হাতীবান্ধা সীমান্ত থেকে বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

0
141

হাতীবান্ধা সীমান্ত থেকে বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ঠাংঝাড়া সীমান্ত থেকে আতাবুল (২৮) নামের এক বাংলাদেশি গরু পারাপারকারীকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঠাংঝাড়া সীমান্তে ৯০৭ নং মেইন পিলারের ১০ নং সাব পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। আতাবুল (২৮) উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের ঠাংঝাড়া গ্রামের খোকা শেখের ছেলে।

বিজিবি জানায়, উপজেলার ঠাংঝাড়া সীমান্ত দিয়ে গরু পারাপার করার সময় ভারতের আরকে বিএসবাড়ী ১৪৩ নং ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বিএসএফ বাহিনীর একটি টহল দল আতাবুল (২৮) কে ধাওয়া করে আটক করেন। এ সময় অন্যরা পালিয়ে আসলেও আতাবুল বিএসএফ’র হাতে আটক হন।

রংপুর ৫১ বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালক লে. কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আতাবুল একজন নিয়মিত গরু পারাপারকারী। এ বিষয়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে।

উৎসঃ ‌‌‌বিডি-প্রতিদিন

আরও পড়ুনঃ ‌একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে পর্যাপ্ত অভিযোগ আছে


বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও ‘সংকুচিত গণতান্ত্রিক’ পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটি বলেছে, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে পর্যাপ্ত একাধিক অভিযোগ আছে।’ যুক্তরাজ্য সরকারের ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি রিপোর্ট ২০১৮’-এর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের বিদেশ ও কমনওয়েলথ কার্যালয় থেকে আজ বৃহস্পতিবার প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশের মানবাধিকারের সুরক্ষা ও গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক—যুক্তরাজ্য দৃঢ় ও স্বচ্ছভাবেই এটা প্রত্যাশা করেছিল। গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তা সহায়তা করবে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের সব বিরোধী দলের এ নির্বাচনে অংশ নেওয়াটা উৎসাহব্যঞ্জক ছিল। নির্বাচনের সময় গ্রেপ্তারসহ নানা রকম বাধা তৈরি করা হয়েছিল। যার কারণে বিরোধী দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারণা বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। নির্বাচনের দিনে নানা রকম অনিয়মের আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ আছে। যার ফলে অনেকেই ভোট দিতে পারেননি।’

নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট যত রকমের অভিযোগ রয়েছে, তার সব কটির গ্রহণযোগ্য সমাধানের জন্য বাংলাদেশের কাছে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্য।

গতকাল ডয়চে ভেলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, নির্বাচন ইস্যু ‘ডান অ্যান্ড ডাস্টেড’। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি ও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা ধুলোয় মিশে গেছে, এ আলোচনা শেষ৷ এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে এখন আর কোনো আলোচনা করার সুযোগ নেই৷

যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, গেল বছর বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়ে যায়। এ ছাড়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতাও কমেছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়েও নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ৫৪ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় শিবিরগুলোর অবস্থা উন্নত হয়েছে। যদিও আশ্রয়শিবিরে যৌন হয়রানি, মানব পাচার, অপরাধমূলক কাজসহ নারী-পুরুষের মৌলিক সেবাগুলো এখনো ঝুঁকির মুখে রয়ে গেছে।

ওই প্রতিবেদনে জাতিসংঘের সংস্থা ও এনজিওদের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের অতিরিক্ত সাত কোটি মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া মোট অর্থের পরিমাণ ১২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার।।

উৎসঃ ‌‌‌পালাবদল

আরও পড়ুনঃ ‌পদ্মার মা ইলিশ সরিয়ে নিতে ভারতের নতুন ষড়যন্ত্র!


বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ যেন সাঁতার কেটে ভারতের এলাহবাদ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে সেজন্য ফারাক্কা বাঁধের স্লুইট গেটগুলো খোলা রাখার ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফারাক্কা বাঁধের স্লুইস গেটগুলো প্রত্যেকদিন চার ঘণ্টা আরো ওপরে তুলে রাখা হবে।

ইলিশ যাতে অবাধে ভারতের এলাহাবাদে ঢুকতে পারে সে লক্ষ্যে নেয়া এ সিদ্ধান্ত চলতি বছরের জুন থেকে কার্যকর হবে। প্রত্যেক বছর ডিম ছাড়ার মৌসুমে (জুন মাসে) সমুদ্রের লোনা পানি থেকে বাংলাদেশের নদীগুলোতে উঠে আসে মা ইলিশ।

ফারাক্কা বাঁধের নেভিগেশন লকের কারণে বাঁধ পার হয়ে ভারতের দিকে যেতে পারতো না ইলিশ। ফলে বাংলাদেশের ভেতরেই ইলিশ অবাধ চলাচল করে।

গঙ্গার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পানি সম্পদ মন্ত্রী নিতীন গাদকরী। ইলিশ যেন সহজেই ফারাক্কা পার হয়ে উজানের দিকে এলাহাবাদে ঢুকতে পারে সেজন্য নেভিগেশন লকের ডিজাইন পরিবর্তন করা হয়েছে।

ভারতীয় নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীর পাণ্ডে বলেছেন, প্রত্যেকদিন রাত ১টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত গেটগুলো খুলে রাখা হবে। কারণ এই সময়েই ইলিশ চলাচল করে।

দেশটির নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে ভারতে ইলিশ বেশি পরিমাণে পাওয়া যাবে।

উৎসঃ ‌‌‌sangbad247

আরও পড়ুনঃ ‌গণতন্ত্রের স্বার্থে নতুন করে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম


দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের স্বার্থে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অবিলম্বে এই নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচন দিতে হবে।

শনিবার বিকালে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশন চত্বরে গাজীপুর মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮তম মৃত্যু বার্ষিকী ও ইফতার পূর্ব আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, নতুন নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সময়ে সহায়ক সরকার অর্থাৎ একটা নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। আর সেই নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা পাবে।

মির্জা আলমগীর বলেন, আমাদের দেশের ষোলো কোটি মানুষের নেত্রী, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন কারারুদ্ধ। কারাগারে বসেই তিনি প্রতি মুহূর্তে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি সপ্তাহে শুধু একটি ম্যাসেজই পাঠান- দলকে যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ রাখুন। আমরা এ পর্যন্ত যতগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা-পরামর্শ করেই নিয়েছি। এমপিদের শপথ নেয়া এবং আমার শপথ না নেয়া সবই দলীয় সিদ্ধান্ত। আমাদের এমপিগণ সংসদে গিয়ে দেশনেত্রীর মুক্তির কথা বলবে। সারাদেশের মানুষ ও বিশ্বে মানুষ তাদের কথা শুনবে।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা দূর করেন। যারা অভিমান করে দূরে সরে আছেন, তাদের কাছে টেনে নেন। তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে এক হউন। এটা আমাদের জনগণের দাবি। কোটি কোটি নেতাকর্মীদের দাবি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দাবি। খালেদা জিয়াকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে আটক করে রাখা হচ্ছে। তাকে মুক্ত করতে হবে, গণতন্তকে মুক্ত করতে হবে। আর দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হলে আমাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্যে আসুন আমরা সবার আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলি।

তিনি আরো বলেন, মনের মধ্যে যে ব্যাথা বেদনা আছে তা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। আমাদের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে। দেশকে মুক্ত করতে হবে। বিএনপির কোনো সংকট নেই, এই সংকট হচ্ছে জাতির, বাংলাদেশের। আজকে যদি এ সংকট থেকে উত্তরণ করতে না পারি বাংলাদেশ থাকবে না, দেশের গণতন্ত্র থাকবে না। সুতরাং দেশ ও জাতির স্বার্থে গণতন্ত্রের স্বার্থে আজকে নতুন নির্বাচন দেয়া, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়া এখন একমাত্র কর্তব্য। আর এটাই আমাদের দাবি।

গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি হাসান উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন, দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, কেন্দ্রীয় সদস্য মো. মজিবুর রহমান, ডা. মাজহারুল ইসলাম, বিএনপি নেতা শাহ মো. রিয়াজুল হান্নান, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আফজাল হোসেন কায়সার, মো. শহীদ উজ্জামান, আহম্মদ আলী রুশদী, আজিজুর রহমান পেরা, বশির আহমেদ বাচ্চু, কাউন্সিলর হাসান আজমল ভূইয়া প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌‘কৃষকদের প্রতি সরকারের দয়া-মায়া নেই, কারণ তারা ভোটে নির্বাচিত হয়নিঃ ড. খন্দকার মোশাররফ


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘কৃষকদের প্রতি সরকারের কোনো দয়া-মায়া নেই। কারণ তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। আওয়ামী লীগের ভুল পলিসির কারণে কৃষক তাদের মাঠের পাকা ধান পুড়িয়ে দিয়েছে।’

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মোশাররফ বলেন, ‘গণতন্ত্র বন্দী থাকায় আজকে সব জায়গায় এত অনিয়ম। এই বন্দী গণতন্ত্রকে আগে মুক্ত করতে হবে। তার আগে গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। এজন্য জনগণের মধ্যে ইস্পাত কঠিন গণঐক্য তৈরি করতে হবে।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘মানবিক কারণে খালেদা জিয়াকে এখন মুক্তি দিন। আর তো জেলে রাখার দরকার নেই। আপনাদের কাজ তো আপনারা করেই ফেলেছেন। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীকে বন্দী রেখে একতরফাভাবে ভোট ছাড়াই তো ক্ষমতা দখল করেছেন। এখন ঈদের আগেই তাকে মুক্তি দিন। তা না হলে জনগণ যখন বিক্ষোভ করবে তখন কিন্তু এক মুহূর্তও টিকতে পারবেন না।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সংকটকালীন সময়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরো ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাহলেই আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা সম্ভব হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘গণতন্ত্রের জননী খালেদা জিয়া জেলে কষ্ট করছেন। মাত্র দুই কোটি টাকা কেন্দ্র করে এমনটি করা হয়েছে। অথচ প্রধানমন্ত্রীর কাছের লোকজন দুই হাজার কোটি টাকা বা তার চেয়েও বেশি নিয়ে যাচ্ছে তার কোনো শাস্তি হচ্ছে না।’ বর্তমানে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা চলে যাচ্ছে এসব টাকার কী হবে তা জানতে চান তিনি।

বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, ‘কোনো ষড়যন্ত্র করে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেননি। ক্ষমতার শূন্যতায় ও জনগণের প্রয়োজনে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশে যখন সব দল নিষিদ্ধের মাধ্যমে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল সেখান থেকে আওয়ামী লীগসহ সব দলকে পুনর্জীবিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান। বাকশাল গঠন করে মোট ৪৩টি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান এই সকল রাজনৈতিক দলকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন জন্যই তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বলা হয়।’

সংগঠনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌‌justnewsbd

আরও পড়ুনঃ ‌‘১৯’ আতঙ্ক ছাত্রলীগকে পিছু ছাড়ছে না !


ছাত্রলীগে এখন বড় আতঙ্কের নাম গাণিতিক সংখ্যা ‘১৯’। সংগঠনটির ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে তুমুল বিতর্কের ফলে কেন্দ্রীয় নেতাদের জন্য সংখ্যাটি এখন ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কেন্দ্রীয় কমিটির অর্ধশত বিতর্কিত নেতাকে বাদ দিতে পদবঞ্চিতদের আন্দোলনের মুখে ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা থেকেই এ আতঙ্কের উৎপত্তি। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ শূন্যের এ সংখ্যা ঘোষণা করলেও পদ বা ব্যক্তির নাম ঘোষণা করেনি। ফলে এই ১৯ জন কারা- সেটাই এখন সংগঠনটির আলোচনার কেন্দ্রে। এ অবস্থায় পদ পেয়েও প্রত্যাশিত উচ্ছ্বাস নেই কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে।

অন্যদিকে বিতর্কিতদের বাদ দিতে রোজার মধ্যে টানা ছয় দিন রাজু ভাস্কর্যে পদবঞ্চিতদের অবস্থান, এ আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যদিও ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে তার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে শূন্যপদ বাড়তে পারে, কমতেও পারে।

গত ২৮ মে দিবাগত রাত ১টায় এই ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এর আগে গত ১৩ মে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হয়। ৩০১ সদস্যের এ কমিটির শতাধিক নেতার বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে পদ পাওয়া এবং বিভিন্ন অন্যায়, অপকর্ম ও অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে। নতুন কমিটির সদস্যদের মধ্যে হত্যা মামলার আসামি থেকে শুরু করে বিবাহিত, বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্টতা, মাদক গ্রহণ ও ব্যবসা, চাকরিজীবীর নাম রয়েছে। অন্যদিকে এই কমিটিতে জায়গা হয়নি সর্বশেষ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদ ও অবস্থানে থাকা প্রায় অর্ধশত নেতার। এতে ক্ষোভ জানিয়ে কমিটি প্রত্যাখ্যান করলে তাদের ওপর দু’দফায় হামলা করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা।

১৫ মে চাপের মুখে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৭ জন বিতর্কিত নেতার একটি তালিকা প্রকাশ করেন। তাদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য-প্রমাণসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পদগুলো শূন্য হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর ১৬ মে বিভিন্ন অপরাধ অপকর্মে জড়িত এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও রেওয়াজ পরিপন্থী উপায়ে পদপ্রাপ্ত বিতর্কিত ৯৯ নেতার নাম প্রকাশ করেন পদবঞ্চিতরা। সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব ও পদবঞ্চিতদের এমন মুখোমুখি অবস্থানের ফলে আওয়ামী লীগের ৪ সিনিয়র নেতার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। যদিও পরবর্তী সময়ে ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৭টি পদ শূন্য ঘোষণা করেনি।

এদিকে কমিটি গঠনের পর ১৫ মে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে সংগঠনটির নতুন কমিটির শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। তখন অপরাধী ও বিতর্কিতদের কমিটি থেকে বাদ দিতেও নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ সেই নির্দেশনা পালন না করে ২৭ মে মধ্যরাতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রলীগ। ফলে ২৬ মে দিবাগত রাত ১টা থেকে ফের আন্দোলনে নামেন পদবঞ্চিতরা। শুক্রবার টানা ষষ্ঠ দিনের মধ্যে অবস্থান অব্যাহত রেখেছেন তারা। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে যোগ্যদের পদায়ন না করা পর্যন্ত তারা এ অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। ১৯টি শূন্য পদের নাম প্রকাশের দাবিও রয়েছে তাদের। দাবি না মানলে তারা বাড়ি যাবেন না, ঢাকায়ই ঈদ করবেন।

ছাত্রলীগের সদ্যবিদায়ী কমিটির প্রচার সম্পাদক (বর্তমান কমিটিতে পদবঞ্চিত) সাইফ উদ্দিন বাবু যুগান্তরকে বলেন, আন্দোলনের মুখে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রথমে ১৭ জনের কথা স্বীকার করলেও ১৪ দিন পর ১৯ জনের পদ শূন্য করার কথা উল্লেখ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। তাদের এই পদক্ষেপ আজ প্রমাণ করল আমাদের দাবি ও আন্দোলন গুরুত্বহীন ছিল না। ১৯টি পদ শূন্য হলেও এখন পর্যন্ত যে যার মতো স্বপদে বহাল আছে। এটা শুধু সুপরিকল্পিত নয়, অপরাজনীতি ও চাতুরীও বটে। অবিলম্বে শূন্য হওয়া ১৯ জনের নাম ও পদের বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের সব দাবি মেনে কমিটি পুনর্গঠন না করা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সদ্যবিদায়ী কমিটির কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন যুগান্তরকে বলেন, অভিযুক্ত শতাধিক নেতার নাম আমরা বলেছি। তাদের মধ্যে অকাট্য দলিলসহ ৫০ জনের তালিকা দিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে অসংখ্যবার যোগাযোগ করেও পাইনি। পরে নানক ভাইকে (জাহাঙ্গীর কবির নানক) দিয়েছি। অথচ নতুন নাটক সাজিয়ে ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করে একটি প্রেস রিলিজ দেয়া হয়েছে। যা একেবারেই অস্পষ্ট। সেখানে কারও নাম নেই, কোনো কিছু সুস্পষ্টভাবে বলা হয়নি। আমরা এই ছল-চাতুরীর প্রতিবাদ জানাই। ১৯টি শূন্যপদের নাম ঘোষণা করতে আমরা ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলাম। তা-ও মানা হয়নি। এভাবে সংগঠন চলতে পারে না। আমাদের দাবি, সব বিতর্কিতকে সংগঠন থেকে বাদ দিতে হবে। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তা না করা পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলন চলবে।

এ ছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির অন্তত ১০ জন নেতা যুগান্তরকে বলেছেন, এই ১৯টি শূন্যপদের নাম ঘোষণা করা উচিত। কারণ তারা পদ পেয়েও এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তৃণমূলে সেভাবে কাজ করতে পারছেন না। অনেকেই জিজ্ঞেস করছেন, ‘ভাই, উনিশ জনের মধ্যে আছেন নাকি?।’ তারা বলছেন, সামনে ঈদ। পদপ্রাপ্তদের প্রায় সবাই গ্রামের বাড়িতে যাবেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অথচ পদ নিয়ে ধোঁয়াশা অবস্থার কারণে তারা কর্মসূচি সাজাতে পারছেন না। তাই ঈদের আগেই শূন্যপদের বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শূন্যপদের নাম ঘোষণা না করার বিষয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী যুগান্তরকে বলেন, যেসব পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তাদেরকে কিন্তু সংগঠন থেকে অব্যাহতিও দেয়া হয়নি বহিষ্কারও করা হয়নি। যেহেতু অভিযোগ এসেছে তাই ১৯টি পদ শুধু শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এই ১৯ জনের বিষয়ে আমরা কিছু জায়গায় সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। যেমন, এদের একজন বিয়ে করেছে কিন্তু বউ মারা গেছে। আরেকটা মেয়ের ডিভোর্স হয়েছে তিন বছর আগে। আরেকজন তিন বছর আগে চাকরি করত। আমরা এদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না বলে আমাদের একমাত্র অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য অপেক্ষা করছি। তিনি দেশে ফিরলে তার সঙ্গে কথা বলে শূন্যপদের নাম ঘোষণা করা হবে।

ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, আমাদের যে বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে অনীহা নেই, সেটা বোঝানোর জন্যই পদগুলো শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। আপা (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) দেশে এলে তার কাছে অভিযুক্তদের নাম, পদ ও অভিযোগ উত্থাপন করা হবে। পরে তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করব। এ ক্ষেত্রে শূন্যপদ বাড়তেও পারে, কমতেও পারে। গঠনতন্ত্রের বয়সের নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের প্রথম গঠনতন্ত্র শেখ হাসিনা। আমরা যদি তাকে বোঝাতে পারি যে দলের বৃহত্তর স্বার্থে একটা ছেলে তার বয়স যদি দুই মাস বেশি হয়, আপা যদি তাকে রাখতে বলেন, তাহলে সে থাকবে। তবে সিদ্ধান্ত অবশ্যই আপার।

আন্দোলনকারীদের কাছে বিতর্কিত অর্ধশত নেতার অকাট্য দলিল আছে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গোলাম রাব্বানী বলেন, অকাট্য দলিল একজনেরও নেই। এটা যদি তারা বলে থাকে ভুল বলেছে। অকাট্য দলিল থাকলে তো আমদেরই দিত। ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বা দফতর সেলে অভিযোগ না দিয়ে মিডিয়াকে বা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের দেয়ার সুযোগ নেই।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌এবারের ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ হবে না কাদেরের এই বক্তব্য জনগণের সঙ্গে চরম রসিকতা: রিজভী


এবারের ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ হবে না এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সড়কের অবস্থা সবচেয়ে ভালো- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, সড়ক ব্যবস্থা এতোটাই ভালো যে, শুধু ঢাকার অদূরে গাজীপুর যেতে সময় লাগে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা। উত্তরাঞ্চলের অবস্থা আরও নাজুক।

শনিবার (১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে রিজভী এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য জনগণের সঙ্গে চরম রসিকতা দাবি করে রিজভী বলেন, ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল হয়ে উত্তরের জেলাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা এতোই খারাপ যে, উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক, ঢাকা-কুষ্টিয়াসহ দেশের সব সড়ক মহাসড়কের বেহাল অবস্থা।

তিনি বলেন, সড়কের বেহাল দশার কারণে ঈদে ঘরমুখী মানুষ ঝুঁকছে ট্রেনের দিকে। শুক্রবার ঈদযাত্রার শুরুর দিনে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সকালের ট্রেন বিকেলেও পাওয়া যায়নি। রেলমন্ত্রী এজন্য জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশও করেছেন। লঞ্চ টার্মিনালগুলো থেকেও লঞ্চ ছাড়ছে দেরি করে। লঞ্চযাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া, বাসযাত্রীদের কাছ থেকেও আদায় করা হয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া। ঈদ যাত্রার শুরুতেই চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ‘মিথ্যা মামলায়’ কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এই পবিত্র রমজানে চরম অসুস্থ অবস্থায় প্রিজন সেলে দিনাতিপাত করছেন তিনি। সম্পূর্ণরূপে জুলুম করে ‘দেশনেত্রী’ খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করা হলেও দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল ‘মিডনাইট ভোটের’ সরকার ‘দেশনেত্রীকে’ ঈদের আগেই মুক্তি দেবে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে যা বলেছেন, সেই প্রতিহিংসাই তিনি বাস্তবায়িত করছেন। এছাড়া তাকে দেওয়া ৩০ টাকার ইফতারি নিয়েও সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা উপহাস ও অহমিকা প্রকাশ করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাহিদা রফিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, আব্দুল আওয়াল খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ ‌‌banglanews24

আরও পড়ুনঃ ‌হতাশ হবেন না, আওয়ামীলীগও ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিল : খন্দকার মাহবুব হোসেন


সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দি রেখেছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, যেসব মিথ্যা মামলায় বেগম জিয়াকে কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে তার একটিতে জামিন পেলে আরেকটি মামলা দিয়ে তাকে আটকে রাখা হচ্ছে। আশা করি এই বাংলাদেশের মানুষ এই জালিম সরকারের বিরুদ্ধে একদিন জেগে উঠবেই। বাংলাদেশের মানুষ যেদিন বিস্ফোরিত হবে সেইদিন এদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গনে জাতীয়তাবাদি আইনজীবী ফোরাম নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দোয়া ও দরিদ্রদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এসব কথা বলেন।

নেতা কর্মীদের হতাশ না হওয়া আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগও ২১ বছর ক্ষমতার ছিল। বাইরে তাদের উপর অনেকেই অত্যাচার অনাচার করেছিলো। তারপরেও তারা ক্ষমতায় এসেছে। বর্তমান সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের উপরে নির্যাতিত করে যে অবস্থায় রেখেছেন একদিন ইনশাল্লাহ একদিন তারা মুক্ত হবে, দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে, খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে, গরীব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।

মাহবুব হোসেন আরো বলেন, জিয়াউর রহমান সব সময় দুঃখী মানুষের কল্যাণে কাজ করে গিয়েছিলেন। বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেছে। যেসব মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে আমরা বারবার চেষ্টা করেও এক মামলায় জামিন করালে তারা আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখায়। বাংলাদেশের মানুষ বিস্ফোরণ ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল বারি ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা, অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, অ্যাডভোকেট আজিজ আল মামুন, অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে তিনশ দরিদ্রকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

উৎসঃ ‌‌নয়াদিগন্ত

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here