সহসভাপতি মাওলানা জাহিদুল আলম, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মামুনুর রশিদের সঞ্চালনায় উক্ত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সহকারী বাইতুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, যুব মজলিস ঢাকা মহানগরীর সভাপতি মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ আশরাফ,ঢাকা মহানগরীর মজলিসে আমেলার সদস্য মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মাওলানা হাশমাতুল্লাহ, মাওলানা মুরশিদ আলম, মাওলানা আব্দুল্লাহ হাসান।আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস খ শাখার কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ আল আবিদ শাকির প্রমুখ।

উৎসঃ ‌ইসলাম টাইমস

আরও পড়ুনঃ কাদিয়ানীদের পক্ষাবলম্বনকারী রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী শীর্ষ আলেমদের


মানবতার মুক্তির দূত মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষ নবী হিসেবে অস্বীকারকারী কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের পক্ষাবলম্বন করায় রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের পদত্যাগ দাবী করেছেন দেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম।

রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আর্ন্তজাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবী করা হয়।

কাদিয়ানী সম্প্রদায় (আহমদিয়া জামাত) এর পক্ষ হতে আগামী ২২,২৩,২৪, ফেব্রুয়ারী পঞ্চগড় জেলায় ’’জাতীয় ইজতেমা’’ নামক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ঈমান আকীদা বিধ্বংসী অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রতিবাদ ও অনতিবিলম্বে তা বন্ধের দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী, সেক্রেটারি মাওলানা নূরুল ইসলাম, মুধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামীদ, মাওলানা মহিউদ্দীন রাব্বানী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, ছারছীনার পীর সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী, চিন্তক আলেম মাওলানা হাসান জামীল প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলন থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমসহ সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষাণা করা হয়। এবং পঞ্চগড়ে মুসলমানদের ২১-২৫ ফেব্রুয়ারীর ইসলামী মহাসম্মেলন যে কোন মূল্যে বাস্তবায়নের ঘোষাণা দেয়া হয়।

উৎসঃ ‌ইনসাফ

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here