ইন্টারনেট বন্ধ নয়, ভোটের দিন বেশি ব্যবহারের কারণে নেটের গতি কম ছিলঃ শেখ হাসিনা

0
1479

নির্বাচনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ বা ধীরগতি করা হয়নি, অনেক বেশি ইউজারের কারণে এটা এমনিতেই ধীরগতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সন্ধ্যায় গণভবনে বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করেন, বাংলাদেশ তথ্য ও প্রযুক্তিতে উন্নত হয়েছে, কিন্তু নির্বাচনকালীন সময়ে ইন্টারনেট ডাউন কেন করা হয়েছিলো, এতে মিডিয়াকর্মীদেরও সংবাদ পাঠাতে বেশ কষ্ট হয়েছে…?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগণিত মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে। আমার তো মনে হয় অনেক ব্যবহার করলে ইন্টারনেট এমনিতেই স্লো হয়ে যায়। এটা ইউজারের কারণে হতে পারে। আপনি যখন নেটে গিয়েছিলেন তখন হয়তো ইউজার বেশি থাকার কারণে সমস্যা হয়েছে।

৩০ দেশের পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শেখ হাসিনা এই মন্তব্য করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমাম, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

সুত্রঃ ‌bangla.24livenewspaper

আরও পড়ুনঃ নির্বাচনের দিন বেশি ব্যবহার হওয়ায় নেটের গতি কম ছিলঃ বিদেশি সাংবাদিকদের শেখ হাসিনা

গণভবনে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ভিসা জটিলতা, সক্রিয় বিরোধী দলের অভাব, বিরোধী দলের উপর হামলা মামলা ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয় উঠে আসে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

নির্বাচনে ইন্টারনেটের গতি কেন কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল? আমাদের ইন্টারনেট অনেক প্রয়োজন ছিল। কিন্তু নির্বাচনের সময় আমরা প্রযুক্তিগত সেই সুবিধা পাইনি।- এক সাংবাদিকের এমন অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ নির্বাচনের দিন ইন্টারনেট বেশি ব্যবহার হওয়ায় গতি কমে গিয়েছিল।’

আল-জাজিরার এক প্রতিবেদক প্রশ্ন করেন, এবার বিদেশি পর্যবেক্ষকের সংখ্যা অনেক কম। ভিসা জটিলতায় অনেকেই আসতে পারেননি। তাছাড়া বাংলাদেশে অনেক দিন ধরেই সরকারের একচ্ছত্র আধিপত্যে সহিংসতা হয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন আনবেন কিনা – জিজ্ঞাসা করেন ওই সাংবাদিক।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীরা তাদের কোনও রকম হয়রানি করেননি। বরং বিরোধী দলের হামলায় আমাদের প্রায় ২০ জন নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আমি তাদের নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়েছি, সংলাপ করেছি। আমি অনেক সময় ব্যয় করেছি, যেন তারা নির্বাচনে অংশ নেয়। আমরা তাদের ওপর চড়াও হতে চাই না। আমরা দেশের উন্নতি চাই।’

আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সংসদে সক্রিয় বিরোধীদল না থাকায় কি আপনি চিন্তিত? আপনি কি শঙ্কিত যে, আবারও সহিংসতা হতে পারে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সহিংসতা ঠেকাতে যেকোনও পদক্ষেপ নেবো।’

সুত্রঃ ‌ইসলাম টাইমস

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here