ডা. জোবায়দাকে দেশে ফেরানোর তোড়জোড় চেষ্টা চলছেঃ রাজনীতিতে আবারও আলোচনায়!

0
1325

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে দলের অধিকাংশ নেতাকমীর্ জিয়া পরিবারের প্রতিনিধিত্ব ছাড়া বিএনপিকে মেনে নিতে পারছে না। বিশেষ করে দলের কট্টরপন্থি একটি অংশ যাচ্ছে যেভাবেই হোক নিবার্চনে দলের নেতৃত্বে জিয়া পরিবারের কেউ আসুক। এর অংশ হিসেবে দলের চেইন অব কমান্ড ধরে রাখতে খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমানকে দেশে আনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে দলের নীতিনিধার্রণী ফোরামের কট্টরপন্থি অংশের নেতাদের চাপে জোবায়দাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ দেয়ার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে।

ডা. জোবায়দা রহমান বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন; এমন আলোচনা দলের ভেতরে-বাইরে দীঘির্দনের। দলের নীতিনিধার্রকদের একটি অংশও খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অবতর্মানে ডা. জোবায়দাকে দেশে ফেরাতে আগ্রহী। তারা চান, দুই শীষর্ নেতার অবতর্মানে জিয়া পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে ডা. জোবায়দা দলের দুঃসময়ে সক্রিয় হবেন। পরিচ্ছন্ন ইমেজের ডা. জোবায়দা বিএনপিতে সক্রিয় হলে দল লাভবান হবে, এমন আশা দলীয় নেতাকমীের্দর।

খেঁাজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির উচ্চ পযাের্য়র কয়েকজন নেতা জোবায়দা রহমানকে দেশে ফেরাতে দীঘির্দন ধরে চেষ্টা করছেন। কিন্তু জোবায়দার স্বামী তারেক রহমান এতে সায় দিচ্ছিলেন না। সম্প্রতি দলের নেতৃত্বে জিয়া পরিবারের শূন্যতা চরমভাবে অনুভূত হওয়ায় ওইসব সিনিয়র নেতা আবারও উদ্যোগ নেন। এবার অবশ্য তারেক রহমান ইতিবাচকভাবে সাড়া দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এরপরই গত সপ্তাহে বিএনপি মহাসচিবের উপস্থিতিতে একটি বৈঠকে জোবায়দা রহমানকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

দলের সিনিয়র এক নেতা বলেন, জোবায়দা রহমানের দেশে ফেরা এবং রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ক্ষেত্রে আন্তজাির্তক অভিবাসনসহ বিভিন্ন আইনি প্রতিবন্ধকতা আছে। এরপরও সেসব আইন সমস্যা সমাধান করে দ্রæত সময়ের মধ্যে তাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে নিবার্চনী প্রচারণার যাতে জোবায়দা ভ‚মিকা রাখতে পারেন সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা হচ্ছে। শেষ পযর্ন্ত জোবায়দা রহমানকে ফেরানো সম্ভব না হলে নিবার্চনের মাঠে জিয়া পরিবারের প্রতিনিধিত্ব রাখতে বিকল্প ভাবা হতে পারে দ্রæত সময়ের মধ্যে।

প্রসঙ্গত, ডা. জোবায়দা সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও উপ-সামরিক আইন প্রশাসক মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের মেয়ে। তার বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করা জোবাইদা ১৯৯৫ সালে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দেন। এক-এগারোর সময় তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এমডি (কাডির্ওলজি) কোসের্র তৃতীয় পবের্ অধ্যয়নরত অবস্থায় অসুস্থ স্বামীর উন্নত চিকিৎসার জন্য ছুটি নিয়ে যুক্তরাজ্যে যান। এরপর জোবায়দা ইমপেরিয়াল কলেজ অব লন্ডন থেকে চার বছরের মাস্টাসর্ অব কাডির্ওলজিতে শতকরা ৮৩ ভাগ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান লাভ করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কমনওয়েলথভুক্ত দেশ, নাইজেরিয়া, চীনসহ মোট ৫৫টি দেশের ছাত্রছাত্রীরা এই কোসের্ অংশ নিয়েছিলেন। গত ১০ বছরে ডা. জোবায়দা একবারও দেশে ফেরেননি।

উৎসঃ দৈনিক ইনকিলাব

জোবাইদা রহমান বিএনপিতে প্রাথমিক সদস্য পদ পাচ্ছেন!

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান রাজনীতিতে আসছেন। তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি। সম্প্রতি দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ কয়েক নেতার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। দলের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় আমাদের সময়কে বলেন, দল কীভাবে চলবে, তা নির্ধারণ করবেন আমাদের নেতাকর্মীরা। চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আমাদের নেতা আছেন এবং থাকবেন। যখন সমস্যা হবে, তখন সমাধানও হবে। এ নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই।

লন্ডনের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। তিনি সিদ্ধান্ত জানালে দু-একদিনের মধ্যে জোবায়দা রহমানকে সদস্যপদ দেওয়া হবে।

দলের সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দেওয়ার পর সাজাপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিএনপির নেতৃত্ব হারাচ্ছেন? এর পরও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা জিয়া পরিবারের কাউকে দলের নেতৃত্ব রাখতে চাইছেন। এ জন্য সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত জোবায়দা রহমানকে প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। জোবায়দা রহমানকে দলের নেতৃত্বে আনা হলেও দল চালাবেন তারেক রহমানই।

জানা গেছে, সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বরচন্দ্র রায় জোবায়দা রহমানকে দলের দায়িত্বে আনতে তারেক রহমানের কাছে বার্তা পাঠিয়েছেন।

সূত্রমতে, তারেক রহমানের সঙ্গে তার স্ত্রী জোবায়দা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন। এ জন্য জোবায়দা রহমান দেশে আসতে পারবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টে মধ্যকার সংলাপেও বিএনপির গঠনতন্ত্র সংশোধন নিয়ে কথা তুলেছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। সংলাপে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, বিএনপি কেন গঠনতন্ত্র সংশোধন করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে রক্ষা করতে চাইলÑএ বিষয়টি সংলাপে উত্থাপন করেন ১৪ দলের নেতারা। এর জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এটি তো আমাদের ২০১৬ সালের ১৯ মার্চের কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি তা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। আর গঠনতন্ত্র তো আমাদের মতো চলবে। এ নিয়ে কথা উঠবে কেন?

এ নিয়ে বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে আলোচনা হয় এ প্রতিবেদকের। নেতাদের ভাষ্যÑ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি তাদের আবেগ থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। হাইকোর্টের আদেশ নির্বাচন কমিশন বাস্তবায়ন করলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আপাতত দলটির নেতৃত্বে থাকতে পারবেন না। কারণ আগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুর্নীতির মামলায় দ-িত কেউ বিএনপির নেতা হতে পারবে না। একই সঙ্গে বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয়, জনসমর্থিত ও গণমানুষের একটি দল বিএনপি। মানুষের ইচ্ছা ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খালেদা জিয়া চেয়ারপারসন হয়েছেন, তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়েছেন। এখানে কারও নাক গলানোর অধিকার আছে বলে আমরা মনে করি না। কে কী বলল, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া আমাদের দলের চেয়ারপারসন, বর্তমানে তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানÑএ বিশ্বাস নিয়ে দেশের মানুষ সংগ্রাম করে যাবে।’

উৎসঃ আমাদের সময়

আরও পড়ুনঃ ১০০ আসনে হেভি ওয়েট সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বিএনপি!

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন যুদ্ধে ঘুরেফিরে পুরনো প্রার্থীরাই ভোটের মাঠে। অবশ্য গুটিকয়েক আসনে বিএনপির নবীন নেতারা মনোনয়ন চাইবেন। কোথাও পিতার বদলে পুত্র কিংবা অন্য কেউ ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। কোথাও কোথাও বিএনপির মারা যাওয়া নেতাদের পরিবর্তে নতুনদের আনাগানো লক্ষ্য করা গেছে। আবার পরিবারের সদস্যরাও মনোনয়ন চাইছেন।

চূড়ান্ত হওয়া তালিকায় থাকা ১০০ আসন হচ্ছে— ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পঞ্চগড়-২) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ঠাকুরগাঁও-১), শামসুজ্জামান (নীলফামারী-২), আসাদুল হাবিব দুলু (লালমনিরহাট-৩), এমদাদুল হক ভরসা (রংপুর-৪), অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী (কুড়িগ্রাম-২), ফয়সাল আলিম (জয়পুরহাট-১), প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা (জয়পুরহাট-২), হারুনুর রশিদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), ব্যারিস্টার আমিনুল হক (রাজশাহী-১), মিজানুর রহমান মিনু (রাজশাহী-২), অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (নাটোর-২), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মান্নান তালুকদার (সিরাজগঞ্জ-৩), হাবিবুর রহমান হাবিব (পাবনা-৪), মাসুদ অরুণ (মেহেরপুর-১), মেহেদী আহমেদ রুমি (কুষ্টিয়া-৪), শামসুজ্জামান দুদু (চুয়াডাঙ্গা-১), মাহমুদ হাসান বাবু (চুয়াডাঙ্গা-২),

মশিউর রহমান (ঝিনাইদহ-২), তরিকুল ইসলামের ছেলে অনিন্দ ইসলাম অমিত (যশোর-৩), টি এস আইয়ুব (যশোর-৪), নিতাই রায় চৌধুরী ( মাগুরা-২), নজরুল ইসলাম মঞ্জু (খুলনা-২), রফিকুল ইসলাম বকুল (খুলনা-৩), আজিজুল বারী হেলাল (খুলনা-৪), হাবিবুল ইসলাম হাবিব (সাতক্ষীরা-১), অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন (বরগুনা-২), এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাব হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী-১), এ বি এম মোশাররফ হোসেন (পটুয়াখালী-৪), মেজর (অব.) এম হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (ভোলা-৩), নাজিম উদ্দিন আলম (ভোলা-৪), মজিবর রহমান সরোয়ার (বরিশাল-৫), ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (ঝালকাঠি-১), ফকির মাহবুব আলম স্বপন (টাঙ্গাইল-১), লুত্ফর রহমান আজাদ (টাঙ্গাইল-৩), লুত্ফর রহমান মতিন (টাঙ্গাইল-৪), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (টাঙ্গাইল-২), অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী (টাঙ্গাইল-৬),

মাহমুদুল হক রুবেল (শেরপুর-৩), সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স (ময়মনসিংহ-১), ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (ময়মনসিংহ-৪), এ কে এম মোশাররফ হোসেন (ময়মনসিংহ-৫), আখতারুল আলম ফারুক (ময়মনসিংহ-৬), মাহবুবুর রহমান লিটন (ময়মনসিংহ-৭), শাহ নূরুল কবির শাহীন (ময়মনসিংহ-৮), ফকরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১১), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (নেত্রকোনা-১), ড. ওসমান ফারুক বা তার সহধর্মিণী (কিশোরগঞ্জ-৩), অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান (কিশোরগঞ্জ-৪), শরিফুল আলম (কিশোরগঞ্জ-৬), আফরোজা খান রিতা (মানিকগঞ্জ-৩),

আমানউল্লাহ আমান (ঢাকা-২), গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), সালাউদ্দিন আহমেদ (ঢাকা-৫), নাসিমা আক্তার কল্পনা (ঢাকা-৭), হাবিব-উন-নবী খান সোহেল (ঢাকা-৮), মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৯), এমএ কাইয়ুম (ঢাকা-১১), এসএ খালেক (ঢাকা-১৪), ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (ঢাকা-১৯), শাহ রিয়াজুল হান্নান (গাজীপুর-৪), একেএম ফজলুল হক মিলন (গাজীপুর-৫), খায়রুল কবীর খোকন (নরসিংদী-১), ড. আবদুল মঈন খান (নরসিংদী-২), আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম (রাজবাড়ী-১), শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (ফরিদপুর-২), সেলিমুজ্জামান সেলিম (গোপালগঞ্জ-১), সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (গোপালগঞ্জ-২),

হেলেন জেরিন খান (মাদারীপুর-২), শফিকুর রহমান কিরন (শরীয়তপুর-৩), কলিমুদ্দিন আহমেদ মিলন (সুনামগঞ্জ-৫), তাহসিনা রুশদির লুনা (সিলেট-২), নাসের রহমান (মৌলভীবাজার-৩), প্রকৌশলী খালেদ মাহবুব শ্যামল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (কুমিল্লা-১), শওকত মাহমুদ (কুমিল্লা-৫), আমিন উর রশিদ ইয়াসিন (কুমিল্লা-৬), জাকারিয়া তাহের সুমন (কুমিল্লা-৮), আবুল কালাম (কুমিল্লা-৯), আ ন ম এহছানুল হক মিলন (চাঁদপুর-১), শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ মানিক (চাঁদপুর-৩), হারুনুর রশিদ (চাঁদপুর-৪), ভিপি জয়নাল আবেদীন (ফেনী-২), আবদুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩),

ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন (নোয়াখালী-১), জয়নাল আবেদীন ফারুক ( নোয়াখালী-২), বরকত উল্লাহ বুলু ( নোয়াখালী-৩), মো. শাহজাহান ( নোয়াখালী-৪), ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (নোয়াখালী-৫), শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী (লক্ষ্মীপুর-৩), এম মোরশেদ খান (চট্টগ্রাম-৭), ডা. শাহাদাত হোসেন (চট্টগ্রাম-৮), আবদুল্লাহ আল নোমান (চট্টগ্রাম-৯), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১০), জাফরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), সালাহউদ্দিন আহমেদ (কক্সবাজার-১), লুত্ফর রহমান কাজল (কক্সবাজার-৩), আবদুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া (খাগড়াছড়ি) এবং সাচিং প্রু জেরী (বান্দরবান)।

উৎসঃ বিডি প্রতিদিন

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here