সত্যিকারের মুসলিমরা পাশে থাকলে এরদোগান বিজয়ী হবেনঃ ইউসুফ আল কারযাভী

0
106

মিশরের বিশিষ্ট ইসলামিক বিশেষজ্ঞ আল্লামা শেখ ইউসুফ আল-কারযাভী বলেছেন,তুরস্কের উন্নয়ন ঠেকানোর জন্য পশ্চিমা বিশ্ব বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে।

‘International Union for Muslim Scholars’ (IUMS) এর চেয়ারম্যান আল-কারযাভী ৩ নভেম্বর শনিবার তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অনুষ্ঠিত IUMS এর সাধারণ সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘তারা হয়ত তাদের ষড়যন্ত্রে সফল হয়ে যেতে পারে কিন্তু প্রেসিডেন্ট এরদোগান এবং তার ভাইদের উপর মহান আল্লাহর সমর্থন রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যদি সত্যিকারের মুসলিমরা এরদোগানের পাশে থাকলে মহান আল্লাহ তায়ালা এরদোগানকে বিজয়ী করবেন।’

IUMS এর চেয়ারম্যান এসময় বলেন, ইসলামিক বিশ্ব বর্তমানে বিভিন্ন বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে।

এরদোগানের নেয়া তুরস্কের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের প্রশংসা করে আল-কারযাভী বলেন, ‘তুর্কিরা ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে, কারণ তারা ইসলামিক জাতিসমূহকে রক্ষা করতে চায়।’

IUMS এর সাধারণ সভায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অন্তত ১,৫০০ জন ইসলামিক বিশেষজ্ঞ যোগ দিয়েছেন এবং তা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলমান থাকবে।

এসময় IUMS এর নতুন চেয়ারম্যান, সেক্রেটারি জেনেরাল, ডেপুটি এবং সাধারণ সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আল-কারযাভী তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘খাসোগি বলেছিলেন তিনি কোনো বিরোধী ব্যক্তিত্ব নন, কিন্তু তারা তার কথা শোনেনি এবং তাকে হত্যা করেছে।’

‘খাসোগি যখন কনস্যুলেটে প্রবেশ করেছিলেন তখন তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হতে পারে এই ভয়ে ভীত ছিলেন। কিন্তু তিনি কখনো চিন্তা করতে পারেন নি যে, সেখানে এমন লোকজন থাকতে পারে যারা তাকে হত্যা করবে এবং তারা সত্যিই তাকে হত্যা করেছে।’- শেষে আল-কারযাভী এমনটি বলেন।

সূত্রঃ মিডেল ইস্ট মনিটর।

আরও পড়ুনঃ আমিই বিশ্বের একমাত্র ‘স্বৈরশাসক’ যে কিনা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে যাচ্ছিঃ ড. মাহাথির

 

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ দুবছরের মধ্যে আনোয়ার ইব্রাহীমের নিকট দেশটির প্রধানমন্ত্রীত্বের পদ ছেড়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনরাবৃত্তি করে বলেছেন, এ জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

ড. মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, ‘আমার প্রতিশ্রুতি হচ্ছে দুবছরের মধ্যেই আমি পদত্যাগ করব। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পরিপূর্ণ করিনি, আপনারা কি আমার এমন কিছু দেখেছেন? আমিই হচ্ছি বিশ্বের একমাত্র ‘স্বৈরশাসক’ যে কিনা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে যাচ্ছে।’

পিকেআরের রাজনৈতিক শাখা ‘Setiawangsa Bersatu’ এর একটি আলোচনায় সভায় এক প্রশ্নের জবাবে ড. মাহাথির এসব কথা বলেন। ড. মাহাথিরের রাজনৈতিক সচিব জাহিদ মোহাম্মদ আরিফ আসন্ন সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত ড. মাহাথিরকে প্রধানমন্ত্রী থাকার জন্য আবেদন জানানোর পরে প্রতিশ্রুতি রক্ষার করা সম্পর্কিত এই প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে এবং তিনি এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে পদত্যাগ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্তমানে আনোয়ার ইব্রাহীম এবং ড. মাহাথিরের মধ্যকার সম্পর্ক ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছেন এমন একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি রহস্যচ্ছলে তার পাশে বশে থাকা আনোয়ার ইব্রাহীমের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আমি তার সাথে যুদ্ধ করতে চাই কিন্তু তিনি আমার দিকে তাকিয়ে শুধু হেসে দেন।’

এর প্রতিউত্তরে আনোয়ার ইব্রাহীম বলেন, ‘ড. মাহাথিরের সাথে আমার কোনো সমস্যা নেই। গণমাধ্যমগুলো এ বিষয়টি বার বার জানতে চায়, এটিই মূলত সমস্যা।’

প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম আনোয়ার ইব্রাহীম পাকতান হারপানের কোনো প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সভায় যোগদান করেছেন।

সূত্রঃ দ্যা স্টার ডট কম।

আরও পড়ুনঃ এখন আমার মরে যাওয়াই উচিত: ড. মাহাথির মোহাম্মদ

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক প্রধানমন্ত্রী তিনি। বয়স ৯৩ বছর। এই বয়সেও সম্প্রতি রাজনৈতিক ভূমিকম্পের মাধ্যমে আবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার মাহাথির মোহাম্মদ। তার ২২ বছরের শাসনামলে দ্রুত উন্নয়ন ঘটে দেশটিতে।

দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবার দেশটির কান্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হন এ রাজনীতিবিদ। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও দেশ পরিচালনায় তিনি এখনও শিরদাড়া খাঁড়া করে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার শেষ ইচ্ছা হল, চীনের কাছ থেকে নেয়া বৃহৎ ঋণের বোঝা কমানো।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে তিনি কৌতুক করে বলেন, ‘আমার এখন মারা যাওয়া উচিত। অথচ এখনই আমাকে বেশি কাজ করতে হচ্ছে। এটি বিরক্তিকর, সত্যি…।’

গত মে মাসের নির্বাচনে পুনরায় ক্ষমতায় আসেন মাহাথির। এরপর থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান তিনি। এরই মধ্যে জাতীয় ঋণের বোঝা কমাতে চীনের ব্যয়ে মেগা প্রকল্প বাতিল করেছেন তিনি।

মালয়েশিয়া সরকারের নেয়া আগের ২৫০ বিলিয়ন ডলার পরিশোধকে প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন মাহাথির। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘প্রথমবার আমি যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলাম সে সময়ের চেয়ে এই বুড়ো বয়সে আমাকে বেশি কাজ করতে হবে। কারণ দেশের পুরো কাঠামো নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এটা বিরক্তিকর। আসলে এখন আমার মারা যাওয়াই উচিত।’

সুত্রঃ বিডি-প্রতিদিন

এই পেইজের খবরের সুত্রঃ আরটিএনএন ,দ্যা স্টার ডট কম, বিডি-প্রতিদিন

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here