নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গেলে ন্যায় বিচার পাওয়ার কোন নিশ্চয়তা নেই তবুও যাব : হাবিুবর রহমান হাবিব

0
171

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই অনিয়ম শুরু হয়েছে। এ যাবৎকালের সবচেয়ে বাজে, কারচুপি পূর্ণ নির্বাচন হয়েছে একাদশ সংসদ নির্বাচনে। এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করলে জনগণের সঙ্গে অন্যায় করা হবে। তাই আমরা নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে যাব। নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গেলে ন্যায় বিচার পাব এর কোন নিশ্চয়তা নেই তবুও যাব, বলছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। ডিবিসি রাজকাহন

তিনি বলেন, আমিও নির্বাচনে প্রার্থী ছিলাম, তফসিল ঘোষনার পর থেকেই শুরু হলো গ্রেফতার। আগের মামলা, নতুন মামলা দেয়া হলো, গণগ্রেফতার করা হলো বিএনপি কর্মীদের। আমার ওপর হামলা করা হলো, কুপিয়ে জখম করা হলো, নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নেয়নি এর বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, এই চিত্র শুধু এক জায়গায় নয়, সারাদেশের একই অবস্থা। এক কথায় বলা যায় এটি ছিলো কারচুপির মহোৎসব।

তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় কোন কেন্দ্রে আমি পেয়েছি ২৩০০ ভোট, আবার কোন কেন্দ্রে ৮ ভোট। আবার কোন কোন জায়গায় ৯৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। তার দাবি সেখানে কি কোন মানূুষ মারা যায়নি? কোন মানুষ কি চাকরি করে না? কেউ এলাকার বাইরে ছিলো না? আমাদের লোকেরা তো গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে ছিলো। তাহলে এতো ভোট দিলো কে?

তিনি বলেন, আমাদের আগে থেকেই সিদ্ধান্ত ছিলো ট্রাইব্যুনালে যাব। আমিও মামলা করবো। দল থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তার দাবি এই কারচুপির বিরুদ্ধে যদি মামলা না করি তাহলে এই নির্বাচনকে বৈধতা দেয়া হবে। যা হবে জনগণের সঙ্গে অন্যায়। কারণ সাধারন জনগণ ভোট দিতে পারেনি। তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। আমাদের মামলা করতে হবে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে।

উৎসঃ ‌ব্রেকিংনিউজ

আরও পড়ুনঃ শেখ হাসিনার নির্দেশ পেয়ে পুলিশ আরও বেপরোয়া: রিজভী


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মিডনাইট ভোটের শেখ হাসিনা কয়েকদিন আগে পুলিশকে বলেছেন দ্রুত মামলার কাজ নিষ্পত্তি করতে। শেখ হাসিনার নির্দেশ পেয়ে আইনশঙ্খলা বাহিনী আগের চেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, সারাদেশে থানায় থানায় পুলিশি নিপীড়ন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে যেসব গায়েবি মামলা দায়ের করেছিল সেসব মামলায় চার্জশিট দেয়ার নামে ব্যাপক বাণিজ্য চলছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা আদায় করছে। অন্যদিকে হাজার হাজার নেতাকর্মী যারা কারাগারে বন্দি আছেন, আদালত থেকে জামিন লাভের পর তাদেরকে আবার শ্যোন অ্যারেস্টের নামে হয়রানি ও অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

এছাড়া কারাগারের মধ্যে বন্দিদের কাছ থেকেও নানাভাবে প্রতিনিয়ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এ নেতা।

বিএনপির রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পুলিশি মামলা দিয়ে হয়রানি করতে গিয়ে বিচার ব্যবস্থাকে নড়বড়ে করে ফেলা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদেশে আওয়ামী ক্ষমতাসীনরা চাইলেই মামলা দিতে পারে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্যান্য মিথ্যা মামলার সঙ্গে ড্রাগের মামলা দিয়ে হেয় করা হচ্ছে। আটক বিএনপির বহু নেতাকর্মীদেরকে তাদের আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয় ন।

তিনি বলেন, যে দেশে শেখ হাসিনা তার সমালোচকদের বিরুদ্ধে মামলা করতে উস্কানি দেন, সে দেশে আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রতিকার পাওয়ার সম্ভাবনাও তিরোহিত হয়ে গেছে।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, মিডনাইট ভোটের পর হৃদয়হীন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিরোধী দলসহ জনগণের সবকিছু লুটে নিতে যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আর এই প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে তারা নিজেরাই একে অপরের জীবন কেড়ে নিচ্ছেন।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‘মানবিক দিক বিবেচনা করলেও খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া উচিৎ’


মানবিক দিক বিবেচনা করে হলেও কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া উচিৎ বলে মনে করেন সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইফ জয়নুল আবদিন ফারুক।

তিনি বলেন, ‘সরকারের কাছে আমি কোন দাবি দিতে চাই না। বর্তমান সরকার প্রধান একজন মহিলা এবং আরেকজন সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, তিনিও মহিলা। মানবিক দিক থেকে বিবেচনা করে হলেও বেগম জিয়াকে আজকে মুক্তি দেওয়া উচিত। তার বিরুদ্ধে যত মামলা আছে সেগুলো চলতে পারে। কিন্তু তার জামিনের ব্যবস্থা করা হোক এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।’

মঙ্গলবার(১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া,দলটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমাসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের এ উপদেষ্টা বলেন, ‘মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে এই সরকারের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত তা আমি জানি না। আমার মনে হয় না এসব করে কোনো লাভ হবে। বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে এটা আমার বিশ্বাস হয় না।’

তিনি বলেন, ‘কোন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে সেটা আমি বিশ্বাস করি না। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনেও এই ঘটনাই ঘটেছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমার দল অংশগ্রহণ করে নাই। সেই নির্বাচন ভোটারবিহীন হয়েছে এবং সেই কলঙ্কিত নির্বাচন দিয়ে সরকার পাঁচটি বছর অতিক্রম করেছে। ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। আর এই নির্বাচনের জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশনার। এই নির্বাচন কমিশনারের অধীনে পুলিশ ও বিজিবি ছিলো। তাহলে কি করে দিনের বেলার ভোট, রাতের বেলায় করলো? এই বিষয়টা তদন্তে আনা উচিত।’

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন,‘ব্যর্থ এই নির্বাচন কমিশনারের অধীনে যে সরকার গঠিত হয়েছে সেই সরকারের কাছে আমি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি কামনা করি না। আমি আমাদের অনেক নেতার কাছে শুনেছি এই সরকারের আমলে নাকি আইনি প্রক্রিয়া খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না। আসলে তার মুক্তির জন্য দলকে আরও সুসংগঠিত হতে হবে এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে হবে।’

প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, ‘শেখ হাসিনার কাছে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে কি কোন লাভ আছে? তার কাছে মুক্তি চেয়ে কোন লাভ হবে না। কারণ বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে নেয়া হয়েছে এই কারণে যে, বিএনপি যাতে আবার ঘুরে দাঁড়াতে না পারে। নির্বাচনে জয় লাভ না করতে পারে এবং জনগণের সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারে। এখন আমাদের আন্দোলন ছাড়া কোন বিকল্প নাই। আন্দোলন গড়ে তুলতে হলে যে যেখানে আছেন সেখান থেকেই সংগঠিত হতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের সুশীল নাগরিক বুদ্ধিজীবী এবং কিছু সাংবাদিক কখনো কখনো সরকারের সাথে তাল মিলিয়ে বলেন বিএনপি পারলে আন্দোলন করুক। আমি বলতে চাই বিএনপি যদি আন্দোলন করে তাহলে বাধা আসবে। আর বাধা আসলে তার প্রতিরোধ করবে আর তখন যে আন্দোলন শুরু হবে তখন তো আবার বলবেন না যে বিএনপি জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন, ধ্বংসাত্মক আন্দোলন শুরু করেছে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জিয়া নাগরিক ফোরামের সভাপতি লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার সরকার,স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা নুরুজ্জামান সর্দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ ‌ব্রেকিংনিউজ

আরও পড়ুনঃ ‘অসুস্থ’ খালেদা জিয়া আবারও হুইল চেয়ারে আদালতে

নাইকো মামলায় শুনানিতে অংশ নিতে আবারও হুইল চেয়ারে করে আদালতে হাজির করা হয়েছে কারাবন্দি অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নং বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে তার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। শুনানির আগে দীর্ঘ একবছর কারাবন্দি থাকা সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

এর আগে ২১ ও ১৩ জানুয়ারি এই মামলায় একই আদালতে শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে কারাগার থেকে হাজির করা হয় বিএনপি প্রধানকে। এর আগে গত ৩ জানুয়ারিতেও হুইল চেয়ারে করে আদালতে হাজির করা বিএনপি চেয়ারপারসনকে। আদালতের কক্ষের অবস্থা ও পরিবেশ নিয়ে একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি প্রধান। তিনি আদালতকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন, সাজা দিতে চাইলে দিয়ে দেন, আমি আর এ আদালতে আসব না।

নাইকো মামলার আসামিরা হলেন— বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন।

এই মামলায় তিন জন আসামি পলাতক। তারা হলেন— সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

কানাডীয় প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও অনিয়মের অভিযোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন। পরের বছর ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

উৎসঃ ‌ব্রেকিংনিউজ

আরও পড়ুনঃ সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন শেখ হাসিনার হাতে!


সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের আজ ৭ বছর পূর্ণ হলো। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় নির্মমভাবে খুন হন এই সাংবাদিক দম্পতি। ঘটনার পরের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছিলেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনীদের খোঁজে বের করা হবে। এই সময়ের মধ্যেই দেশবাসী জানতে পারবে কারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু, ৪৮ ঘণ্টাতো দূরের কথা বিগত ৭ বছরেও নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়নি পুলিশ। এরমধ্যে ৬২ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ পেছানো হয়েছে। আর পরিবর্তন করা হয়েছে ৬ জন তদন্ত কর্মকর্তাকে।

জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, নিহতদের রক্তমাখা জামা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে। ৭ বছরের মধ্যে সেই পরীক্ষা শেষ হয়নি। এই পরীক্ষার রিপোর্ট কবে নাগাদ আসবে সেটাও বলতে পারছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা।

বিশিষ্ট ব্যক্তি, সুশীল সমাজ, আইনজ্ঞ ও সাংবাদিকদের একটিই প্রশ্ন-সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে এমন কি রহস্য লুকায়িত আছে যা পুলিশ এখনো বের করতে পারছে না? বিগত ৭ বছরের মধ্যেতো অনেক হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। এমনকি ৪০ বছর আগের ঘটনার বিচারও হয়েছে। তাহলে সাগর-রুনির হত্যাকারীদেরকে পুলিশ এখনো খুঁজে পাচ্ছে না কেন?

সাগর-রুনির হত্যাকারীদেরকে পুলিশ খুঁজে না পেলেও এনিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো ধোঁয়াশা নেই। বিষয়টা একেবারেই ওপেন সিক্রেট। সাগর-রুনিকে সরাসরি শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশেই হত্যা করা হয়েছে। আর এক্ষেত্রে মূল সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী। এই সাংবাদিক দম্পতিকে হত্যার মূল কারণ হলো-বিদ্যুত খাতের বড় একটা দুর্নীতির তথ্য ছিল তাদের কাছে। যে দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা জড়িত ছিল। এই দুর্নীতি প্রকাশ হলে শেখ হাসিনার সরকার বড় ধরণের বেকায়দায় পড়ে যাওয়ার সম্ভবানা ছিল। এটা বন্ধ করতেই তাদেরকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

পুলিশের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এই হত্যাকাণ্ড তদন্ত করতে গিয়ে তারা যেসব তথ্য পেয়েছে তা খুবই ভয়ঙ্কর। এগুলো কখনো প্রকাশ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। সরকার এখানে একটি জজ মিয়া নাটক সাজানোর চেষ্টা করছে। কারণ, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশেই সাংবাদিক দম্পতিকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে, রাজনীতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার পরিকল্পিতভাবেই নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না। তদন্ত প্রতিবেদনের এই ফাইল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েই ঘুরাফেরা করছে। এটা কখনো প্রকাশ পাবে না।

উৎসঃ ‌অ্যানালাইসিস বিডি

আরও পড়ুনঃ মানিকগঞ্জে ডাকবাংলোয় আটকে রেখে এক নারীকে ইয়াবা খাইয়ে ধর্ষণ করল দুই পুলিশ


মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ডাকবাংলোয় আটকে রেখে এক নারীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে সাটুরিয়া থানার দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। দুই পুলিশ সদস্য হচ্ছেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম।

রোববার দুপুরে ওই নারী জেলা পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীমের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে সাটুরিয়ায় এলে সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেন থানার পাশে ডাকবাংলোতে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে একটি কক্ষে আটকে জোর করে ইয়াবা বড়ি খাইয়ে নেশাগ্রস্ত করেন। পরে এসআই সেকেন্দার ও এএসআই মাজহারুল ইসলাম তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর বিষয়টি কাউকে জানালে বা মামলা-মোকদ্দমা করলে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলার হুমকি দেন। পরের দিন শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত আটকে রাখার পর তাঁকে ছেড়ে দেয়।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর প্রতিবেশী আরেক নারী জানান, এসআই সেকেন্দার হোসেন তাঁর পূর্ব পরিচিত। একসঙ্গে জমি কেনার বিষয়ে তিন বছর আগে তিনি সেকেন্দারকে এক লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকা নিতে তিনি তাঁর প্রতিবেশীকে নিয়ে সাটুরিয়ায় যান। সেকেন্দার হোসেন তাঁদের টাকার বিষয়ে কথা বলার জন্য থানার পাশেই সরকারি ডাকবাংলোতে নিয়ে যান। সেখানে পাওনা এক লাখ টাকার মধ্যে ১০ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে পাশের একটি কক্ষে আটকে রাখে। আর তাঁর প্রতিবেশীকে অন্য কক্ষে নিয়ে যান সেকেন্দার।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শনিবার বিকেলে টেলিফোনের মাধ্যমে মৌখিক অভিযোগ পেয়ে সদর সার্কেলের এএসপি হাফিজুর রহমানকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্তে কিছুটা সত্যতা পাওয়ায় শনিবার রাতেই এসআই সেকেন্দার হোসেন ও এএসআই মাজাহারুল ইসলামকে মানিকগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার ভিকটিম সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, দোষীদের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উৎসঃ ‌এনটিভি

আরও পড়ুনঃতরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ: ২ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার


এক তরুণীকে আটকে রেখে দুই দিন ধরে ধর্ষণের ঘটনায় জেলার সাটুরিয়া থানার সাটুরিয়া থানায় উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী সোমবার রাতে সাটুরিয়া থানায় অভিযুক্ত ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

সাটুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণের জন্য ওই তরুণীর মেডিক্যাল পরীক্ষা সোমবার রাতেই সম্পন্ন হয়েছে। পরে মঙ্গলবার ভোরে অভিযুক্ত ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রবিবার পুলিশ সুপারের কাছে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হামিদুর রহমান সিদ্দীকী সোমবার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেন।

মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক লুৎফর রহমান জানান, সোমবার রাত সাড় ৮টার দিক ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়।

আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার আরও জানান, চার সদস্য বিশিষ্ট এই মেডিক্যাল বোর্ড দ্রুত সময়ের মধ্য একটি রির্পোট দিবেন বলে জানান।

উল্লেখ্য, সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন তার খালার কাছ থেকে ৫ বছর আগে এক লাখ টাকা নেন। লাভসহ ফেরত দেওয়ার কথা বলে এই টাকা নেন তিনি। কিন্তু বারবার ফেরত চেয়েও টাকা পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই পাওনা টাকা আনতে বুধবার বিকাল ৫টার দিকে খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় যান তিনি। সেখানে সেকেন্দার হোসেনের সঙ্গে দেখা হলে তিনি দুইজনকে নিয়ে সাটুরিয়া ডাকবাংলোয় যান। কিছুক্ষণ পরে সেখানে উপস্থিত হন একই থানার আরেক এএসআই মাজহারুল ইসলাম। কিছুক্ষণ পর তাকে ও তার খালাকে আলাদা ঘরে নিয়ে আটকে রাখে পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তা। একপর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করা হয়। পরে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আটকে রেখে তাদের দুইজনকে ডাকবাংলো থেকে বের করে দেয় তারা।

উৎসঃ ‌শীর্ষকাগজ

আরও পড়ুনঃ আওয়ামী লীগের উন্নয়ন বনাম নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ

ধর্ষকলীগের প্রতীকী ছবি

২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট যখন ক্ষমতায় আসে, তার আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় ছিল। চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের তেমন উল্লেখযোগ্য কোন নেতাকর্মীর উপর নির্যাতন চালিয়েছিল মর্মে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে, সেসময় দেশের কয়েকটি স্থানে সংখ্যালঘু তথা হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর হামলা হয়েছিল। পরবর্তীতে অবশ্য জানা গিয়েছিল যে, এইসব ঘটনার অধিকাংশই ছিল বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং অনেকক্ষেত্রে ব্যক্তিগত রেষারেষির বিষয়কেও সংখ্যালঘু নির্যাতন হিসেবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হয়েছিল।

ঘটনা যাই ঘটুক না কেন, একথা স্বীকার করতেই হবে, সেসময়ে সেই সামান্য কয়েকটি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনাকে আওয়ামী লীগ বেশ ফুলে ফাপিয়ে প্রচার করতে সক্ষম হয়েছিল। দেশতো বটেই এমনকি বিদেশী অনেক সংস্থাও বিশ্বাস করেছিল যে, চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে হিন্দুদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে। বিএনপির সাথে ইসলামিক দল জামায়াতের জোট হওয়ায় এবং জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা সরকারের মন্ত্রী হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল মোটামুটি বিশ্বাস করেছিল যে ক্ষমতার কেন্দ্রস্থল থেকেই হিন্দু নির্যাতনের মত ঘটনাগুলোকে মদদ দেয়া হয়েছে। শাহরিয়ার কবিরের মত আওয়ামী দালালেরা সেই সময় নানা ধরনের শর্ট ফিল্ম ও ডকুমেন্টারী নির্মাণ করে এসব ঘটনাকে বিশ্বের দরবারে নেতিবাচকভাবে হাইলাইটও করেছিল।

দুর্ভাগ্য বিএনপির, দুর্ভাগ্য জামায়াতের আর দুর্ভাগ্য দেশবাসীরও। আওয়ামী লীগ বিতর্কিত নির্বাচন করে টানা তৃতীয়বারের মত ক্ষমতায় এসে যখন বর্বরতা আর পৈশাচিকতার জঘন্য নজির স্থাপন করে যাচ্ছে তখনও সেই সব সত্য ঘটনাগুলোকে সর্বমহলে বিরোধী দল তুলে ধরতে পারছেনা।

আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীরা চোখে রঙ্গিন চশমা পড়ে ঘুরছেন। তারা দেশকে উন্নত দেশ বলে ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন। একজন মন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ নাকি এখন লস এ্যাঞ্জেলেস হয়ে গেছে। অন্যদিকে আরেকমন্ত্রী এক ডিগ্রী এগিয়ে বলেছেন, কয়েক বছর পর নাকি আমেরিকা থেকেই লোকজন শ্রমিক হিসেবে বাংলাদেশে কাজ করতে আসবে। আল্লাহ এই সব দালাল ও দলকানা লোকদেরকে হেদায়েত নসীব করুন। এর চেয়ে বেশী কিছু আর বলারও নাই।

কিন্তু বাস্তবিকপক্ষে বাংলাদেশের অবস্থা এখন ভয়াবহ। অন্যসব সংকটের কথা বাদ দিয়ে গেলেও এবারের বিতর্কিত নির্বাচনে নোংরাভাবে বিজয় হাইজ্যাক করার পর সরকার ও প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষকলীগসহ আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা যেভাবে নারী নির্যাতন ও ধর্ষনের উৎসব শুরু করেছে, তাতে আওয়ামী লীগের কি হবে জানিনা, তবে আমাদেরই মাথা লজ্জ্বায় হেট হয়ে যায়। নির্বাচনের পর থেকে আজ অবধি সারা দেশে নারী-শিশু ধর্ষণ এবং নারী নির্যাতন আশংকাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে আজ নারী ও শিশুর ইজ্জত-আবরুর কোন নিরাপত্তা নেই।

নির্বাচনের পরের দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরে একটি গ্রামে একজন গৃহবধুকে তার স্বামীর সামনেই গন ধর্ষন করা হয়। তার অপরাধ ছিল তিনি বিরোধী দল তথা ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রদান করেছেন। এর ঠিক এক মাস পর গত ১লা ফেব্রুয়ারী রাতে সেই একই এলাকায় অর্থাৎ সুবর্ণচরের পূর্বচরবাটা ইউনিয়নে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। দেশে নারী-শিশু-কিশোরী অবাধে ধর্ষিতা হচ্ছে। প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্বৃত্তরা নারী-শিশু-কিশোরীকে ধর্ষণ করছে।

তদন্তে দেখা যায় সরকারী দলের লম্পট দুর্বৃত্তরা প্রশাসনের ছত্র ছায়ায় অবাধে ধর্ষণ ও হত্যার মত নৃশংস ঘটনা একের পর এক ঘটিয়ে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ এসব দেখেও না দেখার ভান করছে। ফলে ধর্ষকরা আরো উৎসাহিত হচ্ছে। তারা ধর্ষিতাদের অভিভাবকদের মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং নাজেহাল করছে। ফলে নারী-শিশু-কিশোরী ধর্ষণ ও নির্যাতন মহামারী আকার ধারণ করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখা গিয়েছে যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ সরকারী দলের ধর্ষণকারীদের সাহায্য-সহযোগিতা করছে এবং ধর্ষকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা আমলে না নিয়ে ধামা-চাপা দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, গত ২০১৮ সালে যৌন সহিংসতায় সারা দেশে ৪২ জন নারী ও শিশু নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ২৮৪ জন। গত জানুয়ারী মাসের ৩৩ দিনে ৪১টি ধর্ষণ ও ধর্ষণ অপচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। তাদের ২৯ জনই শিশু ও কিশোরী। বাস্তবে দেশে নারী-শিশু-কিশোরী ধর্ষণের যে সব ঘটনা ঘটছে তার সামান্য অংশই মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। বেশীর ভাগ ঘটনাই অজানা থেকে যাচ্ছে।

নারী-শিশু-কিশোরী ধর্ষণকারী দুর্বৃত্তদের বিচার না হওয়ার কারণেই নারী, শিশু-কিশোরী ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই যাচ্ছে। এ সব বন্ধ করতে হলে ধর্ষণকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। আওয়ামী যেসব ক্যাডাররা এসব অপকর্মের সাথে যুক্ত হয়েছে তাদের প্রত্যেককে প্রকাশ্যে শাস্তি দিতে হবে। পুলিশ ও প্রশাসনের যে কর্মকর্তারা এসব অপরাধের ব্যপারে নির্বিকার ভুমিকা পালন করছে, মদদ দিচ্ছে তাদেরকেও চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। ইসলামপন্থী দল ও ব্যক্তিবর্গদের হেয় করা বন্ধ করতে হবে। ইসলামী দলগুলোকে অবাধে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। ওয়াজ ও ধর্মীয় আলোচনাগুলোর প্রসার ঘটাতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্মীয় ও নৈতিক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে এগুলো অধ্যায়ন বাধ্যতামুলক করতে হবে। কেননা এটাই দিবালোকের মত সত্য, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা ও মোটিভেশন ছাড়া এই ধরনের জঘন্য অপকর্মকে কোনভাবেই রোধ করা যাবেনা। আর যদি ধর্ষণ আর নারী নির্যাতন এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে আওয়ামী লীগের তথাকথিত উন্নয়নের চাঁপাবাজি করে জনগনকে নিয়ন্ত্রনে রাখাও সম্ভব হবেনা।

উৎসঃ ‌অ্যানালাইসিস বিডি

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here