‘হট টকে’র পর পদত্যা‌গের ঘোষণা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের

0
192

ঢাকা বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ের টিএস‌সি‌তে ছাত্রলী‌গের পদব‌ঞ্চিত‌দের সা‌থে বৈঠককা‌লে উত্তেজনার এক পর্যা‌য়ে ছাত্রলীগ নেত্রী বিএম লি‌পি আক্তার‌কে মারধ‌রের অ‌ভি‌যোগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বিরু‌দ্ধে। ত‌বে মারধ‌রের বিষয়টি অস্বীকার করে উচ্চবাচ্যের (হট টক) কথা বলে চা‌লি‌য়ে দিয়েছেন তি‌নি। পরে আবার একই ঘটনার জেরে রাজু ভাস্ক‌র্যের পাদদেশে এ‌সে আ‌ন্দোলনকারী‌দের স‌রি ব‌লেন রাব্বানী। এসময় প্রধানমন্ত্রীর কা‌ছে গি‌য়ে পদত্যা‌গের ঘোষণা দি‌বেন বলেও জানান তি‌নি।

শ‌নিবার দিব‌াগত রাত দেড়টা থে‌কে সা‌ড়ে ৩টার দি‌কে এসব ঘটনা ঘটে।

ভুক্ত‌ভোগীরা জানান, টিএস‌সি‌তে আ‌ন্দোলনকারী‌দের সা‌থে আ‌লোচনায় ব‌সেন ছাত্রলী‌গের সভা‌পিত শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। এসময় উচ্চবা‌চ্যের এক পর্যা‌য়ে লি‌পির ওপর চড়াও হন গোলাম রাব্বানী। পূর্ব থে‌কেই বেফাঁস মন্ত‌ব্যের কার‌ণে লি‌পির প্র‌তি ক্ষোভ ছিল রাব্বানীর। প‌রে দ্বিতীয় দফায় তাকে মারধর ক‌রেন তি‌নি। এ সময় তার সা‌থে থাকা নেতাকর্মীরা হাম‌লে প‌রে আ‌ন্দোলনকারী তথা পদব‌ঞ্চিত নেতাকর্মী‌দের ওপর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলায় অন্তত ৬ জন আহত হন। এ‌দের ম‌ধ্যে বিশ্ব‌বিদ্যালয় শাখার সা‌বেক নেতার ঘা‌ড়ের হাড় ভে‌ঙে যায়। হামলার সময় সাধারণ গোলাম রাব্বানী ও তার অনুসারী‌দের নিবৃত্ত করার চেষ্টা ক‌রেন সভা‌পিত রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

হামলার শিকার হ‌য়ে প‌রে রাজু ভাস্ক‌র্যে অনশ‌নে ব‌সেন আ‌ন্দোলনকারীরা। শেষ খবর পাওয়া (সকাল ৯টা) পর্যন্ত তারা সেখা‌নে অবস্থান কর‌তে‌ছিল।

ভুক্ত‌ভোগীরা জানান, যারা সে‌দিন মধুর কে‌ন্টি‌নে হামলা ক‌রে‌ছে টিএস‌সি‌তেও ফের হামলা ক‌রেছে তারা। জান‌তে চাই‌লে নাম প্রকাশ না করার শ‌র্তে মে‌য়ে‌দের এক‌টি হল শাখা ছাত্রলী‌গের সাধারণ সম্পাদক নয়া দিগন্ত‌কে ব‌লেন, যেখা‌নে সাধারণ সম্পাদক আঙুল তো‌লেন সেখা‌নে তার অনুসারী তো আ‌রো উস্কানী পান। আর এখা‌নে খোদ সাধারণ সম্পাদক মারধর ক‌রে‌ছেন তাহ‌লে তার অনুসারীরা কি কর‌তে পা‌রে বু‌ঝে দে‌খেন।

এ‌দি‌কে, হামলার ঘটনার প‌রে রাত তিনটার দিকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে পদবঞ্চিতদের বুঝিয়ে অনশন থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তবে পদবঞ্চিতরা তাদের কথা গ্রাহ্য ক‌রেন‌নি। সংগঠ‌নের স‌র্বোচ্চ অ‌ভিভাবক শেখ হা‌সিনার সা‌থে কথা ব‌লবেন ব‌লেও জানান তারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার কা‌ছে সরাস‌রি অ‌ভি‌যোগ দি‌তে চান তারা। এ সময় তারা শোভন রাব্বানী‌কে সেখান থে‌কে চ‌লে যেতে বলেন। এ সময় গোলাম রাব্বানী তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরি। তোমরা চলে যাও। আমি কাল নেত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে আসব।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, একটু ঝা‌মেলা হ‌য়ে‌ছে, ত‌বে এখন কিছু বলতে চা‌চ্ছি না।

প‌রে গণমাধ্যম‌কে দেয়া বক্ত‌ব্যে মারধ‌রের বিষয়‌টি অস্বীকার ক‌রেন গোলাম রাব্বানী। তি‌নি বলেন, কাউকে মারধর করা হয়নি। কথা বলতে গিয়ে ‘হট টক’ হয়েছিল।

আ‌ন্দোলনকারী‌দের এ‌জেন্ডাধারী আখ্যা দি‌য়ে তি‌নি ব‌লেন, বিশেষ সিন্ডিকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী পদবঞ্চিতরা এসব করছেন।

উৎসঃ ‌‌Nayadiganta

আরও পড়ুনঃ ‌আদালত থেকে নাসিমকে ডাকল না, আমি বললে কোর্টে দাঁড় করাবে : গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

টাকার বিনিময়ে কোর্ট-কাচারী কেনা যায়- আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের এমন বক্তব্য উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দুই দিন আগে নাসিম বলেছেন, কোর্ট-কাচারী নাকি টাকা দিয়ে কেনা যায়। কিন্তু বিচারপতি তা শোনেও নি, পড়েও নি। এটা আদালত অবমাননা হলো না? কোর্ট-কাচারী টাকায় কেনা যায় তার জানা আছে। এ কথা বলার পরেও আদালত থেকে কেউ কিছু বললো না। নাসিম সাহেবেকে ডাকলো না। একথা যদি আমি বলি তাহলে আদালতে নিয়ে দাঁড় করাবে।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির কারাবন্দী চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

গয়েশ্বর বলেন, আমরা জানি দানবের বিরুদ্ধে মানববন্ধন যথেষ্ট নয়। রাজপথে আমরা আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আপোসহীন নেত্রীর কর্মী হিসেবে রাস্তায় দাঁড়াতে পারি, রাস্তার মোকাবিলা করতে পারি, তাহলে অবশ্যই এ সরকারের যত শক্তিই থাকুক, খালেদা জিয়াকে তারা জেলে আটক রাখতে পারবে না।

তিনি বলেন, সে কারণে আমাদের সকল নেতাকর্মীর একটি অঙ্গীকার থাকতে হবে, জেল জুলুম যাই হোক, আমরা নেত্রীকে মুক্ত করার জন্য যে কোনো ধরনের আন্দোলন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকবো। এ অঙ্গীকারের প্রতিশ্রুতি যখন সরকার লক্ষ্য করতে পারবে, তখন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির পথ ত্বরান্বিত হবে। শুধুমাত্র আকুতি মিনতি অথবা মানবতার কথা বলে, অসুস্থতার কথা বলে প্রধানমন্ত্রীর হৃদয় কখনও টলবে না। কারণ যার হৃদয় নেই, তার কাছে আবেদন নিবেদন অগ্রাহ্য হবে এটাই স্বাভাবিক। সে কারণে বলছি, আন্দোলন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

গয়েশ্বর বলেন, সর্বশেষ গতকাল প্রধানমন্ত্রীর একটি উক্তি নির্মম পরিহাস ও মানবতার প্রতি কটাক্ষ। একজন বৃদ্ধা বলা যায়, যার বয়স ৭৩ এর উপরে, তিনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ অবস্থায় নির্জন কারাগারে বসবাস করছেন। তাকে নিয়ে মশকরা করে তিনি পায়েশ খান। পায়েশ খাওয়াটা অপরাধ বা বিলাসের বিষয় না। এটা মানবতার সাথে অশোভন আচরণ পর্যায়ে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বিএনপির এই নেতা বলেন, খালেদা জিয়ার জামিনে মুক্তির কোনো বাধা নেই। একমাত্র বাঁধা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে গয়েশ্বর বলেন, যে দৃষ্টান্ত আপনি স্থাপন করবেন সেই দৃষ্টান্ত ভোগ করার জন্য ভবিষ্যতে প্রস্তুত থাকবেন। ওয়ান ইলেভেনের সময় আপনি জেলে গিয়েছিলেন এবং আপনার সঙ্গে অশোভন আচরণ করার কারণে কঠোর এবং কঠিন ভাষায় সেদিন বেগম খালেদা জিয়ার নিন্দা করেছিলেন। আপনার পক্ষে কথা বলেছিল। সেদিন ব্যক্তিগতভাবে আমি কমপক্ষে ১৭ বার আপনার মুক্তি চেয়েছি। খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা ওয়ান ইলেভেনকে গণতন্ত্রের ওপর হানা, আক্রমণ মনে করেছি। সেই কারণে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সকল নেতাকর্মীদের মুক্তি এবং তাদের ওপর যে অবিচার করা হয়েছে তার নিন্দা করেছি। কিন্তু বিনিময়ে আপনি কী করছেন? ক্ষমতায় আসার পরে বেমালুম ভুলে গেছেন। আগামীতে আপনার যদি কোনো বিপর্যয় হয় আপনার মুক্তি চাওয়ার জন্য মানুষ তো দূরের কথা, কোনো পশুপাখিও পাওয়া যাবে না।

চাল আমদানির সমালোচনা করে গয়েশ্বর বলেন, আজকে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হয়। আবার সরকার বলে খাদ্যে চাল উদ্বৃত্ত। আর কৃষকরা দাম পায় না। দাম না পাওয়ায় আজকে ধানে আগুন, কৃষকের ধানে আগুন, মনে আগুন। কোনদিন তারা রাস্তায় আগুন দেবে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।

গয়েশ্বর আরও বলেন, আজকে যারা ব্যাংকের টাকা মেরে খায়, তাদেরকে সুবিধা দেয়া হচ্ছে। আর যারা কৃষিঋণ নেয়, তাদেরকে জেলে ঢুকানো হচ্ছে। এই বৈষম্যের কারণে বোঝা যায় আপনার (প্রধানমন্ত্রী) অর্থনীতি লুটপাটের অর্থনীতি। লুটপাট করে দেশের টাকা বিদেশে জমছে। দেশে কোনো বিনিয়োগ নেই। অচিরেই অভাববোধ দৃশ্যমান হবে, অর্থের সঙ্কটে প্রত্যেকটা পরিবার ভুগবে।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক সুলতানা রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

উৎসঃ ‌‌জাগোনিউজ

আরও পড়ুনঃ ‌’চাল আমদানি সরকারের কারসাজি’


চাল আমদানি সরকারের কারসাজি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেছেন, ‘যেখানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বলা হয়, সেখানে আমদানির প্রশ্নই আসে না। কিন্তু আজকে এ সরকার চাল আমদানি করছে। এটা সরকারের কারসাজি। দেশের কৃষকদের মূল্য দিতে হবে, তাদের উৎপাদনের মূল্য দিতে হবে। শ্রমিকদের মজুরি দিতে হবে। আজকে আমাদের মৌলিক শিল্পগুলোকে রক্ষা করতে হবে।’

শনিবার (১৮ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী পাটকল শ্রমিক দলের আয়োজনে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

‘দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত চাল বিদেশে রফতানির পরিকল্পনা করছে সরকার’- খাদ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে নোমান বলেন, ‘যেখানে সরকার আমদানি করছে সেখানে উদ্বৃত্ত হয় কী করে। আসলে দেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচার হচ্ছে। ব্যাংক লুটপাট হচ্ছে। এদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রে টাকা পাচার হচ্ছে।’

উৎসঃ ‌‌বিডি প্রতিদিন

আরও পড়ুনঃ ‌জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে খালেদা জিয়া স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না


সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা বলেন, তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এ অবস্থায় বিশেষায়িত হাসপাতালে রেখে তার চিকিৎসা করানো জরুরি। অবিলম্বে কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করে বিএনপি।

গতকাল শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির নেতারা এ কথা বলেন। কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি।

এই সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান। দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে জমির উদ্দিন সরকার বলেন, কারাগারের দূষণযুক্ত পরিবেশে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য, সুস্থতা ও জীবন সবই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। খালেদা জিয়া এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।

সর্বশেষ তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা গেছে, ইনসুলিন ব্যবহারের পরও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ তো হচ্ছেই না, বরং তা বিপজ্জনক মাত্রায় অবস্থান করছে। ইতোমধ্যে তার মুখে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এই ক্ষতের জন্য মুখে প্রচ- ব্যথা রয়েছে। স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না। অনেক আগে থেকেই তিনি বাম কাঁধ ও হাতের ব্যথায় ভুগছেন। মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়া অত্যন্ত ?অসুস্থ।

তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় তাকে কেরানীগঞ্জের কারাগারে নেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এটি মেনে নেওয়া হবে না। এটি মানবতাবিরোধী কাজ। এক প্রশ্নে মির্জা আব্বাস বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে কীভাবে কথা শোনাতে হয় সে ব্যবস্থা আমরা এক সময় করব। এত চিন্তা করে লাভ নেই। আমরা প্যারোল চাইব না। তিনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ তার চিকিৎসা দরকার।

এ জন্য তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌আমাদের সময়

আরও পড়ুনঃ ‌এই সরকার প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে সংবিধান লঙ্গন করছেঃ তৈমুর আলম খন্দকার


এই সরকার প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে সংবিধান লঙ্গন করছে বলে মন্তব্যে করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাড. তৈমুর আলম খন্দকার।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসী এলাকায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্যে করেন।

তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া এ দেশে স্থিতিশিল অবস্থা ফিরে আসবেনা। এই সরকার মানবাধিকার ও মানবিক মুল্যেবোধ পদদলিত করেছে। যারা সরকারী দল বা সরকারের সমর্থক তারাই রাষ্ট্রের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতেছে। আর যারা বিরোধীদল করে বা সরকারের সমর্থক না তাদের কোন চাকুরি ও প্রমোশনসহ সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

তৈমুর আলম খন্দকার আরো বলেন, এখন জনগণের দায়িত্ব এ দেশে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনা। কারন এ দেশে গনতন্ত্র নাই। এক দলীয় শাসনে পরিচালিত হচ্ছে দেশ।

কয়েক দিন আগে রূপগঞ্জ সদর এলাকায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের উপরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর মামলা করে বিপাকে পড়েছে পরিবারটি। অব্যাহত প্রাণ নাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

বিএনপি নেতা আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ওলামাদল নেতা সামসুর রহমান খাঁন বেনু, যুবদল নেতা আব্দুল কাইয়ুম প্রধান, খন্দকার আলাল, হাফিজুর রহমান পিন্টু, মহিলালীগ নেত্রী পারভিন বেগম, অ্যাড. সামাদ মোল্লা, যুবদল নেতা সালাউদ্দিন, অ্যাড. আজিজুর রহমান মোল্লা, আফজাল হোসেন, ইদরিস আলীসহ আরো অনেকে।

উৎসঃ ‌‌ইনকিলাব

আরও পড়ুনঃ ‌মধ্যরাতে লিপি ও রব্বানীর মধ্যে যা ঘটনা ঘ‌টে।


ছাত্রলীগ নেত্রী ও ডাকসুর কমনরুম ও ক্যা‌ফে‌টে‌রিয়া বিষয়ক সম্পাদক বিএম লি‌পি আক্তা‌রের প্র‌তি অশোভন মন্ত‌ব্যের জের থে‌কেই প‌রি‌স্থি‌তি ঘোলা‌টে হ‌তে শুরু ক‌রে। এক পর্যা‌য়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর হা‌ত মারধ‌রের শিকার হন লি‌পি। এ সময় রাব্বানীর অনুসারীরা হামলা ক‌রে আন্দোলনকারীদের ওপর। শ‌নিবার দিবাগত রাত দেড়টার দি‌কে এ ঘটনা ঘ‌টে।

কেন্দ্রীয় ক‌মি‌টির সদ্য সা‌বেক প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু ব‌লেন, ঘটনাস্থ‌লে তখন আমা‌দের ১০-১২জন উপ‌স্থিত ছিল। মধুর কে‌ন্টি‌নে হামলার বিচার চাইতে এবং ডে‌ডি‌কে‌টেড‌দের বাদ দি‌য়ে বিত‌র্কিত‌দের দি‌য়ে ক‌মি‌টি পূর্ণাঙ্গ করার বিষ‌য়ে আমরা সভাপ‌তি, সাধারণ সম্পাদ‌কের সা‌থে টিএস‌সি‌তে আলোচনায় ব‌সি। আলোচনায় যু‌ক্তি-পাল্টাযু‌ক্তি চল‌তে‌ছিল। কথা বলার একপর্যায়ে সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী রোকেয়া হলের সভাপতি বিএম লিপি আক্তারের কাছে তার বিরু‌দ্ধে আনিত মাদকের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চান। লি‌পি বল‌লেন প্রমাণ আছে।

প‌রে ‌গোলাম রাব্বানী লি‌পি আক্তার‌কে ব‌লেন তোর না‌কি ৪ বি‌য়ে হ‌য়ে‌ছে। ‌ক্লাস নাই‌নে থা‌কতে একটা, ইন্টারমি‌ডি‌য়ে‌টে উঠে একটা . . . .। তুই একটা ভাইরাস।

এমন অপমানজনক কথার প্রে‌ক্ষি‌তে লি‌পিও তার ওপর উত্তেজিত হ‌য়ে প‌ড়ে। এক পর্যা‌য়ে গোলাম রাব্বানী লি‌পির দি‌কে তে‌ড়ে যান। ‘বাস্টার্ড’, ‘মাদা…’ইত্যা‌দি শব্দ ব্যবহার ক‌রে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু ক‌রেন। প‌রে তা‌কে চড় থাপ্পর মারেন। এ সময় রাব্বানীর মারধ‌রের সা‌থে সা‌থেই তার অনুসারীরাও হাম‌লে প‌ড়ে আ‌মা‌দের ওপর। যা‌রে যেভা‌বে পাই‌ছে সেভা‌বেই মার‌ছে।

ভুক্ত‌ভু‌গী‌দের অভিযোগ অনুযায়‌ী মারধ‌রের ঘটনায় অন্তত ৬ জন আহত হয়। এদেরে ম‌ধ্যে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক শেখ আব্দুল্লাহকে বেধড়ক মারধর ক‌রে রাব্বানীর অনুসারীরা। এতে আবদুল্লাহর কাঁধের হা‌ড় ভে‌ঙে যায়। প‌রে তা‌কে ঢাকা মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জে চি‌কিৎসা শে‌ষে বাসায় নি‌য়ে যাওয়া হয়।

উৎসঃ ‌‌Nayadiganta

আরও পড়ুনঃ ‌সেহেরির সময় ছাত্রীদের উপর ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারীর হামলা (ভিডিও সহ)।


সেহেরির সময়ে ঢাবির রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সভাপতি লিপি আক্তারকে ডেকে নিয়ে তার উপরে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানি! ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসিতে ছাত্রলীগের নারী নেত্রীদের ওপর হামলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জেরে শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই পদবঞ্চিত।

এ ঘটনায় টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নিয়েছেন হামলার শিকার নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, এতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

ভিডিওঃ  ‘সেহেরির সময় ছাত্রীদের উপর ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারীর হামলা (ভিডিও সহ)’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

তারা অভিযোগ করেন, রোকেয়া হল ছাত্রলীগ সভাপতি বিএম লিপি আক্তার, সুফিয়া কামাল হলের সাধারণ সম্পাদক সারজিয়া শারমিন চম্পা ও কেন্দ্রীয় সংসদের উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তিলোত্তমা শিকদারকে মারধর করেন গোলাম রাব্বানী। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন রহমান বলেন, আমাদের সঙ্গে তারা বসেছিলেন। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাব্বানী ভাই লিপি, সম্পা ও তিলোত্তমা আপুর গায়ে হাত তোলেন। আমরা এর নিন্দা জানাই।

এ হামলার প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন লাঞ্ছিত নেত্রীরা ও পদবঞ্চিতরা। তিনি বলেন, আমরা এখন রাজুতে (রাজু ভাস্কর্য) অবস্থান নিয়েছি। এ ঘটনার বিচার চাই। আর কতদিন এভাবে মার খেতে হবে ছাত্রলীগের মেয়েদের।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌দেশে প্রয়োজনের চেয়ে ধান উৎপাদন বেশি হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী


কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, দেশে ধানের দাম অস্বাভাবিক কম। তবে দ্রুত সমাধান কঠিন। এ সংকট নিরসনে সীমিত পর্যায়ে চাল রপ্তানির চিন্তা করা হচ্ছে।

শনিবার রাজধানীর আইইডিবি সম্মেলন কক্ষে ‘জলবায়ু পরিবর্তন : কৃষিখাতের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্বে এখন চ্যালেঞ্জিং ইস্যু বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন। এ কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে কৃষিখাত। তবে নানা সমস্যা থাকলেও বাংলাদেশে প্রয়োজনের চেয়ে ধান উৎপাদন বেশি হচ্ছে।

ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইডিবি), কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) এবং বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের (বিসিজেএফ) যৌথভাবে এ সেমিনার আয়োজন করে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান বা চাল কেনা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, সারাদেশ থেকে চাষীদের নির্বাচন করা সহজ নয়। বাংলাদেশে কৃষিখাতে বিপ্লব হয়েছে। ফ্রান্সের মতো এদেশের চাষীরাও এখন ড্রামভর্তি দুধ রাস্তায়, ট্রাকভর্তি টমেটো হাইওয়েতে ফেলে দেয়। আমরা সবসময় চাই খাবার ও চালের দাম কম থাকুক। দেশে অধিক ধান উৎপাদন এখন বিড়ম্বনা হয়েছে।

ধানের দাম কম হওয়ায় ক্ষেতে কৃষকের আগুন দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, কয়েকজন আবেগের বশে ধানক্ষেতে আগুন দিয়েছে। আমি মনে করি, মানুষ দায়িত্বশীল। তারা নিজের ক্ষেত আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলবে। এটা হতে পারে না।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যে সমস্যা হয়েছে আমরা অবশ্যই এর সমাধান করবো। কৃষিকে আধুনিকীকরণ, বাণিজ্যিকীকরণ ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে সমাধান হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষতি থেকে কৃষকদের রক্ষার্থে করণীয় সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সমস্যা সমাধানে আপাতত সমাধান হলো বিদেশের বাজারে রপ্তানি। তবে বাংলাদেশ বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কোনো কারণে ধান নষ্ট হলে খাদ্যঘাটতি হবে। বিষয়টিও মাথায় রাখতে হচ্ছে। বিভিন্ন ঝুঁকি বিবেচনার পরও সীমিত পর্যায়ে রপ্তানির চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। রপ্তানির বাজারে যাওয়াও কঠিন। এক্ষেত্রে আমাদের ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে।

আইডিইবির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমানের সভাপতিত্বে ও বিসিজেএফ সভাপতি কাওসার রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. খলীকুজ্জামান আহমদ।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌‘খালেদা জিয়া ছাড়া আমাদের বেঁচে থেকে লাভ হবে না’


দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছাড়া আমাদের বেঁচে থেকে কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, এই স্বৈরাচারী সরকার থেকে রেহাই পাব না।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, খালেদা জিয়া দুই তিন দিন ধরে কিছু খেতে পারছেন না।

শনিবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আয়োজনে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাফরুল হাসানের সুস্থতা এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল সরদারের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

নজরুল ইসলাম বলেন, দেশনেত্রীর জিহবায় কামড় লেগে ঘা হয়ে গেছে। ডায়াবেটিস থাকায় ঘা শুকাচ্ছে না। গত দুই তিন দিন ধরে কিছু খেতে পারছেন না। বেঁচে থাকার জন্য মাঝে মাঝে জাও ভাত খাচ্ছেন।

শ্রমিক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি কাজী আমির খসরুর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ। এছাড়া শ্রমিক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌শাইখ সিরাজের বিরুদ্ধে সংবাদ পাঠিকাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ

তানিশা, ফারজানা করিম, শবনম ও সঙ্গীতাসহ সংবাদ পাঠিকাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে শাইখ সিরাজের বিরুদ্ধে

চ্যানেল আইয়ের বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজের বিরুদ্ধে সংবাদ পাঠিকা এবং নারী কর্মীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, যৌন নিপীড়ন এবং নানা রকম হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। যা নারী নির্যাতন এবং কর্মস্থলে পরিবেশ লংঘনের শামিল বলে জানা গেছে। নারীদের সঙ্গে তিনি কুৎসিত অরুচিকর আচরণ করছেন বলে সেখান থেকে চাকরি ছেড়ে দেওয়া একাধিক নারী সংবাদ পাঠিকা অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ, চাকরি ছাড়তে তাদের বাধ্য করা হয়েছে।

এদের মধ্যে রয়েছেন তানিশা, ফারজানা করিম, শবনম ও সঙ্গীতা। এরা সবাই জনপ্রিয় সংবাদ পাঠিকা। যারা বাদ পড়েছেন তারা বলেছেন যে, আমরা নারী নির্যাতন নিয়ে কথা বলছি, যৌন হয়রা্নির বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছি। অথচ চ্যানেল আইয়ে শাইখ সিরাজ যা করছেন তার বিচারের কি হবে? সেটারও তদন্ত হওয়া উচিত। নারীদের এক হওয়া উচিত। এটারও বিচার হওয়া উচিত। শাইখ সিরাজের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে চ্যানেল আই এখন অনিরাপদ কর্মস্থলে পরিণত হয়েছে।

উৎসঃ ‌‌বাংলা ইনসাইডার

আরও পড়ুনঃ ‌ধান কিনে দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই সরকারের: কৃষিমন্ত্রী


এ মুহূর্তে ধান কিনে দাম বাড়ানোর সুযোগ সরকারের হাতে নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তবে ধানের ন্যায্যমূল্য বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এটা নিয়ে তিনি খুবই চিন্তিত।’

শনিবার (১৮ মে) রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম (বিসিজেএফ) আয়োজিত ‘জলবায়ু পরিবর্তন: কৃষিখাতের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

দেশের কৃষকদের আশ্বস্ত করে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘ধানের দাম নিয়ে যে সমস্যা হয়েছে তা দ্রুতই সমাধান করা হবে। কৃষকদের ধানের ন্যায্যমূল্য দেয়া হবে।’

কৃষকরা ধানের দাম না পেয়ে ক্ষোভে-দুঃখে ধান ক্ষেত জ্বালিয়ে দিচ্ছেন- এ প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘এমন ঘটনা দেশের দু-একজন কৃষক করেছেন। সারা দেশে কিন্তু এমনটি হচ্ছে না।’

আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, ‘কৃষকদের ধানের দাম নিয়ে যে সমস্যা তার তাৎক্ষণিক সমাধান হচ্ছে, ধানের রপ্তানি বাড়ানো। আমরা সে চেষ্টা করছি। হারভেস্ট হয়ে গেলে সিদ্ধান্ত নেবো। এ সমস্যার সমাধান করবো।’

দেশের ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি, মিল মালিকেরা আমন চাল বিক্রি করতে পারেনি বলেই ধান দামেও কিছুটা কম বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী।

উৎসঃ ‌‌ব্রেকিংনিউজ

আরও পড়ুনঃ ‌খালেদা জিয়ার কারাগার বদল সরকারের ষড়যন্ত্র: ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ


চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেয়ার উদ্যোগ সরকারের একটি অংশের ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়া অত্যন্ত ‍অসুস্থ।তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এমতাবস্থায় তাকে কেরানীগঞ্জের কারাগারে নেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।এটি মেনে নেয়া হবে না। এটি মানবতাবিরোধী কাজ।

‘আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার জামিন সম্ভব না, আন্দোলনের মাধ্যমেই তাকে মুক্ত করতে হবে’, বারবার এমন বক্তব্য দেয়ার পরও আন্দোলন কর্মসূচিতে যাচ্ছেন না কেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা এবং দ্রুত মুক্তির বিষয় নিয়ে এখানে লিখিত বক্তব্য দিয়েছি। আমরা আজ এর মধ্যেই থাকতে চাই। আপনাদের প্রশ্নের জবাব দিতে গেলে আজকের বিষয়টি ডাইভার্ড হয়ে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের অপর স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে কীভাবে কথা শোনাতে হয় সে ব্যবস্থা করা হবে।
খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি বিএনপি চায় না উল্লেখ করে বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আমরা প্যারোল চাইব না। তিনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ্য তার চিকিৎসা দরকার।এজন্য তার মুক্তি দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌আ’লীগকে কথা শোনানোর ব্যবস্থা করব: মির্জা আব্বাস


ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে কীভাবে কথা শোনাতে হয় সে ব্যবস্থা করা হবে বলে হুশিয়ার করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আন্দোলন না করে এভাবে সংবাদ সম্মেলন করে খালেদা জিয়ার মুক্তি জানালে ক্ষমতাসীন দল ব্যবস্থা নেবে কিনা সাংবাদিকদের-এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে কীভাবে কথা শোনাতে হয় সে ব্যবস্থা আমরা এক সময় করব। এত চিন্তা করে লাভ নেই।’

খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি বিএনপি চায় না উল্লেখ করে বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আমরা প্যারোল চাইব না। তিনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ্য তার চিকিৎসা দরকার।এজন্য তার মুক্তি দাবি করছিল।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌সরকারি ফ্ল্যাটে বালিশের মূল্য দেখে চোখ কপালে দেশবাসীর


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মিত ভবনের জন্য কেনা বালিশের মূল্য দেখে চোখ কপালে উঠেছে দেশবাসীর।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই ভবনের জন্য ১ হাজার ৩২০টি বালিশ কেনা হয়েছে। এদের প্রতিটির মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর সেই প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে ভবনের ওপরে তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা!

বালিশের পেছনে এমন অসংঙ্গতিপূর্ণ ব্যয়ের কথা গতকাল বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়।

প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, শুধু বালিশের বিষয়েই নয় প্রকল্পের আসবাবপত্র কেনার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসবাবপত্র কেনা ও ফ্ল্যাটে তোলার ব্যয়ে অসংঙ্গতি পাওয়া গেছে।

সরকারি আসবাপত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয়ের এমন অসংঙ্গতির ঘটনা ঘটিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের পাবনা জেলার পূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, এই প্রকল্পের আওতায় মূল প্রকল্প এলাকার বাইরে হচ্ছে গ্রিনসিটি আবাসন পল্লী। সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্রেটির কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য ১১টি ২০ তলা ও ৮টি ১৬ তলা ভবন করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে ২০ তলা ৮টি ভবন ও ১৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এই ৯টি ভবনে তৈরি হয়েছে ৯৬৬টি ফ্ল্যাট।

সেই ৯৬৬টি ফ্ল্যাটের জন্য আসবাবপত্র কিনেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে ২০ তলা একটি ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের আসবাবপত্র কেনা ও তা ভবনে ওঠাতে সব মিলে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা।

ওই ১১০টি ফ্ল্যাটের জন্য কেনা টিভি, ফ্রিজ ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রো ওয়েভ কেনা হয়েছে। সেসব আসবাবের ক্রয় মূল্য ও সেগুলোকে ফ্ল্যাটে তুলতে যে ব্যয় দেখানো হয়েছে তা রীতিমতো অস্বাভাবিক।

প্রকল্পের আসবাবপত্র কেনার নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, ৮৬ হাজার ৯৭০ টাকা করে ১১০টি টেলিভিশন ক্রয় করা হয় যার মোট মূল্য ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকায়। আর সেসব টিভি ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

৯৪ হাজার ২৫০ টাকায় ১১০টি ফ্রিজ ক্রয় করতে খরচ হয়েছে ১ কোটি ৩৬ লাখ সাড়ে ৭ হাজার টাকা। সেগুলোর প্রতিটি ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ১২ হাজার ৫২১ টাকা। সে হিসাবে ফ্রিজ ওঠাতে মোট খরচ ১৩ লাখ ৭৭ হাজার ৩১০ টাকা।

একইভাবে ১ লাখ ৩৬ হাজার ১১২ টাকা দরে মোট এক কোটি ৫০ লাখ টাকায় ক্রয় করা ১১০টি ওয়াশিং মেশিন ওঠাতে খরচ দেখানো হয় ৩৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।

প্রতিটি ইক্রোওয়েভ ওভেন কেনা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৭৪ টাকায় যার প্রতিটি ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ দেখানো হয় ৬ হাজার ৮৪০ টাকা করে।

এছাড়াও প্রতিটি কেটলি ভবনে ওঠাতে ২ হাজার ৯৪৫ টাকা, প্রতিটি ইলেক্ট্রিক আয়রন ফ্ল্যাটে ওঠাতে ২ হাজার ৯৪৫ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।

এরপর প্রতিটি চুলার ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ৭ হাজার ৭৪৭ টাকা। তা আর তা ওঠানোর খরচ দেখানো হয় ৬ হাজার ৬৫০ টাকা।

খাট, সোফা, টেবিল, তোশক, চেয়ারসহ জন্য অন্যান্য আসবাব ক্রয় ও এসব আসবাব ফ্ল্যাটে তোলার ক্ষেত্রেও বিপুল অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে। ১১০টি ফ্ল্যাটের জন্য প্রতিটি খাট ৪৩ হাজার ৩৫৭ টাকায় কিনে মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ২৭০ টাকা। আর প্রতিটি খাট ওপরে ওঠানের পেছনে খরচ দেখানো হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ টাকা।

প্রতিটি সোফা কেনা হয়েছে ৭৪ হাজার ৫০৯ টাকায়, আর তা ওঠাতে খরচ হয় ২৪ হাজার ২৪৪ টাকা করে। ১৪ হাজার ৫৬১ টাকায় ক্রয় করা প্রতিটি সেন্টার টেবিল ওঠাতে খরচ দেখানো হয় ২ হাজার ৪৮৯ টাকা।

ছয়টি চেয়ারসহ ডাইনিং টেবিলের একেকটি সেট ক্রয় করা হয় ১ লাখ ১৪ হাজার ৬৭৪ টাকায়, আর প্রতিটি ডাইনিং টেবিল ওঠানোর খরচ দেখনো হয় ২১ হাজার ৩৭৫ টাকা।

একেকটি ওয়ারড্রব কিনে ফ্ল্যাটে ওঠাতে ১৭ হাজার ৪৯৯ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।

৩৩০টি মেট্রেস ও তোশকের ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। প্রতিটি তোশক ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়ে ৭ হাজার ৭৫২ টাকা করে।

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বালিশের ক্রয়মূল্য ও এসব বালিশ ওপরে তুলতে যে খরচ হয়েছে সে বিষয়টি।

নথিপত্রে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি বালিশ কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা দরে। মোট ১৩২০টি বালিশ কেনার পর প্রতিটি ওঠাতে খরচ দেখানো হয় ৭৬০ টাকা।

সব মিলে ২০ তলা ওই ভবনটির আসবাবপত্র ক্রয় ও ফ্ল্যাটে ওঠাতে বাবদ ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা।

এমন অস্বাভাবিক ব্যয়ের বিষয়ে প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমরা গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিধিবিধান মেনেই কাজ করে থাকি। এখানে উন্মুক্ত দরপত্র দিয়ে মালামাল কেনাসহ অন্যান্য কাজ করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই। সবকিছু যাচাই-বাছাই করেই করা হয়েছে।’

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো: শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেয়ার আগেই এসব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাই কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। ’

গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো: শহীদ উল্লা খন্দকার বলেন, ‘ বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিতে পড়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম। এরপর তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বিষয়ে এখনও জানতে পারিনি। বিষয়টির দ্রুত খোঁজ নেয়া হচ্ছে।’

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌আমরা বাইরে বিড়াল, দেশের মানুষের কাছে বাঘ : আসিফ নজরুল


বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, মওলানা ভাসানীদের আমলে আমরা ছিলাম মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার তাগিদে স্বাধীন জাতি। এখন আমরা স্বাধীনতার নামে লেজ গুটিয়ে রাখা, মাথা গুটিয়ে রাখা একটা দাস জাতিতে পরিণত হয়েছি। এটা আমরা নদীর পানির দিকে এবং বিভিন্ন সেক্টরের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি। আসলে আমরা বাইরে বিড়াল, দেশের মানুষের কাছে বাঘ।

শুক্রবার মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে জামালপুর জেলা ভাসানী অনুসারী পরিষদের আয়োজনে শহরের হুমায়রা কমিউনিটি সেন্টারে ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আসিফ নজরুল বলেন, প্রতিনিয়ত সীমান্তে আমাদের ভাইদের হত্যা করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকেও হত্যা করা হচ্ছে। আমরা যখন দেখি বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা লুট হয়ে যাচ্ছে, ১০০ টাকার প্রকল্প যখন এক হাজার টাকার প্রকল্পে পরিণত করা হচ্ছে, জনগণের ট্যাক্সের টাকা, ভ্যাটের টাকা ও আমাদের কষ্টের টাকা নিয়ে এই সরকার কি নয়-ছয় করছে এবং দুর্নীতিমূলক কাজ করছে।

যখন ১৬ কোটি মানুষের ভোটের অধিকার আগের রাতে ছিনিয়ে নেয়া হয়। তখন আমার সত্যিই মনে হয়, আজকে মাওলানা ভাসানীর মত একজন মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। তিনি স্টংলি বলতে পারতেন, ‘খামস’। যার খামস শুনে ভয় পেত- দেশ প্রেমিকহীন অত্যাচারী মানুষ। বাংলাদেশে বর্তমানে এমন এক শাসন ব্যবস্থা চলতে, ‘‘বাইরের মানুষের কাছে বিড়াল, দেশের মানুষের কাছে বাঘ’। এই অবস্থায় আমাদের দেশে একজন বাঘের প্রয়োজন ছিল, যিনি দেশের মানুষের জন্য মহামানব আর বাইরের মানুষের কাছে বাঘের মত। মূলত মাওলানা ভাসানী ছিলেন প্রচন্ড দেশ প্রেমিক, জনবান্ধব ও প্রচন্ড সৎ একজন মানুষ। কোন ভয় দেখিয়ে তাকে দমিয়ে রাখা যায়নি।

জেলা ভাসানী অনুসারী পরিষদের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু। এছাড়া বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু, ভাষানী অনুসারী পরিষদের প্রেসিডিয়াম মেম্বার নঈম জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ভাসানী অনুসারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রশীদ বাবু।

উৎসঃ ‌‌নয়াদিগন্ত

আরও পড়ুনঃ ‌উন্নয়নের কাজে ঘুমানোর জন্য তোশকের দাম ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা!


আসবাবপত্র ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র কেনা ও ফ্ল্যাটে তুলতে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মিত ভবনে ওয়াশিং মেশিনসহ অন্তত ৫০টি পণ্য ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ক্রয়মূল্যের প্রায় অর্ধেক, কোনো কোনোটিতে ৭৫ শতাংশ।

দেশ রূপান্তরের একটি প্রতিবেদনে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের নথিপত্র ঘেঁটে অস্বাভাবিক অর্থ ব্যয়ের এ হিসাব তুলে ধরা হয়।

ওই প্রতিবেদনে দেখানো হয়, এক কেজির মতো ওজনের একটি বৈদ্যুতিক কেটলি নিচ থেকে ফ্ল্যাটে তুলতে খরচ হয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকা। জামা-কাপড় ইস্ত্রি করার কাজে ব্যবহৃত প্রতিটি ইলেক্ট্রিক আয়রন ওপরে তুলতেও খরচ হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ টাকা।

প্রায় আট হাজার টাকা করে কেনা প্রতিটি বৈদ্যুতিক চুলা ফ্ল্যাটে পৌঁছে দিতে খরচ দেখানো হয়েছে সাড়ে ছয় হাজার টাকার বেশি। প্রতিটি শোবার বালিশ ভবনে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় এক হাজার টাকা করে। আর একেকটি ওয়াশিং মেশিন ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৩০ হাজার টাকারও বেশি।

কেবল ভবনে ওঠানোর ক্ষেত্রেই নয়, আসবাবপত্র কেনার ক্ষেত্রেও অস্বাভাবিক অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে। প্রতিটি বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৮৬ টাকা করে। এ হিসাবে ৩৩০টি চাদর কিনতে খরচ হয়েছে ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮০ টাকা। ৩৩০টি বালিশের ক্ষেত্রেও দেখানো হয়েছে কাছাকাছি ব্যয়। কাপড় পরিষ্কারের জন্য ১১০টি ওয়াশিং মেশিনের প্রত্যেকটি কেনা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ১১২ টাকা করে। ১১০টি টেলিভিশনের প্রত্যেকটি কেনা হয়েছে ৮৬ হাজার ৯৬০ টাকায় এবং সেগুলো রাখার জন্য টেলিভিশন কেবিনেট কেনা হয়েছে ৫২ হাজার ৩৭৮ টাকা করে।

সরকারি টাকায় এমন আকাশছোঁয়া দামে এসব আসবাবপত্র কেনার পর তা ভবনের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে তুলতে অস্বাভাবিক হারে অর্থ ব্যয় হয়েছে। এ ঘটনা ঘটিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের পাবনা পূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় মূল প্রকল্প এলাকার বাইরে তৈরি হয়েছে গ্রিনসিটি আবাসন পল্লী। সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য এগারোটি ২০তলা এবং আটটি ১৬ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

এরইমধ্যে আটটি ২০ তলা ও একটি ১৬ তলা ভবনের নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি ২০ তলা ভবনে ১১০টি ও ১৬ তলা ভবনে ৮৬টি ফ্ল্যাট থাকবে। নির্মাণ সম্পন্ন হওয়া নয়টি ভবনের ৯৬৬টি ফ্ল্যাটের জন্য আসবাবপত্র কেনা শেষ হয়েছে। এর মধ্যে একটি ২০ তলা ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের আসবাবপত্র কেনা ও তা ভবনে ওঠাতে সব মিলে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা।

২০ তলা ওই ভবনটির প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য প্রতিটি বালিশ কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা করে, ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। ৯৪ হাজার ২৫০ টাকা করে কেনা প্রতিটি রেফ্রিজারেটর ওপরে ওঠাতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ১২ হাজার ৫২১ টাকা। একেকটি ওয়াশিং মেশিন কেনা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দরে, ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৩০ হাজার ৪১৯ টাকা করে। একেকটি ড্রেসিং টেবিল কেনা হয়েছে ২১ হাজার ২১৫ টাকায়, আর ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৮ হাজার ৯১০ টাকা করে। ৫ হাজার ৩১৩ টাকা দরে একেকটি ইলেক্ট্রিক কেটলি কেনার পর তা ভবনে ওঠানো হয়েছে ২ হাজার ৯৪৫ টাকায়। এছাড়া রুম পরিষ্কার করার মেশিন কিনতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ১২ হাজার ১৮ টাকা, ভবনে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ছয় হাজার ৬৫০ টাকা।

প্রকল্পের আসবাবপত্র কেনার নথিপত্র পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, ২০ তলা ওই ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের জন্য ৮৬ হাজার ৯৭০ টাকা দরে ১১০টি টেলিভিশন কেনা হয়েছে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকায়। টেলিভিশনগুলো ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য ৯৪ হাজার ২৫০ টাকা দরে মোট ১১০টি ফ্রিজ কিনতে খরচ হয়েছে এক কোটি ৩৬ লাখ সাড়ে সাত হাজার টাকা। সেগুলোর প্রত্যেকটি ভবনে তুলতে খরচ হয়েছে ১২ হাজার ৫২১ টাকা।

একইভাবে ১ লাখ ৩৬ হাজার ১১২ টাকা দরে মোট এক কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে কেনা ১১০টি ওয়াশিং মেশিন ফ্ল্যাটে তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। ৩৮ হাজার ২৭৪ টাকা দরে কেনা মাইক্রোওয়েভ ওভেন ফ্ল্যাটে পৌঁছাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৮৪০ টাকা করে। প্রতিটি কেটলি ৫ হাজার ৩১৩ টাকা দরে কিনে ভবনে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ২ হাজার ৯৪৫ টাকা।

প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য ৪৩ হাজার ৩৫৭ টাকা দরে ১১০টি খাট কিনতে খরচ হয়েছে ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ২৭০ টাকা। খাটগুলোর প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটে নিতে খরচ দেখানো হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ টাকা করে। একেকটি সোফা কেনা হয়েছে ৭৪ হাজার ৫০৯ টাকায়, ভবনে ওঠাতে খরচ হয়েছে ২৪ হাজার ২৪৪ টাকা করে। ১৪ হাজার ৫৬১ টাকা দরে কেনা সেন্টার টেবিলের প্রত্যেকটি ভবনে তুলতে লেগেছে ২ হাজার ৪৮৯ টাকা।

ছয়টি চেয়ারসহ ডাইনিং টেবিলের একেকটি সেট কেনা হয়েছে এক লাখ ১৪ হাজার ৬৭৪ টাকায়, ভবনে তুলতে লেগেছে ২১ হাজার ৩৭৫ টাকা করে। ৫৯ হাজার ৮৫৮ টাকা দরে ওয়ারড্রব কিনে ভবনে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ১৭ হাজার ৪৯৯ টাকা করে। ৩৬ হাজার ৫৭ টাকা দরে ৩৩০টি মেট্রেস ও তোশক কেনা হয়েছে মোট এক কোটি ১৯ লাখ টাকায়, যার প্রতিটি ভবনে ওঠাতে খরচ করা হয়েছে সাত হাজার ৭৫২ টাকা করে।

৫ হাজার ৯৫৭ টাকা দরে এক হাজার ৩২০টি বালিশ কেনার পর তার প্রত্যেকটি ভবনে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। ৩৩০টি বিছানার চাদরের প্রত্যেকটি ৫ হাজার ৯৮৬ টাকা দরে কিনে ভবনে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৯৩১ টাকা। এক লাখ ৯৪ হাজার ৬৬৯ টাকা ব্যয়ে কেনা একটি কনফারেন্স টেবিল ভবনে ওঠাতে ব্যয় করা হয়েছে ১৬ হাজার ৯১০ টাকা। এর একেকটি চেয়ার ভবনে ওঠাতে খরচ হয়েছে ৩ হাজার ৬৪৮ টাকা। ৪৫ হাজার ৭৯১ টাকা দরে কেনা মিনি কেবিনেটের প্রত্যেকটি ভবনে ওঠাতে খরচ হয়েছে ৭ হাজার ৭৫২ টাকা। ৩৩০টি বেডসাইট টেবিলের প্রত্যেকটি কিনতে খরচ করা হয়েছে ১১ হাজার ৭৫৬ টাকা। আর প্রতিটি ভবনে ওঠাতে খরচ হয়েছে ১ হাজার ৫০১ টাকা।

এছাড়া, ৩৫ হাজার ৭৫৭ টাকা করে ৩৩০টি ড্রেসিং টেবিল কিনে প্রতিটি ভবনে ওঠাতে আট হাজার ৯১১ টাকা করে ব্যয় করা হয়েছে। আয়রন টেবিল ২০ হাজার ৪৫৮ টাকা দরে কিনে প্রতিটি ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ২ হাজার ৬৭৯ টাকা। ৮ হাজার ৩১৩ টাকা দরে মিনি সেন্টার টেবিল কিনে ভবনে ওঠাতে খরচ হয়েছে ২ হাজার ১৪ টাকা করে। এছাড়া ৪০ হাজার ৮৯৩ টাকা দরে ডিভাইন কিনে প্রতিটি ফ্ল্যাটে তুলতে পাঁচ হাজার ৩৯৬ টাকা করে ব্যয় দেখানো হয়েছে। সব মিলে ২০ তলা ওই ভবনটির আসবাবপত্র কেনা ও ফ্ল্যাটে উঠাতে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা।

তবে দেশরূপান্তরের প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, নিয়ম মেনেই এসব কেনাকাটা করা হয়েছে।

প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমরা গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিধিবিধান মেনেই কাজ করে থাকি। এখানে উন্মুক্ত দরপত্র দিয়ে মালামাল কেনাসহ অন্যান্য কাজ করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই। সবকিছু যাচাই-বাছাই করেই করা হয়েছে।’
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই এসব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাই খোঁজখবর না নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। যদি কোনো সমস্যা থাকে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।’

গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার বলেন, ‘এ ধরনের একটি বিষয় আমাদের দৃষ্টিতে আসার পর দরদাম ও অন্যান্য বিষয়াদি দেখার জন্য কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম। এরপর তারা কী করেছে, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।’

উৎসঃ ‌‌দেশরূপান্তর

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here