৭ দফার এক দফাও মানা হচ্ছে না : ফ্রন্টের পিঠ দেয়ালে ঠেকেছে : ঘুরে দাঁড়ালে দায়ী কে হবে?

0
117

কয়েক দিন আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় জাতীয় পার্টি প্রধান এইচ এম এরশাদ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কিনা সেটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। তার এই বক্তব্য টেলিভিশনে শুনে বা অনলাইন নিউজ পোর্টালে পড়ে অনেকগুলো প্রাইভেট টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে এই বিষয়ে আলোচনা হয়। অনেকে গবেষণা করতে থাকেন, এরশাদ কেন বলেছেন এ কথা? নির্বাচন সত্যি সত্যিই হবে কিনা, এ নিয়ে নানান জনে নানান কথা বলেছেন। তবে একটি টকশোর একজন আলোচক বলেন, আমি এরশাদ সাহেবের এই কথার কোনো গুরুত্ব দিচ্ছিনা। কারণ তার কথার কোনো ঠিক নাই। সকালে একটা বলেন বিকেলে আর একটা বলেন, আলোচ্য ক্ষেত্রে অর্থাৎ নির্বাচন হবে কিনা সে কথাতেও এরশাদ কতদিন স্টিক করেন সেটিও দেখার বিষয়।

আসলেও তাই। ২৭ অক্টোবর সেই একই এরশাদ বললেন, নির্বাচন নিয়ে তার যে শঙ্কা ছিল সেই শঙ্কা এখন আর নাই। কেনই বা তার শঙ্কা হয়েছিল, আর কেনই বা তার সেই শঙ্কা কেটে গেল সেটার তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। এরশাদ সাহেবের শঙ্কা তো কেটে গেল। কিন্তু এখন অন্য মহল থেকে সেই শঙ্কার কথা শোনা যাচ্ছে। তাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে , ঈশান কোণে কালো মেঘ জমছে। মনে হচ্ছে, নির্বাচনের আকাশেও কালো মেঘ আনা গোনা করছে।

সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে মন্ত্রী-শান্ত্রী, আওয়ামী লীগের এমপি এবং আওয়ামী ঘরানার অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতারা যে কোনো পলিটিক্যাল ডিমান্ড উঠলেই সেটার মধ্যে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭ দফা দাবিনামা দিয়েছে। এখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের থেকে শুরু করে অনেক মন্ত্রী এবং এমপি বলছেন, ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবিটিই নাকি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র। এটি বড় অদ্ভুত কথা। ৭ দফা তো কোনো গোপন বিষয় নয়। আগামী ইলেকশনটি যাতে অংশগ্রহণমূলক এবং সমতল ক্ষেত্র বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে হতে পারে সেজন্যই দেওয়া হয়েছে ৭ দফা। ৭ দফা কোনো নির্বাচনী ওয়াদা নয়। বরং দলমত নির্বিশেষে সকলে যাতে নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নিতে পারে সেজন্যই দেওয়া হয়েছে ৭ দফা। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখন বলা হচ্ছে ৭ দফার একটি দফাও মানা হবে না।

সরকারের বড়-ছোট নেতারা যে ভাষায় কথা বলছেন, সেগুলো নির্বাচন করার কোনো ভাষা নয়। বলা হয়, জন্ডিসে আক্রান্ত রোগী নাকি সব কিছুই হলুদ দেখে। আসলে তাদের চোখ হলুদ বর্ণ ধারণ করে। জন্ডিস রোগী সব কিছুই হলুদ দেখে সেই কথাটিই চলে আসছে। এখন দেখছি সরকারের বড়-ছোট নেতাতো বটেই, সরকার পন্থী পত্রিকা গুলোও ঐক্যফ্রন্টের সব কাজ এবং সব কথার মধ্যে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। গত ২৭ অক্টোবর দেশের অতি প্রাচীন পত্রিকাটি ফলাও করে একটি খবর ছেপেছে। দ্বিতীয় প্রধান সংবাদ হিসাবে প্রকাশিত খবরটির শিরোনাম, ‘ষড়যন্ত্র নিয়ে শঙ্কা/ নির্বাচন নিয়ে সংশয় ছড়াচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট/সক্রিয় ওয়ান-ইলেভেনের কুশলীবরাও।’ খবরটি শুরুই করা হয়েছে এই বলে, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ষড়যন্ত্র চলছে। নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ষড়যন্ত্র যেন ততই বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের সিনিয়র মন্ত্রী ও নেতারাও বলছেন, ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। ষড়যন্ত্রকারীদের এখন একটাই টার্গেট, নির্বাচন বানচাল করা। আর এ লক্ষ্য পূরণে সারাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে কৌশলে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে আতঙ্ক। বলা হচ্ছে, ‘নির্বাচন হবে না। দেখোই না এক মাস পর কী হয়। তফসিল ঘোষণার পর ঝড় উঠবে। সরকার ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। কত মন্ত্রী-এমপির লাশ পড়ে বলা যাচ্ছে না।’ বিমান ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে বলে বলা হচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে কান পাতলেই এমন কথা শোনা যায়। ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের এক শ্রেণির নেতাকর্মী এবং একাত্তরের পাক বাহিনীর সহায়তায় গঠিত শান্তি কমিটির সন্তান-স্বজনরা এই তথ্য সন্ত্রাসে জড়িত। রাজপথসহ একেবারের গ্রাম পর্যায়ে চায়ের আড্ডা, ঘরোয়া রাজনৈতিক কর্মসূচি, বিপণিবিতান থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস, সবখানেই চলছে কৌশলে এই তথ্য সন্ত্রাস। আবারো ওয়ান-ইলেভেনের পুনরাবৃত্তি ঘটবে বলেও অপপ্রচার করা হচ্ছে।’

রাজনীতির একটি আলাদা পরিভাষা আছে। বিরোধী দলীয় পলিটিশিয়ানরা যেসব কথা বলছেন তার প্রত্যেকটি কথাকে বিকৃত করা হচ্ছে। ব্যরিস্টার মওদুদ আহমেদ এবং মির্জা ফখরুল মৃদভাষী এবং ভদ্রভাষী হিসাবে পরিচিত। এখন দেখা যাচ্ছে মির্জা ফখরুল, ব্যরিস্টার মওদুদ, আসম রব এবং মাহমুদুর রহমান মান্না রাজনীতি এবং নির্বাচন নিয়ে যখন যা বলছেন তাদের প্রত্যেকটি বক্তব্যের বিকৃত এবং অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে। ভাবতে অবাক লাগে, তথ্য সন্ত্রাসের যে অভিযোগ বিরোধী দলের বিরুদ্ধে আরোপ করা হচ্ছে সেই কাজটি সরকার দলীয় মিডিয়া এবং পলিটিশিয়ানরাই করছে। নির্বাচন হবে না, দেখোই না এক মাস পর কি হয়, এই ধরণের কোনো কথা বিরোধী দলের তরফ থেকে কখনোই বলা হয়নি।

দুই

ঐ প্রাচীন পত্রিকাটির আলোচ্য খবরে বলা হয়েছে, বিরোধী দলের নেতারা নাকি বলেছেন, কত মন্ত্রী এমপির লাশ পড়ে বলা যাচ্ছে না। বিমান ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও নাকি ঘটতে পারে। আমি দৈনিক আটটি পত্রিকা পড়ি। এছাড়া কম্পিউটারে যত গুলো সম্ভব অন লাইন নিউজ পোর্টাল পড়ি। কোথাও আমি এই ধরণের লাশ পড়া বা বিমান ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা কারো মুখ দিয়ে বের হয়েছে এমনটি দেখিনি। সরকার দলীয় বন্ধুদের বলবো, মেহেরবানী করে বলুন, কোন নেতা বা কোন কোন নেতা এই ধরণের ভয়াবহ কথা বলেছেন এবং কোথায় বলেছেন। কোথায় কোন পত্রিকায় এসব খবর ছাপা হয়েছে। আরও বড় কথা হলো, মইনুল হোসেন টেলিভিশনে মাসুদা ভাট্টিকে একটি আপত্তিকর কথা বলেছেন। সেকথার জন্য মাসদুা ভাট্টির মামলায় জামিন পাওয়া সত্তে¡ও তাকে রাত সাড়ে ১০টার সময় গ্রেফতার করা হয়। তাহলে এমন ভয়াবহ এবং মারাত্মক কথা বলার পরেও সেই কথককে বা বক্তাকে আইনের আওতায় আনা হয়না কেন? বিএনপি জিতলে এক লাখ লাশ পড়বে, সেকথা বলেছেন একজন অতিব গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। আর ৫ লাখ লাশ পড়বে, সেকথা বলেছেন একজন সিনিয়র মন্ত্রী। কিন্তু এই ধরণের রক্ত হিম করা কথা বিরোধী দলের কোনো নেতা কোথাও একটি বারের জন্যও বলেননি। অন্তত সাধারণ মানুষের কাছে তার কোনো রেকর্ড নাই।

তিন

অতীতেও এই স্বাধীন দেশে অন্তত ১০ বার নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু এবার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের তরফ থেকে যে প্রচন্ড উত্তেজনা এবং আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে তেমন উত্তেজনা এবং আতঙ্ক অতীতে ৪৭ বছরে সৃষ্টি করা হয়নাই। তাই যারা প্রবীণ, অভিজ্ঞ এবং বাংলাদেশের রাজনীতি বিগত ৪ দশক পর্যবেক্ষণ করছেন, তাদের মনে আজ প্রশ্ন, এই ধরণের শঙ্কা ও আতঙ্ক সৃষ্টি কি নির্বাচন করার লক্ষণ? সরকার যে প্রচন্ড দমননীতি অনুসরণ করছে এবং আইনের শাসনের তোয়াক্কা না করে জোর যার মুল্লুক তার নীতি চালিয়ে যাচ্ছে সেটি দেখে শিক্ষিত মানুষ ভাবছেন, এদেশে কি আর গণতন্ত্র আছে? এদেশে কি আর আইনের শাসন আছে? সারাজীবন যিনি আইনের মানুষ হিসাবে কাটিয়ে দিলেন সেই কামাল হোসেন আজ বলছেন, দেশে আইনের শাসন নাই, দেশে চলছে এখন জংলী শাসন। জংলীরা শাসন করে জঙ্গল। বাংলাদেশ এখন তার ভাষায় একটি জঙ্গল বা অরণ্য। তার মতে, বাংলাদেশ সুন্দরবন হয়ে গেছে। তিনি বলেন, এটা তো কোনো রাজার শাসনের দেশ নয়। আদালত জামিন দিয়েছে অথচ ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এসব কি শুরু হয়েছে? একটি সভ্য দেশকে জঙ্গল বানানো হচ্ছে। এইসব তো জঙ্গলীরাও করেনি। তিনি আরো বলেন, অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে বলছি, কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী বলে না, সবাই মামলা করো-মামলা করো। এদেশে তাই ঘটছে। ৪৭ বছরের ইতিহাসে এইসব দেখি নাই। আজ আমার ৮০ বছরের বয়সে এইসব দেখে আমাকে অপমানিত করা হচ্ছে।

শুধু মাত্র মইনুল হোসেনেরই বিচার নয়, যেখানে নির্বাচনের আর মাত্র সর্বোচ্চ ২ মাস ১০ দিন বাকি আছে সেখানে এখন চলছে র‌্যান্ডম গ্রেফতার, দমন-পীড়ন এবং মামলাবাজি। এতদিন বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে দমননীতি চালানো হয়েছে। সন্ত্রাসী, জঙ্গি, অগ্নি সন্ত্রাসী, পাকিস্তানের দালাল, স্বাধীনতা বিরোধী ইত্যাদি বলে স্টিম রোলার চালানো হয়েছে। কিন্তু এখন? ড. জাফরুল্লাহ কি স্বাধীনতা বিরোধী? বরং মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা করে যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সেই জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে একটি লোকও খুঁজে পাওয়া যাবে না যে জানে না, গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল অত্যন্ত কম পয়সায় গরীবদের চিকিৎসা দিচ্ছে। অথচ, সেই গণস্বাস্থ্য ভবনে হামলা চালানো হয়েছে এবং অনেক মূল্যবান চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ভাংচুর করা হয়েছে। মইনুল হোসেনের পিতা মানিক মিয়া যেমন বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসন এবং স্বাধিকারের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন, তেমনি মইনুল হোসেনও বাংলাদেশ স্বাধীন করায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি কি স্বাধীনতা বিরোধী? রাজাকার? নির্বাচনের আগে বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এগুলো কি সুষ্ঠ নির্বাচনের আলামত?

চার

আর একটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা ১০/১২ বছরের পুরাতন মামলা। মামলা যখন হয়েছে তার বিচার হবে। এই ১০/১২ বছরে বিচার হলো না, কিন্তু নির্বাচনের বছরে তার বিচার করে ৫ বছরের সাজা দেওয়া হলো কেন? একই কথা প্রযোজ্য জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায়। এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে গতকাল রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা হয়েছে ৭ বছর। অতঃপর নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার জেল থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা কম। আরও আছে। ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলা ১৫ বছরের পুরাতন মামলা। সেই মামলার রায়ও নির্বাচনের আড়াই মাস আগে এই অক্টোবরে দেওয়া হলো কেন? এই রায় নির্বাচনের বেশ কয়েক বছর আগে দেওয়া যেতো অথবা নির্বাচনের পর দেওয়া যেতো।

এসব থেকে সরকারের মতলব পরিস্কার বোঝা যায়। যে কোনো প্রকারে নির্বাচনে জিততে হবে এবং সেই নির্বাচন হবে একতরফা। বেগম জিয়া, তারেক রহমান সহ শীর্ষ নেতা এবং লক্ষ কর্মীকে বাইরে রেখে নির্বাচন করতে হবে। এত কিছু করেও তারা নিশ্চিত নয়। তাই ঘর থেকে বের হতে দেওয়া হয় না, সভা করতে গেলে পারমিশন দেওয়া হয় না, সভা করতে গেলে সভার আগে এবং পরে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়। নির্বাচনের ২ মাস আগেও ৭ দফা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং আলোচনার সমস্ত পথ বন্ধ করা হয়। তারপরেও দেখা যায়, সিলেট বা চট্টগ্রাম সর্বত্র ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় মানুষের ঢল নামে।

এর পর কি আর বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার কোনো পথ থাকে? বিএনপিকে ঠেলতে ঠেলতে দেওয়ালে ঠেকিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন যদি সে ঘুরে দাঁড়ায় তাহলে সেটি কি অপরাধ হবে? এই ঘুরে দাঁড়াতে গেলে, ওবায়দুল কাদেরের ভাষায় নাকি রাজনৈতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হবে। যদি হয় তাহলে দায়ি কে হবে? দেওয়ালে পিঠ ঠেকার ফলে গত ২৭ অক্টোবর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ২৮ অক্টোবর রুহুল কবির রিজভী বলতে বাধ্য হয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে বিএনপির পক্ষে নির্বাচনে যাওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং নির্বাচনী আকাশে সত্যি সত্যিই কালো মেঘের আনা গোনা দেখা যাচ্ছে। আর এজন্য বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্ট মোটেই দায়ি নয়। দায়ি সরকার। যদি কোনো কারণে নির্বাচন বিপর্যস্ত হয় তার জন্য সম্পূর্ণ ভাবে দায়ি হবে সরকার।

ইনকিলাবের সম্পাদকীয়

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here