নৃত্যানুষ্ঠানের কারণে আযান বন্ধ করলো আ.লীগ নেতা সুভাষ চন্দ্র শীল (ভিডিও সহ)

0
31208

নৃত্যানুষ্ঠানের কারণে মসজিদের আযান বন্ধ করে দিলো স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও পৌর মেয়র সুভাষ চন্দ্র শীল। গত ৩ মার্চ রবিবার বরিশালের বানারীপাড়ার মহিষাপোতা প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গত ৩ মার্চ রবিবার বরিশালের বানারীপাড়ার মহিষাপোতা প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন জামে মসজিদের পাশেই স্কুল মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিলো, এশার নামাজের আজানের সময় হলে ইমাম সাহেব আযান দিতে গেলে অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত আযান বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, নৃত্যানুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতা পৌর মেয়র সুভাস চন্দ্র শীল! তার নির্দেশেই আযান বন্ধ করা হয়।

ভিডিওঃ নৃত্যানুষ্ঠানের কারণে আযান বন্ধ করলো আ.লীগ নেতা সুভাষ চন্দ্র শীল!

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

এ ঘটনায় এলাকার সাধারন মানুষের ভিতর ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, গান-নাচের অনুষ্ঠানের জন্য আযান বন্ধ করে দেওয়া এটা একটি অন্যায়। এই অন্যায়ের সঠিক বিচার চাই।

এদিকে এই ঘটনা একটি ভিডিও ফুটেজ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সাবেক একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন ভিডিওটি শেয়ার করে “নৃত্যানুষ্ঠানের কারণে মসজিদের আযান বন্ধ করা হলো” এই শিরোনাম দিয়ে লিখেছেন,

ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩রা মার্চ বরিশালের বানারীপাড়ার মহিষাপোতা প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন জামে মসজিদে! মসজিদের পাশেই স্কুল মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিলো, এশার নামাজের আজানের সময় (৭:৩০) হলে ইমাম সাহেব আযান দিতে গেলে অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত আযান বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়!

বরিশালের বানারীপাড়ার মহিষাপোতা প্রাইমারী স্কুল মাঠের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

পেশী শক্তির ভয়ে আযান বন্ধ রাখা হলেও এলাকার সাধারন মানুষের পাশাপাশি আওয়ামিলীগের একাংশের মধ্যেও চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে, এবং যেটার সম্পূর্ণ দায় গড়িয়েছে সরকারের উপর! কারন ঐ নৃত্যানুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতা পৌর মেয়র সুভাস চন্দ্র শীল! তার নির্দেশেই আযান বন্ধ করা হয়!

তবে, আমি একজন সচেতন মানুষ হিসেবে এর পুরো দোষ আওয়ামিলীগকে দিতে চাই না৷

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যতদূর শুনি আপনি সব সময় অজু অবস্থায় থাকেন, সকালে কোরআন তেলওয়াত করেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, তাহাজ্জুদ নামাজও বাদ দেন না৷ এক কথায় আপনি একজন ধর্মভীরু মানুষ৷

এসব বাদ দিলেও আপনারাতো ভোট আর ক্ষমতার জন্যেই রাজনীতি করেন তাই না?

ভিডিওঃ নৃত্যানুষ্ঠানের কারণে আযান বন্ধ করলো আ.লীগ নেতা সুভাষ চন্দ্র শীল!


[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

৯০ ভাগ মানুষের ভোটের জন্যে হলেও আশা করি আপনি অতিসত্বর এ ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দিবেন৷ ভিডিওটি আমাদের কাছে যিনি পাঠিয়েছেন তাদেরকে সুভাষ চন্দ্র বেশি বাড়াবাড়ি না করবার হুমকি দিয়েছেন৷ যে কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তারা দিতে সাহস পায়নি৷

তাই আপনার কাছে প্রশ্ন আপনি কি আপনার দুএকজন নেতা কে বাঁচাবেন নাকি ৯০ ভাগ মুসলমানের জিম্মাদার হিসেবে আ্ল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার ভয় করবেন?

উৎসঃ ‌একুশে টিভির একুশে চোখের উপস্থাপক সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে

আরও পড়ুনঃ এবার মেননকে একহাত নিল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ

বৈঠকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপির ৩ মার্চ জাতীয় সংসদে দেয়া বক্তব্যের কঠোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

২০ দলীয় জোটের শরিক দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাশেদ খান মেনন ইসলাম, আলেম-উলামা, ইসলামি শিক্ষা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে গভীর বিদ্বেষ ও ষড়যন্ত্র থেকেই এমন বক্তব্য দিয়েছেন এবং অমুসলিম কাদিয়ানীদের প্রতারণার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করছেন। তার এই ঘৃণাব্যঞ্জক বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে এবং তাকে অনতিবিলম্বে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

বুধবার দুপুর ২টায় মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে রাশেদ খান মেননের বিতর্কিত বক্তব্যের ওপর জমিয়ত কেন্দ্রীয় নেতারা এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- দলের সহসভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নাজমুল হাসান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, অর্থসম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন কাসেমী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জয়নুল আবেদীন, মাওলানা মুনির আহমদ, মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসঊদ প্রমুখ।

ভিডিওঃ ‘সংসদে রাশেদ খান মেননের চরম ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য!

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

বৈঠকে জমিয়ত নেতারা বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলো সরাসরি দেশের জনগণের সাহায্য-সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। কওমি মাদ্রাসায় পবিত্র কোরআন-হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা ও পূর্ণ ইসলামি শিক্ষাদানের পাশাপাশি সৎ জীবনযাপন, সামাজিক সহাবস্থান এবং আদর্শ দেশ ও জাতি গঠনের শিক্ষা দেয়া হয়। সৎ, যোগ্য ও ধর্মপ্রাণ নাগরিক তৈরির কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে রাশেদ খান মেনন ‘বিষবৃক্ষ’ বলে আলেম-উলামা, ছাত্র সমাজ ও কোটি কোটি মানুষের মনে আঘাত দিয়েছেন।

মূলত, তিনি এমন উসকানিমূলক ঘৃণাব্যঞ্জক বক্তব্য দিয়ে দেশবিরোধী কোনো চক্রের হয়ে গোলযোগ তৈরির ষড়যন্ত্র করছেন।

জমিয়ত নেতারা বলেন, মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী খতমে নবুওয়াত অস্বীকার করে নিজেকে মিথ্যা নবীর দাবি করে। তাই তার অনুসারীদের পক্ষে নিজেদেরকে মুসলিম দাবি করার কোনোই সুযোগ নেই। কারণ, খতমে নবুওয়াতের ওপর দৃঢ় বিশ্বাসস্থাপন করা মুসলিম হিসেবে পরিচিত হওয়ার জন্য আবশ্যক কর্তব্য। হজরত মুহাম্মদ (সা.)কে ‘শেষ নবী’ হিসেবে বিশ্বাস করা তথা খতমে নবুওয়াতের ওপর ঈমান আনা মুসলিম হওয়ার জন্য ‘ট্রেড মার্ক’ স্বরূপ।

জমিয়ত নেতারা আরও বলেন, কাদিয়ানীরা অমুসলিম পরিচিতি নিয়ে অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো নাগরিক অধিকার ভোগ করায় আমাদের কোনো আপত্তি নেই। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের মতো তারাও অমুসলিম ঘোষিত হয়ে সব নাগরিক অধিকার ভোগ করুক। কিন্তু তারা অমুসলিম হওয়া সত্ত্বেও মুসলিম পরিচিতি ও ইসলামি পরিভাষা ব্যবহার করে স্বল্পশিক্ষিত ও সরলমনা সাধারণ মুসলমানদেরকে ধোঁকা দিয়ে ঈমানহারা করে যাবে, এটা মেনে নেয়ার সুযোগ নেই। অথচ রাশেদ খান মেনন প্রকাশ্যে কাদিয়ানীদের মিথ্যা দাবির পক্ষে ওকালতিতে মাঠে নেমেছেন।

জমিয়ত নেতারা বলেন, হেফাজতে ইসলাম একটি বৃহৎ অরাজনৈতিক সংগঠন। দেশের শীর্ষ আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে এই সংগঠনটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ঈমান-আকিদা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে আসছে। এই সংগঠনের ব্যানারে দেশের আলেম সমাজ ও কোটি কোটি তৌহিদি জনতা ঐক্যবদ্ধ। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্নেও এই সংগঠনটির সরব ভূমিকা সর্বমহলে অত্যন্ত প্রশংসিত। অথচ রাশেদ খান মেনন সংসদে দাঁড়িয়ে জনপ্রিয় এই বৃহৎ সংগঠন এবং এর আমির সর্বজনমান্য প্রবীণ আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর বিরুদ্ধেও জঘন্য কটূক্তি করেছেন। তিনি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অবমাননা করেছেন। তিনি সাধারণ শিক্ষায় নাস্তিক্যবাদী পাঠ চালুর পক্ষে ওকালতি করে গণমানুষের আদর্শিক চিন্তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

জমিয়ত নেতারা বলেন, রাশেদ খান মেননকে অনতিবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহারপূর্বক জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং সংসদের কার্যবিবরণী থেকে তার বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করতে হবে। অন্যথায় তৌহিদি জনতা এসব কট‚ক্তি, অপপ্রচার ও ধর্মবিদ্বেষী বক্তব্যের সমুচিত জবাব দেবে।

বৈঠকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জমিয়তের পল্টনের দলীয় কার্যালয়ে রাশেদ খান মেননের ঘৃণাব্যঞ্জক বক্তব্যের প্রতিবাদে সমমনা ইসলামী রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এক বৈঠক আহ্বান করেছেন।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ সংসদে ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য: মেননের শাস্তির দাবীতে ঢাকায় বিক্ষোভ


জাতীয় সংসদে কওমী মাদরাসাকে বিষবৃক্ষের সাথে তুলনা, ইসলামী অনুশাসনকে “মোল্লাতন্ত্র” ও আল্লামা আহমদ শফীসহ আলেম সমাজকে কটাক্ষ করে রাশেদ খান মেননের ঔদ্যত্তপূর্ণ ও উস্কানিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।

বুধবার (০৬ মার্চ) বিকাল ৩ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলপূর্ব সমাবেশে সভাপতির ভাষণে দলীয় আমীর আল্লামা শাহ আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেন, জাতীয় সংসদে দাড়িয়ে কাদিয়ানিদের দোসর রাশেদ খান মেনন কুরআন-সুন্নাহর বিধান ও ইসলামী অনুশাসনকে “মোল্লাতন্ত্র” আখ্যায়িত করে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অপমানিত করেছে। আমি আশাবাদি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আল্লাহ-রাসূল এবং ইসলামকে অবমাননা করায় মেননকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করবেন। এধরনের বেয়াদব জাতীয় সংসদের সদস্য থাকতে পারে না। অবিলম্বে মেননের সংসদ সদস্য পদ বাতিল ও তার বিচার করে ক্ষুদ্ধ তাওহিদী জনতাকে শান্ত করবেন।

তিনি বলেন, ৯৩ ভাগ মুসলমানের প্রতিনিধিত্বশীল ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে সরকারের সুসম্পর্কের মাধ্যমে দেশ উন্নতি-অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাক, তা নাস্তিকগোষ্ঠী মেননগংরা সহ্য করতে পারছে না।

ভিডিওঃ ‘সংসদে রাশেদ খান মেননের চরম ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য!

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

রাশেদ খানমেননের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা ফিরোজ আশরাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দীন, মাওলানা সানাউল্লাহ, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, মাওলানা সাজেদুর রহমান ফয়েজী ও মাওলানা আফম আকরাম প্রমুখ।

মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, এ রকম জঘণ্য বক্তব্য দিয়ে রাশেদ খান মেনন সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা হরিয়েছে। অবিলম্বে তাকে সংসদ থেকে বহিস্কার করতে হবে। স্বাধীনতার পর থেকে তারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে আসছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার চেষ্টা তারাই করেছিল। বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাতে চেয়েছিল। তার বিচার না হওয়ায় আজ তারা ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে কথা বলার দুঃসাহস দেখিয়েছে।

মাওলানা মুজীবুর রহমান হামিদী বলেন, রাশেদ খান মেনন কাদিয়ানীদের দালাল ও ইহুদীদের দোসর। ইসলামের দুশমনদের পৃষ্ঠপোষকতায় চলে তার রাজনীতি। এজন্য ইসলাম ও আলেম-উলামাকে সে সহ্য করতে পারে না। মন্ত্রীত্ব হারিয়ে ক্ষোভে সরকারকে বেকায়দায় ফালানোর জন্য উন্মাদের প্রমাদ বকছে। অবিলম্বে তার বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে। দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার না করলে সারাদেশে আন্দোলনের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে।

মুফতী সুলতান মহিউদ্দিন বলেন, মেননের এ বক্তব্য কুরআন-হাদীস ও ওলামায়ে কেরামকে জঘণ্যভাবে অপমান করা হয়েছে। তার এ বক্তব্য মুরতাদ তাসলিমা নাসরিন ও লতিফ সিদ্দীকির বক্তব্যকেও হার মানিয়েছে। তাসলিমা নাসরিন যেমন বাংলাদেশে টিকে থাকতে পারেনি সেও টিকে থাকতে পারবে না। স্বঘোষিত এই নাস্তিক ৯৩% মুসলমানের বাংলাদেশের জন্য কলঙ্ক। অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করে শাস্তি দিতে হবে।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় মিছিল টি হাইকোর্ট চত্তর প্রদক্ষিণ করে সচিবালয়ের সামনে আসলে পুলিশ কর্তৃক বাধাগ্রস্ত হয়ে প্রেসক্লবের সামনে এসে দোয়ার মাধ্যমে সমাপ্ত করা হয়। উপস্থিত জনতা মেননের ছবিতে জুতাপেটা করে অগ্নি সংযোগ করেন।

উৎসঃ ‌ইনসাফ টোয়েন্টিফোর

আরও পড়ুনঃ রাশেদ খান মেননকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: আল্লামা শাহ আহমদ শফী


বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাংসদ রাশেদ খান মেননকে অনতিবিলম্বে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

মঙ্গলবার রাত ৯টায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ ক্ষমা চাওয়ার কথা জানান আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

রোববার জাতীয় সংসদে কওমি মাদ্রাসাকে ‘বিষবৃক্ষ’ বলে সম্বোধন করে দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতের পাঠানো বিবৃতিতে এ দাবি করেন।

বিবৃতিতে হেফাজত আমির আল্লামা আহমদ শফী বলেন, রাষ্ট্রীয় কোনো সহযোগিতা ছাড়া দেশে শিক্ষার হার বৃদ্ধি, দুর্নীতি, মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ এবং একটি ধর্মপ্রাণ জাতি উপহার দিতে কওমি মাদ্রাসা অনন্য নজির স্থাপন করেছে, যা দেশের ইতিহাসে বিরল।

তিনি বলেন, সৎ, যোগ্য ও ধর্মপ্রাণ নাগরিক তৈরির পবিত্র স্থান কওমি মাদ্রাসাকে রাশেদ খান মেনন বিষবৃক্ষ বলে আলেম-উলামা, ছাত্র সমাজ ও কোটি মানুষের মনে আঘাত করেছেন। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কওমি মাদ্রাসাকে বিষবৃক্ষ বলে সম্বোধন করে তিনি রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। এ জন্য অনতিবিলম্বে এমপি রাশেদ খান মেননকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাশেদ খান মেনন মূলত তার প্রদত্ত বক্তব্যের মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে ধর্মবিদ্বেষী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। অনতিবিলম্বে তিনি যদি প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান তাহলে তৌহিদি জনতা এসব কটূক্তি, অপপ্রচার ও ধর্মবিদ্বেষী বক্তব্যের সমুচিত জবাব দেবে।

এছাড়া ওই বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদা রক্ষার সংগ্রামে সর্ববৃহৎ ধর্মীয় সংগঠন এমনটা দাবি করে আমিরে হেফাজত বলেন, হেফাজতের কাজ হলো, মহান আল্লাহ তা’আলা, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও হজরতে সাহাবায়ে কেরাম এর শান-মান মর্যাদা রক্ষা, নাস্তিক্যবাদী ইসলামবিদ্বেষী মোকাবেলায় সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দেশি-বিদেশি কোনো অপশক্তি ইসলামকে ফুৎকারে উড়িয়ে দেয়ার স্পর্ধা দেখালে দেশের তৌহিদি জনতাকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিরোধ করা হবে। এছাড়া যে কোনো ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে হেফাজতে ইসলাম।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ইসলামের বিরুদ্ধে সংসদে রাশেদ খান মেননের চরম বিষোদাগার! (ভিডিও সহ)


গতকাল জাতীয় সংসদে বক্তব্য রেখেছেন কমিউনিস্ট নেতা ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন রাশেদ খান মেনন। তার বক্তব্য জুড়েই ছিল ইসলামী শিক্ষা, খতমে নবুওত ও হেফাজতের প্রতি তীব্র বিদ্বেষ। আর তিনি প্রকাশ্যে কথা বলেছেন দেশদ্রোহী ইসলামদ্রোহী আহমেদিয়া কাদিয়ানীদের পক্ষে।

সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী মেনন বলেন, ‘আমাদের পাঠ্যক্রমগুলোকে ধর্মীয়করণের প্রচেষ্টা চলছে। তেঁতুল হুজুরের আবদারে এটা করা হয়েছে। কুসুমকুমারী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের কবিতা বাদ দেওয়া হয়েছে। হয়তো পাকিস্তান আমলের মতো “সজীব করিব মহাশ্মশান” স্থলে “সজীব করিব গোরস্থান” আবৃত্তি করতে হবে। তেঁতুল হুজুরের দল প্রধানমন্ত্রীকে কওমি জননী উপাধি দিয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে সতর্ক না হলে বুঝতে হবে আমরা কোন বিষবৃক্ষ রোপণ করতে যাচ্ছি। জামায়াত তাদের দল সংস্কার করে সামাজিক কর্মকান্ড চালাতে চাচ্ছে। আর জামায়াতের সুযোগ কাজে লাগিয়ে মোল্লাতন্ত্র হেফাজত দেশ দখল করতে চাচ্ছে। হেফাজত পাকিস্তানিদের মত কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করতে চাচ্ছে। আর আমরা সেটা মেনে নিচ্ছি। এতে রাষ্ট্রপতির যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি কথা বলেছে সেটা ক্ষুণ্ণ হবে।’

ভিডিওঃ ‘সংসদে রাশেদ খান মেননের চরম ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য!

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

বক্তৃতার এক পর্যায়ে কওমি মাদ্রাসা ও হেফাজতকে বিষবৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করতেও দ্বিধা করেননি তিনি। কওমি মাদ্রাসার ইতিহাস ঐতিহ্য ও বর্তমান অবস্থা যখন দিবালোকের মতো স্পষ্ট তখন জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে কওমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে বিষোদগার করার কারণে অবাক ও বিস্মিত হয়েছেন দেশের আপামর মুসলমান। ক্ষোভের আগুন জ্বলছে ছাত্র জনতা ও ওলামাদের অন্তরে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নানা পত্রপত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন রাশেদ খান মেননের।

সাবেক মন্ত্রী মেনন আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ১৪ দলের শরিকদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে বলেছেন। কিন্তু যদি গণতান্ত্রিক স্পেস না থাকে তাহলে কেউ সংগঠন নিয়ে, আন্দোলন নিয়ে, ভোট নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে না। সেই স্পেস তৈরি করতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দল অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন ও জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের আন্দোলন করে সফলতা অর্জন করেছিল, তা যেন হারিয়ে না যায়। এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। যদি রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন অংশ দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণারোপ করে, তাহলে রাজনৈতিক দল কেবল নির্বাচন নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায়ও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে। এটা যেমন আমাদের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি সরকারি দলের জন্যও। তাই নির্বাচনকে যথাযথ মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে হবে।’

রাজধানীর চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে মেনন বলেন, ‘চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ড নিয়ে আমরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা একে অন্যের প্রতি দোষারোপ করার খেলায় মেতেছি। এর অবসান হওয়া দরকার। এ ধরনের আগুনের পুনরাবৃত্তি বন্ধ হওয়া দরকার।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জোটের শরিক দলের এই নেতা বলেন, ‘দেশের উন্নতি হচ্ছে। তবে এই উন্নয়নের সুফল জনগণ পাচ্ছে কি না, তা দেখার জন্য গবেষণার দরকার নেই। খালি চোখেই আমরা দেখছি। দেখতে পাচ্ছি উন্নয়নের ফলাফলের অসম বণ্টন হচ্ছে। বাংলাদেশে অতিধনীর সংখ্যা চীন থেকেও বেশি বেড়েছে। প্রবৃদ্ধি বাড়ছে, কিন্তু এর সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। প্রতিবছর আট লাখ মানুষ বেকারের খাতায় নাম লেখাচ্ছে। এই পরিস্থিতি সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকির বিষয়।’

আর্থিক খাতের সমস্যার কথা তুলে ধরে রাশেদ খান মেনন বলেন, দেশের অর্থনীতির ওপর লুটেরাদের আধিপত্য আরও দৃঢ়ভাবে চেপে বসেছে। এর পরিণতি হচ্ছে বিনিয়োগ না করে অর্থ বিদেশে পাচার করা, ঋণখেলাপি বাড়া, ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য বাড়া, শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারি ইত্যাদি। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন আইন হলেও তা কার্যকর হয়নি। বরং দেখা গেছে, ব্যাংক খাতে পারিবারিক মালিকানাকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়াই ব্যাংক খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একই ব্যক্তি এখন ৬/৭ ব্যাংকের মূল শেয়ারহোল্ডার। প্রকৃত উদ্যোক্তাদের পরিবর্তে এই মালিকেরা নামে-বেনামে ব্যাংক থেকে অর্থ নিয়ে যান।

ভিডিওঃ ‘সংসদে রাশেদ খান মেননের চরম ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য!

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

মেনন বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন এখন প্রাইমারি স্কুলের টিচারের দুর্নীতিকে আমলে নেয়। কিন্তু বেসিক ব্যাংকের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয় না। বেসিক ব্যাংকের সেই সাবেক চেয়ারম্যান দুদকের ধরাছোঁয়ার বাইরে।

উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে মেনন বলেন, স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচনে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকে। কিন্তু স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং দলীয় নেতারা যখন ভোটারদের বলেন “ভোট তো দেখেছো, ভোট দিতে যেতে হবে না।” তখন সেই ভোট সম্পর্কে কী মনোভাব সৃষ্টি হয়? একটি সামগ্রিক অনাস্থার জন্ম হয়। নির্বাচনে প্রার্থী হতে বাধাদান, মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে ফেলা, ঊর্ধ্ব মহলের ক্লিয়ারেন্স আছে কি না, সেই বিষয়ে প্রার্থীদের পুলিশের প্রশ্ন করা এবং টাকা ছড়ানোর উদ্বেগজনক খবর আসছে। প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় যেতে নিষেধ করেছেন। বলেছেন কমিশনের আইন মেনে চলতে। কিন্তু সরকার ও দলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে নিশ্চয়তা বিধান করা হচ্ছে না। এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করতে উপজেলা নির্বাচন অবশ্যই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচনকে প্রশাসনের সব হস্তক্ষেপমুক্ত করতে হবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন উভয়কেই এই নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে।’

সূত্রঃ প্রথম আলো

আরও পড়ুনঃ মসজিদে নববী, আল আক্বসাকে ‘সন্ত্রাসের কারখানা’ বলে প্রচার করলো ভারতীয় টিভি!


গত কয়েকদিনে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার সময় ভারতীয় মিডিয়ার আচরণ সেই দেশে এবং বিদেশে বেশ জোরেশোরে সমালোচিত হয়েছে। উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর যেন প্রতিযোগিতা শুরু করেছিলো বেশিরভাগ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। এমনকি ভুয়া খবর ছড়ানোতেও একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাচ্ছিল।

সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন সিএনএন-নিউজ এইটিন চ্যানেলটিতে। গত শনিবার টিভি চ্যানেলটি তাদের এক অনুষ্ঠানে মুসলিমদের সবচেয়ে পবিত্র বলে বিবেচিত তিনটি মসজিদকে ‘সন্ত্রাসের কারখানা’ বলে ছবি প্রচার করে। মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম, মদীনার মসজিদে নববী এবং জেরুসালেমের মসজিদুল আক্বসার ছবির উপর ‘মাসুদ আজহার’র টেরর ফ্যাক্টরি’ লিখে প্রচার করে চ্যানেলটি।

মাসুদ আজহার পাকিস্তান ভিত্তিক জয়েশ-ই মুহাম্মদ এর প্রধান নেতা। মুসলিমদের পবিত্রতম জায়গাগুলো নিয়ে বিদ্বেষ প্রচার করায় রিলায়েন্স গ্রুপের টিভি চ্যানেলটিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ড।

গতকাল এক টুইটে CNN-News18 এর এই অপকর্ম তুলে ধরে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অবশ্য সাথে সাথে ক্ষমা চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি এবং তাদের একটি প্রতিবেদন থেকে এ সংক্রান্ত ছবি ও তথ্য মুছে দিয়েছে।

অন্যদিকে আরেকটি টিভি চ্যানেল ‘রিপাবলিক টিভি’র উপস্থাপক অর্নব গোস্বামী তার এক অনুষ্ঠানে ভারতের জামাতে ইসলামী নেতা মাওলানা জামালউদ্দিন উমরীকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে প্রচার করেন। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ড এ বিষয়েও ক্ষমা চাইতে আহ্বান জানায় রিপাবলিক টিভিকে।

এই চ্যানেলও দ্রুত তাদের টুইটার একাউন্টে বিবৃতিতে দিয়ে দুঃখ প্রকাশ ও তথ্য সংশোধন করেছে।

উৎসঃ ‌জনতা কা রিপোর্টার, ফ্রি প্রেস কাশ্মির।

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here