চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন ও সাইনবোর্ডে রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাধ্যতামূলক

0
92

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) চিকিৎসকদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন প্যাড এবং সাইনবোর্ডে আবশ্যিকভাবে তাদের বিএমএমডিসির রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া বিএমএডিসি কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন কোনো ডিগ্রি সাইনবোর্ড ও প্রেসক্রিপশন প্যাডে ব্যবহার করা যাবে না।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিকিৎসকদের e-TIN বাধ্যতামূলক

এদিকে বিএমডিসির বিজ্ঞপ্তিতে আয়করের e-TIN সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারার ১৮৪এ-এর উপধারা ৩ (Xi) অনুযায়ী একজন ডাক্তার বা ডেন্টিস্ট কর্তৃক বিএমএন্ডডিসির সদস্য সনদ গ্রহণ বা নবায়ণের ক্ষেত্রে Twelve digit Taxpayer’s Identification Number (e-TIN) বিএমএডিসিকে প্রদান করতে হবে। এ ব্যাপারে আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বর্ণিত ধারার উপধারা ৫ অনুযায়ী Twelve digit Taxpayers Identification Number (e-TIN) গ্রহণ ব্যতিরেকে কোন চিকিৎসক বা ডেন্টিস্টকে সদস্য সনদ দেয়া হবে না।

বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ অথবা রেজিস্ট্রেশন নবায়ণের জন্য আবেদন করার সময় নির্ধারিত ডকুমেন্টের সঙ্গে নিজের e-TIN সনদের কপি আবশ্যিকভাবে জমা দিতে হবে।

ইতিমধ্যে যারা রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ করেছেন নবায়ণ করেছেন তাঁদেরও e-TIN সনদের কপি বিএমডিসিতে জমা দিতে হবে।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌২০ দলের বৈঠকে যাবেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ


২০-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপিকে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রধান শরিক বিএনপি। দলটির চেয়ার‌ম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ও জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান। দলের হাইকমান্ডও পার্থের সঙ্গে কথা বলেছে।

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের এই উদ্যোগে অভিমানের বরফ গলতে শুরু করেছে পার্থের। তিনি ২০-দলীয় জোটের পরবর্তী বৈঠকে যাওয়ার কথা দিয়েছেন। তবে জোটে ফিরবেন কিনা সেটি এখনও নিশ্চিত নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ২০-দলীয় জোটের বৈঠক ডাকা হতে পারে। পার্থকেও ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুগান্তরকে বলেন, চলমান রাজনীতির দুঃসময় চলছে। এ সময় জোটভুক্ত অনেকের মধ্যে মান-অভিমান থাকতে পারে। বিশেষ করে বড় দল বিএনপি এবং জোটের আরও যারা নেতা আছেন তারা সবাই নিজ অবস্থান থেকে পদক্ষেপ নেবেন।

এতে মান-অভিমান আর থাকবে না। বিজেপির ২০-দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পেছনে কাজ করেছে মান-অভিমান। অচিরেই এসব সেরে যাবে।

জোটের ঐক্য সুদৃঢ় আছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমরা ২০-দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে যে কর্মসূচি পালন করছি তা অব্যাহত থাকবে। সরকারের নানা ধরনের খেলাধুলা থাকতে পারে। কিন্তু যারা ১০ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মিছিল করেছেন, তাদের মধ্যে ভাঙন আসবে না। যত নিষ্ঠুর নির্বাচন হবে, ততই ঐক্য আরও অটুট হবে, আরও মজবুত হবে।

অবশ্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ যুগান্তরকে বলেন, আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড়। আমাকে জোটের সমন্বয়ক ফোন করেছিলেন। তাকেও আমি একই কথা বলেছি।

২০-দলীয় জোটের আগামী বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হলে যোগ দেবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জোটের বৈঠকে যদি আমন্ত্রণ জানানো হয় বিজেপি দল হিসেবে যোগ দেবে। আমরা তো একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। শুধু জোট নয়, কথা বলার জন্য আমার দলকে যে কেউ আমন্ত্রণ জানালে অবশ্যই দলের চেয়ারম্যান হিসেবে আমি যাব।

প্রসঙ্গত ভোট ডাকাতির অভিযোগ তোলে একাদশ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করা বিএনপির নেতৃত্বাধীন দুই জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০-দলীয় জোট একাদশ সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তে অনড় থাকতে পারেনি জোটের শরিক বিএনপি ও গণফোরাম। দুটি দলের নির্বাচিত ৮ প্রতিনিধির মধ্যে সাতজন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। জোটের শরিকদের অভিযোগ তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করেই প্রধান শরিক বিএনপি সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে করে পুনর্নির্বাচন দাবি করার নৈতিকভিত্তি নষ্ট হয়ে গেছে জোটের। এই অভিযোগে সোমবার ২০-দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যায় আন্দালিভ রহমান পার্থের বিজেপি।

সোমবার রাতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয় ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থের দল বিজেপি। দলটি জানায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হওয়ার পর থেকে ২০-দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্রমশই স্থবির হয়ে পড়ে। বিএনপির রাজনীতি ঐক্যফ্রন্টমুখী হয়ে পড়েছে। ২০ দলের গুরুত্ব তাদের কাছে নেই। এ ছাড়া শপথের মাধ্যমে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট ৩০ ডিসেম্বরের প্রহসনের নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন দলটির নেতারা।

সূত্র জানায়, এতদিন শরিক দলগুলোর অভিযোগ ও ক্ষোভ আমলে না নিলেও পার্থ জোট ত্যাগের পর বিরোধ কমাতে আলোচনা শুরু করেছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। এ নিয়ে লন্ডনে অবস্থানরত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন দলের সিনিয়র এক নেতা।

জোটের অভ্যন্তীরণ বিরোধ কমাতে দলের স্থায়ী কমিটির এক সদস্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। মান-অভিমান নিরসনে ওই নেতা ইতিমধ্যে জোটের কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথাও বলেছেন।

বিজেপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে আন্দালিভ রহমান পার্থের সঙ্গে কথা বলেছেন জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান। যদিও জোট ছাড়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে অনড় থাকার কথা তাকে জানিয়েছেন পার্থ। পরে বিএনপির হাইকমান্ডও তার সঙ্গে কথা বলেছে। জানা গেছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জোটের বৈঠক ডাকা হবে। পার্থকেও ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানোর কথা রয়েছে।

বিএনপির একজন নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থের বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ২০-দলীয় জোট ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বিএনপিকে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি দেয়নি। তাই বিজেপি জোট ছেড়ে গেছে এটি আমরা বলতে চাই না। আমাদের ধারণা পার্থ হয়তো অভিমান করেছেন। আশা করছি তার অভিমান থাকবে না।

১৯৯৯ সালে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি (জাপা), জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটকে নিয়ে গঠিত হয় চারদলীয় জোট। ২০০০ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাপা জোট ছাড়লেও নাজিউর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে দলটির একাংশ বিজেপি নামে জোটে থেকে যায়।

নাজিউর রহমান মঞ্জুর মৃত্যুর পর ২০০৪ সালে দলের দায়িত্ব নেন তার ছেলে ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। বিএনপির শরিক হিসেবে পথচলা অব্যাহত রেখে ২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে ২০-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন তিনি। ১৯ বছর পর সোমবার জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয় বিজেপি।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির ১০ দিনের কর্মসূচি


বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দিনের কর্মসূচি দিয়েছে দলটি।

বৃহস্পতিবার দলের এক যৌথসভা শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

আগামী ২২ থেকে ৩১ মে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

কর্মসূচির মধ্যে আছে ৩০ মে সকাল সাড়ে ১০টায় জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও মিলাদ, সকাল থেকে নয়াপল্টনের কার্যালয়ের ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং ঢাকায় দুস্থদের মধ্যে কাপড় ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ, ছাত্রদলের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন নিজেদের সুবিধামতো আলোচনাসভা, ইফতার সামগ্রী বিতরণ করবে। এ ছাড়া জেলা ইউনিটগুলো আলাদা কর্মসূচি নেবে।

৩০ মে বিএনপি নয়াপল্টনের কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং নেতাকর্মীরা কালোব্যাজ বুকে ধারণ করবেন।

দিবসটি উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি পোস্টার প্রকাশ করবে। সংবাদপত্র ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশ করবে বিশেষ ক্রোড়পত্র।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: মির্জা ফখরুল


সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র হরণ করে দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে সরকার। ৩০ ডিসেম্বর প্রহসনের নির্বাচন করে এই সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভা শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

দেশে একদলীয় শাসন ভর করেছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, মানুষের সব অধিকারকে হরণ করে নেয়া হয়েছে। কীভাবে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়া যায় তার ষড়যন্ত্র চলছে।

দেশে গণতন্ত্র নেই দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে জাতি ১৯৭১ সালে গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করেছিল, সেই জাতির কাছ থেকে গণতন্ত্রকে হরণ করে নেয়া হয়েছে।

দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এই যৌথসভার আয়োজন করে বিএনপি। সভাশেষে শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল। আগামী ২২ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন মহাসচিব।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌ঐক্যফ্রন্টকে এক মাসের আল্টিমেটাম কাদের সিদ্দিকীর


‘অসঙ্গতি’ দূর করার জন্য জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতৃবৃন্দকে এক মাসের সময়সীমা বেধে দিয়েছেন ফ্রন্টের অন্যতম শরিক কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

তিনি বলেছেন, ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে অনেক অসঙ্গতি রয়েছে।এসব অসঙ্গতি ও কিছু প্রশ্নের উত্তর আগামী এক মাসের সুরাহা না হলে ৮ জুন এই ঐক্যফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে যাবে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।

‘অসঙ্গতি’ নিয়ে ফ্রন্টের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অবহিত করেছেন জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার আল্টিমেটাম দেয়ার আগে জোটের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন, আ স ম আব্দুর রব, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মাহমুদুর রহমান মান্না, মোস্তফা মোহসিন মন্টুর সঙ্গে কথা বলেছি। তাদেরকে জোটের মধ্যকার অসঙ্গতির কথা বলেছি।

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের কিছু সিদ্ধান্তে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে নির্বাচনের নামে জঘন্য নাটক হয়েছে। যা শুধু বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীর কোনো দেশেই এমন নাটকের নজির নেই। কিন্তু ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন প্রত্যাখান করার পরও গণফোরামের সুলতান মুনসুর শপথ নিলে তাকে বহিষ্কার করা হয়। মোকাব্বির খান শপথ নিলে ড. কামাল হোসেন তাকে ‘গেট আউট’ বলেন।পরে দেখা যায় গণফোরামের বিশেষ কাউন্সিলে মোকাব্বির খান উপস্থিত। এসব নিয়ে মানুষের মধ্য বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। মানুষ এসব বিষয়ে জানতে চাইলে আমরা জবাব দিতে পারি না।

ঐক্যফ্রন্টের কার‌্যক্রমের আত্মসমালোচনা করে বঙ্গবীর বলেন, ঐক্যফ্রন্টের একাদশ নির্বাচনের পর অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন পরবর্তী কিছু কিছু কাজে মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তারা সঠিকভাবে চলতে পারেনি। নির্বাচনি সহিংসতায় আহত-নিহতদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি ঐক্যফ্রন্ট। সর্বশেষ ৩০ এপ্রিল শাহবাগে গণজমায়াত করতে ব্যর্থ হয়েছি আমরা।এসব বিষয় আমাদেরকে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। মানুষ এসবের উত্তর জানতে চায়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার।

উৎসঃ ‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌সাহসী কোনো বিচারপতি এখন বাংলাদেশে নেই!


রাষ্ট্রের চারটি অঙ্গের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো বিচার বিভাগ। আর বাংলাদেশে নির্বাহী বিভাগের পরই বিচার বিভাগের স্থান। বিচার বিভাগ একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। বিচার বিভাগের এই স্বাধীনতা নিয়ে এখন শুধু রাজনৈতিক অঙ্গন বা বিশিষ্টজনদের মধ্যেই প্রশ্ন সৃষ্টি হচ্ছে না, দেশের সাধারণ নাগরিকও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। আর এই প্রশ্ন তোলার পেছনেও যৌক্তিক কারণ রয়েছে।

দেখা গেছে, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিগত ১০ বছরের শাসনামলে দেশের নি¤œ আদালত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত চলছে সরকারের নিয়ন্ত্রণে। একটি মামলা পরিচালনা থেকে শুরু করে রায় প্রদান, জামিন ও কারামুক্তি সবই হচ্ছে সরকারের ইশারায়। বিশেষ করে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে কার মামলার রায় কি হবে? সাজা হবে কত বছরের? কারাগারে পাঠানোর পর জামিন পাবে কিনা? জামিন পাইলেও মুক্তি পাবে কিনা সবই হচ্ছে সরকারের নির্দেশে।

আর উচ্চ আদালতের কোনো রায় যদি সরকারের বিপক্ষে চলে যায় তাহলে বিচারপতিদের চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করে ছাড়া হয়। যেমন, সংসদ কর্তৃক বিচারপতিদের অপসারণ সংক্রান্ত ধারা বাতিলের রায়ের পর যা ঘটেছে তা ছিল নজিরবিহীন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে সরকারের এমন কোনো মন্ত্রী-এমপি বাদ ছিল না যারা সংসদে দাঁড়িয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে গালি দেয়নি। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এক পর্যায়ে তারা প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে দেশত্যাগে বাধ্য করে।

এরপর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে উচ্চ আদালতে যা ঘটছে তাও নজিরবিহীন। সরকারি দলের সন্ত্রাসী, খুনী, দুর্নীতিবাজরা জামিন নিয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসলেও কথিত দুর্নীতি মামলায় আটক খালেদা জিয়া মুক্তি পাচ্ছেন না। এই হলো বর্তমান স্বাধীন বিচার বিভাগের খন্ড চিত্র মাত্র।

কিন্তু অতীতে দেখা গেছে, এই আদালতের বিচারপতিরাই স্বাধীনভাবে মামলা পরিচালনা করেছেন। রায়ও প্রদান করেছেন স্বাধীনভাবে। এমনকি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রায় দিতেও তারা কোনো প্রকার কোণ্ঠাবোধ করেন নি।

যেমন, ২০০০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সংবাদ সম্মেলনে আদালতের রায় নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। পরে অন্য একটি মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে সুপ্রিমকোর্টের ফুল বেঞ্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘রং হেডেড ওম্যান’ অর্থাৎ মাথা খারাপ মহিলা বলে মন্তব্য করেছিলেন।

সেই রায়গুলো আজ মানুষের কাছে স্বপ্ন। কারণ, এখন দেশের বিচার বিভাগ আর আগের মতো স্বাধীন নয়। ক্ষমতাসীন দলের নেতারা প্রায় প্রতিদিনই বিচারপতিদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করছেন। কিন্তু তাদেরকে যে আদালতে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাস করবে সেই সাহস বর্তমানে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের নেই।

গত সপ্তাহে খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ফোনে যা বলেছেন তা স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য অপমানজনক। খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে কি পাবে না সেটা দেখার দায়িত্ব বিচারপতিদের। কিন্তু শেখ হাসিনা রায় দিয়ে দিলেন খালেদা জিয়া আজীবন মুক্তি পাবেন না।

আইনজ্ঞরা বলছেন- শেখ হাসিনার এই বক্তব্য চরম আদালত অবমাননা। কিন্তু, আদালত অবমাননা হলেই বা আর কি। এখন আর সেই বিচারপতি নেই যারা প্রধানমন্ত্রীকে রং হেডেড বলে আখ্যা দেবেন।

উৎসঃ ‌‌অ্যানালাইসিস বিডি

আরও পড়ুনঃ ‌খালেদা জিয়ার জামিনে ছাড় নয়, প্যারোল বিবেচনা করবে সরকার


বিএনপির চেয়ারপারসন কারাবন্দী খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়া না–পাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা। কোন প্রক্রিয়ায় তিনি মুক্তি পেতে পারেন, তা নিয়েও আসছে নানা মত। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন। তবে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে আওয়ামী লীগের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র বলছে, জামিনে মুক্তি নিয়ে বেরিয়ে আসার মতো কোনো ধরনের সমঝোতা বিএনপির চেয়ারপারসন বা তাঁর দলের নেতাদের সঙ্গে সরকারের হয়নি। তবে খালেদা জিয়া কোনো কারণ দেখিয়ে প্যারোলে মুক্তি চাইলে সরকার বিবেচনা করে দেখবে।

আওয়ামী লীগের দুজন নেতা ও দলটির সমর্থক একজন আইনজীবী প্রথম আলোকে বলেছেন, দুটি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনের কারাদণ্ডের পেছনে আওয়ামী লীগের কোনো হাত নেই। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় হওয়া এ দুটি মামলা আওয়ামী লীগের আমলে পরিচালিত হয়েছে। মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয়েছে। রাষ্ট্র ও দুদক শুরু থেকেই এই সাজার পর খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের বিরোধিতা করছে। আদালত কখনো জামিন দিচ্ছেন। আবার অন্য মামলায় জামিন না হওয়ায় খালেদা জিয়া কারারুদ্ধই থেকেছেন। সাধারণ মানুষকে আওয়ামী লীগ ও সরকার এটাই বলে আসছে। এখন হঠাৎ করে জামিন বিষয়ে সরকার অবস্থান পরিবর্তন করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বার্তা যাবে যে খালেদা জিয়াকে এত দিন জামিন না দেওয়াটা সরকারের কারণেই হয়েছে। ধীরে মানুষের মধ্যে এই ধারণা জন্মাবে যে বিএনপির চেয়ারপারসনের জেল হওয়াটাও সরকারের ইচ্ছায় হয়েছে। এটা সরকারের জন্য বিব্রতকর হবে।

আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতা বলেন, এই মুহূর্তে সরকার বা দল এমন কোনো চাপে পড়েনি যে খালেদা জিয়ার জামিনের ব্যাপারে ছাড় দেবে। সরকার জামিনের ব্যাপারে বিরোধিতা করেই যাবে। এখন আদালত কী সিদ্ধান্ত দেন, সেটা অন্য ব্যাপার। তাঁরা বলেন, তাঁদের জানা মতে, বিএনপি চেয়ারপারসনকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার কোনো চিন্তা এখনই সরকারের মধ্যে নেই। তবে প্যারোলের ব্যাপারে সরকার কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। ওই দুই নেতা বলেন, প্যারোলের ব্যাপারে সরকারের অনমনীয় অবস্থান এবং জামিনের ব্যাপারে সরকারের ‘কিছু সীমাবদ্ধতার’ বিষয়টি বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতাদের মৌখিকভাবে জানানোও হয়েছে।

অবশ্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা চান খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পান, অন্য কোনোভাবে নয়। যে মামলায় যেভাবে তাঁকে বন্দী করে রাখা হয়েছে, সেটা অন্যায়। জামিন পাওয়াটা তাঁর অধিকার। তিনি এর আগে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, প্যারোলে মুক্তি চাওয়ার বিষয়টি খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এর সঙ্গে দলের সিদ্ধান্তের সম্পর্ক নেই।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সচিবালয়ে বিএনপির নেতাদের দুই দফা বৈঠকে জামিন ও প্যারোলের প্রসঙ্গ ওঠে। সেখানে জামিনের বিষয়টিকে আদালতের ব্যাপার বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়। আর প্যারোলে মুক্তি চাইলে আবেদন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়। ওই বৈঠকে থাকা বিএনপির এক নেতা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বলতে চেয়েছি, সরকারের বিরোধিতার কারণে খালেদা জিয়া জামিন পাচ্ছেন না। সরকার যেন জামিনের বিরোধিতা না করে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কখনোই কোনো সাড়া পাইনি। তবে প্যারোলে বিএনপির চেয়ারপারসন মুক্তি চাইলে সরকার নমনীয় হবে বলেই আমাদের মনে হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবিতে তাঁর সঙ্গে দুবার দেখা করেছেন। সেই আশ্বাস তাঁদের দেওয়া হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসনের চিকিৎসার বিষয়ে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বিএনপির নেতারা জানেন, জামিন হওয়া না–হওয়া আদালতের বিষয়। আর প্যারোলের ব্যাপারে তো বলছি, আবেদন পেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে। কিন্তু বিএনপির চেয়ারপারসন বা তাঁর পরিবারের কেউ তো আবেদন করেননি।’

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের ভর্তির আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘আমরা সরকারকে বলছি, আপনারা আদালতে খালেদা জিয়ার জামিনের বিরোধিতা করবেন না। তাহলেই খালেদা জিয়া জামিন পাবেন। কেননা, এটা তাঁর অধিকার। কিন্তু এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান কঠোর।’

বিভিন্ন সময়ে বিএনপির চেয়ারপারসন মামলা পরিচালনাকারী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন মনে করেন, সরকারের খালেদা জিয়াকে জামিন পেতে দেবে না। নিত্যনতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আটক রাখবে। বিএনপির এই নেতা খালেদার প্যারোলে মুক্তির কথা বলে বিএনপিতে সমালোচনার মুখে পড়েন।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডের কারাগারে আছেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৫ বছরের সাজার রায় হয় তাঁর। পরে হাইকোর্টের রায়ে এই মামলায় সাজার মেয়াদ বেড়ে ১০ বছর হয়। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায়ও তাঁর ৭ বছরের কারাদণ্ড হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবিতে তাঁর দল তখন থেকেই আন্দোলন করে আসছে। নতুন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেও এই দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করছে দলটি। কিন্তু খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে সরকারকে চাপে ফেলতে পারেনি তারা।

আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, খালেদা জিয়া একজন রাজনৈতিক নেতা। আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলটির প্রধান। তিনি দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, এটা ঠিক। কিন্তু তাঁর মুক্তির ব্যাপারে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও জরুরি। বিএনপি এখন পর্যন্ত সরকারের ওপর এমন কোনো চাপ তৈরি করতে পারেনি যে খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য পর্দার আড়ালে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ওই নেতার মতে, মুক্তি চাইলে বিএনপিকে বা খালেদা জিয়াকে নমনীয় সিদ্ধান্তই নিতে হবে।

উৎসঃ ‌‌prothomalo

আরও পড়ুনঃ ‌হাসিনাকে বিদেশে কোনো হোটেল বুকিং দিতে চায় না!


সম্প্রতি শেখ হাসিনার ফোনালাপ নিয়ে তোলপাড় চলছে সোশ্যাল মিডিয়াসহ সর্বত্র। তোলপাড় চলছে আওয়ামী লীগ- বিএনপি উভয় শিবিরেও। এনিয়ে ক্ষমতাসীনদের ভিতরে সন্দেহ অবিশ্বাস আর বিরোধ চরমে উঠছে। শেখ হাসিনার মুখ দিয়ে বিরোধী জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে এমন মন্তব্য জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠেছে তাঁর এই মন্তব্য কোন রাজনৈতিক বক্তব্যে উঠে আসেনি কেন?

বিশ্লেষকরা বলছেন, একজন অধিনস্থ রাজনৈতিক নেতার ফোনে এমন একটি মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যাক্তিগত আলোচনায় এমন মন্তব্যের গুরুত্ব অনেক বেশি। এতে স্পষ্ট হয়ে গেছে, বেগম খালেদা জিয়া সরকারের ইচ্ছায় আটক আছেন। আদালত সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটায় মাত্র। বিদেশে কোনো হোটেল তাদের বুকিং দিতে চায় না। স্বয়ং সরকার প্রধানের মুখ দিয়ে এমন মন্তব্য বের হয়ে আসা খুবই লজ্জার বিষয়!

কিভাবে কিভাবে ফাঁস হলো ফোনালাপ?

বাংলাদেশর বিভিন্ন মিডিয়ার অনুসন্ধানেও উঠে আসেনি এই প্রশ্নের উত্তর। তাহলে এটা কি বিদেশী কোন গোয়েন্দা সংস্থা করেছে? নাকি যুক্তরাজ্যের কোন গোয়েন্দা সংস্থা ফাঁস করেছে?অনুসন্ধানে দেখা যায়, আওয়ামী শিবিরের অতি কৌতুহল থেকে এমনটা হয়েছে।

শেখ হাসিনার জন্য বুকিং ছিল বেকার ষ্ট্রিটের কারিজাস হোটেল। সে অনুযায়ী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্ধারিত সময়ে অভ্যর্থনা জানাতে কারিজাস হোটেলের সামনে সমবেত হয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত হোটেলের বুকিং শেষ মুহূর্তে ক্যান্সেল করে দেয় কতৃপক্ষ। কারন শেখ হাসিনা যেই হোটেলেই উঠেন, সেখানে আশে পাশে যুক্তরাজ্য বিএনপি অবস্থান নিয়ে শ্লোগান দিতে থাকে। উপস্থিত হয় আওয়ামী লীগও। এতে হোটেলের চার পাশের পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। যা যুক্তরাজ্যের মানুষের কাছে খুবই দৃষ্টিকটু বটে। সব মিলিয়ে হোটেল কতৃপক্ষ এমন ঝামেলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, কারিজাস হোটেল বুকিং ক্যান্সেলের পর শেখ হাসিনার জন্য তাজ হোটেলে ব্যবস্থা করা হয়। এখানে মূলত বুকিং নেয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতির নামে। একই সময়ে রাষ্ট্রপতিও আসছেন চিকিৎসার জন্য। শেষ বেলায় কাজিরাস হোটেল কতৃপক্ষ বুকিং ক্যান্সেল করায় তাৎক্ষণিক রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর স্টাফদের জন্য বুকিং নেয়া হোটেলে উঠেছেন শেখ হাসিনা ও তাঁর সফর সঙ্গীরা। কিন্তু যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতারা এটা জানতে না পেরে অভ্যর্থনা জানাতে সমবেত হন পূর্ব নির্ধারিত কারিজাসের সামনে। তাজ হোটেলে উঠার পর শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি সৈয়দ ফারুকের সাথে কথা বলেন। ফোনে কথা বলার সময় সৈয়দ ফারুক মোবাইল লাউড স্পীকারে রাখেন, যাতে সমবেত সবাই শুনতে পারে। এসময় ফেইসবুক লাইভে ছিলেন দু/একজন। এ বক্তব্য ফেইসবুক লাইভেও তখন ভাসমান হয়। যদিও তাৎক্ষণিক মুছে ফেলার জন্য (ডিলিট) নির্দেশ দেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। তবে কোন একজনের ফেইসবুক থেকে ডিলিট করতে একটু বিলম্ব হয়েছিল। এর মাঝে এ বক্তব্য সেইভ করে নিয়েছেন কেউ একজন। পরবর্তীতে বক্তব্যের এ অংশটি আবার সোস্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা হয়। যা ভাইরাল হয়ে যায়।

সূত্রটি বলছে, এনিয়ে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। যুক্তরাজ্যর ৫ নেতা এখন তোপের মুখে। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ারও দাবী উঠেছে আওয়ামী লীগের ভেতরে থেকেই।

উৎসঃ ‌‌অ্যানালাইসিস বিডি

আরও পড়ুনঃ ‌বিএনপিকে নিয়ে ড. কামালের ‘রাজচালাকি’ সফল!(ভিডিও সহ)


জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যদিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে নিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ‘রাজচালাকি’ করেছেন। বিএনপিকে নিয়ে তার সব উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। সরকারি রোষানল, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জেল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অগ্রহণযোগ্যতা, নেতাদের অবিশ্বস্ততাসহ নানা কারণে বর্তমানে চরম বিপর্যয় পার করছে একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হওয়া বিএনপি। বিপর্যস্ত বিএনপি ড. কামাল হোসেনের উদ্দেশ্য বা কৌশলের কাছে সম্পূর্ণভাবে ধরাশায়ী হয়েছে। গণফোরামের ৪ জন নেতার সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানা যায়। নাম না প্রকাশের শর্তে ওই ৪ নেতা দৈনিক জাগরণকে বলেন, ড. কামাল হোসেন সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য নিয়ে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণে তার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সফল করেছেন।

গণফোরাম সূত্রে জানা যায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সাবেক আওয়ামী লীগার ড. কামাল হোসেন বিএনপির বিপর্যয়ের সুযোগকে কাজে লাগিয়েছেন। বিগত জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকারের শীর্ষ মহলের সঙ্গে সংলাপ প্রক্রিয়ার যে উদ্যোগ ড. কামাল হোসেন নিয়েছিলেন, তা ছিল লোক দেখানো। একইসঙ্গে সরকারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী। তিনি বিএনপিকে যেকোনোভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ‘মিশন’ নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন। তার সেই মিশন শতভাগ সফলও হয়েছে।

ভিডিওঃ  ‘ডঃ কামাল হোসেন, শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরকে কঠিন ধোলাই দিলেন শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন! (ভিডিও সহ)’


[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

সূত্র জানায়, সংলাপে অংশ নেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার (প্রধানমন্ত্রী) নেতৃত্বে আস্থা রেখে সকলের অংশগ্রহণে দেশে একটি নির্বাচনের বিষয়ে ড. কামাল হোসেনের কাছে সহযোগিতা চান। কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীকে সব দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনে তার পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। যে কারণে তিনি নির্বাচনকালীন বেশিরভাগ সময়ে প্রায় নিশ্চুপ থাকেন। পরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট টিকিয়ে রাখার স্বার্থে মাঝে মাঝে কিছু সরকারবিরোধী কড়া কথা বলেন। আর বিএনপিও দলীয় চেয়ারপারসনের অবর্তমানে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে দিকভ্রান্ত অবস্থায় ড. কামাল হোসেনের ইশারায় সকল সিদ্ধান্ত নিতে থাকে। মূলত, গণফোরাম করলেও গত নির্বাচনে ড. কামাল হোসেন ক্ষমতাসীন দলের স্বার্থরক্ষা করেছেন। বলা যায়, বিএনপির মতো বৃহৎ একটি রাজনৈতিক দল ড. কামাল হোসেনের রাজনৈতিক কৌশলের নাগাল ধরতে ব্যর্থ হয়েছে।

গণফোরামের এক নেতা দৈনিক জাগরণকে জানান, বিএনপিকে ঘিরে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের স্বপ্ন কাজ করে। তার মতে, দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি বর্তমানে ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায় আছে। নানা কারণে আগামীতে দলটি আরও দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। সেসময় আওয়ামী লীগ বিরোধী প্লাটফর্ম হিসেবে গণফোরাম আরও শক্তিশালী হবে। বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদেরও গণফোরামে যোগ দেয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। এসব নেতারা গণফোরামে যোগ দিলে তাদের অনুসারীরাও গণফোরামের সঙ্গে থাকবে। তাই গণফোরামকে আরও শক্তিশালী করতে ও গণফোরামের রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হতে দলের বিভিন্ন মিটিংয়ে ড. কামাল হোসেন নেতাদের বারবার তাগিদ দিয়ে থাকেন।

গণফোরামের ওই নেতা বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে কী ঘটেছে তা দেশবাসী খুব ভাল করেই জানে। নির্বাচনের আগের রাতে ভোট গ্রহণ মোটামুটি শেষ করা হলেও, এ প্রেক্ষিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বা ফ্রন্টের প্রধান হিসেবে ড. কামাল হোসেনের যে ভূমিকা নেয়া উচিত ছিল তা তিনি নেননি। এছাড়া, নির্বাচনের দিন সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে বললেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। এটা চরম বোকামি। নির্বাচনের আগের রাতে কী ঘটেছে তা সারা দেশবাসী জানলেও তিনি কীভাবে বা কেন এ ধরনের বক্তব্য গণমাধ্যমে রাখলেন, তা একটা রহস্যও বটে ! হয়ত মির্জা ফখরুল কৌশলের কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন !

গণফোরামের এক নেতা জানান, নিজে সবসময় গণতন্ত্রের কথা বললেও দল পরিচালনায় ড. কামাল হোসেন কখনও ভিন্নমত পছন্দ করেন না। দল চালান তিনি একক সিদ্ধান্তে। উদাহরণ হিসেবে তিনি গত ৫ মে (রোববার) জাতীয় প্রেসক্লাবে দলের নতুন কমিটি ঘোষণার কথা উল্লেখ করেন। সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ায় বহিষ্কারের নোটিশ পাওয়া মোকাব্বির খানকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা বারবার প্রশ্ন করলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। এছাড়া, ঘোষিত কমিটিতে দীর্ঘ প্রায় ২৮ বছর ধরে যারা গণফোরামের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তাদের মূল্যায়ন না করে দলে সদ্য যোগ দেয়া নেতাদের শীর্ষ পদে আসীন করেছেন। প্রবীণ নেতা ও দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা মোস্তফা মোহসীন মন্টুকে অবমূল্যায়ন করে নির্বাচনের ৮/১০ দিন আগে যোগ দেয়া রেজা কিবরিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করেছেন। প্রথম নির্বাহী সভাপতি করেছেন অধ্যাপক আবু সাঈদকে, যিনি নির্বাচনের মনোনয়নের ঠিক একদিন আগে গণফোরামে যোগ দিয়েছেন।

গণফোরামের বিগত কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পথিক এসব বিষয়ে বলেন, ড. কামাল হোসেন রাজনীতিতে দ্বৈত চরিত্রের মানুষ। তিনি মুখে বলেন এক কথা, করেন আরেক। তিনি কোনো কথা বা বিষয় কখনও পরিষ্কার করেন না। দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির বিরুদ্ধে সুস্থধারার রাজনীতির কথা বললেও তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তাছাড়া, সম্পূর্ণ বিপরীত আদর্শের রাজনৈতিক দল বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে তার যে রাজনীতি তাতে অবশ্যই তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থাকাটাই সমীচিন। এর বেশি বলাটা শোভন হবে বলে আমি মনে করি না।

উৎসঃ ‌‌জাগরণ

আরও পড়ুনঃ ‌উচ্চ আদালত তাহলে হাসিনার নির্দেশেই চলছে!


জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কথিত ২ কোটি টাকা দুর্নীতির নামে শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বান্দি করে রাখছেন এটা এখন প্রমাণিত হয়ে গেছে। কাগজে-পত্রে বিচার বিভাগ স্বাধীন হলেও আসলে এটা যে এখন আওয়ামী লীগেরই একটা শাখা শেখ হাসিনার ফোনালাপ থেকে সেটাও প্রমাণ হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছে হোটেলে যাওয়ার পথে সেন্ট্রাল লন্ডনের তাজ হোটেলের সামনে অবস্থানরত যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে টেলিফোনে কথা বলার সময় শেখ হাসিনা বলেছেন, ঐ বিএনপিরে জানাই দিয়েন যে তারেক জিয়া যদি আমার সাথে বেশি বাড়াবাড়ি করে, তার মা জীবনেও জেল থেকে বের হবে না। কারণ শেখ হাসিনাকে চাপ দিয়ে কোন কিছু আদায় করা যায় না, তার বুঝা উচিত। তাদের এমপিরা জয়েন করছে। তাদের একটি ডিমান্ড ছিলো তার চিকিৎসার। আমরা কনসিডার করতে রাজি। আমার সাথে অনেকে দেখা করছে। কিন্তু আমি এখানে আসার পর যদি তারা বেশি বাড়াবাড়ি করে, আমি তাদের বলবো সরি। তোমাদের লোকরা আমার সাথে বেয়াদবি করছে। আমি দিবো না সরি।

জানা গেছে, তিনি টেলিফোনে যখন কথা বলছিলেন, তখন মোবাইলটি লাউড স্পিকারে ছিলো।

উপস্থিত অনেকেই তখন শেখ হাসিনার এই টেলিফোন আলাপটি রেকর্ড করেন। যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

শেখ হাসিনার এই ফোনালাপ ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই এনিয়ে রজনৈতিক অঙ্গনসহ সবমহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এনিয়ে বইছে সমালোচনার ঝড়। সবাই বলছেন-খালেদা জিয়া জামিন পাবেন কি পাবেন না সেটা নির্ধারণ করবে আদালত। কিন্তু শেখ হাসিনা বলছেন-খালেদা জিয়া জীবনেও মুক্তি পাবে না। এরমানে-শেখ হাসিনার নির্দেশ ছাড়া যে বিচারপতিরা কিছুই করতে পারেন না সেটা আজ প্রমাণ হলো। সুপ্রিম কোর্ট এখন কার্যত আওয়ামী লীগের আদালত শাখা।

এদিকে, রাজনীতিক বিশ্লেষকরাও প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে বিস্মিত হয়েছেন। তারা বলছেন- রাষ্ট্রের একজন শেখ হাসিনার মুখ দিয়ে এমন কথা কোনোভাবেই বের হতে পারে না। এর মাধ্যমে তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। কারণ, শপথ নেয়ার সময় তিনি বলেছেন-আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুরাগ-বিরাগের ঊর্ধ্বে থাকিব। অথচ খালেদা জিয়ার জামিন ও মুক্তি নিয়ে তিনি যা বলেছেন তা সরাসরি সংবিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে। দেশে যদি আজ আইনের শাসন থাকতো তাহলে শেখ হাসিনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসা আর সম্ভব হতো না। শপথ ভঙ্গের দায়ে তাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতো।

উৎসঃ ‌‌অ্যানালাইসিস বিডি

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here