কাদিয়ানী দমনে কঠোর আন্দোলনের হুমকিঃশাহ আল্লামা আহমদ শফীর

0
94

কাদিয়ানীদের দমনে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ হুমকি দেন।

আহমদ শফী বলেন, ‘কাদিয়ানীরা আহমদীয়া মুসলিম জামাত নামে চলতি মাসে পঞ্চগড়ে ইজতেমা করার যে দুঃসাহস দেখিয়েছে, তা অচিরেই বন্ধ করতে হবে। না হলে খতমে নব্যুয়ত আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে হেফাজতে ইসলাম কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের এই অপতৎপরতা বন্ধ করবে।’

তিনি দাবি করেন, ‘আহমদীয়াদের এ নগ্ন আস্ফালন বন্ধ করাসহ কাদিয়ানীদের পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশেও অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে।’

খতমে নব্যুয়ত অস্বীকারকারীদের ব্রিটিশের পা চাটা গোলাম এবং মুসলিম উম্মাহর শত্রু আখ্যায়িত করে হেফাজত আমির বলেন, ‘সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)- এর মাধ্যমে নব্যুয়তের ধারাবাহিকতা সমাপ্ত হয়েছে। অথচ এটিকে অস্বীকার করেছেন গোলাম আহমদ কাদিয়ানী। ব্রিটিশদের দালালি এবং মুসলমানদের ধোকা দিয়ে বোকা বানাতে তিনি কথিত নব্যুয়ত দাবি করেছিলেন। পুরো ভারত সাম্রাজ্যকে যেসব ব্রিটিশ বেনিয়ারা দীর্ঘ ১৯০ বছর গ্রাস করেছিলেন, তাদের তল্পিবাহক হয়ে গোলাম আহমদ ভণ্ড নব্যুয়তের দাবিদার সেজে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আহমদীয়া মুসলিম জামাত নাম ধারণ করে সরলমনা মুসলমানদের ধোকা দিয়ে ঈমানহারা করে চলেছে এই কাদিয়ানীরা। তাদের এই জঘন্য ষড়যন্ত্র শিগগিরই বন্ধ করতে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’

আল্লামা শফী বলেন, ‘কাদিয়ানী ইজমের উৎস পাকিস্তানে। ১৯৭৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর অনুসারিদের ইসলামের গণ্ডিবহির্ভূত অমুসলিম সংখ্যালঘু ঘোষণা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশেও আমরা তাদের অমুসলিম ঘোষণা করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে হিন্দুরা হিন্দু, খ্রিস্টানরা খ্রিস্টান, বৌদ্ধরা বৌদ্ধ নামে বসবাস করছেন। কিন্তু, কাদিয়ানীরাই একমাত্র অমুসলিম হওয়া সত্ত্বেও আহমদীয়া মুসলিম জামাত নাম দিয়ে নিজেদের মুসলমান দাবি করছেন এবং বিশ্বনবীর খতমে নব্যুয়তকে পদদলিত করে যাচ্ছেন।’

উৎসঃ ‌পরিবর্তন

আরও পড়ুনঃ পঞ্চগড়ে ঈমানবিধ্বংসী কার্যক্রম বন্ধ করতে হবেঃ আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী


হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, পঞ্চগড়ের আহমদনগরে ‘কথিত মুসলিম নামধারী কাদিয়ানি অমুসলিমদের জাতীয় ইজতেমার নামে ঈমানবিধ্বংসী কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, খতমে নবুওয়াত অস্বীকারকারী কাদিয়ানীরা অমুসলিম, কাফের। মুসলিম নাম ধারণ করে ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে তাদের ঈমানবিধ্বংসী কোনো কার্যক্রম চলতে দেয়া হবে না৷

বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতাল থেকে সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মানব জাতির হেদায়াতের জন্য যুগে যুগে আল্লাহ তাআলা নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। নবী রাসুলগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বশেষ নবী ও রাসূল হচ্ছেন হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। ঈমানদার হওয়ার জন্য আকিদায়ে খতমে নবুওয়াত তথা মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ নবী ও রাসূল হওয়ার বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। আকিদায়ে খতমে নবুওয়াত ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। খতমে নবুওয়াতে বিশ্বাসী হওয়া ছাড়া মুসলমান হওয়া যায় না। কাদিয়ানীরা খতমে নবুওয়াতকে অস্বীকার করে তাই তারা কাফের৷

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, মসজিদ পৃথিবীর সর্বোৎকৃষ্ট জায়গা, মুসলিম উম্মাহর ইবাদতের পবিত্র স্থান৷ কাদিয়ানীরা কাফের, কাফেরদের কোনো মসজিদ হতে পারে না। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি মুসলমানদের ধর্মীয় পরিভাষা। কাদিয়ানীরা কাফের তাই মুসলমানদের কোনো পরিভাষা ব্যবহার করে তারা তাদের ভ্রান্ত মতাদর্শ প্রচার করতে পারে না৷ এটা ইসলাম ধর্মের অবমাননার শামিল৷

তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ৷ এ দেশের মুসলমানগণ বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিজেদের প্রাণের চেয়েও বেশি মুহাব্বাত করেন৷ বিশ্বনবী (সা.) এর রিসালতকে অস্বীকারকারী কাদিয়ানী অমুসলিমদের আস্ফালন এদেশের ধর্মপ্রাণ তৌহিদি জনতা মেনে নেবে না।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে এদেশের হিন্দুরা হিন্দু নামে, বৌদ্ধরা বৌদ্ধ নামে এবং খ্রিস্টানরা খ্রিস্টান নামে তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করছে৷কিন্তু কাদিয়ানী অমুসলিমরা মুসলমান নাম ধারণ করে সরলমনা সাধারণ মুসলমানদের ধোঁকা দিয়ে ঈমানবিধ্বংসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে৷ যা ইসলাম ধর্মের নামে অপপ্রচারের শামিল৷ তা কখনো মেনে নেয়া যায় না৷ অনতিবিলম্বে পঞ্চগড়ে অনুষ্ঠিতব্য কাদিয়ানীদের তথাকথিত জাতীয় ইজতেমাসহ বাংলাদেশে তাদের ঈমানবিধ্বংসী সব কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

অন্যথায় আকিদায়ে খতমে নবুওয়াত রক্ষার্থে এ দেশের লাখো নবীপ্রেমিক তৌহিদি জনতা অমুসলিম কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে৷

কাদিয়ানীরা অমুসলিম৷ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাদিয়ানীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা হয়েছে৷ ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশেও কাদিয়ানীদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করার জোর দাবি জানান হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী৷

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ফিলিস্তিনিদের অধিকারের বিষয়ে আমরা চুপ থাকব না: এরদোগান


সামরিক শক্তিতে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান বলেছেন,তার দেশ ফিলিস্তিনীদের পাশে রয়েছে, এবং কোনো চাপের মুখে তুরস্ক ফিলিস্তিন সমস্যার ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না।

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, ইসরাইলি পার্লামেন্টের আরব সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রেসিডেন্ট এরদোগান এসব কথা বলেন।

মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী এ নেতা বলেন, আঙ্কারা সবসময় ফিলিস্তিনি মাজলুমদের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ফিলিস্তিনিদের পাশে থেকে আমরা কখনো সরে যাবো না, ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান আরও বলেন, ইসরাইলি দখল থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা, ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীকার প্রতিষ্ঠা আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার।

এ বিষয়ে আমরা কখনো নমমীয় হইনি। ফিলিস্তিনে ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বের প্রতিটি সংস্থাকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এরদোগান।

বৈঠকে ফিলিস্তিন বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখায় ইসরাইলি পার্লামেন্টের আরব সদস্যরা তুর্কি প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানান। প্রেসিডেন্ট এরদোগানও ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তাদের ধন্যবাদ জানান।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ইসলামবিরোধী বই লিখতে গিয়ে মুসলিম হলেন ডাচ এমপি


একসময়ে ইসলাম ধর্মের প্রবল বিরোধিতা করতেন এক ডাচ এমপি। সুযোগ পেলেই কঠোর সমালোচনা করতেন ইসলামের। লিখতে যান ইসলামবিরোধী এক বইও। অবশেষে বই লিখতে গিয়ে সেই ব্যক্তি গ্রহণ করলেন ইসলাম।এমন ঘটনা ঘটেছে নেদারল্যান্ডে।

ইসলাম গ্রহণকারী ওই ব্যক্তির নাম জোরাম ভ্যান ক্লাভিরিন (৩৯)। জোরাম ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পার্লামেন্ট ফর দ্য ফ্রিডম পার্টির (পিভিভি) সদস্য ছিলেন। কিন্তু ২০১৪ সালে তিনি সে দল ছেড়ে দেন।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসলামবিরোধী একটি বই লিখতে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন জোরাম। সোমবার এ তথ্য জানানো হয়।

ডাচ রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোরাম বলেছেন, ইসলাম সম্পর্কে বই লেখার সময় আমি অনেক বিষয়বস্তু অতিক্রম করে আসি, অনেক বিষয় জানতে পারি। যা আমার ইসলাম সম্পর্কে ধারণা বদলে দেয়।

ইসলামবিরোধী বই লিখতে গিয়ে মুসলিম হলেন ডাচ এমপি

২০১৪ সালে পিভিভি দল ছেড়ে দেওয়ার পর জোরাম নিজে একটি দল গড়েন। ২০১৭ সালে নেদারল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। কিন্তু তাতে জয়লাভ করতে ব্যর্থ হন। এরপর তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেন। পিভিভি দল করার সময় ইসলামের কঠোর সমালোচক ছিলেন জোরাম।

সংবাদ মাধ্যম এনআরসি এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, জোরাম ওইসময় ইসলাম ধর্মকে ‘মিথ্যা’ এবং কোরআন শরিফ’কে ‘বিষ’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

তবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন জোরাম। তিনি বলেন পিভিভি দল করার কারণে এসব বলতে হয়েছে যা ওই দলের পলিসি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরো পড়ুন: ‘নীচু জাতের’ ছেলের সঙ্গে প্রেম করায় মেয়েকে হত্যা করল বাবা

জোরামের আগেও পিভিভি দল ছেড়ে আরেকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

উৎসঃ ‌ইত্তেফাক

আরও পড়ুনঃ যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ইসরাইল রাষ্ট্রটিকে শাস্তির আওতায় আনা: কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমার


ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমার চলতি মাসে এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ইরানের মত করে ইসরাইল রাষ্ট্রটিকেও শাস্তির আওতায় আনা। তিনি আরো বলেন, ইসরাইলকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচয় দেওয়াতে তার ‘ব্যাপক হাসির উদ্রেক করে।’

ইলহান ওমার সোমালিয়ায় জন্মগ্রহণ করা ইথিওপিয়া থেকে আসা একজন অভিবাসী যিনি ডেমোক্রেট পার্টির হয়ে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে রাশিদা তালিব নামের অপর মুসলিম নারীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম কংগ্রেসওম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ইসরাইলকে বয়কট করা এবং দেশটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে মত দিয়ে থাকেন।

ইলহান ওমার ইতোমধ্যেই ইসরাইলের সমালোচক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন এবং তার সাম্প্রতিক চমক হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাকে শক্তিশালী powerful House Foreign Affairs Committee তে নিযুক্ত করেছেন যেটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি এবং পররাষ্ট্র সহায়তা নিয়ে কাজ করে।

ইয়াহু নিউজের জাইনাব সালবি নামের এক সাংবাদিককে ‘Through Her Eyes’ নামে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ইসরাইল সম্পর্কে ওমারের মতামত জানতে চাওয়া হয়। জাইনাব সালবি ওমারকে উদ্দেশ্য করে বলেন,

‘আমি ইসরাইল সম্পর্কে কথা বলতে চাই কারণ এটি এখন তর্কের বিষয়। আপনার মতে যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে একটি দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে?’

উত্তরে ওমার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ভাবেই ইসরাইল রাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন- ‘দুটো দেশকেই সমান ভাবে দেখার উদ্যোগ হিসেবে আমরা এমন পদক্ষেপ নিয়েছি যাতে করে একটি দেশকে অন্য আরেকটির উপর বড় করে দেখানো হয়। আর একে আমরা আলোচনা এবং দুই-রাষ্ট্রের মধ্যকার সমাধানের ফাঁদে পেলে দিয়েছি।’

যখন জাইনাব সালবি ওমারের উদ্দেশ্যে আরো পরিষ্কার করে বলেতে অনুরোধ করেন, উত্তরে ওমার ইসরাইলের সমালোচনা করে বলেন, ওয়াশিংটনের এমন একটি দেশের প্রতি সমর্থন করা উচিত নয়ে যে দেশটি তার ভেতরকার অ-ইহুদি নাগরিকদের প্রতি বৈষম্য করে আইন পাশ করে।

তিনি বলেন- ‘আমি যখন দেখি যে, ইসরাইল সরকার এমন আইন তৈরী করে যাতে করে ইসরাইল একটি ইহুদি রাষ্ট্রে পরিণত হয় এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী যারা ইসরাইলে বাস করে তারা এর অংশ নয় এমন বলা হয় তখন আমরা একে মধ্যপ্রাচ্যের একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করি। আমার তখন হাসি পায় কারণ ঠিক একই কারণে আমরা অন্যদের সমালোচনা করি।’

‘আমরা ইরানের প্রতি বৈষম্য মূলক আচরণ করি। আর এখন আমি সৌদি আরবের প্রতিও এমন আচরণ দেখতে পাচ্ছি সুতরাং আমি এইসমস্ত ভিন্নতা দেখে আতঙ্কিত হই।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনাজামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির উদ্যোগে একটি আইন পাশ হয়। এই আইনে আরবীকে ইসরাইলের বেসরকারি ভাষা করা হয়, আইনি ক্ষেত্রে ইসরাইলকে একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ইসরাইলিদের সমতার ব্যাপারটি উহ্য রাখা হয়।

এদিকে Democratic Majority for Israel এর প্রধান মেলাম্যান বলেন, ‘ইসরাইল এমন একটি দেশ যা এখানে বসবাস কারী সকলের অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। এবং ইসরাইলের আদালতসমূহে আরব এবং ইহুদি দুই জাতির বিচারক রয়েছেন।’

তিনি ইলহান ওমারের সমালোচনা করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সদস্যদের উচিত কথা বলার পূর্বে তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে জেনে নেয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে সত্য জানানো। আর এ দিক থেকে কংগ্রেসওম্যান ওমার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন।’

উৎসঃ ‌টাইমস অফ ইসরাইল ডট কম

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here