জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮০ আসনে ধানের শীষের টিকিট যাদের হাতে!

0
342

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দিয়েছে বিএনপি। সারা দেশে ২৮০ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে রাজপথের এ বিরোধী দল। ২৮০ আসনে ৮০০-এর বেশি প্রার্থীকে ধানের শীষের টিকিট দেয়া হয়েছে। আসনপ্রতি গড়ে প্রায় তিনজন করে মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন। যে ৮০০ প্রার্থীকে চিঠি দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে বিএনপির বাইরেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং ২০ দলের শরিক দলগুলোর নেতাদেরও কোনো কোনো আসনে মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়েছে। যারা বিএনপির টিকিট নিয়েছেন, সবাই ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন।

বিএনপির মনোনয়নের চিঠি দেয়ার ক্ষেত্রে এবার ব্যতিক্রম কিছু ঘটনা ঘটেছে। এবারই প্রথম বিএনপি কোনো আসনে দুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিল। এক দশক ধরে নির্বাচনী রাজনীতির বাইরে থাকা বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ফৌজদারিসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে মামলা রয়েছে। যারা দলের টিকিট পেয়েছেন, তাদের মধ্যে ব্যতিক্রম বাদে মামলা নেই এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। বিষয়টি মাথায় রেখে বিএনপি প্রতিটি আসনে বিকল্প প্রার্থী রেখেছে। বিষয়টি নিয়ে দলটির ভেতর-বাইরে নানা সমালোচনা থাকলেও জ্যেষ্ঠ নেতারা বলছেন- সুচিন্তিতভাবেই এ মনোনয়ন ঠিক করা হয়েছে। এখানে কাকতালীয় কিছুই ঘটেনি।

বিকল্প প্রার্থী রাখার বিষয়ে বিএনপির বেশ কয়েকটি যুক্তির মধ্যে একটি হচ্ছে- বিদ্রোহ ঠেকানো। পাশাপাশি মামলা কিংবা ঋণখেলাপির কারণে প্রার্থিতা বাতিল হলে কোনো আসন যেন দল কিংবা জোটের প্রার্থী শূন্য না থাকে, সেটি বিএনপির নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় ছিল। গত দুদিনে ২৮০ আসনে প্রার্থী দিলেও বাকি ২০ আসনে কাউকে চিঠি দেয়া হয়নি। জোটের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়ায় ওই সব আসনে কাউকে ধানের শীষের টিকিট দেয়া হয়নি। ওই ২০ আসনে জোটের শরিক দলগুলো নিজ নিজ প্রতীকের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করবে। আজ মনোনয়ন দাখিলে শেষ দিন।

৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বিএনপি জোটের আরও সপ্তাহখানেক সময় লাগতে পারে।

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে সমঝোতার ভিত্তিতে একজনকে রেখে বাকিদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। সমঝোতার ভিত্তিতেই জোট ও ঐক্যফ্রন্টের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে এই সময়ে। সূত্র জানায়, ২০-দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের সর্বোচ্চ ৬০ আসন ছাড়তে চায় বিএনপি। তবে দুই জোটের শরিকদের চাহিদা আরও বেশি। ২০-দলীয় জোটের শরিকদের জন্য ৪২ আসন ছাড় দিচ্ছে বিএনপি। এর মধ্যে সর্বাধিক আসন পাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। দলটিকে ২৪ আসনে ছাড় দেবে বিএনপি। জোটের শরিক এলডিপি পাচ্ছে চার আসন। তবে ১৮ আসন ছাড়তে চাইলে এখনও রাজি হয়নি ঐক্যফ্রন্টের শরিকরা। তাই আপাতত ৬০টিরও বেশি আসনে দুই জোটের শরিকরা মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে এখনও ১১ দিন সময় বাকি আছে। দুই জোটের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এই সময় অনেক।

আজ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকজন একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। এর বাইরে আপাতত প্রতি আসনেই মনোনয়নপত্র জমা দেবেন একাধিক প্রার্থী। জোটের শরিকদের ছাড় দেয়া আসনেও বিএনপি প্রার্থী রাখবে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনের একদিন আগে ৮ ডিসেম্বর ধানের শীষের একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুগান্তরকে বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেয়ার আগ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে দলীয় প্রার্থীর নাম জানানো হবে না। চিঠি পাঠিয়ে তারপর তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রার্থীদের নাম প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত সময় আছে। এ কারণে প্রার্থীদের চিঠি দেয়ার বিষয়ে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। প্রথম দিন সোমবার বিএনপি রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী বিভাগ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম বিভাগের আংশিক আসনের প্রার্থীদের চিঠি দেয়। প্রথম দিনে যেসব প্রার্থীকে ধানের শীষের চিঠি দেয়া হয় সেগুলো হচ্ছে-

রংপুর বিভাগ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ঠাকুরগাঁও-১)। রংপুর-১ মোকাররম হোসেন সুজন ও কামরুজ্জামান বাবু, রংপুর-২ ওয়াহিদুজ্জামান মামুন ও মোহাম্মদ আলী, রংপুর-৩ রিটা রহমান ও মোজাফফর আহমদ, রংপুর-৪ এমদাদুল হক ভরসা, আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা ও খলিলুর রহমান, রংপুর-৫ সোলায়মান আলম ও ডা. মমতাজ, রংপুর-৬ সাইফুল ইসলাম। আবুল হাসান কায়কোবাদ (কুড়িগ্রাম-১), আবু বকর সিদ্দিক (কুড়িগ্রাম-২), তাসভীরুল ইসলাম ও আবদুল খালেক (কুড়িগ্রাম-৩), আজিজুর রহমান ও মোকলেসুর রহমান (কুডিগ্রাম-৪), লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবীব দুলু। মোশারফ রহমান (লালমনিরহাট-১)। দিনাজপুর-১ মঞ্জুরুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, দিনাজপুর-২ সাদিক রিয়াজ ও পিনাক চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, দিনাজপুর-৪ হাফিজুর রহমান ও আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৫ এজেডএম রেজওয়ানুল হক ও জাকারিয়া বাচ্চু, দিনাজপুর-৬ লুৎফর রহমান মিন্টু ও শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল। ন্যান্সি রহমান ও রফিকুল ইসলাম (নীলফামারী-১), বেবী নাজনীন ও আমজাদ হোসেন (নীলফামারী-৪)।

বরিশাল বিভাগ
বরিশাল বিভাগে মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন- মতিউর রহমান তালুকদার ও নজরুল ইসলাম মোল্লা (বরগুনা-১) আসনে, নুরুল ইসলাম মনি (বরগুনা-২), আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও তার স্ত্রী সুরাইয়া আখতার চৌধুরী (পটুয়াখালী-১), শহীদুল আলম তালুকদার ও তার স্ত্রী সালমা আলম (পটুয়াখালী-২), হাসান মামুন ও মো. শাহজাহান (পটুয়াখালী-৩), এবিএম মোশাররফ হোসেন ও মনিরুজ্জামান মুনির (পটুয়াখালী-৪)। শাহজাহান ওমর (ঝালকাঠি-১), রফিকুল ইসলাম জামাল, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ও জেবা খান (ঝালকাঠি-২)। রুহুল আমিন দুলাল ও শাহজাহান মিয়া (পিরোজপুর-৩)। জহিরউদ্দিন স্বপন ও আবদুস সোবহান (বরিশাল-১), সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ও শহিদুল হক জামাল (বরিশাল-২), জয়নুল আবেদীন ও সেলিমা রহমান (বরিশাল-৩), মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ ও রাজীব আহসান (বরিশাল-৪), মজিবর রহমান সরোয়ার ও এমাদুল হক চাঁন (বরিশাল-৫), আবুল হোসেন খান ও রশিদ খান (বরিশাল-৬)। ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইব্রাহিম ও রফিকুল ইসলাম মনি, ভোলা-৩ আসনে মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ ও কামাল হোসেন, ভোলা-৪ আসনে নাজিমউদ্দিন আলম ও মো. নুরুল ইসলাম নয়ন। ভোলা-১ ও পিরোজপুর-১ আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে। এ দুটি আসন জোটের শরিকদের দেয়া হবে। ভোলা-১ বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ও পিরোজপুর-১ জাপা (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দারকে ছেড়ে দেয়া হতে পারে। এ ছাড়া পিরোজপুর-২ আসনটিও জোটকে দেয়া হতে পারে। তবে রাতে পিরোজপুর-১ ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেনকে চিঠি দেয়া হয়।

রাজশাহী বিভাগ
খালেদা জিয়া (বগুড়া-৬ ও ৭), মো. আমিনুল হক (রাজশাহী ১), মিজানুর রহমান মিনু ও সাঈদ হাসান (রাজশাহী-২), একেএম মতিউর রহমান মন্টু ও শফিকুল হক মিলন (রাজশাহী-৩), মো. নাদিম মোস্তফা, মো. আবু হেনা, মো. নুরুজ্জামান খান মনির ও মো. আ. গফুর (রাজশাহী ৪), আবু সাঈদ চাঁদ ও মো. নুরুজ্জামান খান মানিক (রাজশাহী-৬)। ফয়সাল আলীম ও মো. ফজলুর রহমান (জয়পুরহাট-১), মো. খলিলুর রহমান ও ইঞ্জি. গোলাম মোস্তফা (জয়পুরহাট-২)। ডা. সালেক চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান ও মাসুদ রানা (নওগাঁ-১), শামসুজ্জামান খান ও খাজা নজিব উল্লাহ চৌধুরী (নওগাঁ-২), রবিউল আলম বুলেট ও পারভেজ আরেফীন সিদ্দিকী (নওগাঁ-৩), শামসুল আলম প্রামাণিক ও একরামুল বারী দীপু (নওগাঁ-৪), জাহিদুল ইসলাম ও নজমুল হক সনি (নওগাঁ-৫), আলমগীর কবির ও শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু (নওগাঁ-৬)। মো. শাহজাহান মিয়া ও বেলালী বাকী ইদ্রিসি (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), বাইরুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), আবদুল ওয়াহেদ ও হারুনর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩)।

কনকচাঁপা ও নাজমুল হাসান রানা (সিরাজগঞ্জ-১), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও তার স্ত্রী রুমানা মাহমুদ (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মান্নান তালুকদার ও আইনুল হক (সিরাজগঞ্জ-৩), সিরাজগঞ্জ-৪, জামায়াতকে দেয়া হবে। রকিবুল করিম খান পাপ্পু ও আমিরুল ইসলাম খান আলিম (সিরাজগঞ্জ-৫), কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিশ ও এমএ মুহিত (সিরাজগঞ্জ-৬)। কামরুন্নাহার শিরিন ও তাইফুল ইসলাম টিপু (নাটোর-১), রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি (নাটোর-২), দাউদার মাহমুদ ও আনোয়ার ইসলাম আনু (নাটোর-৩), আবদুল আজিজ (নাটোর-৪)। একেএম সেলিম রেজা হাবিব (পাবনা-২)।

চট্টগ্রাম বিভাগ
নোয়াখালী ১ ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও মামুনুর রশিদ মামুন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবেদীন ফারুক ও জাফর ইকবাল, নোয়াখালী-৩ বরকত উল্লাহ বুলু, ডা. কাজী মাযহারুল ইসলাম, নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ শাহজাহান, মোসাম্মৎ শাহীনুর বেগম, নোয়াখালী ৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজিম। কক্সবাজার-১ হাসিনা আহম্মেদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ মো. সালাহউদ্দিন ও শাজাহান চৌধুরী। বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি, উম্মে কুলসুম সুলতানা, রাঙ্গামাটি দীপেন দেওয়ান ও মনি স্বপন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।

দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার বিএনপি খুলনা, সিলেট বিভাগ, ময়মনসিংহ সাংগঠনিক বিভাগ এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের আংশিক আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়। দ্বিতীয় দিনে যারা মনোনয়ন পেলেন-

ঢাকা বিভাগ
ঢাকা-২ আমানউল্লাহ আমান ও তার ছেলে ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও তার পুত্রবধূ নিপুণ রায় চৌধুরী, ঢাকা-৪ সালাহউদ্দিন আহমেদ ও তার পুত্র তানভীর আহমেদ রবীন, ঢাকা-৫ নবী উল্লাহ নবী ও অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ঢাকা-৬ ইঞ্জি. ইশরাক হোসেন ও কাজী আবুল বাশার, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, সাজ্জাদ জহির, ঢাকা-৯ আফরোজা আব্বাস, মির্জা আব্বাস ও হাবিবুর রশীদ হাবিব, ঢাকা-১০ আবদুল মান্নান, ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দিন অসীম ও শেখ রবিউল আলম রবি, ঢাকা-১১ শামীম আরা বেগম ও এজিএম শামসুল হক, ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নিরব ও আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ঢাকা-১৩ আবদুস সালাম ও আতাউর রহমান ঢালী, ঢাকা-১৪ এসএ সিদ্দিক সাজু ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক, ঢাকা-১৫ মামুন হাসান, ঢাকা-১৬ অধ্যাপক সাহিদা রফিক, আহসান উল্লাহ হাসান ও মোয়াজ্জেম হোসেন, ঢাকা-১৭ জামান কামাল, মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী ও ফরহাদ হালিম ডোনার, ঢাকা-১৮ এসএম জাহাঙ্গীর ও বাহাউদ্দিন সাদী, ঢাকা-১৯ দেওয়ান সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-২০ ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান।

নারায়ণগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, কাজী মনিরুজ্জামান মনির ও মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দীপু, নারায়ণগঞ্জ-২ মাহমুদুর রহমান সুমন, আতাউর রহমান খান আঙুর ও নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আজহারুল ইসলাম মান্নান ও খন্দকার আবু জাফর, নারায়ণগঞ্জ-৪ মোহাম্মদ শাহ আলম ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তবে এই আসন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে এসএম আকরামের নাম রয়েছে। নরসিংদী-১ খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-৩ সানাউল্লাহ মিয়া, মঞ্জুর এলাহী ও আকরামুল হাসান, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুল হাই। গাজীপুর-১ চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, গাজীপুর-২ সালাহউদ্দিন সরকার ও মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনটি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে, গাজীপুর-৪ রিয়াজুল হান্নান শাহ, গাজীপুর-৫ ফজলুল হক মিলন ও মনির হোসেন। ফরিদপুর-১ খন্দকার নাছিরুল ইসলাম ও শাহ মো. আবু জাফর, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ও শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও নায়েবা ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ ইকবাল হোসেন খন্দকার সেলিম ও শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা। রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মুহাম্মদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ নাসিরুল হক। গোপালগঞ্জ-১ সেলিমুজ্জামান সেলিম, গোপালগঞ্জ-২ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, গোপালগঞ্জ-৩ এসএম জিলানি। মাদারীপুর-১ সাজ্জাদ হোসেন লাভলু সিদ্দিকী, মাদারীপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, মাদারীপুর-৩ আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। শরীয়তপুর-১ সরদার নাছির উদ্দিন কালু, শরীয়তপুর-২ শফিকুর রহমান কিরণ, শরীয়তপুর-৩ মিয়া নুরুদ্দিন অপু। কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম খান চুন্নু, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল ইসলাম শরীফ এবং জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, কিশোরগঞ্জ-২ সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, কিশোরগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস, ভিপি সাইফুল ইসলাম সুমন, কিশোরগঞ্জ-৪ বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, সুরঞ্জন ঘোষ, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও তার ছেলে মাহমুদুর রহমান উজ্জ্বল, কিশোরগঞ্জ-৬ বিএনপি সভাপতি মো. শরীফুল আলম। টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ও সরকার শহীদ, টাঙ্গাইল-২ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও শামছুল আলম তোফা, টাঙ্গাইল-৩ মাঈনুল ইসলাম ও লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ লুৎফর রহমান মতিন ও ইঞ্জি. আবদুল হালিম, টাঙ্গাইল-৫ মেজর জে. (অব.) মাহমুদুল হাসান ও ছাইদুল হক ছাদু, টাঙ্গাইল-৬ অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী ও ন–র মোহাম্মদ খান ও টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ও সাইদুল ইসলাম খান, টাঙ্গাইল-৮ আসন এখনও ঘোষণা করা হয়নি। এ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ-১ অ্যাডভোকেট আফজাল এইচ খান, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আলী আসগর ও সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সারোয়ার ও অ্যাডভোকেট আবুল বাশার আকন্দ, ময়মনসিংহ-৩ ইঞ্জি. এম ইকবাল হোসাইন, আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ ও ডা. মো. আবদুস সেলিম, ময়মনসিংহ-৪ মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ও ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ময়মনসিংহ-৫ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৬ ইঞ্জি. শামসুদ্দিন আহমদ ও মো. আকতারুল আলম ফারুক, ময়মনসিংহ-৭ ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, জয়নাল আবেদীন ও আমিন সরকার, ময়মনসিংহ-৮ শাহ নুরুল কবির শাহীন ও লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী ও ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ এবি সিদ্দিকুর রহমান ও আকতারুজ্জামন বাচ্চু, ময়মনসিংহ-১১ ফকরুদ্দিন আহমদ বাচ্চু ও মোর্শেদ আলম, নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও গোলাম রব্বানী, নেত্রকোনা-২ আশরাফ উদ্দিন খান ও এটিএম আবদুল বারী ড্যানী, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী ও মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল, নেত্রকোনা-৪ তাহমিনা জামান শ্রাবণী ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল ফারুক, নেত্রকোনা-৫ আবু তাহের তালুকদার ও রাবেয়া আলী, জামালপুর-১ এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত) ও আবদুল কাইয়ুম, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, এএসএম আবদুল হালিম, জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও ব্যারিস্টার বাদল, জামালপুর-৪ ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন ও সিরাজুল হক, শেরপুর-১ মো. হজরত আলী, শেরপুর-২ একেএম মোখলেছুর রহমান রিপন ও ব্যারিস্টার হায়দার আলী, শেরপুর-৩ মাহমুদুল হক রুবল।

খুলনা বিভাগ
খুলনা-১ আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল ও শরীফ শাহ কামাল তাজ, খুলনা-৫ ড. মামুন রহমান, ডা. গাজী আবদুল হক। নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, নড়াইল-২ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপির) চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন। সাতক্ষীরা-১ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মেহেরপুর-১ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি মাসুদ অরুণ, মেহেরপুর-২ জাভেদ মাসুদ মিল্টন, চুয়াডাঙ্গা-১ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু, চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান ওরফে বাবু খান। কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা ও রমজান আলী, কুষ্টিয়া-২ ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩, অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও জাকির হোসেন সরকার, কুষ্টিয়া-৪ সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক, ঝিনাইদহ-১ কেন্দ্রীয় মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ এবং বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, ঝিনাইদহ-২ এসএম মশিউর রহমান এবং এমএ মজিদ, ঝিনাইদহ-৩ আসনে কণ্ঠশিল্পী মনির খান ও শহিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মেহেদী হাসান রনি, ঝিনাইদহ-৪ স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন খান, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী ও মোজাফফর হোসেন টুকু, যশোর-১ আসনে মফিজুল হাসান তৃপ্তি ও হাসান জহির, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যশোর-৪ টিএস আইয়ুব, মতিয়ার রহমান ফারাজী, সুকৃতি কুশার মণ্ডল, যশোর-৬ অমলেন্দু দাস অপু, আবুল হোসেন আজাদ ও আবদুস সামাদ বিশ্বাস। বাগেরহাট-১ শেখ মুজিবুর রহমান ও মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ও আকরাম হোসেন, বাগেরহাট-৩ ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-৪ খায়রুজ্জামান শিপন ও অধ্যক্ষ আবদুল আলিম (জামায়াত)।

সিলেট বিভাগ
সিলেট-১ ইনাম আহমদ চৌধুরী ও খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ শফি আহমদ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এমএ সালাম, সিলেট-৪ আসনের দিলদার হোসেন সেলিম ও অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান জামান, সিলেট-৬ ফয়সল আহমদ চৌধুরী। সুনামগঞ্জ-১ নজির হোসেন, কামরুজ্জামান কামরুল ও আনিসুল হক, সুনামগঞ্জ-২ নাছির উদ্দিন চৌধুরী ও তাহির রায়হান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া ও দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন আহমদ ও মিজানুর রহমান চৌধুরী। মৌলভীবাজার-১ এবাদুর রহমান চৌধুরী ও নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মুহাম্মদ মনসুর (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট), মৌলভীবাজার-৩ এম নাসের রহমান ও রেজিনা নাসের, মৌলভীবাজার-৪ মুজিবুর রহমান চৌধুরী ও মুঈদ আশিক চিশতী। হবিগঞ্জ-২ আসনে সাখাওয়াত হোসেন জীবন, হবিগঞ্জ-৩ আসনে জিকে গউছ।

চট্টগ্রাম বিভাগ
চট্টগ্রাম-১ কামাল উদ্দিন আহমেদ, নুরুল আমিন ও মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, চট্টগ্রাম-২ গোলাম আকবর খন্দকার, ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী ও মো. সালাহউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা ও নুরুল মোস্তফা খোকন, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) লায়ন আসলাম চৌধুরী ও এওয়াইবি সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন ও ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) কুতুব উদ্দিন বাহার ও শওকত আলীনুর, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) মোরশেদ খান ও আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৯ ডা. শাহাদাত হোসেন ও শামসুল আলম, চট্টগ্রাম-১০ আবদুল্লাহ আল নোমান ও মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) সারওয়ার জামাল নিজাম ও মোস্তাফিজুর রহমান। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও এমকে আনোয়ারের ছেলে, কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও তার ছেলে খন্দকার মারুফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিক, কুমিল্লা-৫ শওকত মাহমুদ ও অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস, কুমিল্লা-৬ আসনে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। লক্ষ্মীপুর-১ জোটের শরিকদের জন্য, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও হারুন-অর রশীদ, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সাহাব উদ্দিন সাবু, লক্ষ্মীপুর-৪ আশরাফ উদ্দিন নিজান ও শফিউল বারী বাবু। চাঁদপুর-১ এহসানুল হক মিলন ও মোশারফ হোসেন, চাঁদপুর-২ ড. জালালউদ্দিন ও তানভীর হুদা, চাঁদপুর-৩ ফরিদ আহমেদ মানিক ও রাশেদা বেগম হীরা, চাঁদপুর-৪ সাবেক এমপি লায়ন হারুন অর রশীদ ও এম হান্নান, চাঁদপুর-৫ ইঞ্জি. মমিনুল হক ও এমএ মতিন। ফেনী-২ ভিপি জয়নাল, ফেনী-৩ আবদুল লতিফ জনি ও আকবর হোসেন।

২০-দলীয় জোটের শরিকরা যেসব আসন পেলেন
২০-দলীয় জোটের শরিকরা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। মঙ্গলবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত মনোনয়নের চিঠি তাদের দেয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টিকে পাঁচটি আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তারা হলেন- দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান টিআই ফজলে রাব্বি (গাইবান্ধা-১), মোস্তফা জামাল হায়দার (পিরোজপুর-১), এসএমএম আলম (চাঁদপুর-৩), আহসান হাবীব লিংকন (কুষ্টিয়া-২) ও সেলিম মাস্টার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩)। এ ছাড়া ভোলা-১ আসনে বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, নড়াইল-২ এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, চট্টগ্রাম-৫ আসনে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির অলি আহমেদ, কুমিল্লা-৭ রেদোয়ান আহমেদ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে সাহাদাত হোসেন সেলিম, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর শাহিনুর পাশা।

নাগরিক ঐক্যকে ৯ আসন : জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্যকে ৯ আসন দিচ্ছে বিএনপি। এই ৯ জনের বেশিরভাগ নেতাকে সোমবার রাতে মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়েছে। নাগরিক ঐক্য থেকে যারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন তারা হলেন- বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ঐক্যের উপদেষ্টা এসএম আকরাম, ময়মনসিংহ-২ আসনে অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মোবারক হোসেন, চাঁদপুর-৩ আসনে ফজলুল হক সরকার, সাতক্ষীরা-২ আসনে রবিউল ইসলাম, রংপুর-১ আসনে শাহ মো. রহমতউল্লাহ, রংপুর-৫ আসনে মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, বরিশাল-৪ আসনে কেএম নুরুর রহমান।

Facebook Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here