আগোরা’র বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগঃ ইলিশ না কিনলেও ৪ হাজার ১৫০ টাকা কেটে নিল আগোরা!

0
292

ক্যাশ ম্যামোতে ভূতুড়ে বিল ঢুকিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে দেশের অন্যতম সুপারশপ আগোরার বিরুদ্ধে।

প্রতিষ্ঠানটির মগবাজার আউটলেটের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন শাহরিয়ার পলাশ নামের এক ক্রেতা।

তিনি ওই আউটলেটের একজন নিয়মিত ভোক্তা।

শাহরিয়ার পলাশের অভিযোগ, ইলিশ মাছ না কিনেও তার ক্যাশ মেমোতে সে বাবদ চার হাজার ১৫০ টাকা বিল জুড়ে দেয়া হয়েছে।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজ মঙ্গলবার একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

তিনি জানান, গত শনিবার আগোরার মগবাজার আউটলেট থেকে পরিবারের জন্য মাসিক বাজার করেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডাল, মশলা, তেল, সাবান ইত্যাদি কিনে যথারীতি কাউন্টারের লাইনে দাঁড়ান। সব পণ্য বুঝে নিয়ে কাউন্টার থেকে যে বিল পরিশোধের কথা বলা হয় তাতে ভুল (অস্বাভাবিক বিল) রয়েছে বলে মনে হয় তার। টাকার পরিমাণ আরও কম হতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করলে কাউন্টার থেকে জানানো হয়, বিল তৈরিতে আগোরার কোনো ভুল হয় না।

কিন্তু বাসায় গিয়ে বিল মেলাতে গিয়ে হতবাক হন তিনি। কোনো ইলিশ মাছই কিনেননি তিনি অথচ ক্যাশ মেমোতে সে বাবদ ৪,১৫০ টাকার বিল দেখানো হয়েছে।

বিষয়টির সুরাহা করতে সকালে আউটলেটের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে দেখা করলে তিনি জানান, তাদের আউটলেটে ইলিশ মাছই নেই। তিনি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেন এবং এমন ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে অতিরিক্ত নেয়া টাকা ফেরত দেন।

এসময় আউটলেটে ইলিশ মাছ না থাকার পরেও বিলে কি করে ঢুকল এমন প্রশ্ন রেখে শাহরিয়ার পলাশ বিগত ২ বছরের বিল স্ট্যাটাস প্রিন্ট চান ম্যানেজারের কাছে। কিন্তু ম্যানেজার জানান, তাদের নিকট নিয়মিত ক্রেতাদের মাত্র ২ মাসের বিলের ডাটা সংরক্ষিত আছে।

ফেসবুকে আগোরার এমন প্রতারণার বিষয়টি উল্লেখ করে শাহরিয়ার পলাশ প্রশ্ন ছুঁড়েন, যারা এসব সুপারশপে মাসের বাজার করেন, তারা কি পরে কখনও বিল মিলিয়ে দেখেন? এভাবেই কি এসব সুপারশপে এমন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ক্রেতারা?

জানা গেছে, ইতিমধ্যে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরে এ বিষয়ে মামলা করেছেন শাহরিয়ার পলাশ।

এদিকে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আউটলেটের ব্যবস্থাপকের মোবাইলে ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।

পাঠকদের উদ্দেশে ভুক্তোভোগী শাহরিয়ার পলাশের সেই ফেসবুক স্ট্যাটাস ও ক্যাশ ম্যামোটি তুলে ধরা হল-

সেই ক্যাশ মেমো

#আগোরার_প্রতারণা

‘গত শনিবার অফিস শেষ করে আগোরা মগবাজার আউটলেটে যাই। বাজার করার পর কাউন্টারে টাকা দেয়ার সময় দেখলাম বিল অস্বাভাবিক বেশি। জিজ্ঞেস করার পর কাউন্টারে থাকা ছেলেটি বলল, আমাদের ভুল হয় না। বাসায় এসে মিলিয়ে দেখি আমি ইলিশ মাছ কিনিনি। অথচ তার দাম ৪,১৫০ টাকা ধরা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই গিয়ে দেখি আউটলেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

সেখানে থাকা সিকিউরিটির লোক কোনোভাবেই নাম্বার দিবে না। শেষে মামলা করব এবং তাকেও আসামী করব, এই কথা বলার পর সে অনেকটা বাধ্য হয়ে সুপারভাইজার মোস্তফার নাম্বার দেয়। আমি তাকে বিষয়টি জানালে তিনি সকালে যেতে বলেন।

সকালে আবার যাওয়ার পর ম্যানেজার ফারুক সাহেবের দেখা পাই। তিনি বলেন, তাদের আউটলেটে ইলিশ মাছই নেই। তিনি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেন এবং আমার টাকা ফেরত দেন।

এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমরা যারা মাসিক বাজার এসব সুপারশপে করি, তা কি কখনও মিলিয়ে দেখি? তারা কি সব সময়ই এমন প্রতারণা করে আমাদের পকেট কাটছে?

আগোরার জন্য আমার বিকল্প ৩ প্রস্তাব

প্রতারণা ধরা পড়ার পর আমি তাদের কাছে আমার ২ বছরের বিল চাই। তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় চায়। আমি সময় দিয়ে চলে আসি। সন্ধ্যায় শিলা নামের একজন আগোরার নাম্বার থেকে ফোন করে জানায় তাদের কাছে মাত্র ২ মাসের বিল রয়েছে। আমি একথা শোনার পর তাদের বিকল্প ৩ টি প্রস্তাব দেই।

১. তারা আমার গত ২ বছরের বিল দিবে। যাতে আমি মিলিয়ে দেখতে পারি এ রকম অদ্ভুত কোনো বিল আমার নামে করা হয়েছে কিনা

অথবা

২. যদি ম্যানেজার এই অপকর্মে জড়িত না থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে যথাযথ শাস্তি দিয়ে তা মিডিয়ায় প্রচার করবে।

অথবা

৩. প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা আমার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে এটা ধরে নিয়ে ২ বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা সমাজের অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে তা বিতরণ করতে হবে। মিডিয়ার তা প্রচার করতে হবে।

এ নিয়ে মিসেস শিলা আমাকে বেশ কয়েকবার ফোন করেন এবং আমার বাসায় আসতে চান। আমি তাকে অনুরোধ করি, আমার শর্তে রাজি থাকলে আমার অফিসে আসতে।

তাদেরকে গতকাল পর্যন্ত সময় দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা বিকল্প ৩ টি শর্তের কোনোটিই পালন করতে পারেন নি। শেষ পর্যন্ত গতকাল সন্ধ্যায় ম্যানেজারের সাথে আমার ফোনো কথা হয় এবং তিনি জানান আমার ২ বছরের বিল দিবেন তবে আমাকে ১ মাস সময় দিতে হবে।

আমি পরিস্কার বুঝতে পারছি, এটা কালক্ষেপন করার কৌশল, এবং প্রতারণার নতুন কোনো ফাঁদ। তাই আমি আজ এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছি। না হয় তাদের এই প্রতারণা চলতেই থাকবে।’

ভুক্তোভোগী শাহরিয়ার পলাশের ফেসবুক থেকে

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌চট্টগ্রামের জেলার সোহেল রানার ব্যাংকে ১৫ কোটি টাকার ২৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে দুদক


চট্টগ্রামের সেই জেলার সোহেল রানা বিশ্বাস, তার স্ত্রী-সন্তান ও শ্যালকের ২৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে দুদক। এসব ব্যাংক হিসাবে জমা আছে ১৫ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও যশোরের বিভিন্ন ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় এসব টাকার হিসাব রয়েছে বলে জানান ময়মনসিংহ দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা।

এদিকে, গত কয়েকদিন আগে এ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আবার পরিবর্তন করা হয়েছে বলে দুদক অফিস সূত্রে জানা গেছে।

বর্তমানে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় ময়মনসিংহ দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক সাধনচন্দ্র সূত্রধরকে। এর আগে এ মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং পরে দায়িত্ব দেয়া হয় দুদকের উপ-পরিচালক ফারুক আহমেদকে। মামলাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য বারবার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দুদক।

জব্দ করা ২৬টি ব্যাংক হিসাবে ১৫ কোটি টাকা লেনদেনের সন্ধান পেয়েছে দুদক। তবে সঠিক হিসাব পেতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে দুদকের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১২টি ব্যাংকের হিসাববিবরণী তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে পৌঁছেছে বলে জানান মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা।

জেলার সোহেল রানা, তার স্ত্রী-সন্তান ও শ্যালকের নামের ব্যাংক হিসাব জানতে দুদকের কর্মকর্তা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিলে ২৬টি ব্যাংক হিসাবের তালিকা পাঠায়। তারপর কিশোরগঞ্জ আদালতের অনুমতিক্রমে ওই হিসাবগুলোর লেনদেন জব্দ করে দুদক।

গত বছরের ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার সোহেল রানা বিশ্বাস ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, আড়াই কোটি টাকার ব্যাংক এফডিআর, এক কোটি ৩০ লাখ টাকার বিভিন্ন ব্যাংকের চেক ও ১২ বোতল ফেনসিডিলসহ ভৈরব রেলওয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। ওই দিন চট্টগ্রাম থেকে আন্তঃনগর বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনে ময়মনসিংহে যাওয়ার পথে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন বিরতির সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি।

এ সময় টাকার উৎস জানাতে না পারায় তার বিরুদ্ধে ভৈরব রেলওয়ে থানায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। এরপর মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলাটি রেলওয়ে পুলিশ তদন্ত করে ইতোমধ্যে কিশোরগঞ্জ আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়।

অপরদিকে, মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ময়মনসিংহ দুদকে তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয়। গত আট মাস ধরে মামলাটির তদন্ত চলছে। ঘটনার পরপর সোহেলকে কর্তৃপক্ষ সাময়িক বরখাস্ত করে এবং ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তার কাছ থেকে জব্দ করা ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা কিশোরগঞ্জের সরকারি ট্রেজারিতে জমা দিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ।

অপরদিকে, জেলার গ্রেফতারের দুইদিন পরই জব্দ আড়াই কোটি টাকার এফডিআরের মধ্যে এক কোটি টাকা তার শ্যালক ও স্ত্রী ময়মনসিংহের দুটি ব্যাংক থেকে প্রতারণার মাধ্যমে উত্তোলন করেন।

এক কোটি টাকা তার স্ত্রী ও শ্যালক কোথা থেকে পেলেন এবং টাকার উৎস কী? তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে বলে জানা যায়। জেলার গ্রেফতার হওয়ার পর নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ আদালতে একাধিকবার জামিন চাইলেও জামিন দেয়া হয়নি। বর্তমানে কিশোরগঞ্জ কারাগারে বন্দি আছেন সোহেল রানা। অভিযোগ রয়েছে কারাগারে জেলার সোহেল রানা জামাই আদরে বন্দি জীবন-যাপন করছেন।

যদিও এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের পৃথক তদন্ত কমিটি ঘটনার সঙ্গে আর ৪৮ জনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে, যার তদন্ত রিপোর্ট মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ময়মনসিংহ দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক সাধনচন্দ্র সূত্রধর বলেন, জেলার সোহেল রানা, তার স্ত্রী-সন্তান ও শ্যালকের ২৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে আরও ৪৮ জনের সম্পৃক্তার বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনটি পেতে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র কয়েকদিন হলো। মামলাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেক তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষীর বক্তব্য নিতে হচ্ছে। তাই মামলাটির চার্জশিট আদালতে জমা দিতে আরও দুই মাস সময় লাগতে পারে।

কারা মহাপরিদর্শক কার্যালয়ের ডিআইজি (প্রিজন) মো. বজলুর রহমান বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ৪৮ জনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি। তিনি বলেন, যেকোনো তদন্তের বিষয়টি গোপনীয়। তাই এ ব্যাপারে এখন কিছু বলা সম্ভব নয়।

উৎসঃ ‌‌‌জাগোনিউজ

আরও পড়ুনঃ ‌পর্দা নিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালেন আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী(ভিডিও সহ)


প্রধানমন্ত্রীর সম্প্রতি দেয়া বক্তব্য “হাত মোজা, পা মোজা, নাক-চোখ ঢেকে, একেবারে, এটা কী? জীবন্ত ট্যান্ট (তাবু) হয়ে ঘুরে বেড়ানো; এর তো কোনো মানে হয় না।” এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।

তিনি বলেছেন, হাত-পা মোজা ও নেকাব খাছ পর্দানশীন নারীদের পোষাক। পরহেযগার নারীরাই এই পোষাক পরিধান করে। জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ’লা মওদুদীর দর্শন হলো- ‘নারীরা চেহারা ও হাত-পা খোলা রাখতে পারবে’। প্রধানমন্ত্রী কি মওদূদীর দর্শন পছন্দ করেন এবং এদেশে তা প্রতিষ্ঠা করতে চান?

ভিডিওঃ  ‘এবার নারীদের মোজা ও নেকাব পরা নিয়ে কটাক্ষ করলেন শেখ হাসিনা! ’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

আজ (১১ জুন) সকালে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আল্লামা আতাউল্লাহ বলেন, পর্দানশীন নারীদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ও হেয় প্রতিপন্ন করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য গণমানুষের হৃদয়কে ক্ষত-বিক্ষত করেছে। ইভটিজিং, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বন্ধে শালীন পোষাকের প্রতি উদ্বুদ্ধ না করে খাছ পর্দানশীন নারীদের মোজা ও নেকাব নিয়ে এই কটুক্তি দেশকে আরো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেবে। ইসলামের পক্ষে ইতিপূর্বে প্রদত্ত তার বক্তব্য ও কাজগুলো এমনকি পবিত্র রমজানে উমরাকালে তার বোরকা ও হিজাব পরিধান জাতির কাছে এখন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাড়িয়েছে। পর্দানশীন নারীদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য মূলক বক্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তিনি আহবান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, মাদরাসার শিক্ষাসচিব ও খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, শায়খুল হাদিস সোলায়মান নোমানী, মাওলানা শেখ আজীমুদ্দীন, মুফতি মুজীবুর রহমান, মুফতি ইলিয়াছ মাদারীপুরী, মাওলানা আবরারুজ্জামান পাহাড়পুরী, মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন, মাওলানা রহমাতুল্লাহ, মুফতি আবুল হাসান, মাওলানা মাসউদুর রহমান, হাফেজ আবুল কাসেম ও মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ।

উৎসঃ ‌‌‌purboposhchim

আরও পড়ুনঃ ‌সরকারের আশ্রয়েই আছেন সোনাগাজী থানার সেই ওসি মোয়াজ্জেম!


ফেনীর সোনাগাজী সিনিয়র মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে নির্মমভাবে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার বিচার নিয়ে সরকারের মুখোশ ধীরে ধীরে খসে পড়ছে। প্রথম দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সরকারের মন্ত্রীরা হুঙ্কার ছেড়ে ছিলেন যে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত কেউ রেহায় পাবে না। সবাইকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র।

নির্মম এই হত্যাকাণ্ডকে যে আত্মহত্যা বলে বলে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছিলেন সোনাগাজী থানার সেই ওসি মোয়াজ্জেমকে বাঁচানোর জন্য এখন প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন মহল উঠে পড়ে লেগেছে। তার বিরুদ্ধে আনা সবগুলো অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরও আজ পর্যন্ত সরকার তাকে গ্রেফতার করেনি। সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন-ওসি মোয়াজ্জেম পলাতক। তাই তাকে ধরতে সময় লাগছে।

কিন্তু একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওসি মোয়াজ্জেম সরকারের আশ্রয়েই আছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালসহ প্রশাসন কর্মকর্তারা জানেন ওসি মোয়াজ্জেম কোথায় আছেন। ইচ্ছাকৃতভাবেই তারা ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতার করছে না।

সূত্রটি বলছে, পুলিশের আইজি জাবেদ পাটুয়ারীসহ প্রভাবশালী উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওসি মোয়াজ্জেম থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়েছে। এই টাকা খেয়েই তারা নুসরাত হত্যার চার্জশিট থেকে ওসি মোয়াজ্জেমের নাম বাদ দিয়েছে। এমনকি ওসি মোয়াজ্জেমকে রক্ষায় তারা সরকারের ওপর চাপও সৃষ্টি করেছে। গত ২৯ মে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামির মৃত্যুদন্ডের সুপারিশ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। যদিও তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এরপর গত ২৭ মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হওয়া মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়। ওই দিনই আদালত মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছায়নি। আদালত তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিলেও আজ পর্যন্ত সরকার তাকে গ্রেফতার করেনি। এমনকি রংপুরের ডিআইজিসহ প্রশাসনের লোকজন বলছেন ওসি মোয়াজ্জেম নাকি নিখোঁজ আছেন।

আর এখন সরকারের মন্ত্রীরা ওসি মোয়াজ্জেমকে নিয়ে একেকজন একেক ধরণের কথা বলছেন। তারা বলছেন, ওসি মোয়াজ্জেম নাকি পালিয়ে গেছেন। কেউ বলছেন পলাতক হওয়ার কারণে ধরা কঠিন হচ্ছে।

কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওসি মোয়াজ্জেম পলাতক নয়, সরকার এবং প্রশাসনের আশ্রয়েই আছেন। তাকে রক্ষায় এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রশাসনের লোকজন উঠেপড়ে লেগেছে। জানা গেছে, তাকে নিয়ে যদি সরকারের ওপর চাপ বেড়ে যায় তাহলে তাকে গ্রেফতার দেখাবে সরকার।

উৎসঃ ‌‌‌অ্যানালাইসিস বিডি

আরও পড়ুনঃ ‌আদালত স্থানান্তরের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার রিট: নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য পুরান ঢাকার কারাগার থেকে কেরানীগঞ্জের নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে হাইকোর্টে করা রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ শুনানি শেষে রিটটি নিয়মিত বেঞ্চে নিয়ে পাঠিয়ে দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এজে মোহাম্মদ আলী। তাদের সহায়তা করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এর আগে সোমবার শুনানিতে সাপ্লিমেন্টারি নথিপত্র এফিডেভিট আকারে দাখিলের জন্য কয়েক ঘণ্টা সময় প্রার্থনা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এর পর আদালত শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

সোমবার ব্যারিস্টার মীর হেলাল জানান, সম্পূরক নথিপত্র দাখিল করার জন্য সময় চাওয়া হলে আদালত শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করে দেন।

২৬ মে আদালতের অনুমতি নিয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আদালত স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট আবেদন করেন।

পরের দিন রিটের শুনানি করতে গেলে মামলায় হাইকোর্টের আদেশের পর দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) পক্ষভুক্ত করা হয়।

২৮ মে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ মামলাটি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি করেন।

এর আগে আদালত স্থানান্তরে জারি করা গেজেট বাতিল চেয়ে গত ২১ মে আইন সচিবকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়। সে নোটিশে গত ১২ মে জারি করা গেজেট বাতিলে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে গত ১২ মে জারি করা এ-সংক্রান্ত গেজেটটি প্রত্যাহার বা বাতিল না করা হলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে। সে অনুযায়ী সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে কোনো জবাব না পেয়ে ২৬ মে রিট আবেদনটি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ ‌বিমানবন্দরে নিরাপত্তার নামে সাড়ে ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বসানো হবে ৮ স্ক্যানার!


দেশের তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য প্রায় সাড়ে ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বসানো হবে ৮ স্ক্যানার।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে এর মধ্যে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রফতানি কার্গো স্ক্রিনিংয়ে (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) ৩৭ কোটি ২৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে দুটি স্ক্যানার বসানো হবে। অর্থাৎ একটি স্ক্যানারের পেছনে খরচ হবে ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা।

সেই সঙ্গে বিদেশগামী যাত্রীদের দেহ তল্লাশির জন্য দেশের তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য কেনা হবে ৬টি বডি স্ক্যানার। এতে ব্যয় হবে ১১ কোটি ১৮ লাখ ২৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি বডি স্ক্যানারের পেছনে প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ ৩৭ হাজার টাকা করে খরচ হবে।

এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় পরামর্শক সেবা ও প্রশাসনিক খরচ (সম্মানী, ভাড়া/মাইক্রোবাস, স্টেশনারি, প্রিন্টিং ও বাইন্ডিং, কম্পিউটার, ভ্রমণ ভাতা, ফি) বাবদ খরচ করা হবে ১ কোটি ১৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। বিদেশে স্টাডি ট্যুরে ৭ জনের পেছনে খরচ করা হবে ২৮ লাখ টাকা, আয়কর ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, কাস্টমস ডিউটি ৫০ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন ‘আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় স্ক্যানারগুলো কেনা হবে। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের পুনর্গঠিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) গত ১৮ মার্চ জমা দিয়েছে বেবিচক।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, প্রস্তাবনাটি আগামী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই একনেক সভায় উঠতে যাচ্ছে। এর আয়-ব্যয়ও বিশ্লেষণ করা হয়নি।

বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এতে ব্যয় হবে ৫৯ কোটি ৬২ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প ঋণ ৫৪ কোটি ১০ লাখ ১৬ হাজার টাকা। আর বেবিচক বহন করবে ৫ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার টাকা।

বেবিচক সূত্র জানায়, দেশের তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রফতানি কার্গো স্ক্রিনিংয়ের জন্য দুটি ইডিএস (বিস্ফোরক শনাক্তকরণ সিস্টেম) স্ক্যানার এবং বিদেশগামী যাত্রীদের দেহ তল্লাশির জন্য চারটি বডি স্ক্যানার কেনা হবে।

অপরদিকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রত্যেকটিতে বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য একটি করে মোট দুটি বডি স্ক্যানার কেনা হবে।

বেবিচক কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহ ও সংস্থানের লক্ষ্যে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) থেকে একটি জরিপ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে এই তিন বিমানবন্দরের জন্য স্ক্যানারগুলো সরবরাহের জন্য জাইকা কারিগরি সহায়তা দেবে। ২০১৭ সালের ৩০ জুলাইয়ে এ বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে। জাইকার দেয়া বর্ণনা অনুযায়ী কারিগরি সহায়তা গ্রহণের জন্য এই ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হককে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

অপরদিকে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন, পর্যটন ও পরিকল্পনা) মো. আতিকুল হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি এখানে নতুন এসেছি। এ বিষয়ে না জেনে কোনো কথা বলতে পারব না। এখন ব্যস্ত আছি, বিমানবন্দরে যেতে হবে।’

উৎসঃ ‌‌‌jagonews24

আরও পড়ুনঃ ‌আলোচনা সভায় যোগ দিতে হেলিকপ্টারে চড়ে ইসির যাতায়াত ব্যয় সাড়ে ৭ লাখ টাকা


নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত দু’টি আলোচনা সভায় যোগ দিতে যাতায়াত ভাড়া বাবদ সাড়ে সাত লাখ টাকা ব্যয় করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদত হোসেন চৌধুরী এবং সদ্যবিদায়ী ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতে রাঙামাটিতে গিয়েছিলেন সিইসি। ১৮ ডিসেম্বরের ওই সফরে সিইসি কেএম নূরুল হুদা এবং সফরসঙ্গীরা রাঙামাটিতে ও চট্টগ্রামে দু’টি আলোচনা সভা করেন। এতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেলা ১১টায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে এবং বিকেল ৩টায় চট্টগ্রামে কাজী দেউড়ীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেশন হলে সভা দু’টির আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।

সভায় যাতায়াতের ব্যয় বেশি হওয়ার কারণ সম্পর্কে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সিইসি সেদিন সভায় গিয়েছিলেলেন এমআই-১৭১ এসএইচ হেলিকপ্টারে চড়ে। তিনি ও সফরসঙ্গীরা মোট ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট আকাশে উড়েছেন। প্রতি ঘণ্টায় ১ লাখ ৯৬ হাজার ২৬১ দশমিক ৪৪ টাকা হারে ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের জন্য ৬ লাখ ৩৭ হাজার ৮৫০ টাকা ভাড়া বাবদ খরচ হয়েছে। যার সঙ্গে যোগ হয়েছে ৯৫ হাজার ৬৭৮ টাকা ভ্যাট। সব মিলিয়ে দুই সভায় যোগ দিতে যাতায়াত ভাড়া গেছে ৭ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৮ টাকা।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব মাহফুজা আক্তার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত মঞ্জুরি আদেশ ইতিমধ্যে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে— একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পার্বত্য রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার দুর্গম ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী দ্রব্যাদি পাঠানো ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের হেলিকপ্টারযোগে যাতায়াত; নির্বাচন কমিশনার এবং ইসি সচিবের পার্বত্য রাঙামাটি ও চট্টগ্রামে নির্বাচন বিষয়ক সভায় অংশগ্রহণ উপলক্ষে এ ব্যয় হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেলিকপ্টার ব্যবহারে ইসির মোট ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৫০ হাজার ১১ টাকা। এই অর্থের ব্যয় বিভাজন হিসেবে ওই মঞ্জুরি আদেশে বলা হয়েছে, ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত এমআই-১৭ হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছে ইসি। মোট ৪ ঘণ্টায় রংপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা, সাতক্ষীরায় আকাশপথ ব্যবহারের সহায়তা নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ১০ লাখ ১০ হাজার ৯৮৪ টাকা।

একই সময়ের (২৬ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি) মধ্যে ৫৭ ঘণ্টা ৩০ মিনিট এমআই-১৭১এসএইচ হেলিকপ্টারে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনী সহায়তা নেওয়ার জন্য ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৮৮ টাকা। এছাড়া বেল-২১২ হেলিকপ্টার ৩৮ ঘণ্টা ২৫ মিনিট ব্যবহারের জন্য ব্যয় হয়েছে ৫৩ লাখ ২৭ হাজার ৭১১ টাকা।

আর এমআই-১৭১ এসএইচ হেলিকপ্টারে চড়ে সভায় যোগ দেওয়ায় সিইসির ব্যয় হয়েছে ৭ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৮ টাকা। সংসদ নির্বাচনে একটি বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহারের সহায়তা নেয় নির্বাচন কমিশন।

উৎসঃ ‌‌‌বাংলানিউজ

আরও পড়ুনঃ ‌দলের এমপিদের সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখার নির্দেশ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান


জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশ শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (১১ জুন)। এদিন জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেবেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত পাঁচ সংসদ সদস্য ও একজন সংরক্ষিত নারী সদস্য।

এজন্য সোমবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারা দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

ওই বৈঠকে লন্ডন থেকে স্কাইপেতে যোগ দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সংসদের বাজেট অধিবেশনে দলের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা যায়।

জানতে চাইলে দলের যুগ্ম-মহাসচিব সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমাদের সঙ্গে বলেছেন বাজেট অধিবেশনে যেন আমরা জোরালো ভূমিকা রাখি। দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তির বিষয়টিতো থাকছেই। দেশের সার্বিক রাজনৈতিক বিষয়েও সবাইকে কথা বলার জন্য বলেছেন।

তিনি আরও বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়ার) মুক্তির জন্য আমরা অবশ্যই সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলবো।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ, আব্দুস সাত্তার ভূইয়া, মোশারফ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান ও রুমিন ফারহানা উপস্থিত ছিলেন।

উৎসঃ ‌‌‌বাংলানিউজ

আরও পড়ুনঃ ‌এবার নারীদের মোজা ও নেকাব পরা নিয়ে কটাক্ষ করলেন শেখ হাসিনা! (ভিডিও সহ)


পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তর মুসলিম দেশ হল আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের মুসলমানরা শত শত বছর ধরে কুরআন-সুন্নাহ ও ইসলামিক কালচার অনুযায়ী জীবন যাপন করে আসছে। পোশাকের ক্ষেত্রেও এদেশের মুসলমানরা ইসলামি পোশাক পরতেই বেশি পছন্দ করেন। তারপরও পাশ্চাত্যের গোলাম হিসেবে পরিচিত কিছু নামধারী মুসলমান এদেশের মুসলমানদের মধ্যে পাশ্চাত্যের নোংরা সংস্কৃতি ঢোকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। নেকাব ও হিজাবধারী স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ও নারীদেরকে তারা ধর্মান্ধ বলে গালি দিয়ে থাকে। নেকাব ও হিজাব পরার কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রীদেরকে বের করে দেয়ার ঘটনাও ঘটছে।

ভিডিওঃ  ‘এবার নারীদের মোজা ও নেকাব পরা নিয়ে কটাক্ষ করলেন শেখ হাসিনা! ’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

আধুনিকতার নামে উলঙ্গ সংস্কৃতির অনুসারীরা প্রায় সময়ই নেকাব ও হিজাব নিয়ে কটাক্ষ করে থাকে। টেলিভিশনের টকশোতে তারা হিজারধারী নারীদেরকে নিয়ে নানা রকম বাজে মন্তব্য করে থাকে।

লক্ষণীয় বিষয় হলো- এখন রাষ্ট্রের অভিভাবক শেখ হাসিনা নিজেও নেকাবধারী নারীদেরকে নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছেন। রোববার গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা খুব তাচ্ছিল্যের সঙ্গে হাতে পায়ে মোজা পরা ও নেকাব দিয়ে চোখ-মুখ ঢেকে রাখা নারীদেরকে কটাক্ষ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে এসএ টিভির সিইও ও সারাবাংলা ডটনেটের সম্পাদক ইসতিয়াক রেজা প্রশ্ন করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আমাদের নারীদের বিরুদ্ধে কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠী ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আস্তিক-নাস্তিক বিতর্ক সৃষ্টি করছে, ধর্মীয় সংঘাত ও সহিংসতা সৃষ্টি করছে। এদের ব্যাপারে আপনি কি ব্যবস্থা নেবেন এবং রাষ্ট্র কি ব্যবস্থা নিতে পারে?

জবাবে শেখ হাসিনা অনেক বয়ান করেছেন। হযরত খাদিজা ও আয়েশার জীবন কাহিনী বর্ণনা করেছেন। তারা নারী হয়েও যুদ্ধ করেছেন। ওই সময় নারীরা অনেক ক্ষমতাধর ছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশে নারীদের ক্ষমতায়নের বয়ান করলেন। বললেন- আমরা নারীদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এখন পাইলট আছে আমার নারী, আর্মি অফিসার আছে আমার নারী, মেজর আছে আমার নারী। আমি নারীদেরকে সবখানে তুলে নিয়ে আসছি। এটাই তাদের জবাব।

এরপর কয়েক সেকেন্ড বিরতির পর ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দাঁড়ালেন প্রশ্ন করতে। ওই সময় শেখ হাসিনা নারীদের প্রসঙ্গে আবার বললেন, হাত মোজা, পা মোজা, নাক-চোখ ঢাইক্কা এটা কি? জীবন্ত tent (তাবু) হয়ে ঘুরে বেড়ানো এটারতো কোনো মানে হয় না।

সচেতন মানুষও মনে করছেন, শেখ হাসিনা এখানে সরাসরি নেকাব ও হিজাবধারী নারীদেরকে অপমান করেছেন। ইসলামি বিধান অনুযায়ী পোশাক পরার অধিকার একজন মুসলিম নারীর আছে। কিন্তু শেখ হাসিনা একটি মুসলিম দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে হাত মোজা, পা মোজা ও নেকাব পরিধান করে নাক-চোখ ঢেকে রাখাকে তাচ্ছিল্য করতে পারেন না। এর মাধ্যমে শেখ হাসিনা এদেশের মুসলিম নারীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।

ভিডিওঃ  ‘এবার নারীদের মোজা ও নেকাব পরা নিয়ে কটাক্ষ করলেন শেখ হাসিনা! ’

[সংবাদের ভিডিওটি দেখতে প্লে বাটনে ক্লিক করুন]

উৎসঃ ‌‌‌অ্যানালাইসিস বিডি

আরও পড়ুনঃ ‌নৌকা ভ্রমণেও যদি কৃষিমন্ত্রীর সোফার প্রয়োজন হয়, তাহলে কৃষকের সুখ-দুঃখ কীভাবে অনুভব করবেন!


গত বৃহস্পতিবার থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের একটি ছবি।

লাখো ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর টাইমলাইনে ছবিটি শেয়ার করতে দেখা গেছে।

ছবিটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছেন নেটিজেন।

শেয়ার করা পোস্টে ইতিবাচক ও নেতিবাচক মন্তব্যে করছেন অনেকে। তবে এসব মন্তব্যের মাঝে নেতিবাচকই বেশি দেখা গেছে।

কৃষিমন্ত্রীর ভাইরাল সেই ছবিতে দেখা গেছে, খোলা একটি নৌকার পাটাতনে মুখোমুখি দুটি সোফা পাতা রয়েছে। আর একটি সোফায় হাস্যোজ্জ্বল মুখে বসে আছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তার সঙ্গে নৌকায় নারী-শিশুসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন।

নৌকাটি ঘন জঙ্গলের পাশ কেটে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে। বেশ খোশ মেজাজে রয়েছেন মন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রীর এই ছবিকে ঘিরে নানা রকম মন্তব্য করা হয়েছে।

অনেকে লিখেছেন, ‘আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য এ নৌকা ভ্রমণেও যদি কৃষিমন্ত্রীর সোফার প্রয়োজন হয়, তাহলে তিনি কৃষকের সুখ-দুঃখ কীভাবে অনুভব করবেন।’

সমীরণ দেবনাথ নামে একজন লিখেছেন, ‘কৃষিমন্ত্রী হবেন মাটির মানুষ। যার মাটির সঙ্গে সখ্য থাকবে। অথচ ইনি দেখছি এর উল্টো।’

সৈয়দা তাজমিরা আখতার নামে একজন কমেন্ট করেছেন, ‘এইসব কর্মকাণ্ড দেখে হতাশ হয়ে যাচ্ছি। এরা নিজেদের জনগণের সেবক মনে করেন না।’

শামীম আহমেদ লিখেছেন, ‘এখনতো মন্ত্রী, তাই হয়তো একটু বাড়তিই উঠলেন এই আর কী…..’

ফুয়াদ লিখেছেন, ‘নৌকায় উঠে এমন রাজকীয় ভঙ্গিতে এর আগে কাউকে বসতে দেখিনি। হয়তো এর মাধ্যমে ড. রাজ্জাক জানালেন, তিনি আমাদের মতো সাধারণ নাগরিক নন, তিনি মন্ত্রী, তিনি ভিআইপি।’

কেউ কেউ ড. আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর অমিল খুঁজে পেয়েছেন।

প্রবাসী সাংবাদিক ফজলুল বারী নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘মতিয়া চৌধুরীর সঙ্গে (সাবেক কৃষিমন্ত্রী) সবকিছুতে ইনি উল্টো ডিগ্রির। কৃষিমন্ত্রী হিসেবে ইনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি ভুল চয়েস।’

একজন ব্যাঙ্গ করে লিখেছেন, মন্ত্রীর এই প্রমোদতরী ভ্রমণের সময় ওই আশপাশের খালগুলোর নৌকা আটকে রাখা হয়েছিল কিনা। নাকি তিনি উল্টো পথ দিয়ে যাচ্ছেন?

একটি ফেসবুক গ্রুপে লেখা হয়েছে, ‘দেশে যখন ধান কাটতে টাকা না থাকায় কৃষক জমিতে আগুন দিচ্ছে, ধানের দাম না থাকায় কৃষকরা ঈদ করতে পারছে না, আত্মহত্যাও করতে চেয়েছেন কয়েকজন কৃষক, তখন মাননীয় মন্ত্রী নৌকাতে সোফা বিছিয়ে ভ্রমণে বেরিয়েছেন!

কৃষকদের এই অবস্থায় কৃষিমন্ত্রীর এমন নৌকা ভ্রমন কতটা কাঙ্খিত দেশের মানুষের কাছে?’

এমন সব নেতিবাচক ও ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্যের ভিড়ে ইতিবাচক মতামতও জানিয়েছেন কেউ কেউ।

বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কয়েকজন।

কেউ কেউ মন্ত্রীর সমর্থনে বিষয়টিকে নিয়ে রাজনীতি না করতে অনুরোধ করেছেন।

সুব্রত নন্দী নামে একজন লিখেছেন, ‘ভাই উনি সহজ-সরল মানুষ। চাটুকাররা হয়তো নৌকায় সোফা বসিয়ে ওনাকে বসতে বলেছেন। উনি অতো কিছু না ভেবে বসে পড়েছেন।’

একজন লিখেছেন, ‘এটা দৃষ্টিকটু হতে যাবে কেন? ড. আব্দুর রাজ্জাক একজন খাঁটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ। তবু যদি কারও কাছে বিষয়টি খারাপ লেগে থাকে তাহলে তার ভুল ভেবে মাফ করে দিয়েন।’

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ঈদের ছুটিতে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত রাতারগুল ভ্রমণে গিয়েছিলেন। এ সময় তার সঙ্গে তার স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ভ্রমণের আয়োজন করেন কানাডা আওয়ামী লীগের সভাপতি সারওয়ার আহমেদ।

এ বিষয়ে সারওয়ার আহমেদ বলেন, ‘কৃষিমন্ত্রী স্বপরিবারে বৃহস্পতিবার সিলেট পৌঁছান। সেখান থেকে সেদিনই তিনি রাতারগুল ভ্রমণে যান। তবে নৌকার ওপর সোফা তুলে কৃষিমন্ত্রীর ভ্রমণের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।’

নৌকায় সোফা তোলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সোফা ও নৌকার আয়োজন করে। মন্ত্রী এ বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেন না।’

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রণালয়কে দায়ী করে বেশ ফুঁসে রয়েছেন সাধারণ জনতা। গত ১৩ মে ধানের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া গ্রামের আবদুল মালেক সিকদার নামের এক কৃষক নিজের পাকা ধানে আগুন দিয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানান।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ গণমাধ্যমে এলে দেশব্যাপী তোলপাড় হয়। কৃষকদের বাঁচাতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দেশবাসী।

তুমুল সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে ফেসবুকে।

এ ঘটনার পর সমস্যা নিরসনে চাল আমদানি বন্ধ করে চলতি বছর ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রফতানির সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

তবুও অনেকে সমালোচনা করেই যাচ্ছেন। কৃষিমন্ত্রীর এবার এম ছবিটি যেন সেই সমালোচনার নৌকার পালে আবার হাওয়া দিল।

উৎসঃ ‌‌‌যুগান্তর

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here