“ভন্ড দেশপ্রেমীরা সারাজীবন কষ্ট দিয়েছে আপনাকে, কিন্তু আপনিই শ্রেষ্ঠ কবি”: আসিফ নজরুল

0
441

ভন্ড দেশপ্রেমীরা সারাজীবন কষ্ট দিয়েছে আপনাকে, ছোট করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এটা সবাই জানে, আপনিই বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

শনিবার সকাল এগারটায় তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে কবি আল মাহমুদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি স্টাটাস দেন। তিনি লিখেছেন, খুচড়া কবি, পাতি লেখক আর ভন্ড দেশপ্রেমীরা সারাজীবন কষ্ট দিয়েছে আপনাকে, ছোট করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এটা সবাই জানে, আপনিই বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবি।

কবির জন্য চিরশান্তি কামনা করে তিনি লিখেছেন, আপনার লেখাই সবচেয়ে বেশী বাংলাদেশ। মানুষ কাঁদছে আপনার জন্য। আপনাকে পড়িনি তেমন, তবু কাঁদছে আমারও হৃদয়। ভালো থাকুন আল মাহমুদ। আল্লাহ্ আপনাকে চিরশান্তি দান করুন।

আসিফ নজরুলের এই স্টাটাসে কবির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্তব্য করেছেন কবি ভক্তরা।

মাহবুব সাঈদ লিখেছেন, শুধুমাত্র শেষ জীবনে ইসলামপন্থী হয়ে ওঠার কারনে আল মাহমুদের মৃত্যর সংবাদ প্রকাশে বাম/সেক্যুলারগুষ্টি “দেশের অন্যতম প্রধান কবি” লিখছে। অথচ মাহমুদ সমকালীন বাংলা সাহিত্যে উভায় বঙ্গের প্রধান কবি। ১৯৭১সালে কবি শামসুর রহমান যখন পাকিস্তান অবজারভার এ কাজ করতেন, তখন মাহমুদ অস্ত্র হাতে রনাঙ্গনে। ৭২ সালের পরে যখন সব কবি বাকশাল বন্ধনায় লিপ্ত, তখন মাহমুদ জাসদের হয়ে গনতন্ত্রের জন্যে লড়াইয়ে। গণকন্ঠের সম্পাদক হয়ে নির্যাতিত।

শেষ জীবনে কবি ইসলামের শাশ্বত বিধানের দিকে ঝুকে পড়েন। সেই থেকেই দুনিয়ার জীবনে তার অনাদর শুরু হয়ে যায়। কিন্তু বিনিময়ে পরকালে অনেকের দোয়া ভালোবাসা নিয়েই যাচ্ছেন কবি এটা কম কিসে। ওপারে ভালো থেকো প্রিয় ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও কবি ..

জিয়া উদ্দিন লিখেছেন, তিনি কবিদের পথপ্রদর্শক, তাকে বিরুপ মন্তব্য করছে কিছু উন্মাদ নাস্তিক চটি কবি লেখকরা। তিনি আছেন থাকবেন বাংলাদেশর মানুষের হৃদয়ে। ভালো থাকুক ওপারে প্রিয় কবি।

শাহিনুর রহমান লিখেছেন, যারা উনাকে অবমাননা করেছেন তারা হয়তো জানতেন না বীরত্ব কাকে বলে?মানুষের ভালোবাসা কী? কারো দো’য়ায় থাকা কতটা সৌভাগ্য, মানুষের ভালোবাসায় আপনি সিক্ত,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আপনাকে ন্যায়ের প্রতিদান দিক…

বড় ভাই নামে একজন লিখেছেন, আল মাহমুদ কবি এবং রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা তবে চেতনা ব্যবসায়ী নন। চেতনা ব্যবসা করতে পারেননি বলে তার সমালোচক বেশি।

সাদি মোসলেহ লিখেছেন, আল মাহমুদ এর বিকল্প আল মাহমুদ বাংলায় নেই। নেই পৃথিবীর কোথাও। বাংলাদেশের এই শক্তিমান প্রধান কবি রেখে গেছেন- আধুনিক কবিতার সৌন্দর্য, প্রেম, স্বপ্ন সৌধ নির্মানে ভাষাকারুর মহাশক্তিয় নৈপুণ্য। উপমা উৎপ্রেক্ষা । মেধা মনন দৈব শক্তি- তিনি তাঁর জাতি, বিশ্বাস ও দেশপ্রেমে, জাগতিক এক জনমে বড় কঠিনরূপে নিজকে বিলিয়েছেন। সরকার জাতীয়ভাবে দেশের প্রধান কবি সদ্য প্রয়াত আল মাহমুদকে কেমন মর্যাদা দান করবে তা আজ অনেকের প্রশ্ন।

কবি আল মাহমুদ বেঁচে থাকবে অমর হয়ে এমন মন্তব্য করে মাসুদ শাওন লিখেছেন, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমন-নিপীড়নের প্রেক্ষাপটে পঞ্চাশের দশকে এসে বাংলা সাহিত্য ও কবিতায় যে বাঁক বদল ঘটে তাতে কবিতায় এ সময় রাজনীতি, আন্দোলন, সংগ্রামের পাশাপাশি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, লোকায়ত জীবন, সাম্যবাদ ইত্যাদি প্রবলভাবে উঠে আসতে থাকে। পঞ্চাশের এ ধারার কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন কবি আল মাহমুদ। লোকায়ত জীবন ও সাম্যবাদ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিফলিত হয় যার কবিতায়। শত অবহেলা উপেক্ষাকে আড়াল করেও দ্বিগুণ আলোয় আল মাহমুদ নিজেকে ঘোষণা করেছেন স্বমহীমায়, আপন শক্তিতে। বাংলা সাহিত্যে একটি নতুন অধ্যায় সংযোজন, একটি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করা কবি আল মাহমুদ মৃত্যুতেও অমর মানুষের হৃদয়ে। যতদিন পৃথিবী থাকবে, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থাকবে ততদিন সাহিত্যপ্রেমীরা তার স্মরণ নিবে, আল মাহমুদ বেঁচে থাকবে আপন সৃষ্টিতে অমর হয়ে, একটি ইতিহাস হয়ে।

উৎসঃ ‌শীর্ষ নিউজ

আরও পড়ুনঃ শুক্রবারে মৃত্যু, যেন কবি আল মাহমুদের নিজের ইচ্ছারই পূর্ণতা!

কবি আল মাহমুদ চেয়েছিলেন শুক্রবার দিন এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে। অবশেষে, আল্লাহর রহমতে তার ইচ্ছাই যেন পূর্ণ হলো।

শুক্রবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে এই পৃথিবী ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যান বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।) মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

‘স্মৃতির মেঘলাভোরে’ নামক একটি কবিতায় তার ইচ্ছার প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন কবি। ওই কবিতায় তিনি লিখেছিলেন- কোনো এক শুক্রবারের ভোরবেলা মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে ডাক দিলে তিনি খুশি মনেই তার ডাকে সারা দেবেন। আনন্দের সঙ্গেই তিনি এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবেন।

কবি আল মাহমুদের লেখা কবিতাটি তুলে ধরা হলো:

‘স্মৃতির মেঘলাভোরে’

—–আল মাহমুদ

কোনো এক ভোরবেলা, রাত্রিশেষে শুভ শুক্রবারে

মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ;

অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে

ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ।

ফেলে যাচ্ছি খড়কুটো, পরিধেয়, আহার, মৈথুন–

নিরুপায় কিছু নাম, কিছু স্মৃতি কিংবা কিছু নয়;

অশ্রুভারাক্রান্ত চোখে জমে আছে শোকের লেগুন

কার হাত ভাঙে চুড়ি? কে ফোঁপায়? পৃথিবী নিশ্চয়।

স্মৃতির মেঘলাভোরে শেষ ডাক ডাকছে ডাহুক

অদৃশ্য আত্মার তরী কোন ঘাটে ভিড়ল কোথায়?

কেন দোলে হৃদপিণ্ড, আমার কি ভয়ের অসুখ?

নাকি সেই শিহরণ পুলকিত মাস্তুল দোলায়!

আমার যাওয়ার কালে খোলা থাক জানালা দুয়ার

যদি হয় ভোরবেলা স্বপ্নাচ্ছন্ন শুভ শুক্রবার।

উৎসঃ ‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ জীবনে কবি আল মাহমুদ যেসব পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছিলেন

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ শুক্রবার রাত ১১টার কিছু পরে ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তিনি একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার শহরমুখী প্রবণতার মধ্যেই ভাটি বাংলার জনজীবন, গ্রামীণ আবহ, নদীনির্ভর জনপদ, চরাঞ্চলের জীবনপ্রবাহ এবং নরনারীর চিরন্তন প্রেম-বিরহকে কবিতায় অবলম্বন করেন।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮২ বছরের জীবন দশায় কবি আল মাহমুদ পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মাননা। চলুন দেখে নেওয়া যাক সেগুলো।

  • বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)

  • জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২)

  • হুমায়ুন কবীর স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)

  • জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)

  • কাজী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬)

  • কবি জসীম উদ্দিন পুরস্কার

  • ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬)

  • একুশে পদক (১৯৮৭)

  • নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৯০)

  • ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪)

  • লালন পুরস্কার (২০১১)

উৎসঃ ‌অমৃতবাজার

আরও পড়ুনঃ জামায়াত-বিএনপি ছাড়াছাড়ি হচ্ছে না; তারা জোটবদ্ধই থাকছে!

‘দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী বিএনপির সঙ্গ ছাড়ছে জামায়াতে ইসলামী’ বলে যে গুঞ্জন উঠেছে, ওই দুই দলের কয়েক নেতার সঙ্গে কথা বলে তার কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি। গতকাল বুধবার দেশ রূপান্তরকে তারা জানান, গুঞ্জনের বিষয়টি সরকারের অপপ্রচার হতে পারে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামী জোটেই থাকছে। কারও কথায় কেউ কাউকে ছেড়ে যাবে না। কারণ, বহু ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সখ্য এখনো অটুট রয়েছে। ভবিষ্যতেও থাকবে।

‘জামায়াত কি বিএনপির সঙ্গ ছাড়ছে’ এমন প্রশ্নে ২০-দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এটি সরকারের অপপ্রচার হতে পারে। এমন কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। জামায়াতের কোনো নেতা আমাকে এ বিষয়ে কিছু জানাননি। তা ছাড়া বিএনপির সঙ্গ ছাড়ার বিষয়ে জামায়াতের নেতারা কোনো বৈঠক করেছেন এমন খবরও আমার জানা নেই।’ তিনি বলেন, ‘২০-দলীয় জোটের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখি আমি নিজেই। কোনো সমস্যা, সুবিধা-অসুবিধা জোটের শরিক দলগুলোর নেতারা আমাকেই প্রথমে জানান। সর্বশেষ ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে সর্বোচ্চ আসনে ছাড় দেওয়া হয়েছে। ছাড় দেওয়ার বাইরে তাদের কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীও ছিলেন। এ নিয়েও জোটে কোনো বিভেদ হয়নি।’ বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘জামায়াতকে নিয়ে এত অ্যালার্জি থাকলে সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে দিক। কিন্তু সরকার তো তা করছে না। বরং এটা নিয়ে রাজনীতি করছে।’

সম্প্রতি সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াত নিষিদ্ধের প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটি নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। তাই এ বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতে ইসলামীর এক প্রভাবশালী নেতা দেশ রূপান্তরকে জানান, বিএনপির সঙ্গ ছাড়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি জামায়াতে ইসলামী। তাদের বৈঠকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকার-সমর্থিত কেউ কেউ এমন সংবাদ প্রকাশ করছে। এ নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদের সভাপতিত্বে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভা হয়। সভায় বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কারণ এই সরকারের অধীনে বিগত ১০ বছরে কোনো নির্বাচনই অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়নি। সভায় বিএনপির সঙ্গ ছাড়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও জানান জামায়াতের প্রভাবশালী ওই নেতা। তিনি আরও বলেন, বহু ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সখ্য অটুট রয়েছে। ভবিষ্যতেও থাকবে। ২০ দলীয় জোটে জামায়াতে ইসলামী ছিল, আছে, থাকবে। কারও কথায় কেউ কাউকে ছেড়ে যাবে না।

১৯৯৯ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ঐক্যজোট মিলে চারদলীয় ঐক্যজোট গঠন করা হয়। ২০০১ সালে ওই সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় যায়। তখন জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে মন্ত্রী করা হয়।

জামায়াত বিএনপির সঙ্গ ছাড়ছে কি না জানতে চাইলে ২০ দলীয় জোটের শরিক কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আমিনুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জোটের কোনো বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে গুঞ্জন আছে।’

জোটের সমন্বয়ক ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তার দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন সেলিম দেশ রূপান্তরকে জানান, জামায়াত বিএনপির সঙ্গ ছাড়ছে এমন কোনো খবর তার জানা নেই। এ বিষয়ে সম্প্রতি তার দলের চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তাদের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করেছিলেন চেয়ারম্যান অলি আহমদ। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নিয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে পাল্টা প্রশ্ন রেখে তিনি বলেছিলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা কি এ দেশের নাগরিক নন? তারা কি রাজনীতি করার অধিকার রাখেন না? তারা যদি এ দেশের নাগরিক হয়ে থাকেন, তাহলে তাদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা কেন থাকবে? সংসদে সরকারের শুধু দুই-তৃতীয়াংশ এমপি নয়, শতভাগ এমপি রয়েছে। তারা আইন করে বলে দিক, জামায়াতের নেতাকর্মীরা এ দেশের নাগরিক নয়। তাহলেই এই সমালোচনা থাকবে না।

উৎসঃ ‌ দেশ রূপান্তর

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here