‘আল্লামা শফি ভুলে যেতে পারেন, আমি কাদের সিদ্দিকী শাপলা চত্বর ভুলি নাই’ (ভিডিও সহ)

0
159
ফাইল ছবি

‘আল্লামা শফী ভুলে যেতে পারেন, আমি কাদের সিদ্দিকী ভুলি নাই। শাপলা চত্বরে ঈমানদারের রক্ত ঝড়েছে। এই রক্তের বদলা না নিলে আমরা বেঈমানে পরিণত হবো।’ বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

মঙ্গলবার (০৬ নভেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।

কৃষক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বক্তব্যের শুরুতে বলেন, ‘ড. কামাল হোসেনের ঐক্যফ্রন্ট্রে যোগদান করেছি। আমি বলবো যদি আপনারা জিততে চান, জয় আপনাদের হাতে। আর যদি হারতে চান তাও আপনাদের হাতে। শেখ হাসিনা আপনাদের বিজয়ী করতে পারবে না। আপানদের পরাজিত করতে পারবে না। যদি বিজয়ী হতে চান নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপিকে ভুল যান। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পতাকা তলে হিমাদ্রির মতো সোজা হয়ে দাঁড়ান।’

আল্লামা শফি ভুলে যেতে পারেন, আমি কাদের সিদ্দিকী শাপলা চত্বর ভুলি নাই

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

তিনি আরও বলেন, ‘জানেন, বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অভিযোগ বিএনপি রাজাকারের গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা দিয়েছে, অভিযোগ সত্য নয়। আওয়ামী লীগ প্রথম সরিষা বাড়ির নরুর গাড়িতে পতাকা তুলেছে। আওয়ামী লীগ রাজাকার মহিউদ্দিনের গাড়িতেও পতাকা দিয়েছে। আওয়ামী লীগ আসিকুর রহমানের গাড়িতে পতাকা দিয়েছে।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আপনারা ফখরুল ইসলামকে একটু মান্য কইরেন। যদি জিততে চান। ড. কামাল হোসেনে সাথে না থাকলে সোহরাওয়ার্দী মিটিং করতে পারতেন না। গাবতলীতে রাস্তায় গাড়ি বন্ধ। টঙ্গী বন্ধ।’

শাপলা চত্ত্বরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এরপরও আমরা বোনকে (শেখ হাসিনা) বলা উচিত একটু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে দেখে যান। গত চার তারিখে তিনি এখানে এসেছিলেন। আল্লামা শফীর এক মিটিংয়ে। আল্লামা শফী ভুলে যেতে পারেন, আমি কাদের সিদ্দিকী ভুলি নাই। শাপলা চত্বরে ঈমানদারের রক্ত ঝড়েছে। এই রক্তের বদলা না নিলে আমরা বেঈমানে পরিণত হবো।’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন]

কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, ‘ইলেকশন হাসিনাকে দিতে হবে, উপায় নেই। আমি খালেদার জিয়ার মুক্তি চাই না। চাইতে হবে কখন হাসিনা মুক্ত হবেন। বেগম খালেদা জিয়া জেলখানায় গিয়ে গণতন্ত্রের প্রতীক হয়েছেন। খালেদা জিয়া জেলখানায় বন্দি থেকে বাংলাদেশের মানুষের অন্তরের প্রতীক হয়েছেন। বাংলাদেশকে বন্দী রাখা যায় না। তাই বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী রাখা যাবে না। চাঁড়ালের কথার মূল্য আছে কাদেরের কথার মূল্য নেই বলেও এ সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।’

ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা বলেন, ‘৭১-এর ৭ মার্চ এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে আমরা স্বাধীনতা এনেছিলাম। আজকে বলে যাচ্ছি, ড. কামালের নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। প্রধান বক্তা জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

আরও উপস্থিত রয়েছেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন ফারুক, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আহমেদ আযম খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম প্রমুখ।

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন]

উৎসঃ সময় টিভি, যমুনা টিভি

আরও পড়ুনঃ ‘মুক্ত খালেদা জিয়ার চেয়েও বন্দী খালেদা জিয়া আরও শক্তিশালী’: পার্থ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, ‘মুক্ত খালেদার চেয়েও বন্দী খালেদা আরও শক্তিশালী।’

মঙ্গলবার (০৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। এই জনস্রোত প্রমাণ করে, মুক্ত খালেদার চেয়েও বন্দী খালেদা আরও শক্তিশালী।’

পার্থ আরও বলেন, ‘এ সরকার শুধু বিরোধী নেতাকর্মীদের অত্যাচার করেনি। কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদেরও অত্যাচার করেছে।’

এর আগে মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে জনসভা শুরু হয়। প্রথমে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের পর সদ্য প্রয়াত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন, ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

জনসভার মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন ফারুক, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আহমেদ আযম খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম।

এছাড়া, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান খোকন, নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এসএম আকরাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের (একাংশ) চেয়ারম্যান ড. নুরুল আমিন ব্যাপারী, এলডিপি মহাসচিব রেদওয়ান আহমদ, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ক শহীদুল্লাহ কায়সার, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের, ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান আব্দুর রকিব ও ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসান আরও অনেকে।

উৎসঃ probasbangla

আরও পড়ুন>> দেশ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে: মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ‘আজকের বাংলাদেশ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছে’।

মঙ্গলবার (০৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ও খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ সাত দফা দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় একথা বলেন মঈন খান।

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ অতীতেও বাকশাল প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশের মানুষের রক্তে গণতন্ত্র বহমান। তাই এটা মানুষ মেনে নিতে পারে না’।

মঈন খান বলেন, ‘সরকারকে সাত দফা দাবি দিয়েছি, জোর করে কোনো নির্বাচন করা যাবে না। তারা যদি মনে করে, ডিসি এসপি দিয়ে আবার ১৪ সাল মার্কা নির্বাচন করবেন, এটা আর বাংলার মাটিতে হবে না। ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। খালেদাকে মুক্তি দিতে হবে।

ভবিষ্যতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত করবে বলেও বক্তব্যে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য।

দুপুর ২টায় শুরু হওয়া জনসভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

উৎসঃ probasbangla

আরও পড়ুনঃ >>‘চারদিকে শুধু লুটপাট আর খাওয়া’

চারদিকে শুধু লুটপাট আর খাওয়া মন্তব্য করে জাতীয় সমাজতান্তিক দল-জেএসডি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন বলেছেন, ৮০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে আরো ২০ হাজার কোটি টাকা লুট করা হয়েছে। এই অবৈধ সরকার নির্বাচনটাকেও খেয়ে ফেলেছে। শেখ হাসিনাকে দাবি মেনে নিতেই হবে, তা না হলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার (০৬ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় এসব কথা বলেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন।

জনসভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের পর সদ্যপ্রয়াত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

জনসভার মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন ফারুক, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আহমেদ আযম খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম প্রমুখ।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

উৎসঃ আরটিএনএন

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here